Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

ওম জয়ং দেহি মা বলম দেহি মা রুপম দেহি মা যশ দেহি মা আজ বাজে মন মাঝে ওই আগমনীর গান
তোকে রোজ সকালে দেখতে ইচ্ছে হয়। তোকে সঙ্গে পেলে করবো যুদ্ধ জয়। তোকে রোজ সকালে দেখতে ইচ্ছে হয়। তোকে সঙ্গে
এবার আমি আমার থেকে আমাকে বাদ দিয়ে অনেক কিছু জীবনে যোগ দিলাম। ছোটো যত আপন ছিল বাহির করে দিয়ে ভুবনটারে
এসো হে বৈশাখ এসো, এসো, এসো হে বৈশাখ এসো, এসো, তাপসনিশ্বাসবায়ে মুমূর্ষুরে দাও উড়ায়ে, তাপসনিশ্বাসবায়ে মুমূর্ষুরে দাও উড়ায়ে, বৎসরের আবর্জনা
যে ছিল আমার স্বপনচারিণী তারে বুঝিতে পারিনি - তারে বুঝিতে পারিনি ! দিন ছলে গেছে  খুঁজিতে  খুঁজিতে ও গো -
হাজার টাকার ঝাড়বাতিটা রাতটা কে যে দিন করেছে তারি নীচে বাইজি নাচে ঠুমরী গানের টুকরো ছুঁড়ে হাজার টাকার ঝাড়বাতিটা তবলচিটা
না রে না, আর তো পারে না, মন আমার নাস্তানাবুদ এক জনেরই দায়| না রে না, কারো ধার ধরে না,
সুজন মাঝিরে, কোন ঘাটে লাগাইবা তোমার নাও। সুজন মাঝিরে, কোন ঘাটে লাগাইবা তোমার নাও। আমি পারের আশায় বইসা আছি ও
আজ এই দিনটাকে মনের খাতায় লিখে রাখো। আমায় পড়বে মনে কাছে দূরে যেখানেই থাকো। আজ এই দিনটাকে মনের খাতায় লিখে
দোষ কারো নয় গো মা আমি স্বখাত সলিলে ডুবে মরি শ্যামা। দোষ কারো নয় গো মা দোষ কারো নয় গো
ওগো বেশি দাম বল কার ওই চন্দ্রমুখ না এই চন্দ্র হার ওই চন্দ্রমুখ না এই চন্দ্র হার কিভাবে তুলনা করি
আ বেঁধেছি বীণা গান শোনাবো তোমায় আজ রাতে বেঁধেছি বীণা গান শোনাবো তোমায় আজ রাতে রাতে বেঁধেছি বীণা গান শোনাবো
কালো জলে কুচলা তলে ডুবল সনাতন আজ চার(সার) আনা, কাল চার(সার) আনা পাই যে দরসন। আজ চার(সার) আনা, কাল চার(সার)
প্রজাপাতি এ মন মেলুক পাখনা দূরে যত দূরে যায় যদি যাক না সোনালী রোদ আঁকে আলপনা সোনালী রোদ আঁকে আলপনা
কেউ বলে ফাল্গুন, কেউ বলে পলাশের মাস, আমি বলি আমার সর্বনাশ। কেউ বলে দখিনা, কেউ বলে মাতাল বাতাস, আমি বলি
আমি বলি, আমি বলি তোমায় দূরে থাকো তুমি কথা রাখো না। আমি বলি তোমায় দূরে থাকো তুমি কথা রাখো না।
বিরস দিন বিরল কাজ, প্রবল বিদ্রোহে এসেছ প্রেম, এসেছ আজ কী মহা সমারহে ।। একেলা রই আলসমন,   নীরব এই ভবনকোণ, ভাঙিলে দ্বার
ও কোকিলা তোরে সুধাই রে সবার-ই তো ঘর র​য়েছে কেনো রে তোর বাসা কোথাও নাই রে ও কোকিলা তোরে সুধাই
তিন পাগলে হলো মেলা নদে এসে- তোরা কেউ যাসনে ও পাগলের কাছে ।। একটা নারকেলের মালা তাতে জল তোলা ফেলা
ঝিলমিল ঝাউয়ের বনে ঝিকিমিকি তার ফাঁক দিয়ে যে চাঁদ মারে উঁকি ও চাঁদ বড় প্রিয়, আমায় ধরো দেখি পাবে না,
বৈষ্ণব সেই জন পাশে থাকে আজীবন পরেরও বেদন-ব্যথা জানে রে। বৈষ্ণব সেই জন পাশে থাকে আজীবন পরেরও বেদন-ব্যথা জানে রে।
পরেছি চাঁপা ডুরে শাড়ি, আর খোঁপাটি বাহারি গো খোঁপাটি বাহারি। দুহাতে রেশমি চুড়ি পরেছি দুহাতে রেশমি চুড়ি পরেছি, আমি কি
জীবন খাতার প্রতি পাতায় যতই লেখ হিসাব নিকাষ কিছুই রবে না । লুকোচুরির এই যে খেলা প্রাণের যত দেয়া নেয়া
ও পাখি উড়ে আয়, উড়ে আয় তোরি সুরে যা যা দেখে যা যা যারে দেখে যা- আমি আজ কার কাছে

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V