Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

সেই ভালো সেই ভালো,   আমারে না হয়  না জানো। দুরে  গিয়ে নয় দুঃখ দেবে ,  কাছে কেন লাজে লাজানো ।। মোর বসন্তে
আহ! বাঁশি শুনে আর কাজ নাই সে যে ডাকাতিয়া বাঁশি। বাঁশি শুনে আর কাজ নাই সে যে ডাকাতিয়া বাঁশি। সে
বোঝাবো কি করে তোকে কতো আমি চাই তোর কথা মনে এলে নিজেকে হারাই তোকেই মাথায় করে বেঁচে আছি তাই আমি
যাবার বেলায় পিছু থেকে ডাক দিয়ে কেন বল কাঁদালে আমায় যাবার বেলায় পিছু থেকে ডাক দিয়ে কেন বল কাঁদালে আমায়
পা নি সা রে গা নি সা নি সা গারে গা মা গা মাগা নি সা গা মা গা মাগা
কৃষ্ণকলি আমি তারেই বলি, কালো তারে বলে গাঁয়ের লোক । মেঘলা দিনে দেখেছিলেম মাঠে কালো মেয়ের কালো হরিণ-চোখ । ঘোমটা
এমন একটি ঝিনুক খুঁজে পেলাম না যাতে মুক্ত আছে এমন কোনো মানুষ খুঁজে পেলাম না যার মন আছে এমন একটি
মেঘ কালো আঁধার কালো, আর কলঙ্ক যে কালো যে কালিতে বিনোদিনী হারালো তার কূল তার চেয়েও কালো কন্যা তোমার মাথার
এক গোছা রজনীগন্ধা হাতে দিয়ে বললাম চললাম এক গোছা রজনীগন্ধা হাতে দিয়ে বললাম চললাম চললাম বেশ কিছু সম​য় তো থাকলাম
হে কৃষ্ণ করুণাসিন্ধু দীনবন্ধু জগ​ৎপতেগোপেশ ও গোপিকা কান্ত রাধাকান্ত নমস্তুতে।বাজুক ডম্ম রে রবাব পাখোয়াজ করতাল তালধরল মেলিচলদচিত্রগতি সকল কলাবতীকরে করে
ভিজছে কাক, আয়না থাক দেখুক তোমায় ফুলের দল পথের বাঁক, আনতে যাক বৃষ্টি ধোয়া কলসি জল শহরতলি জুড়ে, গলির মোড়ে
চঞ্চল মন আনমনা হ​য় যেই তার ছোঁয়া লাগে চঞ্চল মন আনমনা হ​য় যেই তার ছোঁয়া লাগে ভোরের আকাশে আলো দেখে
যা যা যাযা যা বাঁশী যারে দূরে মন লাগে না আর ঘরে।মোর স্বপ্ন​-সীমানার পারে যা যা যা রে।যা যা যাযা
ওম জয়ং দেহি মা বলম দেহি মা রুপম দেহি মা যশ দেহি মা আজ বাজে মন মাঝে ওই আগমনীর গান
এই পথ যদি না শেষ হয় তবে কেমন হতো তুমি বলোতো ? এই পথ যদি না শেষ হয় তবে কেমন
আ আ আ আ আআআআআআআআ নিঝুম সন্ধ্যায় পান্থ পাখিরা বুঝিবা পথ ভুলে যায়। নিঝুম সন্ধ্যায় পান্থ পাখিরা বুঝিবা পথ ভুলে
মনে পড়ে মনে পড়ে সেই সব দিন সেই সব ঝরে যাওয়া স্বপ্ন রঙ্গিন সেই সব ঋতু জুড়ে ফাগুনের দিন মনে
আজ যাই? আসব আর একদিন আজ যাই। আসব আর একদিন আজ যাই। হো ফোটা ঝরা ফুলের যে কাজ তাই। আজ
ওগো বেশি দাম বল কার ওই চন্দ্রমুখ না এই চন্দ্র হার ওই চন্দ্রমুখ না এই চন্দ্র হার কিভাবে তুলনা করি
দীপ ছিল, শিখা ছিল, শুধু তুমি ছিলে না বলে আলো জ্বলল না। ভাষা ছিল, কথা ছিল, কাছে ডাকলে না বলে
যদি কিছু আমারে শুধাও- কি যে তোমারে কব, নীরবে চাহিয়া রব, না বলা কথা বুঝিয়া নাও। যদি কিছু আমারে শুধাও-
একটা সময় তোরে আমার সবই ভাবিতাম তোরে মন পিঞ্জরে যতন করে আগলায়া রাখতাম তোর হাসি মুখের ছবি দেইখা দুঃখ পুষাইতাম,
মানুষ মানুষের জন্যে, জীবন জীবনের জন্যে। একটু সহানুভূতি কি মানুষ পেতে পারে না? ও বন্ধু- মানুষ মানুষের জন্যে, জীবন জীবনের
আয়নাতে ঐ মুখ দেখবে যখন কপোলের কালো তিল পড়বে চোখে ফুটবে যখন ফুল বকুল শাখে ভ্রমর যে এসেছিলো জানবে লোকে।

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V