Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

যখন     পড়বে না মোর পায়ের চিহ্ন এই বাটে, আমি     বাইব না মোর খেয়াতরী এই ঘাটে,          চুকিয়ে
ঘরেতে ভ্রমর এল গুনগুনিয়ে। ঘরেতে ভ্রমর এল গুনগুনিয়ে। আমারে কার কথা সে যায় শুনিয়ে। ঘরেতে ভ্রমর এল গুনগুনিয়ে। আলোতে কোন
একটা মন হাঁটিহাঁটি পায় আঁকাবাঁকা রেলগাড়ি মেঘ এসে চোখে দিল রঙ হাতে দিল ডাকটিকিট। বৃষ্টি মেশে ড্র​য়িং খাতায় ফুল ফল
ও আধো আলো ছায়াতে কিছু ভালোবাসাতে আধো আলো ছায়াতে কিছু ভালোবাসাতে আজ মন ভরাতে হবে বলো কার কারো ন​য় শুধু
যাও পাখি বল হাওয়া ছল ছল আবছায়া জানলার কাঁচ আমি কি আমাকে হারিয়েছি বাঁকে রুপকথা আনাচে -কানাচ আঙুলের কোলে জ্বলে
বিমূর্ত এই রাত্রি আমার মৌনতার সুতোয় বোনা একটি রঙ্গিন চাদর। সেই চাদরের ভাঁজে ভাঁজে নিঃশ্বাসেরই ছোঁয়া। আছে ভালবাসা, আদর। কামনার
কোথা কোথা খুঁজেছি তোমায় তুমি জানো না কোথা কোথা খুঁজেছি তোমায় তুমি জানো না খুঁজেছি খুঁজেছি খুঁজেছি কোথায় তোমায় কোথা
আজ জোৎস্না রাতে সবাই গেছে বনে বসন্তের এই মাতাল সমীরণে ।। যাব না গো যাব না যে,    রইনু পড়ে
আমি সাগরের বেলা, তুমি দুরন্ত ঢেউ বারে বারে শুধু আঘাত করিয়া যাও। ধরা দেবে বলে আশা করে রই তবু ধরা
চাঁদ উঠেছে ফুল ফুটেছে কদম তলায় কে হাতি নাচ্ছে ঘোড়া নাচ্ছে সোনামণির বে। চাঁদ উঠেছে ফুল ফুটেছে কদম তলায় কে
এই বালুকা বেলায় আমি লিখেছিনু একটি সে নাম আমি লিখেছিনু আজ সাগারের ঢেউ দিয়ে তারে যেন মুছিয়া দিলাম এই বালুকা
কারার ঐ লৌহকপাট, ভেঙ্গে ফেল কর রে লোপাট, রক্ত-জমাট শিকল পূজার পাষাণ-বেদী। কারার ঐ লৌহকপাট, ভেঙে ফেল কর রে লোপাট,
তুমি নেই বলে আজ চাঁদ আসেনি আকাশে, নেই কোনো তারা। তুমি নেই বলে আজ ফুল ফোটেনি বাগানে, ঝরে গেছে পাতা।
কেউ বলে ফাল্গুন, কেউ বলে পলাশের মাস, আমি বলি আমার সর্বনাশ। কেউ বলে দখিনা, কেউ বলে মাতাল বাতাস, আমি বলি
তুমি আসবে বলেই- তুমি আসবে বলেই, আকাশ মেঘলা বৃষ্টি এখনো হয়নি। তুমি আসবে বলেই, কৃষ্ণচূড়ার ফুলগুলো ঝরে যায়নি। তুমি আসবে
তোর জন্য চিঠির দিন খুশির কমিক্স বই | মাধ্যমিকের বাধ্য মেয়ে তোকে ছোঁবো সাধ্য কই ? তোর জন্য গলির পথ
শূন্য এ–বুকে পাখি মোর আয় ফিরে আয় ফিরে আয়! তোরে না হেরিয়া সকালের ফুল অকালে ঝরিয়া যায়।। তুই নাই ব'লে
আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারী আমি কি ভুলিতে পারি? ছেলে হারা শত মায়ের অশ্রু গ​ড়া এ ফেব্রুয়ারী আমি কি
ভালবাসার এই কিরে খাজনা। ভালবাসার এই কিরে খাজনা। দিয়ে ফাঁকি ওরে পাখি যতই ডাকি আর ফেরে না ভালবাসার এই কিরে
শীতের হাওয়ার লাগল নাচন আমলকির এই ডালে ডালে । পাতাগুলি শিরশিরিয়ে ঝরিয়ে  দিল  তালে  তালে || উড়িয়ে  দেবার  মাতন  এসে  কাঙাল তারে
তুমি, নির্মল কর, মঙ্গল করে মলিন মর্ম মুছায়ে । তুমি, নির্মল কর, মঙ্গল করে মলিন মর্ম মুছায়ে । তব, পূণ্য-কিরণ
এত রোদ্দুর তুই এনে দিলি তাই তোর বৃষ্টি, আমি একটু পেতে চাই। এত রোদ্দুর তুই এনে দিলি তাই তোর বৃষ্টি,
তব চরণ নিম্নে উৎসবময়ী শ্যাম ধরণী সরসা। উর্ধে চাহ অগণিত-মণি-রঞ্জিত-নভো-নীলাঞ্চলা। উর্ধে চাহ অগণিত-মণি-রঞ্জিত-নভো-নীলাঞ্চলা। সৌম্য-মধুর-দিব্যাঙ্গনা, শান্ত-কুশল-দরশা। শ্যাম ধরণী সরসা। তব চরণ
না, মন লাগে না। এ জীবনে কিছু যেন ভাল লাগেনা। না, মন লাগে না। এ জীবনে কিছু যেন ভাল লাগেনা।

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V