Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

পুরুষ সংস্করণ : একরাশ বিপদের মাঝখানে শুয়ে আছি কানাঘুষো শোনা যায় বসন্ত এসে গেছে বসন্ত এসে গেছে কবিদের মৃতদেহ চাপা
বল বল বল সবে শত বীণা বেনু রবে ভারত আবার জগত সভায় শ্রেষ্ঠ আসন লবে বল বল বল সবে শত
শুনে সাঁঝবেলার সে গান মন বায় একা উজান শুনে সাঁঝবেলার সে গান মন বায় একা উজান সরে সরে যায় তটভূমি
আমার মন কেমন করে আমার মন কেমন করে কে জানে, কে জানে, কে জানে কাহার তরে। মন কেমন করে। আমার
আহ! বাঁশি শুনে আর কাজ নাই সে যে ডাকাতিয়া বাঁশি। বাঁশি শুনে আর কাজ নাই সে যে ডাকাতিয়া বাঁশি। সে
মোমের পুতুল মমীর দেশের মেয়ে নেচে যায়।বিহ্বল –চঞ্চল–পায়।বিহ্বল –চঞ্চল–পায়। খর্জুর–বীথির ধারেসাহারা মরুর পারেবাজায় ঘুমুর ঝুমুর ঝুমুর মধুর ঝঙ্কারে।বাজায় ঘুমুর ঝুমুর
পরিয়ে কৌপনি ধ্বজা মজা উড়ালো ফকিরী । দেখ না মন ঝাকমারি এই দুনিয়াদারি ।। বড় আশার বাসা এ ঘর পড়ে
আমার বলার কিছু ছিল না, না-গো আমার বলার কিছু ছিল না। চেয়ে চেয়ে দেখলাম তুমি চলে গেলে, তুমি চলে গেলে,
ভাবছো তুমি, ভাবছি আমি বেলা গেল। ঘরের ছেলে, ঘরেতে ফিরলো না কেন! আসে গানের কথা, আসে সুর কিছু। আসে শরীরটা
হও ধরমেতে ধীর হও করমেতে বীর, হও উন্নতশির - নাহি ভয়। হও ধরমেতে ধীর হও করমেতে বীর, হও উন্নতশির -
মেঘ পাখি, ঝরা পাতা, এলোমেলো হাওয়া, তোর চোখ জুড়ে স্বপ্ন আর সহস্র চাওয়া, তোর ঠোঁট চাপা হাসি আর চোখে চাপা
ভালবাসার এই কিরে খাজনা। ভালবাসার এই কিরে খাজনা। দিয়ে ফাঁকি ওরে পাখি যতই ডাকি আর ফেরে না ভালবাসার এই কিরে
আমার       প্রাণের মানুষ আছে প্রাণে, তাই হেরি তায় সকল খানে।। আছে সে      নয়ন তারায় আলোক-ধারায়,
মুছে যাওয়া দিনগুলি আমায় যে পিছু ডাকে স্মৃতি যেন আমার এ হৃদয়ে বেদনার রঙে রঙে ছবি আঁকে। মুছে যাওয়া দিনগুলি
মন্দ বলে লোকে বলুক না,বলুক না। হিংসে করে জ্বলে জ্বলুক না, জ্বলুক না। তবুও দুজনে কূজনে কূজনে তবুও তবুও দুজনে
ইতিহাস লেখা আঁখি জলে, বলে যায় সে কথা প্রতি পলে। ইতিহাস লেখা আঁখি জলে, বলে যায় সে কথা প্রতি পলে।
যেখানে সাঁইর বারামখানা । শুনিলে প্রাণ চমকে উঠে দেখতে যেমন ভুজাঙ্গনা ।। যা ছুঁইলে প্রাণে মরি এই জগতে তাইতে তরি
হরি দিনতো গেল সন্ধ্যা হল পার কর আমারে ! তুমি পারের কর্তা শুনে বার্তা ডাকি হে তোমারে । হরি দিনতো
আজ নতুন প্রভাত জাগে, যেন নতুন সে রং লাগে। চকিত এ মনে গভীর যতনে, চকিত এ মনে গভীর যতনে পসিল
মধুর মধুর বংশী বাজে, কোথা কোন কদম তলিতে। মধুর মধুর বংশী বাজে, কোথা কোন কদম তলিতে। আমি পথের মাঝে পথ
যেমন বেনী তেমনি রবে চুল ভিজাবো না আমার যেমন বেনী তেমনি রবে চুল ভিজাবো না ওগো চুল ভিজাবো না না
ওই গাছের পাতায় রোদের ঝিকিমিকি আমায় চমকে দাও চমকে দাও, দাও দাও দাও আমার মন মানে না, দেরী আর সয়
হে দেখুক পাড়া পড়শিতে কেমন মাছ গেঁথেছি বড়শিতে দেখুন কেনে পড়শিতে। এ যে রুই কাতলা মিরগেল তো নয় মারে প্রেমের
প্রজাপতি প্রজাপতি প্রজাপতি প্রজাপতি কোথায় পেলে ভাই এমন রঙিন পাখা কোথায় পেলে ভাই এমন রঙিন পাখা টুকটুকে লাল নীল ঝিলিমিলি

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V