Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

তোমারি বাঁকা- ও চোখ ঝিলিক- মারে ঝিকিমিকি। জ্বলছে এ বুকে যে তুষের আগুন ধিকিধিকি। তোমারি বাঁকা- ও চোখ- একি বল
তোমার দুটি চোখে ওই যে মিষ্টি হাসি আমায় কাছে ডেকে বলে ভালবাসি তোমার দুটি চোখে ওই যে মিষ্টি হাসি আমায়
দূরে আকাশ সামিয়ানায় দূরে আকাশ সামিয়ানায় প্রদীপ জ্বালায় তারায় জেগে জেগে কি যে ভাবি কে জানে মন ছাড়া দূরে আকাশ
গৌরীশৃঙ্গ তুলেছে শির বহিছে সিন্ধু গর্জমান ভল্গা যমুনা রাইনে নাইলে মিসিসিপি মিলে তুলেছে তান নওজওয়ান গৌরীশৃঙ্গ তুলেছে শির বহিছে সিন্ধু
ও হো হো হো ও ও ও আ আ আ আ আ হো হোহোহো হো হোহো হোহো হোহো আ আ
বিধির বাঁধন কাটবে তুমি এমন শক্তিমান - তুমি কি এমনি শক্তিমান ! আমাদের ভাঙাগড়া তোমার হাতে এমন অভিমান - তোমাদের এমনি অভিমান ।। চিরদিন টানবে
উঠ গো ভারত-লক্ষ্মী, উঠ আদি-জগত-জন-পূজ্যা, উঠ গো ভারত-লক্ষ্মী, উঠ আদি-জগত-জন-পূজ্যা, দুঃখ দৈন্য সব নাশি করো দূরিত ভারত-লজ্জা। দুঃখ দৈন্য সব
চাঁদের গায়ে চাঁদ লেগেছে           আমরা ভেবে করবো কি ঝিয়ের পেটে মায়ের জন্ম      
চল্‌ চল্ চল্ চল্‌ চল্ চল্ ঊর্দ্ধ গগনে বাজে মাদল, নিম্নে উতলা ধরণী তল অরুণ প্রাতের তরুণ দল চল্‌ রে
ওই বিহুর ডাকে যায় ভেসে মন​ মন পাখি যায় রে বাঁকে আজ পরব দিনে আসাম গেছে মন আমার ধামসার তালে
আলগা করো গো খোপার বাঁধন দিল ওহি মেরা ফাস গায়ি দিল ওহি মেরা ফাস গায়ি আলগা করো গো খোপার বাঁধন
ও ঝিংনানা ঝিংনানা ঝিংনানা ঝিংনানা রে ঝিংনানা ওহ ঝিংনানা আরে ঝিংনানা ঝিংনানা রে ঝিংনানা ওহে ঝিংনানা এহে ঝিংনানা ঝিংনানা রে।
লাগে দোল লাগে দোল লাগে দোল পাতায় পাতায় বকুল বনের শাখে। কে যাবি, কে যাবি আয় ছুটে, আয় ছুটে মন
তুমি যে আমার ওগো তুমি যে আমার । তুমি যে আমার ওগো তুমি যে আমার । কানে কানে শুধু একবার
ওরা অকারণে চঞ্চল ওরা অকারণে চঞ্চল ডালে ডালে দোলে বায়ু হিল্লোলে নবপল্লবদল ওরা অকারণে চঞ্চল ওরা অকারণে চঞ্চল ছ​ড়ায়ে ছ​ড়ায়ে
কতদিন দেখিনি তোমায়। তবু মনে পড়ে তব মুখখানি। স্মৃতির মুকুরে মম আজ, তবু ছায়া পড়ে রানী। কতদিন, কতদিন দেখিনি তোমায়।
ওরে ও ভাবের নাগরী নবীন বয়াসে যৌবন দুধ কলাতে পোষা সাপ আরে ও রসের নাগরা আ সেই সাপ ছোবল দিলেও
এমন আমি ঘর বেঁধেছি পাহাড়ে যার ঠিকানা নাই স্বপনের সিঁড়ি দিয়ে যেখানে পৌঁছে আমি যাই এমন আমি ঘর বেঁধেছি পাহাড়ে
হে হে হেহে হে হে উ উ উ মনে পড়ে রুবি রায় মনে পড়ে রুবি রায়, কবিতায় তোমাকে একদিন কত
ওরে গৃহবাসী খোল, দ্বার খোল, লাগলো যে দোল । স্থলে জলে বনতলে লাগলো যে দোল । দ্বার খোল, দ্বার খোল ।।
খেলা শেষ মুখ ভাসে বেলা শেষ ঘুম আসে। খেলা শেষ মুখ ভাসে বেলা শেষ ঘুম আসে। মেঘ ঢেউ যায় ভেসে
একটা সময় তোরে আমার সবই ভাবিতাম তোরে মন পিঞ্জরে যতন করে আগলায়া রাখতাম তোর হাসি মুখের ছবি দেইখা দুঃখ পুষাইতাম,
পথ হারাব বলেই এবার পথে নেমেছি, সোজা পথের ধাঁধাঁয় আমি অনেক ধেঁধেছি। পথ হারাব বলেই এবার পথে নেমেছি। নিষেধের পাহারাতে
মানুষ ছাড়া ক্ষ্যাপা রে তুই মূল হারাবি। মানুষ ছাড়া ক্ষ্যাপা রে তুই মূল হারাবি। মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি। ও

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V