Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

যত দূরে যাবে চোখ তুমি ছাড়া- কিচ্ছু নেই কেউ কোথাও - নোনা জলে ডুবে আছে  গোটা পাড়া সাবধানে দুঃখ দাও
ও ও ওওও ওও আয় রে ছুটে আয় পুজোর গন্ধ এসেছে। ও ও ওওও ওও আয় রে ছুটে আয় পুজোর
খিড়কি থেকে সিংহদুয়ার এই তোমাদের পৃথিবী এর বাইরে জগত আছে তোমরা মাননা তোমাদের কোনটা হাসি কোনটা ব্যাথা কোনটা প্রলাপ কোনটা
আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারী আমি কি ভুলিতে পারি? ছেলে হারা শত মায়ের অশ্রু গ​ড়া এ ফেব্রুয়ারী আমি কি
ছাতা ধরো হে দেওরা হ্যেসান সুন্দর খোঁপা আমার ভিগ গিলাই না ছাতা ধরো হে দেওরা হ্যেসান সুন্দর শাড়ি আমার ভিগ
আজ জীবন খুঁজে পাবি ছুটে ছুটে আয় আজ জীবন খুঁজে পাবি ছুটে ছুটে আয় মরণ ভুলে গিয়ে ছুটে ছুটে আয়।
মোদের গরব, মোদের আশা, আ মরি বাংলা ভাষা ! মোদের গরব, মোদের আশা, আ মরি বাংলা ভাষা ! মাগো তোমার
এতো কাছে দুজনে প্রেম ভরা যৌবনে এতো কাছে দুজনে প্রেম ভরা যৌবনে হঠাৎ ভুলে ভুল না হয়ে যায় এতো কাছে
মাগো ভাবনা কেন আমরা তোমার শান্তি প্রিয় শান্ত ছেলে তবু শত্রু এলে অশ্ত্র হাতে ধরতে জানি তোমার ভয় নেই মা
পাড়ায় ঢুকলে ঠ্যাং খোড়া করে দেবো বলেছে পাড়ার দাদারা অন্যপাড়া দিয়ে যাচ্ছি তাই রঞ্জনা আমি আর আসবো না। এখানে রঞ্জনা
তোমার নামে আঁকা এ হাতের উপর আঁকা ডাকে আয় কাছে আয় তোমার চুলে ডাকা এ আদর দিয়ে মাখা ডাকে আয়
এক ঝাঁক পাখিদের মত কিছু রোদ্দুর বাধা ভেঙ্গে জানলার শার্শী সমুদ্দুর একঝাঁক পাখিদের মত কিছু রোদ্দুর এল আঁধারের শত্তুর। এক
আজ বিকেলের ডাকে তোমার চিঠি পেলাম। আজ বিকেলের ডাকে তোমার চিঠি পেলাম। রঙ্গিন খামে যত্নে লেখা আমারই নাম। আজ বিকেলের
ওই বুঝি ওই বুঝি কালবৈশাখী সন্ধ্যা-আকাশ দেয় ঢাকি ওই বুঝি ওই বুঝি কালবৈশাখী ভ​য় কি রে তোর ভ​য় কারে দ্বার
আশা ছিল ভালোবাসা ছিল আজ আশা নেই ভালোবাসা নেই এই সেই কৃষ্ণচূড়া যার তোলে দাঁড়িয়ে চোখে চোখ হাতে হাত কথা
ভুটু তুই নাদুস​-নুদুস বড্ড পেটুক ভুটু ওই দেখ ডিজে ভুটু তুই নাদুস​-নুদুস বড্ড পেটুক ভুটু ওই দেখ ডিজে ভুটু তোর
বঁধুয়া! বল বল বঁধুয়া আ আআআআআআ কেন গেল পরবাসে বল বঁধুয়া কেন গেল পরবাসে বল বঁধুয়া গরজে বরষে মানে না
উচাটন মন ঘরে র​য় না ( পিয়া মোর ) উচাটন মন ঘরে র​য় না ( পিয়া মোর ) ডাকে পথে
আমার       প্রাণের মানুষ আছে প্রাণে, তাই হেরি তায় সকল খানে।। আছে সে      নয়ন তারায় আলোক-ধারায়,
ঠুং ঠাং ঠুং ঠাং চুড়ির তালে থৈথৈ বন্যা নাচেরে। ঠুং ঠাং ঠুং ঠাং চুড়ির তালে থৈথৈ বন্যা নাচেরে। রিমঝিম রিমঝিম
চাই না মাগো রাজা হতে রাজা হবার সাধ নাই মাগো দু’বেলা যেন পাই মা খেতে। চাই না মাগো রাজা হতে
হে পিন্দারে পলাশের বন পালাবো পালাবো মন হে পিন্দারে পলাশের বন পালাবো পালাবো মন পিন্দারে পলাশের বন পালাবো পালাবো মন
শ্যামা মা কি আমার কালোরে শ্যামা মা কি আমার কালো। লোকে বলে কালি কালো আমার মন তো বলেনা কালো রে।
বন্ধু তিনদিন, তোর বাড়িতে গেলাম দেখা পাইলাম না, বন্ধু তিনদিন, তোর বাড়িতে গেলাম দেখা পাইলাম না, বন্ধু তিনদিন। গাঙ পাড়

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V