Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

এমন মধুর সন্ধ্যায় এক কি থাকা যায়। এমন মধুর সন্ধ্যায় এক কি থাকা যায়। খুঁজে নাও, বেছে নাও, তুমি সাথী
Male version: কতবার তোর বাড়ি গিয়ে ফিরে, ফিরে এলাম আমার মতে তোর মতন কেউ নেই । কতবার তোর জানলা দিয়ে
আ হা হুম আমায় তুমি যে ভালবেসেছ জীবনে যে তাই দোলা লাগান প্রানের পরির ঘুম ভাঙ্গান আমায় তুমি যে ভালবেসেছ
আমি         তারেই খুঁজে বেড়াই যে রয় মনে আমার মনে । সে           আছে
গৌরীশৃঙ্গ তুলেছে শির বহিছে সিন্ধু গর্জমান ভল্গা যমুনা রাইনে নাইলে মিসিসিপি মিলে তুলেছে তান নওজওয়ান গৌরীশৃঙ্গ তুলেছে শির বহিছে সিন্ধু
ইয়া চণ্ডী মধুকৈটবধী দৈত্যদলনী ইয়া মহিষিসোমলিনী ইয়া ধুম্রকেশনা চণ্ডমুণ্ডমাদনী ইয়া রক্তবীজাশনী শক্তি শুম্ভ-নিশুম্ভ দৈত্যদলনী ইয়া সিদ্ধিদাত্রী পারা সা দেবী নবকোদিমূর্তিসাহিতা
ও আধো আলো ছায়াতে কিছু ভালোবাসাতে আধো আলো ছায়াতে কিছু ভালোবাসাতে আজ মন ভরাতে হবে বলো কার কারো ন​য় শুধু
আঁকা বাঁকা পথে যদি মন হয়ে যায় নদী তীর ছুঁয়ে বসে থাকি না আমাকে ধরে রাখি না আঁকা বাঁকা পথে
লীলাবালি লীলাবালি বড় যুবতী সই মোর বড় যুবতী ঘরে কি দিয়া সাজাইমু তোরে। লীলাবালি লীলাবালি বড় যুবতী সই মোর বড়
নদীর যেমন ঝর্ণা আছেঝর্ণারও নদী আছে।আমার আছো তুমি শুধু তুমি।আমার আছো তুমি শুধু তুমি। বাঁশীর যেমন কৃষ্ণ আছেকৃষ্ণেরও বাঁশী আছে।আমার
না, মন লাগে না। এ জীবনে কিছু যেন ভাল লাগেনা। না, মন লাগে না। এ জীবনে কিছু যেন ভাল লাগেনা।
মানুষ ছাড়া ক্ষ্যাপা রে তুই মূল হারাবি। মানুষ ছাড়া ক্ষ্যাপা রে তুই মূল হারাবি। মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি। ও
কারার ঐ লৌহকপাট, ভেঙ্গে ফেল কর রে লোপাট, রক্ত-জমাট শিকল পূজার পাষাণ-বেদী। কারার ঐ লৌহকপাট, ভেঙে ফেল কর রে লোপাট,
কিছুদিন মনে মনে- কিছুদিন মনে মনে ঘরের কোণে শ্যামের পিরিত রাখ গোপনে। কিছুদিন মনে মনে- ইশারায় কইবি কথা গোঠে মাঠে,
ও মা গো মা অন্যকিছু গল্প বলো এক যে ছিল রাজা রাণী অনেক হল​। ও মা গো মা অন্যকিছু গল্প
এক ঝাঁক পাখিদের মত কিছু রোদ্দুর বাধা ভেঙ্গে জানলার শার্শী সমুদ্দুর একঝাঁক পাখিদের মত কিছু রোদ্দুর এল আঁধারের শত্তুর। এক
দোলে দোদুল দোলে ঝুলনা । দোলে দোদুল দোলে ঝুলনা । দোলে কৃষ্ণ দোলে ঝুলনা । দোলে রাই দোলে ঝুলনা ।
আমার মালতীলতা কি আবেশে দোলে, আমি সে কথা জানি না আমায় কে গো দেবে বলে। আমার মালতীলতা ওগো কি আবেশে
অলিরও কথা শুনে বকুল হাসে কই তাহার মত তুমি আমার কথা শুনে হাসো না তো ! ধরারও ধুলিতে যে ফাগুন
শ্রীমৎ আদি শঙ্করাচার্য রচিত মহিষাসুরমর্দিনী স্তোত্রম্ ।।১।। অয়ি গিরিনন্দিনি নন্দিতমেদিনি বিশ্ব-বিনোদিনি নন্দনুতে গিরিবরবিন্ধ  শিরো‌ধিনিবাসিনি বিষ্ণু-বিলাসিনি জিষ্ণুনুতে, ভগবতি হে শিতিকণ্ঠ-কুটুম্বিণি ভূরিকুটুম্বিণি
বিমূর্ত এই রাত্রি আমার মৌনতার সুতোয় বোনা একটি রঙ্গিন চাদর। সেই চাদরের ভাঁজে ভাঁজে নিঃশ্বাসেরই ছোঁয়া। আছে ভালবাসা, আদর। কামনার
হাতে ছিলো মশাল আর ধোঁয়াতে যে হারিয়েছে প্রমান। সে ভেবেছিলো খবর ঢেকে যাবে উড়ে যাবে বিমান। হাতে ছিলো মশাল আর
বঁধুয়া, নিদ নাহি আঁখিপাতে। আমিও একাকী, তুমিও একাকী আজি এ বাদল-রাতে। ডাকিছে দাদুরী মিলনতিয়াসে ঝিল্লি ডাকিছে উল্লাসে। পল্লীর বধু বিরহী
জানো যদি এ মন কি চায় জানো যদি এ মন কি চায় তবে কেন সরে আছো তুমি ক্ষতি কি আর

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V