Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

আজ দুজনার দুটি পথ ওগো দুটি দিকে গেছে বেঁকে আজ দুজনার দুটি পথ ওগো দুটি দিকে গেছে বেঁকে তোমার ও
আকাশ আমায় ভরল আলোয়, আকাশ আমি ভরব গানে সুরের আবীর হানব হাওয়ায়, নাচের আবীর হাওয়ায় হানে ।। ওরে পলাশ, ওরে পলাশ,
তু রুরু রুরু রুরুরু রু ফিরে এসো অনুরাধা ভেঙ্গে দিয়ে সব বাধা। প্রিয়তমা মোনালিসা তুমি আমার ভালবাসা। বলেছিলে তুমি গান
চিনেছি চিনেছি তোমার এ মন, লুকিয়ে রেখোনা তারে এখন; তুমি আমারি, আমি তোমারি মনের মতন। চিনেছি চিনেছি তোমার এ মন,
হও ধরমেতে ধীর হও করমেতে বীর, হও উন্নতশির - নাহি ভয়। হও ধরমেতে ধীর হও করমেতে বীর, হও উন্নতশির -
এই পথে যায় চলে, ঝরা পাতা যায় দলে, ও কোন সুরে উতলা মন আমার নয় সে কাছে নয় সে দূরে
টুং-টাং পিয়ানোয় সারাটি দুপুর, কচি কচি দুটি হাত তুলবে যে সুর। মাথা নেড়ে বুড়োবুড়ি শুনবে যে গান। হুপ-হুপ লাফাবে যে
কি নামে ডেকে বলবো তোমাকে মন্দ করেছে আমাকে ঐ দুটি চোখে। কি নামে ডেকে বলবো তোমাকে মন্দ করেছে আমাকে ঐ
ভিজছে কাক, আয়না থাক দেখুক তোমায় ফুলের দল পথের বাঁক, আনতে যাক বৃষ্টি ধোয়া কলসি জল শহরতলি জুড়ে, গলির মোড়ে
নাচ ময়ুরী নাচ রে, রুম ঝুমা ঝুম নাচরে । ঐ এলো আকাশ ছেয়ে ও বর্ষা রাণী সাজ রে । নাচ
ফেটে গেল ফেটে গেল কালিরামের ঢোল সে এক দাঁড়কাকের সাধ হল কোকিলা সাজিতে পড়ল ধরা কাকা রবে তার সে জারিজুরি
মনের হদিস কেই বা জানে? সে হদিস কেই বা জানে? কি যে থাকে মনের ঘরে! কেউ জানে না, কেউ জানে
আমার অঙ্গে অঙ্গে কে বাজায় বাজায় বাঁশি আমার অঙ্গে অঙ্গে কে আনন্দে বিষাদে মন উদাসে কে বাজায় বাজায় বাঁশি আমার
চুড়ির তালে নুড়ির মালা রিনিঝিনি বাজে লো – খোঁপায় দোলে বুনো ফুলের কুঁড়ি। চুড়ির তালে নুড়ির মালা রিনিঝিনি বাজে লো
ফান্দে পড়িয়া বগা কান্দে রে ফান্দে পড়িয়া বগা কান্দে রে ফান্দ বসাইছে ফান্দি রে ভাই পুঁটি মাছো দিয়া ওরে মাছের
চেয়ে দেখো মেঘেরা ছুঁয়েছে মেঘলা মন​ চেয়ে দেখো মেঘেরা ছুঁয়েছে মেঘলা মন​ উদাসীন সারাদিন রিমঝিম ঝিম ঝিম ঝরে যাওয়া এ
ধা নিসাগামা ধা নিধা নিধা নিসা নিধা পামাগা মাগা মাগা মাগাসানি আহা হা ঝরনা ঝরঝরিয়ে জল ছড়িয়ে কেন নেচে নেচে
ওরা অকারণে চঞ্চল ওরা অকারণে চঞ্চল ডালে ডালে দোলে বায়ু হিল্লোলে নবপল্লবদল ওরা অকারণে চঞ্চল ওরা অকারণে চঞ্চল ছ​ড়ায়ে ছ​ড়ায়ে
কারার ঐ লৌহকপাট, ভেঙ্গে ফেল কর রে লোপাট, রক্ত-জমাট শিকল পূজার পাষাণ-বেদী। কারার ঐ লৌহকপাট, ভেঙে ফেল কর রে লোপাট,
বঁধূ, এমন বাদলে তুমি কোথা? আজি প​ড়িছে মনে মম কত কথা! গিয়াছে রবি শশী গগন ছাড়ি; বরষে বরষা বিরহ​-বারি; আজিকে
ভূতের রাজা দিল বর, ভূতের রাজা দিল বর, জবর জবর তিন বর। এক দুই তিন। জবর জবর তিন বর। এক
না যেও না, না যেও না, রজনী এখনও বাকী আরও কিছু দিতে বাকী বলে রাত জাগা পাখি। না যেও না।
জানলা খোলা দেখে থমকে দাড়ালো দুষ্টু হাওয়ায় ওড়া এলোমেলো সুর আমার কানে কিছু বলতে এলো সে হাতছানি তার অজানায় বহুদূর।
ও ছেড়োনা ছেড়োনা হাত দেব না দেব না গো যেতে থাক আমার কাছে। ছেড়োনা ছেড়োনা হাত দেব না দেব না

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V