Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

আ আ যখন কেউ আমাকে পাগল বলে, যখন কেউ আমাকে পাগল বলে, তার প্রতিবাদ করি আমি। যখন তুমি আমায় পাগল
আমি সাগরের বেলা, তুমি দুরন্ত ঢেউ বারে বারে শুধু আঘাত করিয়া যাও। ধরা দেবে বলে আশা করে রই তবু ধরা
ও যে মানে না মানা। আঁখি ফিরাইলে বলে, 'না, না, না।' ও যে মানে না মানা। আঁখি ফিরাইলে বলে, 'না,
ধরো হাল শক্ত হাতে ভয় কি নদীর সাথে ধরো হাল শক্ত হাতে ভয় কি নদীর সাথে টলবে না নৌকা ভীষণ
খোঁপার ওই গোলাপ দিয়ে - মনটা কেন এত কাছে আনলে ? খোঁপার ওই গোলাপ দিয়ে - মনটা কেন এত কাছে
ক্ষমা করো আমি ভালো নেই ক্ষমা করো আমি ভালো নেই এলোমেলো হয়ে গেছি, যেন সব হারিয়েছি, হে বসন্ত বিদায়। ক্ষমা
জানো যদি এ মন কি চায় জানো যদি এ মন কি চায় তবে কেন সরে আছো তুমি ক্ষতি কি আর
হো হো হো হো হো হো হো হো হো বিস্তীর্ণ দুপারের, অসংখ্য মানুষের হাহাকার শুনেও নিঃশব্দে নীরবে, ও গঙ্গা তুমি
না, মন লাগে না। এ জীবনে কিছু যেন ভাল লাগেনা। না, মন লাগে না। এ জীবনে কিছু যেন ভাল লাগেনা।
তু রুরু রুরু রুরুরু রু ফিরে এসো অনুরাধা ভেঙ্গে দিয়ে সব বাধা। প্রিয়তমা মোনালিসা তুমি আমার ভালবাসা। বলেছিলে তুমি গান
একটা ছেলে মনের আঙিনাতে ধীর পায়েতে এক্কা দোক্কা খেলে বন পাহাড়ি ঝর্না খুঁজে বৃষ্টি জলে একলা ভিজে। একটা ছেলে মনের
শাপলা ফুলের পোকা, ভেজা শালিকের ডানা ঘাসজমি থমথমে, ধূসর সামিয়ানা। শাপলা ফুলের পোকা, ভেজা শালিকের ডানা ঘাসজমি থমথমে, ধূসর সামিয়ানা।
ফাগুনেরও মোহনায় ফাগুনেরও মোহনায় মন মাতানো মহুয়ায় রঙ্গীন এ বিহুর নেশা কোন আকাশে নিয়ে যায় ফাগুনেরও মোহনায় ফাগুনেরও মোহনায় মন
যেও না দাঁড়াও বন্ধু যেও না দাঁড়াও যেও না দাঁড়াও বন্ধু, আরো বল দুকথা হংসপাখায় পাক লাগে কি স্বরসতীর আসন
আমি যে জলসাঘরে বেলোয়াড়ী ঝাড়। আমি যে জলসাঘরে বেলোয়াড়ী ঝাড়। আমি যে জলসাঘরে নিশি ফুরালে কেহ চায় না আমায় জানি
পুরুষ সংস্করণ : একরাশ বিপদের মাঝখানে শুয়ে আছি কানাঘুষো শোনা যায় বসন্ত এসে গেছে বসন্ত এসে গেছে কবিদের মৃতদেহ চাপা
আ আআ আ কে যেন গো ডেকেছে আমায় মানে না নয়ন কেন ফিরে ফিরে চায়। কে যেন গো ডেকেছে আমায়
ওরম তাকিয়ো না আমি কেবল হয়ে যাই আমার চোখের ভাষা যায় হারিয়ে আমার হৃদয় কাঁপে পরিস্থিতির চাপে তখন থেকে বোকার
ছাতা ধরো হে দেওরা হ্যেসান সুন্দর খোঁপা আমার ভিগ গিলাই না ছাতা ধরো হে দেওরা হ্যেসান সুন্দর শাড়ি আমার ভিগ
আ আ আ আ নিঙ্গারিয়া নীল শাড়ি শ্রীমতি চলে। নিঙ্গারিয়া নীল শাড়ি শ্রীমতি চলে। শ্যামলের বেণু বাজে কদমতলে। নিঙ্গারিয়া নীল
তোমাকে বুঝি না প্রিয় বোঝো না তুমি আমায় দূরত্ব বাড়ে যোগাযোগ নিভে যায় তোমাকে বুঝি না প্রিয় বোঝো না তুমি
মেঘ-বিহীন খর-বৈশাখে মেঘ-বিহীন খর-বৈশাখে তৃষায় কাতর চাতকী ডাকে। মেঘ-বিহীন খর-বৈশাখে সমাধি-মগ্না উমা তপতী – সমাধি-মগ্না উমা তপতী – রৌদ্র যেন
ও আমার দেশের মাটি, তোমার ‘পরে ঠেকাই মাথা। তোমাতে বিশ্বময়ীর, তোমাতে বিশ্বমায়ের আঁচল পাতা ও আমার দেশের মাটি, তোমার ‘পরে
এই মেঘলা দিনে একলা ঘরে থাকেনাতো মন কাছে যাবো কবে  পাবো ওগো তোমার নিমন্ত্রণ ? এই মেঘলা দিনে একলা ঘরে

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V