Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

বন্ধ মনের দুয়ার দিয়েছি খুলে। এসেছে ফাগুন হওয়া, এখন সবই দেবার পালা নেই তো কিছু চাওয়ার। বন্ধ মনের দুয়ার দিয়েছি
পা পা মা গা রে সা পা পা মা গা রে সা তার চোখের জটিল ভাষা ধা ধা পা মা
আমি   রূপে তোমায় ভোলাব না, ভালবাসায় ভোলাব । আমি   হাত দিয়ে দ্বার খুলবো না গো, গান দিয়ে  দ্বার খোলাব ।।    
মন, হাওয়ায় পেয়েছি তোর নাম মন, হাওয়ায় হারিয়ে ফেললাম। মন, হাওয়ায় পেয়েছি তোর নাম মন, হাওয়ায় হারিয়ে ফেললাম। হাওয়া দিল
জেনেছি জেনেছি তারা, তুমি জানো ভোজের বাজি। জেনেছি জেনেছি তারা, তুমি জানো ভোজের বাজি। যে তোমায় যেভাবে ডাকে তাতে তুমি
তারে ভোলানো গেল না কিছুতে তারে ভোলানো গেল না কিছুতে ভুল দিয়ে ভালোবাসা দিয়ে ভুল দিয়ে ভালোবাসা দিয়ে বিষের পরশ
মরি কি আফসোসে তোমায় ভালবেসে মরি কি আফসোসে তোমায় ভালবেসে বিধুমুখী এই কি তোমার ভালবাসার গুণ? মরি কি আফসোসে তোমায়
বয়েই গেছে বয়েই গেছে তোমার ডাকে সারা দিতে বয়েই গেছে সাত রাজাধন মানিক যখন পাওয়াই আমার হয়েই গেছে বয়েই গেছে
যখন ডাকল বাঁশি তখন রাঁধা যাবেই যমুনায় । যখন ডাকল বাঁশি তখন রাঁধা যাবেই যমুনায় । জ্বলে পুড়ে মরল রাঁধা
আমার চোখে চোখ রাখ তুই আমার কথা গুলো তোর হয়ে যেতে পারে দুর্ঘটনা ঘটতে দে আঙুল গুনে ফেলা মনে পড়ে
এই তো হেথায়ে কুঞ্জ ছায়ায় স্বপ্ন মধুর মোহে এই জীবনে যে কটি দিন পাব তোমায়ে আমায়ে হেসে খেলে কাটিয়ে যাব
ঝিলিক ঝিলিক ঝিনুক খুঁজে পেলাম, ঝিলিক ঝিলিক ঝিনুক খুঁজে পেলাম। তোমায় তা দিলাম। বললে তুমি মুক্তো কোথায়? মুক্তো আমার চাই.
ললিতা গো- ওকে আজ চলে যেতে বলনা। ওকে আজ চলে যেতে বলনা। ও ঘাটে জল আনিতে যাব না যাব না।
মম চিত্তে নিতি নৃত্যে কে যে নাচে তাতা থৈথৈ, তাতা থৈথৈ, তাতা থৈথৈ। মম চিত্তে নিতি নৃত্যে কে যে নাচে
মানুষ মানুষের জন্যে, জীবন জীবনের জন্যে। একটু সহানুভূতি কি মানুষ পেতে পারে না? ও বন্ধু- মানুষ মানুষের জন্যে, জীবন জীবনের
উমউম উমউম উমউম উমউম উমউম উমউম উমউম উমউম উমউম উমউম উমউম উমউম বৃষ্টি বৃষ্টি বৃষ্টি, এ কোন অপরূপ সৃষ্টি। এত
টুং-টাং পিয়ানোয় সারাটি দুপুর, কচি কচি দুটি হাত তুলবে যে সুর। মাথা নেড়ে বুড়োবুড়ি শুনবে যে গান। হুপ-হুপ লাফাবে যে
তোমার নামে আঁকা এ হাতের উপর আঁকা ডাকে আয় কাছে আয় তোমার চুলে ডাকা এ আদর দিয়ে মাখা ডাকে আয়
আমি         তারেই খুঁজে বেড়াই যে রয় মনে আমার মনে । সে           আছে
আজ দুজনার দুটি পথ ওগো দুটি দিকে গেছে বেঁকে আজ দুজনার দুটি পথ ওগো দুটি দিকে গেছে বেঁকে তোমার ও
তিন পাগলে হলো মেলা নদে এসে- তোরা কেউ যাসনে ও পাগলের কাছে ।। একটা নারকেলের মালা তাতে জল তোলা ফেলা
তব চরণ নিম্নে উৎসবময়ী শ্যাম ধরণী সরসা। উর্ধে চাহ অগণিত-মণি-রঞ্জিত-নভো-নীলাঞ্চলা। উর্ধে চাহ অগণিত-মণি-রঞ্জিত-নভো-নীলাঞ্চলা। সৌম্য-মধুর-দিব্যাঙ্গনা, শান্ত-কুশল-দরশা। শ্যাম ধরণী সরসা। তব চরণ
এক বৈশাখে দেখা হল দুজনার জ্যৈষ্ঠে তে হল পরিচয় আসছে আষাঢ় মাস মন তাই ভাবছে কি হয় কি হয় কে
খাঁচার ভিতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায় খাঁচার ভিতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায় তারে ধরতে পারলে মন বেড়ি দিতাম

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V