Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

এক ফালি রোদ এসে হাতছানি ভীনদেশে নীল আশমানী, মনমানী যে আজ। সারাদিন, তেরে বিন কেটেছে এতো দিন। চল ঘরছাড়া, মন
আহা কি আনন্দ আকাশে বাতাসে। আহা কি আনন্দ আকাশে বাতাসে। আহা কি আনন্দ আকাশে বাতাসে। শাখে শাখে পাখি ডাকে কত
হে পিন্দারে পলাশের বন পালাবো পালাবো মন হে পিন্দারে পলাশের বন পালাবো পালাবো মন পিন্দারে পলাশের বন পালাবো পালাবো মন
ওই দূর দিগন্ত পাড়ে, ওই দূর দিগন্ত পাড়ে, যেথা আকাশ মাটিতে কানাকানি! তোমার আমার শুধু তেমনি করেই জানাজানি; ওই দূর
তোমরা যতই আঘাত করো নেইকো অপমান শুধু আমায় দাও গো সুযোগ শোনাতে এই গান তোমরা যতই তোমরা যতই আঘাত করো
রাত এখনও অনেক বাকি। কিছু তারা জেগে আছে তারি পানে এসো চেয়ে থাকি। রাত এখনও অনেক বাকি। কথার পাহাড় ভেঙ্গে
মেঘ থম থম করে কেউ নেই নেই জল থৈ থৈ তীরে কিছু নেই নেই ভাঙ্গনের যে নেই পারাপার তুমি আমি
হা হা হা হা হা হাহা হাহা হাহা হা হা হা হা হা হাহা হাহা হাহা হা-হা-হা-হা হা-হা-হা-হা হা-হা-হা-হা হা-হা-হা-হা
অনেক জমানো ব্যথা বেদনা, কি করে গান হল জানিনা। অনেক জমানো ব্যথা বেদনা, কি করে গান হল জানিনা। কি করে
উঠছে জেগে সকালগুলো, পাশ ফিরে মন আবার শুলো এবার তোকে আদর চোখে দেখবে সে। দেখবে দামাল প্রেম কিরকম, মন্ত্র ছাড়াই
মুছে যাওয়া দিনগুলি আমায় যে পিছু ডাকে স্মৃতি যেন আমার এ হৃদয়ে বেদনার রঙে রঙে ছবি আঁকে। মুছে যাওয়া দিনগুলি
আমার চেতনা চৈতন্য করে দে মা চৈতন্যময়ী। আমার চেতনা চৈতন্য করে দে মা চৈতন্যময়ী। তোর ভাব সাগরে ভেসে আমি তোর
এই বালুকা বেলায় আমি লিখেছিনু একটি সে নাম আমি লিখেছিনু আজ সাগারের ঢেউ দিয়ে তারে যেন মুছিয়া দিলাম এই বালুকা
ইতিহাস লেখা আঁখি জলে, বলে যায় সে কথা প্রতি পলে। ইতিহাস লেখা আঁখি জলে, বলে যায় সে কথা প্রতি পলে।
বেঁধো না সা ধা মা বলো বেঁধো না ফুলমালা ডোরে ফুলমালা ডোরে না শোনো ফুলমালা ডোরে ফুলমালা ডোরে বেঁধো না
চাই না মাগো রাজা হতে রাজা হবার সাধ নাই মাগো দু’বেলা যেন পাই মা খেতে। চাই না মাগো রাজা হতে
আমি   রূপে তোমায় ভোলাব না, ভালবাসায় ভোলাব । আমি   হাত দিয়ে দ্বার খুলবো না গো, গান দিয়ে  দ্বার খোলাব ।।    
হো হো হো হো হো হো হো হো হো বিস্তীর্ণ দুপারের, অসংখ্য মানুষের হাহাকার শুনেও নিঃশব্দে নীরবে, ও গঙ্গা তুমি
আমি আজ ভেঙ্গে দেবো জোড়া ফুলদানি, বড়দের টিভি খুলে খিলতি জওয়ানি। ছুঁচোবাজি ছেড়ে দেবো ঠাকুমার ঘরে, একটাই ডেনজার জুজু যদি
ভিজছে কাক, আয়না থাক দেখুক তোমায় ফুলের দল পথের বাঁক, আনতে যাক বৃষ্টি ধোয়া কলসি জল শহরতলি জুড়ে, গলির মোড়ে
তুমি, নির্মল কর, মঙ্গল করে মলিন মর্ম মুছায়ে । তুমি, নির্মল কর, মঙ্গল করে মলিন মর্ম মুছায়ে । তব, পূণ্য-কিরণ
ভাদর আশ্বিন মাসে ভ্রমর বসে কাঁচা বাঁশে ওও ওও ওও ওও আরো কি থাকিবে বাপের ঘরে গো মন আমার কেমন
এরা      পরকে  আপন  করে, আপনারে পর --- বাহিরে বাঁশির রবে ছেড়ে যাই ঘর || ভালবাসে সুখে দুখে    ব্যথা সহে হাসিমুখে,
চম্পা চামেলী গোলাপেরই বাগে চম্পা চামেলী গোলাপেরই বাগে এমন মাধবী নিশি আসেনি তো আগে এমন মাধবী নিশি আসেনি তো আগে।

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V