Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

তোকে নিয়ে ঘুরতে যাব একশো বৃন্দাবন- হে তোকে নিয়ে ঘুরতে যাব একশো বৃন্দাবন, আমি আর অন্য কিছুর মুডে নেই এখন।
ঠিক এমন এভাবে তুই থেকে যা স্বভাবে আমি বুঝেছি ক্ষতি নেই আর তুই ছাড়া গতি নেই ছুঁয়ে দে আঙুল ফুটে
তুত তুরুরু তুরুরু তুরুরু রু তুত তুরুরু তুরুরু তুরুরু রু জানলা খোলা সন্ধেবেলা এলোমেলো শীত, ছন্নছাড়া দুঃখতারা হয়েছে অতীত। জানলা
কথায় কথায় যে রাত হয়ে যায়কি কথা রাখলে বাকি।কথায় কথায় যে রাত হয়ে যায়কি কথা রাখলে বাকি। খুঁজে দেখনা বুঝে
এক ঝাঁক পাখিদের মত কিছু রোদ্দুর বাধা ভেঙ্গে জানলার শার্শী সমুদ্দুর একঝাঁক পাখিদের মত কিছু রোদ্দুর এল আঁধারের শত্তুর। এক
বড় লোকের বেটি লো লম্বা লম্বা চুল, এমন মাথায় বেঁধে দেবো লাল গেন্দা ফুল। বড় লোকের বেটি লো লম্বা লম্বা
Male version: কতবার তোর বাড়ি গিয়ে ফিরে, ফিরে এলাম আমার মতে তোর মতন কেউ নেই । কতবার তোর জানলা দিয়ে
মন লাগে না তুমি বিনা মোর জীবন যেন চাঁদনি বিহীনা রজনী হায় আ আআ আআআ আ আ আ নিশিদিন নিশিদিন
ঝিলিক ঝিলিক ঝিনুক খুঁজে পেলাম, ঝিলিক ঝিলিক ঝিনুক খুঁজে পেলাম। তোমায় তা দিলাম। বললে তুমি মুক্তো কোথায়? মুক্তো আমার চাই.
তব চরণ নিম্নে উৎসবময়ী শ্যাম ধরণী সরসা। উর্ধে চাহ অগণিত-মণি-রঞ্জিত-নভো-নীলাঞ্চলা। উর্ধে চাহ অগণিত-মণি-রঞ্জিত-নভো-নীলাঞ্চলা। সৌম্য-মধুর-দিব্যাঙ্গনা, শান্ত-কুশল-দরশা। শ্যাম ধরণী সরসা। তব চরণ
হরি দিনতো গেল সন্ধ্যা হল পার কর আমারে ! তুমি পারের কর্তা শুনে বার্তা ডাকি হে তোমারে । হরি দিনতো
পা রা পা পা পা পা পা পারোনি ধরতে হযবরল এ জীবন কি যে চায় মা মা মা মা মা
একবার বিদায় দে মা ঘুরে আসি। একবার বিদায় দে মা ঘুরে আসি। হাসি হাসি পরব ফাঁসি দেখবে ভারতবাসী। আমি হাসি
এমন একটি ঝিনুক খুঁজে পেলাম না যাতে মুক্ত আছে এমন কোনো মানুষ খুঁজে পেলাম না যার মন আছে এমন একটি
পুরুষ সংস্করণ : একরাশ বিপদের মাঝখানে শুয়ে আছি কানাঘুষো শোনা যায় বসন্ত এসে গেছে বসন্ত এসে গেছে কবিদের মৃতদেহ চাপা
তোমার      খোলা হওয়া লাগিয়ে পালে      টুকরো করে কাছি আমি        ডুবতে রাজি আছি আমি ডুবতে
কে প্রথম কাছে এসেছি ? কে প্রথম চেয়ে দেখেছি ? কিছুতেই পাই না ভেবে- কে প্রথম ভালবেসেছি ? তুমি- ?
সহে না যাতনা দিবস গণিয়া গণিয়া বিরলে নিশিদিন বসে আছি শুধু পথপানে চেয়ে— সখা হে, এলে না । সহে না
আহা মরি মরি চলিতে চলিতে বাজায় কাঁকন পরনে নীলাম্বরী। পাগল আমি ও রূপ দেখে মনে যে লয় অঙ্গ থেকে ও
গুল–বাগিচার বুলবুলি আমি রঙিন প্রেমের গাই গজল, হায়। অনুরাগের লাল শারাব মোর আঁখি ঝলে ঝলমল, হায়। আমার গানের মদির ছোঁয়ায়
প্রেমে পড়া বারণ, কারণে অকারণ আঙুলে আঙ্গুল রাখলেও হাত ধরা বারণ। প্রেমে পড়া বারণ, কারণে অকারণ আঙুলে আঙ্গুল রাখলেও হাত
শুভ্র শঙ্খরবে সারা নিখিল ধ্বনিত। আকাশতলে অনিলে জলে দিকে দিগন্তরে সকল লোকে পুরে বনে বনান্তরে নৃত্যগীত ছন্দে নন্দিত। শুভ্র শঙ্খরবে।
খাঁচার ভিতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায় খাঁচার ভিতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায় তারে ধরতে পারলে মন বেড়ি দিতাম
আহা ওই আঁকা বাঁকা যে পথ যায় সুদূরে। আহা ওই আঁকা বাঁকা যে পথ যায় সুদূরে। কোনো হরিণী করুণ তার

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V