Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

তোমার নামে আঁকা এ হাতের উপর আঁকা ডাকে আয় কাছে আয় তোমার চুলে ডাকা এ আদর দিয়ে মাখা ডাকে আয়
দিনে দিনে হলো আমার দিন আখেরি । আমি কোথায় ছিলাম কোথায় এলাম সদাই ভেবে মরি ।। বসত করি দিবা রাতে
রোদন ভরা এ বসন্ত কখনো আসে নি বুঝি আগে। রোদন ভরা এ বসন্ত মোর বিরহবেদনা রাঙালো কিংশুকরক্তিমরাগে। রোদন ভরা এ
তোমার কাছে এ বর মাগি, মরণ হতে যেন জাগি গানের সুরে । তোমার কাছে এ বর মাগি, মরণ হতে যেন
বৈষ্ণব সেই জন পাশে থাকে আজীবন পরেরও বেদন-ব্যথা জানে রে। বৈষ্ণব সেই জন পাশে থাকে আজীবন পরেরও বেদন-ব্যথা জানে রে।
সংকোচের বিহ্বলতা নিজেরে অপমান সংক্টের কল্পনাতে হয়ো না মৃয়মাণ সংকোচের বিহ্বলতা নিজেরে অপমান সংক্টের কল্পনাতে হয়ো না মৃয়মাণ আ আহা
কথায় কথায় যে রাত হয়ে যায় কি কথা রাখলে বাকী কথায় কথায় যে রাত হয়ে যায় কি কথা রাখলে বাকী
আর কত রাত একা থাকবো আর কত রাত একা থাকবো আর কত রাত একা থাকবো আর কত রাত একা থাকবো
মরি কি আফসোসে তোমায় ভালবেসে মরি কি আফসোসে তোমায় ভালবেসে বিধুমুখী এই কি তোমার ভালবাসার গুণ? মরি কি আফসোসে তোমায়
আমি   হৃদয়ের কথা বলিতে ব্যাকুল, শুধাইল না কেহ। সে তো  এল না যারে সঁপিলাম এই প্রাণ মন দেহ।। সে
আমার মনের এই ময়ূরমহলে এসো আজ প্রেমের আতর ঢেলে দাও। বেগম রাতটার গায়ে তারা ওড়না দুচোখে আজ নয় ঝাড়বাতি জ্বেলে
জাত গেল জাত গেল বলে একি আজব কারখানা জাত গেল জাত গেল বলে একি আজব কারখানা সত্য পথে কেউ নয়
আমার মন কেমন করে আমার মন কেমন করে কে জানে, কে জানে, কে জানে কাহার তরে। মন কেমন করে। আমার
জনগণমন-অধিনায়ক জয় হে ভারতভাগ্যবিধাতা! পঞ্জাব সিন্ধু গুজরাট মরাঠা দ্রাবিড় উৎকল বঙ্গ বিন্ধ্য হিমাচল যমুনা গঙ্গা উচ্ছলজলধিতরঙ্গ তব শুভ নামে জাগে,
ও আমার কাঁধের আঁচল যায় পরে। ও আমার কাঁধের আঁচল যায় পরে। থাকে না মন যে আমার আর ঘরে। ও
আয়  তবে  সহচরী, হাতে হাতে ধরি ধরি নাচিবি ঘিরি ঘিরি, গাহিবি গান । আন তবে বীণা --- সপ্তম সুরে বাঁধ তবে তান ||
ভাল করিয়া বাজান রে দোতারা কমলা সুন্দরী নাচে। কমলা সুন্দরীর পেন্দরের শাড়ি রোদে ঝিলমিল করে রে। নাচিতে নাচিতে কমলা সুন্দরী
তুমি নেই বলে আজ চাঁদ আসেনি আকাশে, নেই কোনো তারা। তুমি নেই বলে আজ ফুল ফোটেনি বাগানে, ঝরে গেছে পাতা।
আমার স্বপ্ন যে সত্যি হল আজ হা হা হা হা আমার স্বপ্ন যে সত্যি হল আজ কাছে এলো এতোদিন দূরে
এক যে ছিল মাছি, তার নামটি ছিল পাঁচী। এক যে ছিল মাছি, তার নামটি ছিল পাঁচী। উড়তে উড়তে পাঁচী, গিয়ে
সজনি সজনি রাধিকা লো দেখ অবহুঁ চাহিয়া, মৃদুলগম শ্যাম আওয়ে মৃদুল গান গাহিয়া। সজনি সজনি রাধিকা লো দেখ অবহুঁ চাহিয়া।
যত দূরে যাবে চোখ তুমি ছাড়া- কিচ্ছু নেই কেউ কোথাও - নোনা জলে ডুবে আছে  গোটা পাড়া সাবধানে দুঃখ দাও
আজ মন চেয়েছে আমি হারিয়ে যাব হারিয়ে যাব আমি তোমার সাথে আজ মন চেয়েছে আমি হারিয়ে যাব হারিয়ে যাব আমি
কৃষ্ণচূড়া শোন শোন শোন। সারাবেলা দোলায় তোকে ক্ষ্যাপা হাওয়া যে! ক্ষ্যাপা হাওয়া যে! তার পায়ের শব্দ যায় না শোনা পাতার

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V