Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

এলো বরষা যে সহসা মনে তাই, রিম ঝিম ঝিম রিম ঝিম ঝিম গান গেয়ে যাই। এলো বরষা যে সহসা মনে
এই করেছ ভালো নিঠুর হে নিঠুর হে এই করেছ ভালো এমনি করেই হৃদয়ে মোর তীব্র দহন জ্বালো নিঠুর হে এই
মোর প্রিয়া হবে এসো রানী দেব খোঁপায় তারার ফুল কর্ণে দোলাব তৃতীয়া তিথির চৈতী চাঁদের দুল। খোঁপায় তারার ফুল। মোর
মন যদি তুই বৃন্দাবনে যাবি পাগল, মন যদি তুই বৃন্দাবনে যাবি অনুরাগের ঘরে মারগা চাবি। টলাটলের মধ্য দিয়া উর্দ্ধ রে
সেই তুমি কেন এতো অচেনা হলে, সেই আমি কেন তোমাকে দুঃখ দিলেম? কেমন করে এতো অচেনা হলে তুমি, কিভাবে এতো
আজকে রাতে এসো শপথ করি দুজনে দুজনার হাতটি ধরি আজকে রাতে এসো শপথ করি দুজনে দুজনার হাতটি ধরি একই সাথে
প্রজাপতি প্রজাপতি প্রজাপতি প্রজাপতি কোথায় পেলে ভাই এমন রঙিন পাখা কোথায় পেলে ভাই এমন রঙিন পাখা টুকটুকে লাল নীল ঝিলিমিলি
আজ যাই? আসব আর একদিন আজ যাই। আসব আর একদিন আজ যাই। হো ফোটা ঝরা ফুলের যে কাজ তাই। আজ
এই কথাটি মনে রেখো তোমাদের এই হাসিখেলায় এই কথাটি মনে রেখো তোমাদের এই হাসিখেলায় আমি যে গান গেয়েছিলেম মনে রেখো
ওরে ও ভাবের নাগরী নবীন বয়াসে যৌবন দুধ কলাতে পোষা সাপ আরে ও রসের নাগরা আ সেই সাপ ছোবল দিলেও
এই মণিহার আমায় নাহি সাজে--- এরে   পরতে গেলে লাগে ,এরে ছিড়তে গেলে বাজে ।। কণ্ঠ যে রোধ করে,    সুর তো নাহি  সরে।
যাবার বেলায় পিছু থেকে ডাক দিয়ে কেন বল কাঁদালে আমায় যাবার বেলায় পিছু থেকে ডাক দিয়ে কেন বল কাঁদালে আমায়
তারে ভোলানো গেল না কিছুতে তারে ভোলানো গেল না কিছুতে ভুল দিয়ে ভালোবাসা দিয়ে ভুল দিয়ে ভালোবাসা দিয়ে বিষের পরশ
বউ কথা কও, বউ কথা কও ডাকিস কেন ওরে পাখি। বউ কথা কও, বউ কথা কও ডাকিস কেন ওরে পাখি।
তুমি, নির্মল কর, মঙ্গল করে মলিন মর্ম মুছায়ে । তুমি, নির্মল কর, মঙ্গল করে মলিন মর্ম মুছায়ে । তব, পূণ্য-কিরণ
বিমূর্ত এই রাত্রি আমার মৌনতার সুতোয় বোনা একটি রঙ্গিন চাদর। সেই চাদরের ভাঁজে ভাঁজে নিঃশ্বাসেরই ছোঁয়া। আছে ভালবাসা, আদর। কামনার
এই মন অচেনা, কার খোঁজ বোঝেনা। দলছুট ঠিকানায়, তোলপাড় অজানায়। হাত বাড়িয়ে চাঁদটা কে ছুঁই, সঙ্গে থাকিস, প্রেম মানে তুই।
শোনো গো দখিনো হাওয়া, প্রেম করেছি আমি শোনো গো দখিনো হাওয়া, প্রেম করেছি আমি লেগেছে চোখেতে নেশা দিক ভুলেছি আমি
মহুয়ায় জমেছে আজ মৌ গো, ও মহুয়ায় জমেছে আজ মৌ গো। কোণে দেখা মেঘে যে ওই সোনা রং লেগেছে ওই
মায়ের দেওয়া মোটা কাপ​ড় মাথায় তুলে নে রে ভাই দীন দুখিনী মা যে তোদের তার বেশি আর সাধ্য নাই মায়ের
মোর ভাবনারে কি হওয়ায় মাতালো , দোলে মন দোলে অকারণ হরষে। হৃদয়গগনে সজল ঘন নবীন মেঘে রসের ধারা বরষে ।।
আমি      কান পেতে রই ও আমার আপন হৃদয়্গহনদ্বারে বারে বারে কোন     গোপনবাসীর কান্নাহাসির    গোপন কথা শুনিবারে--
শঙ্খ বাজিয়ে মাকে ঘরে এনেছি সুগন্ধী ধূপ জ্বেলে আসন পেতেছি। শঙ্খ বাজিয়ে মাকে ঘরে এনেছি সুগন্ধী ধূপ জ্বেলে আসন পেতেছি।
হাজার টাকার ঝাড়বাতিটা রাতটা কে যে দিন করেছে তারি নীচে বাইজি নাচে ঠুমরী গানের টুকরো ছুঁড়ে হাজার টাকার ঝাড়বাতিটা তবলচিটা

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V