Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

তোমার নামে আঁকা এ হাতের উপর আঁকা ডাকে আয় কাছে আয় তোমার চুলে ডাকা এ আদর দিয়ে মাখা ডাকে আয়
তুই ফেলে এসেছিস কারে মন, মন রে আমার| তাই জনম গেল,শান্তি পেলি না রে মন, মন রে আমার|| যে পথ
কঠিন, তোমাকে ছাড়া একদিন কাটানো একরাত, বাড়াও দু হাত হয়ে যাও আজ বাধাবিহীন। বলো, কবিতা হয়ে চলো বাগানে দাবানল জমানো
এই সুন্দর স্বর্ণালী সন্ধ্যায়, একি বন্ধনে জড়ালে গো বন্ধু, এই সুন্দর স্বর্ণালী সন্ধ্যায়, একি বন্ধনে জড়ালে গো বন্ধু। কোন রক্তিম
ওরা আমার মুখের ভাষা কাইরা নিতে চায়। ওরা আমার মুখের ভাষা কাইরা নিতে চায়। ওরা কথায় কথায় শিকল পরায় আমার
মেঘ বলেছে 'যাব যাব', রাত বলেছে যাই, সাগর বলে 'কূল মিলেছে--- আমি তো আর নাই' ।। দুঃখ বলে 'রইনু চুপে
বলে দিলি তুই আমি কিচ্ছু পারি না। সাদাকালো সমাজে আমি বাঁচতে জানি না। বলে দিলি তুই আমি কিচ্ছু পারি না।
বউ কথা কও পাখি কেন অমন করে ডাকে গো মৌ বনেরই সুর ছ​ড়ান ছায়। কেন সারাবেলা নীরব থেকে এখন সারা
আমার স্বপ্ন তুমি ওগো চিরদিনের সাথী আমার স্বপ্ন তুমি ওগো চিরদিনের সাথী তুমি সূর্য ওঠা ভোর আমার আর তারায় ভরা
ফেটে গেল ফেটে গেল কালিরামের ঢোল সে এক দাঁড়কাকের সাধ হল কোকিলা সাজিতে পড়ল ধরা কাকা রবে তার সে জারিজুরি
আজকে রাতে এসো শপথ করি দুজনে দুজনার হাতটি ধরি আজকে রাতে এসো শপথ করি দুজনে দুজনার হাতটি ধরি একই সাথে
ভালোবেসে, সখী, নিভৃতে যতনেআমার নামটি লিখো-তোমারমনের মন্দিরে।আমার পরানে যে গান বাজিছেতাহার তালটি শিখো-তোমারচরণমঞ্জীরে।।ধরিয়া রাখিয়ো সোহাগে আদরেআমার মুখর পাখি – তোমারপ্রাসাদপ্রাঙ্গণে।মনে
উথালি পাথালি আমার বুক আমার, মনেতে নাই সুখরে আমায় ডুবাইলিরে আমায় ভাসাইলিরে অকুল দরীয়ায় বুঝি কুল নাইরে হেইয়া হেইয়া হেইয়া
আমার অঙ্গে অঙ্গে কে বাজায় বাজায় বাঁশি আমার অঙ্গে অঙ্গে কে আনন্দে বিষাদে মন উদাসে কে বাজায় বাজায় বাঁশি আমার
মানুষ ছাড়া ক্ষ্যাপা রে তুই মূল হারাবি। মানুষ ছাড়া ক্ষ্যাপা রে তুই মূল হারাবি। মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি। ও
মোর ঘুম ঘোরে এলে মনহর নম নম নম নম নম নম । মোর ঘুম ঘোরে এলে মনহর নম নম নম
ভালবাসার আগুন জ্বেলে কেন চলে যায় ভালবাসার আগুন জ্বেলে কেন চলে যায় ব্যাথার বাতাস কেঁদে মরে ব্যাথার বাতাস কেঁদে মরে
চিতল মাছের মুইঠা, গরম ভাতে দুইটা, ভুইলা বাঙ্গালী খায়, চিনা জাপানি,লুইটা পুইটা। চিতল মাছের মুইঠা, গরম ভাতে দুইটা, ভুইলা বাঙ্গালী
তব চরণ নিম্নে উৎসবময়ী শ্যাম ধরণী সরসা। উর্ধে চাহ অগণিত-মণি-রঞ্জিত-নভো-নীলাঞ্চলা। উর্ধে চাহ অগণিত-মণি-রঞ্জিত-নভো-নীলাঞ্চলা। সৌম্য-মধুর-দিব্যাঙ্গনা, শান্ত-কুশল-দরশা। শ্যাম ধরণী সরসা। তব চরণ
আমার ভিনদেশী তারা একা রাতেরই আকাশে তুমি বাজালে একতারা আমার চিলেকোঠার পাশে। ঠিক সন্ধ্যে নামার মুখে তোমার নাম ধরে কেউ
ওই বিহুর ডাকে যায় ভেসে মন​ মন পাখি যায় রে বাঁকে আজ পরব দিনে আসাম গেছে মন আমার ধামসার তালে
ছাতা ধরো হে দেওরা হ্যেসান সুন্দর খোঁপা আমার ভিগ গিলাই না ছাতা ধরো হে দেওরা হ্যেসান সুন্দর শাড়ি আমার ভিগ
ললিতা গো- ওকে আজ চলে যেতে বলনা। ওকে আজ চলে যেতে বলনা। ও ঘাটে জল আনিতে যাব না যাব না।
একা নরে, কানে করে একা নরে, কানে করে তেঁতুল পারে, ছরে ছরে। এক হাতে তার নুনের ভাঁড় আর এক হাতে

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V