Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

গঙ্গা আমার মা পদ্মা আমার মা ও ও আমার দুই চোখে দুই জলের ধারা মেঘনা যমুনা। গঙ্গা আমার মা পদ্মা
আমার এ পথ তোমার পথের থেকে অনেক দূরে গেছে বেঁকে গেছে বেঁকে আমার ফুলে আর কি কবে তোমার মালা গাঁথা
আমার সারাটা দিন মেঘলা আকাশ বৃষ্টি তোমাকে দিলাম আমার সারাটা দিন মেঘলা আকাশ বৃষ্টি তোমাকে দিলাম শুধু শ্রাবণ সন্ধ্যাটুকু তোমার
আমি   রূপে তোমায় ভোলাব না, ভালবাসায় ভোলাব । আমি   হাত দিয়ে দ্বার খুলবো না গো, গান দিয়ে  দ্বার খোলাব ।।    
মন লাগে না তুমি বিনা মোর জীবন যেন চাঁদনি বিহীনা রজনী হায় আ আআ আআআ আ আ আ নিশিদিন নিশিদিন
হায় রে পোড়া বাঁশি ঘরেতে ও রইতে দিলো না ঘরেতে হায় রে পোড়া বাঁশি ঘরেতে ও রইতে দিলো না ঘরেতে
আজ তবে এইটুকু থাক, বাকি কথা পরে হবে। ধূসর ধূলির পথ, ভেঙে পড়ে আছে রথ, বহুদূর দূর যেতে হবে। আজ
'আমি পথ ভোলা এক পথিক এসেছি । সন্ধ্যাবেলার চামেলি গো,  সকালবেলার মল্লিকা আমায় চেন কি ।' 'চিনি তোমায় চিনি, নবীন
কিছু কথা ছিল চোখে কিছু কথা ছিল মুখে হু হু হু হু হু হু বাজে সে সুর বুকে কিছু কথা
কঠিন, তোমাকে ছাড়া একদিন কাটানো একরাত, বাড়াও দু হাত হয়ে যাও আজ বাধাবিহীন। বলো, কবিতা হয়ে চলো বাগানে দাবানল জমানো
কে জানে ক'ঘন্টা পাবে রে জীবনটা? কে জানে ক'ঘন্টা পাবে রে জীবনটা? যেটুকু চোখে পরে মনে ধরে নিয়ে যা। যে
তুই ফেলে এসেছিস কারে মন, মন রে আমার| তাই জনম গেল,শান্তি পেলি না রে মন, মন রে আমার|| যে পথ
প্রেমে পড়া বারণ, কারণে অকারণ আঙুলে আঙ্গুল রাখলেও হাত ধরা বারণ। প্রেমে পড়া বারণ, কারণে অকারণ আঙুলে আঙ্গুল রাখলেও হাত
শীতের হাওয়ার লাগল নাচন আমলকির এই ডালে ডালে । পাতাগুলি শিরশিরিয়ে ঝরিয়ে  দিল  তালে  তালে || উড়িয়ে  দেবার  মাতন  এসে  কাঙাল তারে
মরি হায় গো হায়। মরি হায় গো হায়। এলে যখন আমার ভাঙ্গা ঘরে শূন্য আঙিনায়। মরি হায় গো হায়। তখন
মাধবী মধুপে হল মিতালি এই বুঝি জীবনের মধু গীতালি মাধবী মধুপে হল মিতালি এই বুঝি জীবনের মধু গীতালি জ্বলে দেখি
ও বাঁশি হায় বাঁশি কেন গায় আমারে কাঁদায় কে গেছে হারায় স্মরণের বেদনায় কেন মনে এনে দেয় আ আ বাঁশি
আজ নতুন প্রভাত জাগে, যেন নতুন সে রং লাগে। চকিত এ মনে গভীর যতনে, চকিত এ মনে গভীর যতনে পসিল
আমি      চিনি গো চিনি   তোমারে ওগো বিদেশিনী । তুমি       থাক সিন্ধুপারে   ওগো বিদেশিনী ।।       
আমরা মলয় বাতাসে ভেসে যাবো শুধু কুসুমের মধু করিবো পান। মলয় বাতাসে ভেসে যাবো শুধু কুসুমের মধু করিবো পান। ঘুমাবো
সেদিন দুজনে দুলেছিনু বনে,  ফুলডরে বাঁধা ঝুলনা । সেই স্মৃতিটুকু  কভু খনে খনে  যেন জাগে মনে, ভুল না।। সেদিন বাতাসে ছিল
মায়াবনবিহারিনী হরিণী গহন স্বপন সঞ্চারিনী কেন তারে ধরিবারে করি পণ অকারণ মায়াবনবিহারিনী মায়াবনবিহারিনী হরিণী গহন স্বপন সঞ্চারিনী কেন তারে ধরিবারে
এমন মধুর সন্ধ্যায় এক কি থাকা যায়। এমন মধুর সন্ধ্যায় এক কি থাকা যায়। খুঁজে নাও, বেছে নাও, তুমি সাথী
এই ভালো এই খারাপ ও প্রেম মানে মিষ্টি পাপ চলো মানে মানে দিয়ে ফেলি ডুব তুমি আমি মিলে। দুজনেই মনটাকে

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V