Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

তুই চিরদিন তোর দরজা খুলে থাকিস অবাধ আনাগোনার হিসেব কেন রাখিস ? সাক্ষাত আলাদিন তোর প্রদীপ ভরা জিনে কেন খুঁজতে
যেতে যেতে একলা পথে নিবেছে মোর বাতি। ঝ​ড় এসেছে, ওরে, ওরে, ঝ​ড় এসেছে, ওরে, এবার ঝ​ড়কে পেলাম সাথী। যেতে যেতে
হে পিন্দারে পলাশের বন পালাবো পালাবো মন হে পিন্দারে পলাশের বন পালাবো পালাবো মন পিন্দারে পলাশের বন পালাবো পালাবো মন
বউ কথা কও, বউ কথা কও ডাকিস কেন ওরে পাখি। বউ কথা কও, বউ কথা কও ডাকিস কেন ওরে পাখি।
মন রে কৃষিকাজ জানো না। মন রে কৃষিকাজ জানো না। এমন মানব জমিন রইল পতিত আবাদ করলে ফলত সোনা। মানব
গৌরীশৃঙ্গ তুলেছে শির বহিছে সিন্ধু গর্জমান ভল্গা যমুনা রাইনে নাইলে মিসিসিপি মিলে তুলেছে তান নওজওয়ান গৌরীশৃঙ্গ তুলেছে শির বহিছে সিন্ধু
শ্রীমৎ আদি শঙ্করাচার্য রচিত মহিষাসুরমর্দিনী স্তোত্রম্ ।।১।। অয়ি গিরিনন্দিনি নন্দিতমেদিনি বিশ্ব-বিনোদিনি নন্দনুতে গিরিবরবিন্ধ  শিরো‌ধিনিবাসিনি বিষ্ণু-বিলাসিনি জিষ্ণুনুতে, ভগবতি হে শিতিকণ্ঠ-কুটুম্বিণি ভূরিকুটুম্বিণি
পরেছি চাঁপা ডুরে শাড়ি, আর খোঁপাটি বাহারি গো খোঁপাটি বাহারি। দুহাতে রেশমি চুড়ি পরেছি দুহাতে রেশমি চুড়ি পরেছি, আমি কি
আর কত রাত একা থাকবো আর কত রাত একা থাকবো আর কত রাত একা থাকবো আর কত রাত একা থাকবো
আরে ও জীবন রে জীবন ছাড়িয়া না যাইস্ মোকে আরে তুই জীবন ছাড়িয়া গেলে আদর করিবে কায় জীবনরে। আদর করিবে
আহ! বাঁশি শুনে আর কাজ নাই সে যে ডাকাতিয়া বাঁশি। বাঁশি শুনে আর কাজ নাই সে যে ডাকাতিয়া বাঁশি। সে
গানে ভুবন ভরিয়ে দেবে ভেবেছিল একটি পাখী হঠাৎ বুকে বিঁধল যে তীর স্বপ্ন দেখা হল ফাঁকি। গানে ভুবন ভরিয়ে দেবে
এক ফালি রোদ এসে হাতছানি ভীনদেশে নীল আশমানী, মনমানী যে আজ। সারাদিন, তেরে বিন কেটেছে এতো দিন। চল ঘরছাড়া, মন
ভাল লাগে হাঁটতে তোর হাত ধরে ভাবনা তোর আসছে দিন রাত ধরে। ভাল লাগে হাঁটতে তোর হাত ধরে ভাবনা তোর
মাধবী মধুপে হল মিতালি এই বুঝি জীবনের মধু গীতালি মাধবী মধুপে হল মিতালি এই বুঝি জীবনের মধু গীতালি জ্বলে দেখি
আমার সাথে তোমার কথা নেই জানি তবু তোমার সাথে আমার কথা আছে তোমার পাশে আমার ছায়া নেই জানি তবু আমার
বিধির বাঁধন কাটবে তুমি এমন শক্তিমান - তুমি কি এমনি শক্তিমান ! আমাদের ভাঙাগড়া তোমার হাতে এমন অভিমান - তোমাদের এমনি অভিমান ।। চিরদিন টানবে
চুড়ির তালে নুড়ির মালা রিনিঝিনি বাজে লো – খোঁপায় দোলে বুনো ফুলের কুঁড়ি। চুড়ির তালে নুড়ির মালা রিনিঝিনি বাজে লো
ভারতবর্ষ সূর্যের এক নাম আমরা র​য়েছি সেই সূর্যের দেশে লীলাচঞ্চল সমুদ্রে অবিরাম গঙ্গা যমুনা ভাগীরথী যেথা মেশে ভারতবর্ষ সূর্যের এক
লালা লা লালালা লালা লালা লালা লালালা লালা লা তোলো ছিন্ন বীণা বাঁধো নতুন তারে, ভরে নাও সুর গাও জীবনেরই
ওই যে সবুজ বনবিথীকা। দূর দিগন্তের সীমানায়, ছোট্টো নদীটির ওই বাঁকে মোর প্রিয় হোথায় থাকে। ওই যে সবুজ বনবিথীকা। দূর
কেন দূরে থাকো শুধু আড়াল রাখো কে তুমি কে তুমি আমায় ডাকো কেন দূরে থাকো শুধু আড়াল রাখো কে তুমি
আমি কোন পথে যে চলি কোন কথা যে বলি তোমায় সামনে পেয়েও খুঁজে বেরাই মনের চোরাগলি ।। সেই গলিতেই ঢুকতে
আমার বেলা যে যায় সাঁঝ-বেলাতে তোমার সুরে সুরে সুর মেলাতে। আমার বেলা যে যায় সাঁঝ-বেলাতে তোমার সুরে সুরে সুর মেলাতে।

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V