Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

আজ তবে এইটুকু থাক, বাকি কথা পরে হবে। ধূসর ধূলির পথ, ভেঙে পড়ে আছে রথ, বহুদূর দূর যেতে হবে। আজ
নয়ন তোমারে পাই না দেখিতে , রয়েছ নয়নে নয়নে । হৃদয় তোমায় পাই না জানিতে, হৃদয়ে রয়েছ গোপনে || বাসনার বসে
শূন্য এ–বুকে পাখি মোর আয় ফিরে আয় ফিরে আয়! তোরে না হেরিয়া সকালের ফুল অকালে ঝরিয়া যায়।। তুই নাই ব'লে
ওই বিহুর ডাকে যায় ভেসে মন​ মন পাখি যায় রে বাঁকে আজ পরব দিনে আসাম গেছে মন আমার ধামসার তালে
ধি রা না না ধিন ধি রা না ধি রা না না ধিন ধি রা না পোড়া বাঁশি ডাক দিয়ে
এরা      পরকে  আপন  করে, আপনারে পর --- বাহিরে বাঁশির রবে ছেড়ে যাই ঘর || ভালবাসে সুখে দুখে    ব্যথা সহে হাসিমুখে,
থুইলাম রে মন পদ্মপাতায়, আর ধুইলাম রে মন জলে আর অঞ্চলে ঢাকিলাম রে মন, তবু কেন জ্বলে। থুইলাম রে মন
মেঘেদের মিনারে দিগন্তের কিনারে বাদল আঁধার করেছে আবার আমার এই ঘর​ মেঘেদের মিনারে দিগন্তের কিনারে বাদল আঁধার করেছে আবার আমার
খেলাটা দুচোখের খেলাটা পুরোনো কিছুটা ছোঁয়াছুঁয়ি ছুটে যেতে যেতে যেতে পড়ে যাবে ধরা খেলাটা আকাশের খেলাটা মেঘেদের কিছুটা বৃষ্টির মতোই
ওই দূর দিগন্ত পাড়ে, ওই দূর দিগন্ত পাড়ে, যেথা আকাশ মাটিতে কানাকানি! তোমার আমার শুধু তেমনি করেই জানাজানি; ওই দূর
এনে দে এনে দে ঝুমকা না হলে না হলে সাথে যাবো না এ এ এ রঙ্গিলা রঙ্গিলা ঝুমকা না হলে
প্রিয়, ফুল খেলবার দিন নয় অদ্য ধ্বংসের মুখোমুখি আমরা, চোখে আর স্বপ্নের নেই নীল মদ্য কাঠফাটা রোদ সেঁকে চামড়া। প্রিয়,
আবার হবে তো দেখা এ দেখাই শেষ দেখা নয় তো। আবার হবে তো দেখা এ দেখাই শেষ দেখা নয় তো।
পরিয়ে কৌপনি ধ্বজা মজা উড়ালো ফকিরী । দেখ না মন ঝাকমারি এই দুনিয়াদারি ।। বড় আশার বাসা এ ঘর পড়ে
আজ বিকেলের ডাকে তোমার চিঠি পেলাম। আজ বিকেলের ডাকে তোমার চিঠি পেলাম। রঙ্গিন খামে যত্নে লেখা আমারই নাম। আজ বিকেলের
হরি দিনতো গেল সন্ধ্যা হল পার কর আমারে ! তুমি পারের কর্তা শুনে বার্তা ডাকি হে তোমারে । হরি দিনতো
অজানা কোনো গল্প বলে মেঘলা নীল, অচেনা পথে দিচ্ছে পাড়ি একলা চিল। অজানা কোনো গল্প বলে মেঘলা নীল, অচেনা পথে
লাগে দোল লাগে দোল লাগে দোল পাতায় পাতায় বকুল বনের শাখে। কে যাবি, কে যাবি আয় ছুটে, আয় ছুটে মন
ফুলেশ্বরী ফুলেশ্বরী ফুলের মত নাম ফুলেশ্বরী ফুলেশ্বরী ফুলের মত নাম তোমার দেওয়া দুখীর কমল বুকে ধরলাম ফুলেশ্বরী ফুলেশ্বরী ফুলের মত
জীবন খাতার প্রতি পাতায় যতই লেখ হিসাব নিকাষ কিছুই রবে না । লুকোচুরির এই যে খেলা প্রাণের যত দেয়া নেয়া
আমি      চিনি গো চিনি   তোমারে ওগো বিদেশিনী । তুমি       থাক সিন্ধুপারে   ওগো বিদেশিনী ।।       
কালো জলে কুচলা তলে ডুবল সনাতন আজ চার(সার) আনা, কাল চার(সার) আনা পাই যে দরসন। আজ চার(সার) আনা, কাল চার(সার)
যাও পাখি বল হাওয়া ছল ছল আবছায়া জানলার কাঁচ আমি কি আমাকে হারিয়েছি বাঁকে রুপকথা আনাচে -কানাচ আঙুলের কোলে জ্বলে
বৃষ্টি থামার শেষে সোনালী আলোয়ে ভেসে রাজার কুমার এসে সোনালী কাঠি ছোঁয়ালো। বৃষ্টি থামার শেষে সোনালী আলোয়ে ভেসে রাজার কুমার

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V