Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

ফাগুনেরও মোহনায় ফাগুনেরও মোহনায় মন মাতানো মহুয়ায় রঙ্গীন এ বিহুর নেশা কোন আকাশে নিয়ে যায় ফাগুনেরও মোহনায় ফাগুনেরও মোহনায় মন
খোঁপার ওই গোলাপ দিয়ে - মনটা কেন এত কাছে আনলে ? খোঁপার ওই গোলাপ দিয়ে - মনটা কেন এত কাছে
আমি   হৃদয়ের কথা বলিতে ব্যাকুল, শুধাইল না কেহ। সে তো  এল না যারে সঁপিলাম এই প্রাণ মন দেহ।। সে
না, মন লাগে না। এ জীবনে কিছু যেন ভাল লাগেনা। না, মন লাগে না। এ জীবনে কিছু যেন ভাল লাগেনা।
গুল–বাগিচার বুলবুলি আমি রঙিন প্রেমের গাই গজল, হায়। অনুরাগের লাল শারাব মোর আঁখি ঝলে ঝলমল, হায়। আমার গানের মদির ছোঁয়ায়
ফাঁকা ফ্রেম আর অকেজো হাতঘড়ি নিয়ে এখন আমি কি করি? অ্যান্টেনায় আর অশ্বত্থের ডালে ঝুলে থাকি প্রতেক সকালে শহুরে সন্ধ্যায়
ঘরেতে ভ্রমর এল গুনগুনিয়ে। ঘরেতে ভ্রমর এল গুনগুনিয়ে। আমারে কার কথা সে যায় শুনিয়ে। ঘরেতে ভ্রমর এল গুনগুনিয়ে। আলোতে কোন
যদি কেড়ে নিতে বলে কবিতা ঠাসা খাতা জেনো কেড়ে নিতে দেবো না। যদি ছেড়ে যেতে বলে শহুরে কথকতা জেনো আমি
হায় হায় প্রাণ যায়, প্রাণ যায় যায় প্রাণ যায়। চোখ তারি, যেন কাটারি, দিল খুনে খুনে ভরে যায়। হে হে
আজ তবে এইটুকু থাক, বাকি কথা পরে হবে। ধূসর ধূলির পথ, ভেঙে পড়ে আছে রথ, বহুদূর দূর যেতে হবে। আজ
ওরে ভাই, ফাগুন লেগেছে বনে বনে - ডালে ডালে ফুলে ফলে পাতায় পাতায় রে, আড়ালে আড়ালে কোণে কোণে ।। রঙে রঙে রঙিল আকাশ ,
সোনা আজ শেষ করো দিন গোনা বুঝেও কেন বুঝ্ঝো না আমি হেব্বি রোম্যান্টিক আর অল্প ডিমান্ডিং। রানী তুমি আর সেজোনা
ওরে সুজন নাইয়া ওরে সুজন নাইয়া কোন বা কন্যার দেশে যাও রে চাঁদের ডিঙ্গা বাইয়া? ওরে সুজন নাইয়া- গ্রহ তারার
মনে মেঘ জমতে থাকে পড়ে যাই দুর্বিপাকে। মনে মেঘ জমতে থাকে পড়ে যাই দুর্বিপাকে। চিন্তা তে তোর, কাটছে প্রহর শান্তি
মরি কি আফসোসে তোমায় ভালবেসে মরি কি আফসোসে তোমায় ভালবেসে বিধুমুখী এই কি তোমার ভালবাসার গুণ? মরি কি আফসোসে তোমায়
ফুল কেন লাল হ​য় সেকি জানা যায় ভালোবাসি এই কথা কি মুখে বলা যায় ফুল কেন লাল হ​য় সেকি জানা
কথা ছিলো বাকি সন্ধ্যা জোনাকি হঠাৎ তারারা ডাকে আয় ঘাসের চাদরে ঘুমের আদরে রাত কেন ব​য়ে চলে যায় ঘুম আসে
ওগো বেশি দাম বল কার ওই চন্দ্রমুখ না এই চন্দ্র হার ওই চন্দ্রমুখ না এই চন্দ্র হার কিভাবে তুলনা করি
ও ঝর ঝর ঝরনা, ও রূপালী বর্ণা ও ও ঝর ঝর ঝরনা, ও রূপালী বর্ণা ওরে হারায়েছে প্রাণ মন আমার
হাজার অতীত জন্ম-দাগের মতোফুটে থাকে তারায় তারায়।কে যেন ছিলাম, মনে তো পড়ে নাছায়াপথ শরীরে হারায়।কে আমি কোথায়!কে আমি কোথায়!কে আমি
বনমালী গো তুমি আমারই মত পর জনমে হইয় রাধা। আমি মরিয়া হইব শ্রীনন্দের নন্দন তখন​ তোমাকে বানাইব রাধা। বনমালী গো
জেনেছি জেনেছি তারা, তুমি জানো ভোজের বাজি। জেনেছি জেনেছি তারা, তুমি জানো ভোজের বাজি। যে তোমায় যেভাবে ডাকে তাতে তুমি
ছিন্ন পাতার সাজাই তরণী, একা একা করি খেলা- আনমনা যেন দিকবালিকার আনমনা যেন দিকবালিকার ভাসানো মেঘের ভেলা। ছিন্ন পাতার সাজাই
যাও পাখি বল হাওয়া ছল ছল আবছায়া জানলার কাঁচ আমি কি আমাকে হারিয়েছি বাঁকে রুপকথা আনাচে -কানাচ আঙুলের কোলে জ্বলে

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V