Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

আঁকা বাঁকা পথে যদি মন হয়ে যায় নদী তীর ছুঁয়ে বসে থাকি না আমাকে ধরে রাখি না আঁকা বাঁকা পথে
ওরে ছেড়ে দিলে সোনার গৌর ক্ষ্যাপা ছেড়ে দিলে সোনার গৌর আমরা আর পাব না, আর পাব না - তোমায় হৃদ
এমন মানব জনম আর কি হবে ? মন যা কর ত্বরায় কর এই ভবে।। অনন্ত রূপ সৃষ্টি করলেন সাঁই শুনি
না যেও না, না যেও না, রজনী এখনও বাকী আরও কিছু দিতে বাকী বলে রাত জাগা পাখি। না যেও না।
কি গাব আমি কি শুনাব​, আজি আনন্দধামে। কি গাব আমি কি শুনাব​, আজি আনন্দধামে। পুরবাসী জনে এনাছি ডেকে তোমার অমৃতনামে।
মিথ্যে কথা এতো বোলো না, রাত্রি জাগা এতো ভালো না। মিথ্যে কথা এতো বোলো না, রাত্রি জাগা এতো ভালো না।
পুব​-হাওয়াতে দেয় দোলা আজ মরি মরি। পুব​-হাওয়াতে দেয় দোলা... হৃদ​য় নদীর কূলে কূলে জাগে লহরী। মরি মরি পুব​-হাওয়াতে দেয় দোলা
সাসাগারেগাসারে সাসাগারেগাসারে সাসাগারেগারেগা সা সাসাগারেগাসারে সাসাগারেগাসারে সাসাগারেগারেগা সা ঝিরি ঝিরি ঝিরি ঝিরি ঝিরি ঝিরি ঝিরি ঝিরি ঝিরি ঝিরি ঝিরি ঝিরি
মোর ঘুম ঘোরে এলে মনহর নম নম নম নম নম নম । মোর ঘুম ঘোরে এলে মনহর নম নম নম
জানা অজানা পথে চলেছি জানা অজানা পথে চলেছি একে একে দুই দুয়ে একে তিন হয়েছি জানা অজানা পথে চলেছি জানা
বৈষ্ণব সেই জন পাশে থাকে আজীবন পরেরও বেদন-ব্যথা জানে রে। বৈষ্ণব সেই জন পাশে থাকে আজীবন পরেরও বেদন-ব্যথা জানে রে।
আমি কোন পথে যে চলি কোন কথা যে বলি তোমায় সামনে পেয়েও খুঁজে বেরাই মনের চোরাগলি ।। সেই গলিতেই ঢুকতে
ভালবাসার আগুন জ্বেলে কেন চলে যায় ভালবাসার আগুন জ্বেলে কেন চলে যায় ব্যাথার বাতাস কেঁদে মরে ব্যাথার বাতাস কেঁদে মরে
ইস দেবাশিস, তুমি বড়ো হয়ে গেছ দেবাশীষ। ইশ দেবাশীষ, চেনা ঠিকানার নেই হদিশ। ইশ দেবাশিস, বয়ে গেলো শুধু বছরের ঢেউ।
টিয়া টিয়া টিয়া অজ পাড়াগাঁয়ে থাকে টেরা চোখে তাকায় টিয়া নোলক পরা নাকে টিয়া টিয়া টিয়া অজ পাড়াগাঁয়ে থাকে টেরা
ও রি কিসুক রাই জিয়া রা সাঁইয়া কে য়াদ যো আয়ে শুনা পরা হে মেরা আঙ্গনা দি যো সন্দেশা ভিজাইকে
ওরে গেইলে কি আসিবেন মোর মাহুত বন্ধুরে? ওরে গেইলে কি আসিবেন মোর মাহুত বন্ধুরে? হস্তির নড়ান হস্তির চড়ান হস্তির গলায়
ও সে হোক না কালো আমার ভাল চোখে লেগেছে। ও সে হোক না কালো আমার ভাল চোখে লেগেছে। বটগাছের আঠার
মেঘ-বিহীন খর-বৈশাখে মেঘ-বিহীন খর-বৈশাখে তৃষায় কাতর চাতকী ডাকে। মেঘ-বিহীন খর-বৈশাখে সমাধি-মগ্না উমা তপতী – সমাধি-মগ্না উমা তপতী – রৌদ্র যেন
এ গানে প্রজাপতি পাখায় পাখায় রঙ ছ​ড়ায়​ এ গানে রামধনু তার সাতটি রঙের দোল​ ঝরায়। এ গানে প্রজাপতি পাখায় পাখায়
কোথাও আমার হারিয়ে যাওয়ার নেই মানা মনে মনে । মেলে দিলেম গানের সুরের এই ডানা মনে মনে । কোথাও আমার
'আমি পথ ভোলা এক পথিক এসেছি । সন্ধ্যাবেলার চামেলি গো,  সকালবেলার মল্লিকা আমায় চেন কি ।' 'চিনি তোমায় চিনি, নবীন
লাল পাহাড়ের দেশে যা রাঙা মাটির দেশে যা হিতাক তোকে মানাইছেনাই রে এক্কেবারে মানাইছেনাই রে লাল পাহাড়ের দেশে যাবি হাড়িয়া
যাবার বেলায় পিছু থেকে ডাক দিয়ে কেন বল কাঁদালে আমায় যাবার বেলায় পিছু থেকে ডাক দিয়ে কেন বল কাঁদালে আমায়

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V