Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

টাপুর টুপুর বৃষ্টি নুপুর জলছবিরই গায়ে, তুই যে আমার একলা আকাশ, মেঠো সুরের ছাই রে মেঠো সুরের ছাই। রং বেরঙের
ডেকে আনো ভোর, আলো আসতে দাও, ভেঙে পরার আগে, আজ ঘুরে দাড়াও। জাগো শক্তি, জাগো স্বপ্ন, জাগো জাগো উমা। জাগো
আজি দখিন-দুয়ার খোলা - আজি দখিন-দুয়ার এসো হে, এসো হে, এসো হে, আমার বসন্ত এসো। আজি দখিন-দুয়ার খোলা - আজি
দূরে আকাশ সামিয়ানায় দূরে আকাশ সামিয়ানায় প্রদীপ জ্বালায় তারায় জেগে জেগে কি যে ভাবি কে জানে মন ছাড়া দূরে আকাশ
আজ ঠোঁটের কোলাজ, থামালো কাজ মন তোমাকে ছুঁয়ে দিলাম নাম, বুকের বোতাম হারানো খাম আজ কেন যে খুঁজে পেলাম দিন
বন্ধ মনের দুয়ার দিয়েছি খুলে। এসেছে ফাগুন হওয়া, এখন সবই দেবার পালা নেই তো কিছু চাওয়ার। বন্ধ মনের দুয়ার দিয়েছি
ওগো যা পেয়েছি সেইটুকুতেই খুশি আমার মন​ কেন একলা বসে হিসেব কষে নিজেরে আর কাঁদাই অকারণ​। চৈত্রবেলায় ঝরা পাতার কান্না
আমি কোন পথে যে চলি কোন কথা যে বলি তোমায় সামনে পেয়েও খুঁজে বেরাই মনের চোরাগলি ।। সেই গলিতেই ঢুকতে
চাই না মাগো রাজা হতে রাজা হবার সাধ নাই মাগো দু’বেলা যেন পাই মা খেতে। চাই না মাগো রাজা হতে
এই মন অচেনা, কার খোঁজ বোঝেনা। দলছুট ঠিকানায়, তোলপাড় অজানায়। হাত বাড়িয়ে চাঁদটা কে ছুঁই, সঙ্গে থাকিস, প্রেম মানে তুই।
ও প্রজাপতি প্রজাপতি পাখনা মেলো ও প্রজাপতি প্রজাপতি পাখনা মেলো আমার এই মনের আঁধার কোণে কোণে রঙে রঙে রংমশাল জ্বালো
বলি ও ননদী বলি ও ননদী আর দু মুঠো চাল ফেলে দে হাঁড়িতে ঠাকুর জামাই এলো বাড়িতে। লো ননদী। ঠাকুর
ও সোনা ব্যাঙ, ও কোলা ব্যাঙ। ও সোনা ব্যাঙ, ও কোলা ব্যাঙ। সারারাত হেড়ে গলায় ডাকিস গ্যাঙর​-গ্যাঙ। তোরা কি গলা
হে নূতন, দেখা দিক আর-বার জন্মের প্রথম শুভক্ষণ ।। তোমার প্রকাশ হোক কুহেলিকা করি উদঘাটন সূর্যের মতন । তোমার প্রকাশ
মায়ের পায়ের জবা হয়ে ওঠনা ফুটে মন। আমার মায়ের পায়ের জবা হয়ে ওঠনা ফুটে মন। তার গন্ধ না থাক যা
এই ছন্দ এ আনন্দ এ যে বিধাতার মহাদান। আনন্দে পাখি গায় ঝর্ণারা ছুটে যায় ফুল দিয়ে যায় তার গন্ধ। এই
চাঁদ কেন আসেনা আমার ঘরে। চাঁদ কেন আসেনা আমার ঘরে। হো চাঁদ কেন আসেনা আমার ঘরে। চাঁদ কেন আসেনা আমার
আমায় নহে গো ভালোবাসো শুধু ভালোবাসো মোর গান। আমায় নহে গো ভালোবাসো শুধু ভালোবাসো মোর গান। বনের পাখিরে কে চিনে
কাঁচের চুড়ির ছটা খেয়াবাজের ছলনা কাঁচের চুড়ির ছটা খেয়াবাজের ছলনা আগুনেতে ছটা নাকি ছটায় আগুন বল না কাঁচের চুড়ির ছটা
কোথা কোথা খুঁজেছি তোমায় তুমি জানো না কোথা কোথা খুঁজেছি তোমায় তুমি জানো না খুঁজেছি খুঁজেছি খুঁজেছি কোথায় তোমায় কোথা
কে প্রথম কাছে এসেছি ? কে প্রথম চেয়ে দেখেছি ? কিছুতেই পাই না ভেবে- কে প্রথম ভালবেসেছি ? তুমি- ?
আমাকে টান মারে রাত্রি-জাগা নদী আমাকে টানে গূঢ় অন্ধকার আমার ঘুম ভেঙে হঠাৎ খুলে যায় মধ্যরাত্রির বন্ধ দ্বার। আমাকে টান
আমি যে জলসাঘরে বেলোয়াড়ী ঝাড়। আমি যে জলসাঘরে বেলোয়াড়ী ঝাড়। আমি যে জলসাঘরে নিশি ফুরালে কেহ চায় না আমায় জানি
মোর ভাবনারে কি হওয়ায় মাতালো , দোলে মন দোলে অকারণ হরষে। হৃদয়গগনে সজল ঘন নবীন মেঘে রসের ধারা বরষে ।।

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V