Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

বল না রে মন কোথায় যাবি, কোথায় গেলে শান্তি পাবি। বল না রে মন কোথায় যাবি, কোথায় গেলে শান্তি পাবি।
হু হু হু হুহুহু হুহু লালা লা লালা লালা ওপারে থাকব আমি তুমি রইবে এপারে শুধু আমার দুচোখ ভরে দেখবো
ঘুম ঘুম চাঁদ ঝিকিমিকি তারা এই মাধবী রাত আসেনিতো বুঝি আর জীবনে আমার । ঘুম ঘুম চাঁদ ঝিকিমিকি তারা এই
জাগো তুমি জাগো জাগো দুর্গা জাগো দশপ্রহরণধারিণী অভ​য়া শক্তি বলপ্রদায়িনী তুমি জাগো জাগো তুমি জাগো প্রণমি বরদা অজরা অতুলা প্রণমি
দে মা তবিলদারি, আমায় দে মা তবিলদারি, আমি নেমকহারাম নই শঙ্করী। পদরত্নভান্ডার সবাই লুটে ইহা আমি সইতে নারি, দে মা
মনের হদিস কেই বা জানে? সে হদিস কেই বা জানে? কি যে থাকে মনের ঘরে! কেউ জানে না, কেউ জানে
বড় সঙ্কটে পড়িয়া দয়াল বারে বার ডাকি তোমায়।। ক্ষম ক্ষম অপরাধ দাসের পানে একবার চাও হে দয়াময়। তোমার ক্ষমতায় আমি
ওগো নিরুপমা করিও ক্ষমা তোমাকে আমার ঘরনি করিতে আমার মনের দোসর করিতে পারিলামনা পারিলামনা তো কিছুতেই ওগো নিরুপমা হয়তো তোমার
মন লাগে না তুমি বিনা মোর জীবন যেন চাঁদনি বিহীনা রজনী হায় আ আআ আআআ আ আ আ নিশিদিন নিশিদিন
সা নি সা সা সা সা সা রে সা সা সা সা সা রে সা রে ধা পা নি। সা
ফেটে গেল ফেটে গেল কালিরামের ঢোল সে এক দাঁড়কাকের সাধ হল কোকিলা সাজিতে পড়ল ধরা কাকা রবে তার সে জারিজুরি
তোমাদের আসরে আজ এই তো প্রথম গাইতে আসা তোমাদের আসরে আজ এই তো প্রথম গাইতে আসা বিনিময়ে চাই তোমাদের প্রশংসা
একটুখানি পাশ ফিরেছি একটুখানি পাশ ফিরেছি সারা নিশি মালা গেঁথে। একটুখানি পাশ ফিরেছি সারা নিশি মালা গেঁথে। কে আবার এলি
এ কোন সকাল রাতের চেয়েও অন্ধকার- এ কোন সকাল রাতের চেয়েও অন্ধকার! এ কোন সকাল রাতের চেয়েও অন্ধকার! ও কি
ওরে বাবা দেখ চেয়ে কত সেনা চলেছে সমরে! ওরে বাবা দেখ চেয়ে কত সেনা চলেছে সমরে! কত সেনা! কত সেনা!
পরিয়ে কৌপনি ধ্বজা মজা উড়ালো ফকিরী । দেখ না মন ঝাকমারি এই দুনিয়াদারি ।। বড় আশার বাসা এ ঘর পড়ে
সুবি রুবি রা তু তুতু তুরু তু রুরু রা তা সুবি রুবি রা তু তুতু তুরু তু রুরু রা তা
চোখে চোখে কথা বল, মুখে কিছু বলনা। মন নিয়ে খেলা করো, এ কি ছলনা। চোখে চোখে হা কথা বল, মুখে
প্রতিমা বন্দ্যোপাধ্যায় ------------------------ নাও গান ভরে, নাও প্রাণ ভরে সুরে যাই যেখানে প্রান্তর সোনার ধানের শীষে ডাকে সেখানে সোনা ভরা
আমি সাগরের বেলা, তুমি দুরন্ত ঢেউ বারে বারে শুধু আঘাত করিয়া যাও। ধরা দেবে বলে আশা করে রই তবু ধরা
মাধবী মধুপে হল মিতালি এই বুঝি জীবনের মধু গীতালি মাধবী মধুপে হল মিতালি এই বুঝি জীবনের মধু গীতালি জ্বলে দেখি
ওগো যা পেয়েছি সেইটুকুতেই খুশি আমার মন​ কেন একলা বসে হিসেব কষে নিজেরে আর কাঁদাই অকারণ​। চৈত্রবেলায় ঝরা পাতার কান্না
বঁধু, কোন আলো লাগল চোখে ! বুঝি দীপ্তিরূপে ছিলে  সূর্যলোকে ! ছিল মন তোমারি প্রতিক্ষা করি যুগে যুগে দিন রাত্রি  ধরি
আমার ভিনদেশী তারা একা রাতেরই আকাশে তুমি বাজালে একতারা আমার চিলেকোঠার পাশে। ঠিক সন্ধ্যে নামার মুখে তোমার নাম ধরে কেউ

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V