Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

গানে ভুবন ভরিয়ে দেবে ভেবেছিল একটি পাখী হঠাৎ বুকে বিঁধল যে তীর স্বপ্ন দেখা হল ফাঁকি। গানে ভুবন ভরিয়ে দেবে
তুমি কত যে দূরে কোথা যে হারিয়ে গেলে, আমার জীবন হতে, ঠিকানা নেই, বলো খুঁজি কোথায়? তুমি কতো যে দূরে
লাল ফিতে সাদা মোজা সু-স্কুলের ইউনিফর্ম ন'টার সাইরেন সংকেত সিলেবাসে মনোযোগ কম পড়া ফেলে এক ছুট ছুট্টে রাস্তার মোড়ে, দেখে
যখন নীরবে দূরে দাঁড়াও এসে যেখানে পথ বেঁকেছে যখন নীরবে দূরে দাঁড়াও এসে যেখানে পথ বেঁকেছে তোমায় ছুঁতে চাওয়ার মুহূর্তরা
যা যারে যা যা পাখি,আর কিছু নাই যা ঢেকে রাখি।এ বাঁধন ছিঁড়ে উড়ে যা।এই শুধু বলি তারে,মোর মন কাঁদে আজও
মুক্তির মন্দির সোপান তলে কত প্রাণ হল বলিদান লেখা আছে অশ্রুজলে। মুক্তির মন্দির সোপান তলে কত প্রাণ হল বলিদান লেখা
ফাঁকা ফ্রেম আর অকেজো হাতঘড়ি নিয়ে এখন আমি কি করি? অ্যান্টেনায় আর অশ্বত্থের ডালে ঝুলে থাকি প্রতেক সকালে শহুরে সন্ধ্যায়
ও প্রজাপতি প্রজাপতি পাখনা মেলো ও প্রজাপতি প্রজাপতি পাখনা মেলো আমার এই মনের আঁধার কোণে কোণে রঙে রঙে রংমশাল জ্বালো
কেউ বলে ফাল্গুন, কেউ বলে পলাশের মাস, আমি বলি আমার সর্বনাশ। কেউ বলে দখিনা, কেউ বলে মাতাল বাতাস, আমি বলি
এই ছন্দ এ আনন্দ এ যে বিধাতার মহাদান। আনন্দে পাখি গায় ঝর্ণারা ছুটে যায় ফুল দিয়ে যায় তার গন্ধ। এই
মধু মালতী ডাকে আয় ফুল ফাগুনের এ খেলায় মধু মালতী ডাকে আয় মধু মালতী ডাকে আয় ফুল ফাগুনের এ খেলায়
পদ্মার কথা কইলা বন্ধু কইলা মেঘনা রূপসী সোনা মেঘের হাসি দিলা হাত বাড়াইয়া হাত ও দিলা তবু কন্যা নাম কইলা
এই নিশি রাত নিশি রাত - বাঁকা চাঁদ আকাশে, চুপি চুপি বাঁশি বাজে বাতাসে-এ বাতাসে-এ, নিশি রাত - বাঁকা চাঁদ
এক দিন পাখী উড়ে এক দিন পাখী উড়ে যাবে যে আকাশে, ফিরবে না সে তো আর কারো আকাশে। এক দিন
ছেড়েছো তো অনেক কিছুই পুরোনো অভ্যেস অসুখ বিসুখ হওয়ার পরে ঝিলিপি সন্দেশ ছেড়েছো তো অনেক কিছুই পুরোনো অভ্যেস অসুখ বিসুখ
আমার পরান যাহা চায় তুমি তাই, তুমি তাই গো। তোমা ছাড়া আর এ জগতে মোর কেহ নাই, কিছু নাই গো।।
মোর প্রিয়া হবে এসো রানী দেব খোঁপায় তারার ফুল কর্ণে দোলাব তৃতীয়া তিথির চৈতী চাঁদের দুল। খোঁপায় তারার ফুল। মোর
মিথ্যে কথা এতো বোলো না, রাত্রি জাগা এতো ভালো না। মিথ্যে কথা এতো বোলো না, রাত্রি জাগা এতো ভালো না।
জাত গেল জাত গেল বলে একি আজব কারখানা ! সত্য কাজে কেউ নয় রাজি সবই দেখি তা না না না
আমরা যারা এই চেহারা হন্যে হ​য়ে রোজ পাহারা তাও শুকিয়ে যায় ফোয়ারা প্রেম পালিয়ে যায় আলোর দ​ড়ি জরায় তাকে এমনিতে
একতারাতে বেঁধে দিলে দোতারারই সুর একই দেহে রাম, আর কৃষ্ণ সুমধুর। একই দেহে রাম, আর কৃষ্ণ সুমধুর। সরযু নদীতে নেমে,
স্বপনে দোঁহে ছিনু মোহে , জাগার বেলা হল— যাবার আগে শেষ কথাটি বোলো।। ফিরিয়া চেয়ে এমন কিছু দিয়ো বেদনা হবে
ও মৌ তুমি জানো না যে মাঝরাতে একঘেয়ে এই বিছানাতে আজও কথা বলি কার সাথে। জানি না কার কী যায়
চল রাস্তায় সাজি ট্রাম লাইন আর কবিতায় শুয়ে কাপ্লেট আহা উত্তাপ কত সুন্দর তুই থার্মোমিটারে মাপলে। হিয়া টুপটাপ জিয়া নস্টাল

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V