Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

যে জন প্রেমের ভাব জানে না তার সঙ্গে নাই লেনাদেনা খাঁটি সোনা ছাড়িয়া যে নেয় নকল সোনা সে জন সোনা
তুই চিরদিন তোর দরজা খুলে থাকিস অবাধ আনাগোনার হিসেব কেন রাখিস ? সাক্ষাত আলাদিন তোর প্রদীপ ভরা জিনে কেন খুঁজতে
আজ বিকেলের ডাকে তোমার চিঠি পেলাম। আজ বিকেলের ডাকে তোমার চিঠি পেলাম। রঙ্গিন খামে যত্নে লেখা আমারই নাম। আজ বিকেলের
আমি আজ ভেঙ্গে দেবো জোড়া ফুলদানি, বড়দের টিভি খুলে খিলতি জওয়ানি। ছুঁচোবাজি ছেড়ে দেবো ঠাকুমার ঘরে, একটাই ডেনজার জুজু যদি
আমার মাথা নত করে দাও হে তোমার চরণধুলার তলে। সকল অহংকার হে আমার ডুবাও চোখের জলে। আমার মাথা নত করে
কথায় কথায় যে রাত হয়ে যায় কি কথা রাখলে বাকী কথায় কথায় যে রাত হয়ে যায় কি কথা রাখলে বাকী
তু রুরু রুরু রুরুরু রু ফিরে এসো অনুরাধা ভেঙ্গে দিয়ে সব বাধা। প্রিয়তমা মোনালিসা তুমি আমার ভালবাসা। বলেছিলে তুমি গান
মেঘেদের মিনারে দিগন্তের কিনারে বাদল আঁধার করেছে আবার আমার এই ঘর​ মেঘেদের মিনারে দিগন্তের কিনারে বাদল আঁধার করেছে আবার আমার
আমার মনটা টানে আমার মনটা টানে ঘরের পানে কোথায় আমার ঘর যদি মন ঘরানি পাবে সে ঘর আশার খুঁটি দিয়া
আমি বাংলায় গান গাইআমি বাংলার গান গাইআমি, আমার আমিকে চিরদিন এই বাংলায় খুঁজে পাই।আমি বাংলায় গান গাইআমি বাংলার গান গাইআমি,
মন মাঝিরে তোর খেয়াতে তুই দিলি যে পাল তুলে ও মন মাঝিরে তোর খেয়াতে তুই দিলি যে পাল তুলে যাবি
ওরা আমার মুখের ভাষা কাইরা নিতে চায়। ওরা আমার মুখের ভাষা কাইরা নিতে চায়। ওরা কথায় কথায় শিকল পরায় আমার
যদি হই চোরকাঁটা ওই শাড়ির ভাঁজে দুষ্টু যে হয় এমন কাজ তো তারই সাজে। যদি হই কাঁকন তোমার ওই হাতে
প্রেমে পড়া বারণ, কারণে অকারণ আঙুলে আঙ্গুল রাখলেও হাত ধরা বারণ। প্রেমে পড়া বারণ, কারণে অকারণ আঙুলে আঙ্গুল রাখলেও হাত
চল রে চল সবে ভারত সন্তান মাতৃভূমি করে আহ্বান চল রে চল সবে ভারত সন্তান মাতৃভূমি করে আহ্বান বীর দর্পে
ও ঝর ঝর ঝরনা, ও রূপালী বর্ণা ও ও ঝর ঝর ঝরনা, ও রূপালী বর্ণা ওরে হারায়েছে প্রাণ মন আমার
আজকে রাতে এসো শপথ করি দুজনে দুজনার হাতটি ধরি আজকে রাতে এসো শপথ করি দুজনে দুজনার হাতটি ধরি একই সাথে
গুন গুন গুন কুঞ্জে আমার একি গুঞ্জরন​ হা আজ গুন গুন গুন কুঞ্জে আমার একি গুঞ্জরন​ গানের সুরে পেলাম এ
আ আ যখন কেউ আমাকে পাগল বলে, যখন কেউ আমাকে পাগল বলে, তার প্রতিবাদ করি আমি। যখন তুমি আমায় পাগল
পৃথিবী হারিয়ে গেল মরু সাহারায় মিশরের নীলনদ আকাশে মিলায় খুশীর প্রাসাদ গ​ড়ি মাঝ দরিয়ায় আকাশ রাঙাতে চাই প্রদীপ শিখায় পৃথিবী
কেউ বলে ফাল্গুন, কেউ বলে পলাশের মাস, আমি বলি আমার সর্বনাশ। কেউ বলে দখিনা, কেউ বলে মাতাল বাতাস, আমি বলি
টুং-টাং পিয়ানোয় সারাটি দুপুর, কচি কচি দুটি হাত তুলবে যে সুর। মাথা নেড়ে বুড়োবুড়ি শুনবে যে গান। হুপ-হুপ লাফাবে যে
আজ যত যুদ্ধবাজ দেয় হানা হামলাবাজ আমাদের শান্তি সুখ করতে চায় লুটতরাজ। আজ যত যুদ্ধবাজ দেয় হানা হামলাবাজ আমাদের শান্তি
লাল ফিতে সাদা মোজা সু-স্কুলের ইউনিফর্ম ন'টার সাইরেন সংকেত সিলেবাসে মনোযোগ কম পড়া ফেলে এক ছুট ছুট্টে রাস্তার মোড়ে, দেখে

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V