Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

মন্দ বলে লোকে বলুক না,বলুক না। হিংসে করে জ্বলে জ্বলুক না, জ্বলুক না। তবুও দুজনে কূজনে কূজনে তবুও তবুও দুজনে
হুম হো ও ওও ও না বলা কিছু কথা র​য়ে যায় এ মনে, বুঝ্তে পারিনা বলব কি করে? ছায়াপথ দিয়ে
তোমার নামে আঁকা এ হাতের উপর আঁকা ডাকে আয় কাছে আয় তোমার চুলে ডাকা এ আদর দিয়ে মাখা ডাকে আয়
নীড় ছোট ক্ষতি নেই, আকাশ তো বড়। নীড় ছোট ক্ষতি নেই, আকাশ তো বড়। হে মন বলাকা, মোর অজানার আহবানে
অজানা কোনো গল্প বলে মেঘলা নীল, অচেনা পথে দিচ্ছে পাড়ি একলা চিল। অজানা কোনো গল্প বলে মেঘলা নীল, অচেনা পথে
মানুষ মানুষের জন্যে, জীবন জীবনের জন্যে। একটু সহানুভূতি কি মানুষ পেতে পারে না? ও বন্ধু- মানুষ মানুষের জন্যে, জীবন জীবনের
না না না না না না মাধবী ফুটেছে ওই হ্যাঁ তারা সব উঠেছে ওই হ্যাঁ ও ও ও ও আমি
একটা চাঁদ ছাড়া রাত আঁধার কালো মায়ের মমতা ছাড়া কে থাকে ভালো। মাগো মা মাগো মা তুমি চোখের এত কাছে
মম চিত্তে নিতি নৃত্যে কে যে নাচে তাতা থৈথৈ, তাতা থৈথৈ, তাতা থৈথৈ। মম চিত্তে নিতি নৃত্যে কে যে নাচে
ও সোনা ব্যাঙ, ও কোলা ব্যাঙ। ও সোনা ব্যাঙ, ও কোলা ব্যাঙ। সারারাত হেড়ে গলায় ডাকিস গ্যাঙর​-গ্যাঙ। তোরা কি গলা
বড় সঙ্কটে পড়িয়া দয়াল বারে বার ডাকি তোমায়।। ক্ষম ক্ষম অপরাধ দাসের পানে একবার চাও হে দয়াময়। তোমার ক্ষমতায় আমি
দে লো সখী দে পরাইয়ে গলে, সাধের বকুলফুলহার। দে লো সখী দে পরাইয়ে গলে, সাধের বকুলফুলহার। আধফোঁটা জুঁইগুলি যতনে আনিয়া
বিরস দিন বিরল কাজ, প্রবল বিদ্রোহে এসেছ প্রেম, এসেছ আজ কী মহা সমারহে ।। একেলা রই আলসমন,   নীরব এই ভবনকোণ, ভাঙিলে দ্বার
আমাকে আমার মত থাকতে দাও আমি নিজেকে নিজের মত গুছিয়ে নিয়েছি। আমাকে আমার মত থাকতে দাও আমি নিজেকে নিজের মত
আমার অঙ্গে অঙ্গে কে বাজায় বাজায় বাঁশি আমার অঙ্গে অঙ্গে কে আনন্দে বিষাদে মন উদাসে কে বাজায় বাজায় বাঁশি আমার
ও ওও ও আ আ আ আআআ আআআ আআআ আ আ আষাঢ় শ্রাবণ মানে না তো মন ঝর ঝর ঝর
বল মন সুখ বল বলে চল অবিরল তোর সুখ নামে যদি সুখ আসে জীবনে বল মন বলে চল না ভেবেই
গৌরীশৃঙ্গ তুলেছে শির বহিছে সিন্ধু গর্জমান ভল্গা যমুনা রাইনে নাইলে মিসিসিপি মিলে তুলেছে তান নওজওয়ান গৌরীশৃঙ্গ তুলেছে শির বহিছে সিন্ধু
মনের হদিস কেই বা জানে? সে হদিস কেই বা জানে? কি যে থাকে মনের ঘরে! কেউ জানে না, কেউ জানে
পুরানো দিন পুরানো মন পুরানো সবকিছু পিছনে ফেলে আয় ছুটে চলে, নতুনের ডাক শোনা যায় ওই আগামীর দিগন্ত ভুলে যাবে
কি মিষ্টি দেখো মিষ্টি কি মিষ্টি দেখো মিষ্টি কি মিষ্টি এ সকাল ! কি মিষ্টি দেখো মিষ্টি কি মিষ্টি এ
এই পথ যদি না শেষ হয় তবে কেমন হতো তুমি বলোতো ? এই পথ যদি না শেষ হয় তবে কেমন
ছিন্ন পাতার সাজাই তরণী, একা একা করি খেলা- আনমনা যেন দিকবালিকার আনমনা যেন দিকবালিকার ভাসানো মেঘের ভেলা। ছিন্ন পাতার সাজাই
ও শ্যামু শ্যাম রে ফুল ফোটাতে মধুবনে ডাক দেরে বসন্ত রে একবার ডাক দেরে বসন্ত রে আমি এসে গেছি রে

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V