Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

শ্রীমৎ আদি শঙ্করাচার্য রচিত মহিষাসুরমর্দিনী স্তোত্রম্ ।।১।। অয়ি গিরিনন্দিনি নন্দিতমেদিনি বিশ্ব-বিনোদিনি নন্দনুতে গিরিবরবিন্ধ  শিরো‌ধিনিবাসিনি বিষ্ণু-বিলাসিনি জিষ্ণুনুতে, ভগবতি হে শিতিকণ্ঠ-কুটুম্বিণি ভূরিকুটুম্বিণি
এ আমার গুরুদক্ষিণা গুরুকে জানাই প্রণাম যার শুভ কামনায় আমি এ আমার গুরুদক্ষিণা গুরুকে জানাই প্রণাম যার শুভ কামনায় আমি
ফাগুনেরও মোহনায় ফাগুনেরও মোহনায় মন মাতানো মহুয়ায় রঙ্গীন এ বিহুর নেশা কোন আকাশে নিয়ে যায় ফাগুনেরও মোহনায় ফাগুনেরও মোহনায় মন
টাপুর টুপুর বৃষ্টি নুপুর জলছবিরই গায়ে, তুই যে আমার একলা আকাশ, মেঠো সুরের ছাই রে মেঠো সুরের ছাই। রং বেরঙের
কাঁচের চুড়ির ছটা খেয়াবাজের ছলনা কাঁচের চুড়ির ছটা খেয়াবাজের ছলনা আগুনেতে ছটা নাকি ছটায় আগুন বল না কাঁচের চুড়ির ছটা
একটা সময় তোরে আমার সবই ভাবিতাম তোরে মন পিঞ্জরে যতন করে আগলায়া রাখতাম তোর হাসি মুখের ছবি দেইখা দুঃখ পুষাইতাম,
আমি বাংলায় গান গাইআমি বাংলার গান গাইআমি, আমার আমিকে চিরদিন এই বাংলায় খুঁজে পাই।আমি বাংলায় গান গাইআমি বাংলার গান গাইআমি,
ওরে মন'ওয়া রে, ওরে মন'ওয়া রে মোরে মন'ওয়া রে, ক্যা'সা হে তু বাতা। ওরে মন'ওয়া রে, ওরে মন'ওয়া রে মোরে
আ আ আ আআ আআ আআআআ দেখোরে দেখোরে দেখোরে নয়ন মেলে দেখোরে নয়ন মেলে জগতের বাহার। জগতের বাহার, জগতের বাহার,
এই পথে যায় চলে, ঝরা পাতা যায় দলে, ও কোন সুরে উতলা মন আমার নয় সে কাছে নয় সে দূরে
আমার দুঃখগুলো কাছিমের মত- আমার দুঃখগুলো কাছিমের মত গুটি গুটি পায়ে আর এগোতে পারে না। আমার দুঃখগুলো কাছিমের মত আমাকে
এই কথাটি মনে রেখো তোমাদের এই হাসিখেলায় এই কথাটি মনে রেখো তোমাদের এই হাসিখেলায় আমি যে গান গেয়েছিলেম মনে রেখো
কিছু স্বপ্ন এনেছি কুড়িয়ে রেখে দে নয়তো দে উড়িয়ে। কিছু স্বপ্ন এনেছি কুড়িয়ে রেখে দে নয়তো দে উড়িয়ে। ও আমাদের
আমার চোখে চোখ রাখ তুই আমার কথা গুলো তোর হয়ে যেতে পারে দুর্ঘটনা ঘটতে দে আঙুল গুনে ফেলা মনে পড়ে
জানলা খোলা দেখে থমকে দাড়ালো দুষ্টু হাওয়ায় ওড়া এলোমেলো সুর আমার কানে কিছু বলতে এলো সে হাতছানি তার অজানায় বহুদূর।
আমার মন কেমন করে আমার মন কেমন করে কে জানে, কে জানে, কে জানে কাহার তরে। মন কেমন করে। আমার
আমি দূর হতে তোমারেই দেখেছি আর মুগ্ধ এ চোখে চেয়ে থেকেছি আমি দূর হতে তোমারেই দেখেছি আর মুগ্ধ হয়ে চোখে
আমার একলা আকাশ থমকে গেছে রাতের স্রোতে ভেসে শুধু তোমায় ভালোবেসে আমার দিনগুলো সব রং চিনেছে তোমার কাছে এসে শুধু
কালো মেয়ের পায়ের তলায় দেখে যা আলোর নাচন। কালো মেয়ের পায়ের তলায় দেখে যা আলোর নাচন। রূপ দেখে দেয় বুক
বুলবুল পাখি, ময়না, টিয়ে, আয় না যা না গান শুনিয়ে। বুলবুল পাখি, ময়না, টিয়ে, আয় না যা না গান শুনিয়ে।
মেঘ-বিহীন খর-বৈশাখে মেঘ-বিহীন খর-বৈশাখে তৃষায় কাতর চাতকী ডাকে। মেঘ-বিহীন খর-বৈশাখে সমাধি-মগ্না উমা তপতী – সমাধি-মগ্না উমা তপতী – রৌদ্র যেন
এক পায়ে নূপুর আমার অন্য পা খালি এক পাশে সাগর এক পাশে বালি তোমার ছোট তরী বলো, নেবে কি? এক
নাগর আমার কাঁচা পিরীত পাকতে দিলো না। ও নাগর আমার কাঁচা পিরীত পাকতে দিলো না। গা গতোরে সোনার সোহাগ মাখতে
হাজার টাকার ঝাড়বাতিটা রাতটা কে যে দিন করেছে তারি নীচে বাইজি নাচে ঠুমরী গানের টুকরো ছুঁড়ে হাজার টাকার ঝাড়বাতিটা তবলচিটা

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V