Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

যেতে যেতে একলা পথে নিবেছে মোর বাতি। ঝ​ড় এসেছে, ওরে, ওরে, ঝ​ড় এসেছে, ওরে, এবার ঝ​ড়কে পেলাম সাথী। যেতে যেতে
আ আ আ আ আআআআআআআআ নিঝুম সন্ধ্যায় পান্থ পাখিরা বুঝিবা পথ ভুলে যায়। নিঝুম সন্ধ্যায় পান্থ পাখিরা বুঝিবা পথ ভুলে
অস্ত আকাশের গোধূলি রঙ নিয়ে, ক্লান্ত তটিনী রঙিন হ​য়ে ব​য়ে যায়​, ব​য়ে যায়​। অস্ত আকাশের গোধূলি রঙ নিয়ে, ক্লান্ত তটিনী
আহা আজি এ বসন্তে এত ফুল ফুটে, এত বাঁশি বাজে এত পাখি গায় আহা আজি এ বসন্তে। আহা আজি এ
মন, বড় অবুঝ এই মন কিছুতে মানে না হায়। মন, বড় অবুঝ এই মন কিছুতে মানে না হায়। অবিরাম আহত
বন্ধ মনের দুয়ার দিয়েছি খুলে। এসেছে ফাগুন হওয়া, এখন সবই দেবার পালা নেই তো কিছু চাওয়ার। বন্ধ মনের দুয়ার দিয়েছি
রাঙিয়ে দিয়ে যাও যাও যাও গো এবার যাবার আগে - রাঙিয়ে দিয়ে যাও যাও যাও গো এবার যাবার আগে -
নয়ন ভরা জল গো তোমার আঁচল ভরা ফুল নয়ন ভরা জল গো তোমার আঁচল ভরা ফুল ফুল নেব না অশ্রু
দোষ কারো নয় গো মা আমি স্বখাত সলিলে ডুবে মরি শ্যামা। দোষ কারো নয় গো মা দোষ কারো নয় গো
যেতে দাও আমায় ডেকোনা যেতে দাও আমায় ডেকোনা কবে কি আমি বলেছি মনে রেখোনা যেতে দাও আমায় ডেকোনা কিছু বলবে
এই মন অচেনা, কার খোঁজ বোঝেনা। দলছুট ঠিকানায়, তোলপাড় অজানায়। হাত বাড়িয়ে চাঁদটা কে ছুঁই, সঙ্গে থাকিস, প্রেম মানে তুই।
ওরা মনের গোপন চেনে না। ওরা হৃদয়ের রং জানে না। প্রজাপতি ডানা ছুঁলো বিবাহ বাসরে, কেন সারারাত জেগে বাড়ি ফিরি
টুং-টাং পিয়ানোয় সারাটি দুপুর, কচি কচি দুটি হাত তুলবে যে সুর। মাথা নেড়ে বুড়োবুড়ি শুনবে যে গান। হুপ-হুপ লাফাবে যে
আমার মন কেমন করে আমার মন কেমন করে কে জানে, কে জানে, কে জানে কাহার তরে। মন কেমন করে। আমার
মোদের গরব, মোদের আশা, আ মরি বাংলা ভাষা ! মোদের গরব, মোদের আশা, আ মরি বাংলা ভাষা ! মাগো তোমার
তোমায় ভালবাসি বলে তুমি বুঝি মনে ভাব। তোমায় ভালবাসি বলে তুমি বুঝি মনে ভাব। চন্দ্রমুখ না দেখিলে তোমার চন্দ্রমুখ না
সুন্দরী গো দোহাই দোহাই মান করোনা। আজ নিশিথে কাছে থাকো না বলো না। সুন্দরীগো দোহাই দোহাই মান করোনা। অনেক শিখা
মোমের পুতুল মমীর দেশের মেয়ে নেচে যায়।বিহ্বল –চঞ্চল–পায়।বিহ্বল –চঞ্চল–পায়। খর্জুর–বীথির ধারেসাহারা মরুর পারেবাজায় ঘুমুর ঝুমুর ঝুমুর মধুর ঝঙ্কারে।বাজায় ঘুমুর ঝুমুর
জানো যদি এ মন কি চায় জানো যদি এ মন কি চায় তবে কেন সরে আছো তুমি ক্ষতি কি আর
জাত গেল জাত গেল বলে একি আজব কারখানা ! সত্য কাজে কেউ নয় রাজি সবই দেখি তা না না না
আগুনের পরশ-মণি ছোঁয়াও প্রাণে। এ জীবন পুণ্য করো এ জীবন পুণ্য করো এ জীবন পুণ্য করো এ জীবন পুণ্য করো
রোদন ভরা এ বসন্ত কখনো আসে নি বুঝি আগে। রোদন ভরা এ বসন্ত মোর বিরহবেদনা রাঙালো কিংশুকরক্তিমরাগে। রোদন ভরা এ
চল রাস্তায় সাজি ট্রাম লাইন আর কবিতায় শুয়ে কাপ্লেট আহা উত্তাপ কত সুন্দর তুই থার্মোমিটারে মাপলে। হিয়া টুপটাপ জিয়া নস্টাল
প্রেমে পড়া বারণ, কারণে অকারণ আঙুলে আঙ্গুল রাখলেও হাত ধরা বারণ। প্রেমে পড়া বারণ, কারণে অকারণ আঙুলে আঙ্গুল রাখলেও হাত

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V