Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

চুড়ির তালে নুড়ির মালা রিনিঝিনি বাজে লো – খোঁপায় দোলে বুনো ফুলের কুঁড়ি। চুড়ির তালে নুড়ির মালা রিনিঝিনি বাজে লো
যারে যারে উড়ে যারে পাখি ফুরালো প্রাণের মেলা শেষ হ​য়ে এলো বেলা আর কেন মিছে তোরে বেঁধে রাখি যারে আকাশে
এই মন অচেনা, কার খোঁজ বোঝেনা। দলছুট ঠিকানায়, তোলপাড় অজানায়। হাত বাড়িয়ে চাঁদটা কে ছুঁই, সঙ্গে থাকিস, প্রেম মানে তুই।
হে নূতন, দেখা দিক আর-বার জন্মের প্রথম শুভক্ষণ ।। তোমার প্রকাশ হোক কুহেলিকা করি উদঘাটন সূর্যের মতন । তোমার প্রকাশ
যখন     পড়বে না মোর পায়ের চিহ্ন এই বাটে, আমি     বাইব না মোর খেয়াতরী এই ঘাটে,          চুকিয়ে
দূরে আকাশ সামিয়ানায় দূরে আকাশ সামিয়ানায় প্রদীপ জ্বালায় তারায় জেগে জেগে কি যে ভাবি কে জানে মন ছাড়া দূরে আকাশ
ভালবাসার আগুন জ্বেলে কেন চলে যায় ভালবাসার আগুন জ্বেলে কেন চলে যায় ব্যাথার বাতাস কেঁদে মরে ব্যাথার বাতাস কেঁদে মরে
বল মা আমি দাঁড়াই কোথা বল মা আমি দাঁড়াই কোথা আমার কেহ নাই শঙ্করী হেথা, বল মা আমি দাঁড়াই কোথা।
ও দিদিমণি ও দিদিমণি গানের রাণী দাও গাইতে আমায় রেডিও ইষ্টিশনে গানের রাণী দাও গাইতে আমায় রেডিও ইষ্টিশনে আমি যে
মায়ের দেওয়া মোটা কাপ​ড় মাথায় তুলে নে রে ভাই দীন দুখিনী মা যে তোদের তার বেশি আর সাধ্য নাই মায়ের
কোথাও আমার হারিয়ে যাওয়ার নেই মানা মনে মনে । মেলে দিলেম গানের সুরের এই ডানা মনে মনে । কোথাও আমার
যদি তারে নাই চিনি গো সেকি - সেকি আমায় নেবে চিনে ? এই নব ফাল্গুনের দিনে জানি নে, জানি নে
আলগা দিচ্ছি সুতো, পালিয়ে যাওয়ার ছুতো, রাখলে মনে ভালো, কে ফিরে তাকালো? এই কপালের দাগে, অনেক বছর আগে, ছিলাম তোমার
আমার তো গল্প বলা কাজ নটে গাছ মুরিয়েছে আজ্ এবার ফিরি তবে পাহাড়ের ঢাল গুনে গুনে কাঁটা কাঁটা ঘসে ঘসে
খোঁপার ওই গোলাপ দিয়ে - মনটা কেন এত কাছে আনলে ? খোঁপার ওই গোলাপ দিয়ে - মনটা কেন এত কাছে
যদি কেড়ে নিতে বলে কবিতা ঠাসা খাতা জেনো কেড়ে নিতে দেবো না। যদি ছেড়ে যেতে বলে শহুরে কথকতা জেনো আমি
স্বপনে দোঁহে ছিনু মোহে , জাগার বেলা হল— যাবার আগে শেষ কথাটি বোলো।। ফিরিয়া চেয়ে এমন কিছু দিয়ো বেদনা হবে
না এখনি নয় এখনি নয় যাবে যদি যেও কিছু পরে। যেতে মন চায় নাতো তবুও যাই যাই করে। বেশী তো
  এ ব্যাথা কি যে ব্যাথা বোঝে কি আনজনে ? এ ব্যাথা কি যে ব্যাথা বোঝে কি আনজনে - সজনী
প্রজাপাতি এ মন মেলুক পাখনা দূরে যত দূরে যায় যদি যাক না সোনালী রোদ আঁকে আলপনা সোনালী রোদ আঁকে আলপনা
ওই বুঝি ওই বুঝি কালবৈশাখী সন্ধ্যা-আকাশ দেয় ঢাকি ওই বুঝি ওই বুঝি কালবৈশাখী ভ​য় কি রে তোর ভ​য় কারে দ্বার
আমার মালতীলতা কি আবেশে দোলে, আমি সে কথা জানি না আমায় কে গো দেবে বলে। আমার মালতীলতা ওগো কি আবেশে
ওগো নিঠুর দরদী, এ কি খেলছ অনুক্ষণ! ওগো নিঠুর দরদী। তোমার কাঁটায় ভরা বন তোমার প্রেমে ভরা মন। তোমার কাঁটায়
হায় রে পোড়া বাঁশি ঘরেতে ও রইতে দিলো না ঘরেতে হায় রে পোড়া বাঁশি ঘরেতে ও রইতে দিলো না ঘরেতে

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V