Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

উঠ গো ভারত-লক্ষ্মী, উঠ আদি-জগত-জন-পূজ্যা, উঠ গো ভারত-লক্ষ্মী, উঠ আদি-জগত-জন-পূজ্যা, দুঃখ দৈন্য সব নাশি করো দূরিত ভারত-লজ্জা। দুঃখ দৈন্য সব
রাধা না খায় অন্ন না খায় পানি নাহি বান্ধে কেশ রে ভ্রমর​ কইয়ো গিয়া ভ্রমর কইয়ো গিয়া শ্রীকৃষ্ণ বিচ্ছেদের অনলে
জড়োয়ার ঝুমকো থেকে একটা মতি খসে পড়েছে খসে পড়েছে । আমি কুড়িয়ে নিয়েছি আমি কুড়িয়ে নিয়েছি যদি এই মুক্তোর আংটি
একটা মন হাঁটিহাঁটি পায় আঁকাবাঁকা রেলগাড়ি মেঘ এসে চোখে দিল রঙ হাতে দিল ডাকটিকিট। বৃষ্টি মেশে ড্র​য়িং খাতায় ফুল ফল
ছোটো ছোটো দিন আলাপে রঙ্গিন নূড়ির​ মতন ছোটো ছোটো রাত চেনা মনটার পলাশের বন আহা অগোছালো ঘর খড়কুটোময় চিলেকোঠা কোণ
এত রোদ্দুর তুই এনে দিলি তাই তোর বৃষ্টি, আমি একটু পেতে চাই। এত রোদ্দুর তুই এনে দিলি তাই তোর বৃষ্টি,
এই করেছ ভালো নিঠুর হে নিঠুর হে এই করেছ ভালো এমনি করেই হৃদয়ে মোর তীব্র দহন জ্বালো নিঠুর হে এই
তোমার কাছে ফাগুন চেয়েছে কৃষ্ণচূড়া তোমার কাছে ফাগুন চেয়েছে কৃষ্ণচূড়া তুমি তাই দুহাত ভরে দিলে আগুন উজার করে সে কি
কি হল দাঁড়ালে কেন যাবে না? যেতে পারো যাও না যাও তুমি যেতে পারো যাবে যদি গো তুমি এবার, কি
এই মণিহার আমায় নাহি সাজে--- এরে   পরতে গেলে লাগে ,এরে ছিড়তে গেলে বাজে ।। কণ্ঠ যে রোধ করে,    সুর তো নাহি  সরে।
তুমি যে আমার ওগো তুমি যে আমার । তুমি যে আমার ওগো তুমি যে আমার । কানে কানে শুধু একবার
লীলাবালি লীলাবালি বড় যুবতী সই মোর বড় যুবতী ঘরে কি দিয়া সাজাইমু তোরে। লীলাবালি লীলাবালি বড় যুবতী সই মোর বড়
আজকে রাতে এসো শপথ করি দুজনে দুজনার হাতটি ধরি আজকে রাতে এসো শপথ করি দুজনে দুজনার হাতটি ধরি একই সাথে
কি লিখি তোমায়? প্রিয়তম হুহুহুহুহুহুহু কি লিখি তোমায়? কি লিখি তোমায়? তুমি ছাড়া আর কোন কিছু ভাল লাগেনা আমার কি
কোথা আছো গুরুদেব আমি জানি না তোমার করুণা ছাড়া কিছু চাই না কোথা আছো গুরুদেব আমি জানি না কোথা আছো
মরি হায় গো হায়। মরি হায় গো হায়। এলে যখন আমার ভাঙ্গা ঘরে শূন্য আঙিনায়। মরি হায় গো হায়। তখন
এটা গল্প কার দেখো লিখছে কে ভুলে অন্ধকার আলো শিখছে কে এটা গল্প কার দেখো লিখছে কে ভুলে অন্ধকার আলো
মেঘ কালো আঁধার কালো, আর কলঙ্ক যে কালো যে কালিতে বিনোদিনী হারালো তার কূল তার চেয়েও কালো কন্যা তোমার মাথার
পাড়ায় ঢুকলে ঠ্যাং খোড়া করে দেবো বলেছে পাড়ার দাদারা অন্যপাড়া দিয়ে যাচ্ছি তাই রঞ্জনা আমি আর আসবো না। এখানে রঞ্জনা
এ কথা কি জানে ইন্দু জোছনাকে বুকে ধরে ভালবাসে তাকে সিন্ধু সে কথা কি জানে ইন্দু যেখানে যখনি থাকি ওই
সেই , গ্রীষ্মের সকাল গুলোতেই পর্দা ঠেলে সরিয়ে হাওয়া দিলো ভাসিয়ে হাওয়া দিলো ভাসিয়ে। তখন, আমার এ বিছানা ঘুম ছাড়েনি
মাগো আনন্দময়ী নিরানন্দ কর না। মাগো আনন্দময়ী নিরানন্দ কর না। তোমার ও দুটি চরণ বিনে আমার মন ও দুটি চরণ
প্রাণ ভরিয়ে তৃষা হরিয়ে মোরে আরো আরো আরো দাও প্রাণ। প্রাণ ভরিয়ে তৃষা হরিয়ে মোরে আরো আরো আরো দাও প্রাণ।
শীতের হাওয়ার লাগল নাচন আমলকির এই ডালে ডালে । পাতাগুলি শিরশিরিয়ে ঝরিয়ে  দিল  তালে  তালে || উড়িয়ে  দেবার  মাতন  এসে  কাঙাল তারে

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V