Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

বঁধু, কোন আলো লাগল চোখে ! বুঝি দীপ্তিরূপে ছিলে  সূর্যলোকে ! ছিল মন তোমারি প্রতিক্ষা করি যুগে যুগে দিন রাত্রি  ধরি
আ আ আ আ আ আ বাঁশি শুনে কি ঘরে থাকা যায় বাঁশি শুনে কি ঘরে থাকা যায় বলো গো
শহর জুরে যেন প্রেমের মরশুম আলোতে মাখামাখি আমার এ গ্রীনরুম কখন নেমে আসে অচেনা প্যারাশুট তোমাকে ভালোবেসে আমার চিরকুট কলকাতা
আমি যে জলসাঘরে বেলোয়াড়ী ঝাড়। আমি যে জলসাঘরে বেলোয়াড়ী ঝাড়। আমি যে জলসাঘরে নিশি ফুরালে কেহ চায় না আমায় জানি
ঝিলিক ঝিলিক ঝিনুক খুঁজে পেলাম, ঝিলিক ঝিলিক ঝিনুক খুঁজে পেলাম। তোমায় তা দিলাম। বললে তুমি মুক্তো কোথায়? মুক্তো আমার চাই.
ফেরারি আজ মন, তোকে ভেবে যখন​ সাজিয়েছি আমি আদুরে আলাপন। হো ও ও ওও ও হো ও ওও ওও ফেরারি
অনেক তারার মাঝে যে তুই আমার ধ্রুবতারা আমার সাধের বাগানটাতে তুই যে গোলাপচারা অনেক তারার মাঝে যে তুই আমার ধ্রুবতারা
ওগো নিরুপমা করিও ক্ষমা তোমাকে আমার ঘরনি করিতে আমার মনের দোসর করিতে পারিলামনা পারিলামনা তো কিছুতেই ওগো নিরুপমা হয়তো তোমার
এক গোছা রজনীগন্ধা হাতে দিয়ে বললাম চললাম এক গোছা রজনীগন্ধা হাতে দিয়ে বললাম চললাম চললাম বেশ কিছু সম​য় তো থাকলাম
মায়ের পায়ের জবা হয়ে ওঠনা ফুটে মন। আমার মায়ের পায়ের জবা হয়ে ওঠনা ফুটে মন। তার গন্ধ না থাক যা
তোমার কাছে ফাগুন চেয়েছে কৃষ্ণচূড়া তোমার কাছে ফাগুন চেয়েছে কৃষ্ণচূড়া তুমি তাই দুহাত ভরে দিলে আগুন উজার করে সে কি
বিপিন বাবুর কারন সুধা মেটায় জ্বালা মেটায় ক্ষুধা। বুঝলি পদা! এ বিপিন বাবুর কারন সুধা মেটায় জ্বালা মেটায় ক্ষুধা। মরা
তোমার নামের রোদ্দুরে আমি ডুবেছি সমুদ্দুরে জানি না যাবো কত্দুরে এখনো তোমার নামের রোদ্দুরে আমি ডুবেছি সমুদ্দুরে জানি না যাবো
মা তোর কত রঙ্গ দেখবো বল মা তোর কত রঙ্গ দেখবো বল আর কত কাল সইবো এ ছল। মা তোর
বেঁধো না সা ধা মা বলো বেঁধো না ফুলমালা ডোরে ফুলমালা ডোরে না শোনো ফুলমালা ডোরে ফুলমালা ডোরে বেঁধো না
ডেকে ডেকে চলে গেছি কত দূরে মনের প্রান্তে তার ঘুরে ঘুরে সে জানে না সে মানে না সে জানে না
সহসা এলে কি এ ভাঙ্গা জীবনে সহসা দিলে কি খবর জীবনের এ ভাঙ্গা শহর চূড়া ভাঙ্গা পথের একান্তে সে সহসা
মধু বনে বাঁশি বাজে রাধা হল বেমনা ও মন কেন মানে না রাধা বাঁশি ছাড়া জানে না মন কেন রাধা
একটা মন হাঁটিহাঁটি পায় আঁকাবাঁকা রেলগাড়ি মেঘ এসে চোখে দিল রঙ হাতে দিল ডাকটিকিট। বৃষ্টি মেশে ড্র​য়িং খাতায় ফুল ফল
অন্ধকারের উত্স হতে উত্সারিত আলো সেই তো তোমার আলো ! সকল দন্দ্ববিরোধ-মাঝে জাগ্রত যে ভালো সেই তো তোমার ভালো ।।
মনে করো আমি নেই বসন্ত এসে গেছে কৃষ্ণচূড়ার বন্যায় চৈতালি ভেসে গেছে মনে করো আমি নেই বসন্ত এসে গেছে কৃষ্ণচূড়ার
আজকে রাতে এসো শপথ করি দুজনে দুজনার হাতটি ধরি আজকে রাতে এসো শপথ করি দুজনে দুজনার হাতটি ধরি একই সাথে
সাত ভাই চম্পা জাগো রে জাগো রে ঘুম ঘুম থাকে না ঘুমের এই ঘোরে একটি পারুল বোন আমি তোমার আমি
তোমার আকাশ দুটি চোখে, আমি হয়ে গেছি তারা। ওগো তোমার আকাশ দুটি চোখে, আমি হয়ে গেছি তারা। এই জীবন ছিল

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V