Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

আমার ভালোবাসার রাজপ্রাসাদে নিশুতি রাত গুমরে কাঁদে ৷ মনের ময়ুর মরেছে ঐ ময়ুর মহলেই ৷ দেখি মুকুটটা তো পড়ে আছে
চরণ ধরিতে দিযো গো আমারে - নিয়ো না,  নিয়ো না সরায়ে । জীবন মরণ সুখ দুখ দিয়ে বক্ষে ধরিব জড়ায়ে । স্খলিত শিথিল কামনার
আ হা ও হো এ হে রুই কাতলা ইলিশ তো নয়, হায়রে কি যে করি। রুই কাতলা ইলিশ তো নয়,
চোখে চোখে কথা বল, মুখে কিছু বলনা। মন নিয়ে খেলা করো, এ কি ছলনা। চোখে চোখে হা কথা বল, মুখে
সাগর সঙ্গমে- সাগর সঙ্গমে সাঁতার কেটেছি কত কখনও তো হই নাই ক্লান্ত। সাগর সঙ্গমে সাঁতার কেটেছি কত কখনও তো হই
লাবণ্যে পূর্ণ প্রাণ, প্রাণেশ হে, একি লাবণ্যে পূর্ণ প্রাণ, প্রাণেশ হে, আনন্দবসন্তসমাগমে। একি লাবণ্যে পূর্ণ প্রাণ, প্রাণেশ হে বিকশিত প্রীতিকুসুম
এক পায়ে নূপুর আমার অন্য পা খালি এক পাশে সাগর এক পাশে বালি তোমার ছোট তরী বলো, নেবে কি? এক
আমায় নহে গো ভালোবাসো শুধু ভালোবাসো মোর গান। আমায় নহে গো ভালোবাসো শুধু ভালোবাসো মোর গান। বনের পাখিরে কে চিনে
একটা গান লিখো আমার জন্য। একটা গান লিখো আমার জন্য। নাহয় আমি তোমার কাছে ছিলেম অতি নগন্য। একটা গান লিখো
আমার স্বপ্ন তুমি ওগো চিরদিনের সাথী আমার স্বপ্ন তুমি ওগো চিরদিনের সাথী তুমি সূর্য ওঠা ভোর আমার আর তারায় ভরা
মোর ভাবনারে কি হওয়ায় মাতালো , দোলে মন দোলে অকারণ হরষে। হৃদয়গগনে সজল ঘন নবীন মেঘে রসের ধারা বরষে ।।
তুমি, নির্মল কর, মঙ্গল করে মলিন মর্ম মুছায়ে । তুমি, নির্মল কর, মঙ্গল করে মলিন মর্ম মুছায়ে । তব, পূণ্য-কিরণ
কিভাবে কত কি পুড়ে ছাই। কখন কে জানে রাস্তার মোড়ে হাত নাড়ি বিদায় বাসের সারি বুকের ভেতর ভাড়ি পাথরের ছোঁয়াটুকু
কথা ছিলো বাকি সন্ধ্যা জোনাকি হঠাৎ তারারা ডাকে আয় ঘাসের চাদরে ঘুমের আদরে রাত কেন ব​য়ে চলে যায় ঘুম আসে
দূরে থেকো না। আরো কাছে এসো। পরশ করে দেখো আমায় রোমাঞ্চ জাগে কি? দূরে থেকো না। আরো আরো কাছে এসো।
ও আমার কাঁধের আঁচল যায় পরে। ও আমার কাঁধের আঁচল যায় পরে। থাকে না মন যে আমার আর ঘরে। ও
আমাকে আমার মত থাকতে দাও আমি নিজেকে নিজের মত গুছিয়ে নিয়েছি। আমাকে আমার মত থাকতে দাও আমি নিজেকে নিজের মত
নদীর যেমন ঝর্ণা আছেঝর্ণারও নদী আছে।আমার আছো তুমি শুধু তুমি।আমার আছো তুমি শুধু তুমি। বাঁশীর যেমন কৃষ্ণ আছেকৃষ্ণেরও বাঁশী আছে।আমার
সময় গেলে সাধন হবে না । দিন থাকিতে দিনের সাধন কেন জানলে না ।। জানো না মন খালে বিলে থাকে
আমার মাথা নত করে দাও হে তোমার চরণধুলার তলে। সকল অহংকার হে আমার ডুবাও চোখের জলে। আমার মাথা নত করে
ওগো নিরুপমা করিও ক্ষমা তোমাকে আমার ঘরনি করিতে আমার মনের দোসর করিতে পারিলামনা পারিলামনা তো কিছুতেই ওগো নিরুপমা হয়তো তোমার
না যেও না, না যেও না, রজনী এখনও বাকী আরও কিছু দিতে বাকী বলে রাত জাগা পাখি। না যেও না।
ও ও ওওও ওও আয় রে ছুটে আয় পুজোর গন্ধ এসেছে। ও ও ওওও ওও আয় রে ছুটে আয় পুজোর
একটা চাঁদ ছাড়া রাত আঁধার কালো মায়ের মমতা ছাড়া কে থাকে ভালো। মাগো মা মাগো মা তুমি চোখের এত কাছে

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V