Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

আগুনের পরশ-মণি ছোঁয়াও প্রাণে। এ জীবন পুণ্য করো এ জীবন পুণ্য করো এ জীবন পুণ্য করো এ জীবন পুণ্য করো
বনমালী গো তুমি আমারই মত পর জনমে হইয় রাধা। আমি মরিয়া হইব শ্রীনন্দের নন্দন তখন​ তোমাকে বানাইব রাধা। বনমালী গো
মন মাঝিরে তোর খেয়াতে তুই দিলি যে পাল তুলে ও মন মাঝিরে তোর খেয়াতে তুই দিলি যে পাল তুলে যাবি
বোঝাবো কি করে তোকে কতো আমি চাই তোর কথা মনে এলে নিজেকে হারাই তোকেই মাথায় করে বেঁচে আছি তাই আমি
মোর   বীনা ওঠে কোন সুরে বাজি কোন নব চঞ্চল চন্ধে । মম    অন্তর কম্পিত আজি নিখিলের হৃদয়স্পন্দে ।।
চরণ ধরিতে দিযো গো আমারে - নিয়ো না,  নিয়ো না সরায়ে । জীবন মরণ সুখ দুখ দিয়ে বক্ষে ধরিব জড়ায়ে । স্খলিত শিথিল কামনার
এই মণিহার আমায় নাহি সাজে--- এরে   পরতে গেলে লাগে ,এরে ছিড়তে গেলে বাজে ।। কণ্ঠ যে রোধ করে,    সুর তো নাহি  সরে।
বঁধুয়া, নিদ নাহি আঁখিপাতে। আমিও একাকী, তুমিও একাকী আজি এ বাদল-রাতে। ডাকিছে দাদুরী মিলনতিয়াসে ঝিল্লি ডাকিছে উল্লাসে। পল্লীর বধু বিরহী
আমার স্বপ্ন যে সত্যি হল আজ হা হা হা হা আমার স্বপ্ন যে সত্যি হল আজ কাছে এলো এতোদিন দূরে
মেঘ বলেছে 'যাব যাব', রাত বলেছে যাই, সাগর বলে 'কূল মিলেছে--- আমি তো আর নাই' ।। দুঃখ বলে 'রইনু চুপে
হায় হায় প্রাণ যায়, প্রাণ যায় যায় প্রাণ যায়। চোখ তারি, যেন কাটারি, দিল খুনে খুনে ভরে যায়। হে হে
হস্তির কন্যা হস্তির কন্যা বাহনের মারি মাথায় নিয়া তাম কলসী ও সখী হাতে সোনার ঝারি সখী ও ও মোর হায়
ঠুং ঠাং ঠুং ঠাং চুড়ির তালে থৈথৈ বন্যা নাচেরে। ঠুং ঠাং ঠুং ঠাং চুড়ির তালে থৈথৈ বন্যা নাচেরে। রিমঝিম রিমঝিম
ওগো সুন্দর জানো না কি তুমি কে আমি কার ? ওগো প্রিয়তম শোনোনি কি আমি কার তুমি কে? শোনোনি কি
উম উম উম উমউম উমউম উম উম কফি হাউসের সেই আড্ডাটা আজ আর নেই, আজ আর নেই। কোথায় হারিয়ে গেল
পাখি কখন জানি উড়ে যায় একটা বদ হাওয়া লেগে খাঁচায় ।। খাঁচার আড়া প'ল ধসে পাখি আর দাঁড়াবে কিসে আমি
হলুদ গাঁদার ফুল, রাঙা পলাশ ফুল এনে দে এনে দে নইলে রাঁধব না, বাঁধব না চুল। হলুদ গাঁদার ফুল, রাঙা
ও বন্ধ দ্বারের অন্ধকারে থাকবো না তা রা রা রা রা রা মন কে তো আর বন্দি করে রাখবো না
আমি আজ ভেঙ্গে দেবো জোড়া ফুলদানি, বড়দের টিভি খুলে খিলতি জওয়ানি। ছুঁচোবাজি ছেড়ে দেবো ঠাকুমার ঘরে, একটাই ডেনজার জুজু যদি
প্রতিমা বন্দ্যোপাধ্যায় ------------------------ নাও গান ভরে, নাও প্রাণ ভরে সুরে যাই যেখানে প্রান্তর সোনার ধানের শীষে ডাকে সেখানে সোনা ভরা
ওরে ও ভাবের নাগরী নবীন বয়াসে যৌবন দুধ কলাতে পোষা সাপ আরে ও রসের নাগরা আ সেই সাপ ছোবল দিলেও
সহে না যাতনা দিবস গণিয়া গণিয়া বিরলে নিশিদিন বসে আছি শুধু পথপানে চেয়ে— সখা হে, এলে না । সহে না
ভালবাসার আগুন জ্বালাও ঝাড়বাতিটা নিভিয়ে দাও চোখের থেকে বিজলি ছোঁড়ো ওড়নাটাকে সরিয়ে নাও ভালবাসার আগুন জ্বালাও ভালবাসার আগুন জ্বালাও ওই
চিতল মাছের মুইঠা, গরম ভাতে দুইটা, ভুইলা বাঙ্গালী খায়, চিনা জাপানি,লুইটা পুইটা। চিতল মাছের মুইঠা, গরম ভাতে দুইটা, ভুইলা বাঙ্গালী

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V