Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

          পুরানো সেই দিনের কথা ভুলবি কি রে হায় । ও সেই      চোখের দেখা,
এ গানে প্রজাপতি পাখায় পাখায় রঙ ছ​ড়ায়​ এ গানে রামধনু তার সাতটি রঙের দোল​ ঝরায়। এ গানে প্রজাপতি পাখায় পাখায়
আয়নাতে ঐ মুখ দেখবে যখন কপোলের কালো তিল পড়বে চোখে ফুটবে যখন ফুল বকুল শাখে ভ্রমর যে এসেছিলো জানবে লোকে।
হও ধরমেতে ধীর হও করমেতে বীর, হও উন্নতশির - নাহি ভয়। হও ধরমেতে ধীর হও করমেতে বীর, হও উন্নতশির -
কোন সে আলোর স্বপ্ন নিয়ে যেন আমায় কে ডাকে আয় চলে আয়। কোন সে আলোর স্বপ্ন নিয়ে যেন আমায় কে
আমার দুঃখগুলো কাছিমের মত- আমার দুঃখগুলো কাছিমের মত গুটি গুটি পায়ে আর এগোতে পারে না। আমার দুঃখগুলো কাছিমের মত আমাকে
বিধির বাঁধন কাটবে তুমি এমন শক্তিমান - তুমি কি এমনি শক্তিমান ! আমাদের ভাঙাগড়া তোমার হাতে এমন অভিমান - তোমাদের এমনি অভিমান ।। চিরদিন টানবে
টুং-টাং পিয়ানোয় সারাটি দুপুর, কচি কচি দুটি হাত তুলবে যে সুর। মাথা নেড়ে বুড়োবুড়ি শুনবে যে গান। হুপ-হুপ লাফাবে যে
ও পাখি উড়ে আয়, উড়ে আয় তোরি সুরে যা যা দেখে যা যা যারে দেখে যা- আমি আজ কার কাছে
লাল ফিতে সাদা মোজা সু-স্কুলের ইউনিফর্ম ন'টার সাইরেন সংকেত সিলেবাসে মনোযোগ কম পড়া ফেলে এক ছুট ছুট্টে রাস্তার মোড়ে, দেখে
তুমি কোন কাননের ফুল, কোন্‌ গগনের তারা। তুমি কোন কাননের ফুল, কোন্‌ গগনের তারা। তোমায় কোথায় দেখেছি যেন কোন্‌ স্বপনের
ও মৌ তুমি জানো না যে মাঝরাতে একঘেয়ে এই বিছানাতে আজও কথা বলি কার সাথে। জানি না কার কী যায়
ও বাবুমশাই এখন আমি কি শোনাই শহরতারে গোলক ধাঁধাঁয় আঁধার হল মন শহরতারে গোলক ধাঁধাঁয় আঁধার হল মন মন্দ ভালোর
ফান্দে পড়িয়া বগা কান্দে রে ফান্দে পড়িয়া বগা কান্দে রে ফান্দ বসাইছে ফান্দি রে ভাই পুঁটি মাছো দিয়া ওরে মাছের
চিন্তাময়ী তারা তুমি আমার চিন্তা করেছো কি? নামে জগৎ চিন্তাহরা তুমি নামে জগৎ চিন্তাহরা কিন্তুু কাজে তেমন কই মা দেখি?
শাওন রাতে যদি স্মরণে আসে মোরে বাহিরে ঝড় বহে নয়নে বারি ঝরে । শাওন রাতে যদি স্মরণে আসে মোরে বাহিরে
বড় সঙ্কটে পড়িয়া দয়াল বারে বার ডাকি তোমায়।। ক্ষম ক্ষম অপরাধ দাসের পানে একবার চাও হে দয়াময়। তোমার ক্ষমতায় আমি
আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি। চিরদিন তোমার আকাশ, চিরদিন তোমার আকাশ, তোমার বাতাস, আমার প্রাণে ও গো, আমার প্রাণে
উড়ে যাক এ ঘুম আমার, ছুঁতে শ্বেত পাথরের রাত। জানি পাইনা কাছে কিছু আমার শূণ্য দুটি হাত। ভরে যাক এ
তোমার নামের রোদ্দুরে আমি ডুবেছি সমুদ্দুরে জানি না যাবো কত্দুরে এখনো তোমার নামের রোদ্দুরে আমি ডুবেছি সমুদ্দুরে জানি না যাবো
আ আ আ আ আ জোছনা করেছে আড়ি, জোছনা করেছে আড়ি, আসেনা আমার বাড়ি আসেনা আমার বাড়ি। গলি দিয়ে চলে
কৃষ্ণকলি আমি তারেই বলি, কালো তারে বলে গাঁয়ের লোক । মেঘলা দিনে দেখেছিলেম মাঠে কালো মেয়ের কালো হরিণ-চোখ । ঘোমটা
মেঘ বলেছে 'যাব যাব', রাত বলেছে যাই, সাগর বলে 'কূল মিলেছে--- আমি তো আর নাই' ।। দুঃখ বলে 'রইনু চুপে
একটা গান লিখো আমার জন্য। একটা গান লিখো আমার জন্য। নাহয় আমি তোমার কাছে ছিলেম অতি নগন্য। একটা গান লিখো

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V