Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

ফিরে এলাম দূরে গিয়ে আমি তোমার অনুরাধা ডেকো তুমি মোনালিসা ভেঙে দিলাম সব বাধা ও তুমি কেমন ছিলে বল​ আঁখি
আজি        বিজন ঘরে নিশীথরাতে আসবে যদি শূন্য হাতে -      আমি       তাই তে
পা পা মা গা রে সা পা পা মা গা রে সা তার চোখের জটিল ভাষা ধা ধা পা মা
ওরা আমার মুখের ভাষা কাইরা নিতে চায়। ওরা আমার মুখের ভাষা কাইরা নিতে চায়। ওরা কথায় কথায় শিকল পরায় আমার
ফুল কেন লাল হ​য় সেকি জানা যায় ভালোবাসি এই কথা কি মুখে বলা যায় ফুল কেন লাল হ​য় সেকি জানা
কিভাবে কত কি পুড়ে ছাই। কখন কে জানে রাস্তার মোড়ে হাত নাড়ি বিদায় বাসের সারি বুকের ভেতর ভাড়ি পাথরের ছোঁয়াটুকু
মায়াবনবিহারিনী হরিণী গহন স্বপন সঞ্চারিনী কেন তারে ধরিবারে করি পণ অকারণ মায়াবনবিহারিনী মায়াবনবিহারিনী হরিণী গহন স্বপন সঞ্চারিনী কেন তারে ধরিবারে
তুমি না হয় রহিতে কাছে কিছুক্ষণ আরো নাহয় রহিতে কাছে - আরো কিছু কথা নাহয় বলিতে মোরে কিছুক্ষণ আরো নাহয়
তুই চিরদিন তোর দরজা খুলে থাকিস অবাধ আনাগোনার হিসেব কেন রাখিস ? সাক্ষাত আলাদিন তোর প্রদীপ ভরা জিনে কেন খুঁজতে
কেন দূরে থাকো শুধু আড়াল রাখো কে তুমি কে তুমি আমায় ডাকো কেন দূরে থাকো শুধু আড়াল রাখো কে তুমি
চোখে নামে বৃষ্টি, বুকে ওঠে ঝড় যে চোখে নামে বৃষ্টি, বুকে ওঠে ঝড় যে তুমি তো আমারই ছিলে, আজ কত
আমি যে জলসাঘরে বেলোয়াড়ী ঝাড়। আমি যে জলসাঘরে বেলোয়াড়ী ঝাড়। আমি যে জলসাঘরে নিশি ফুরালে কেহ চায় না আমায় জানি
সেদিন দুজনে দুলেছিনু বনে,  ফুলডরে বাঁধা ঝুলনা । সেই স্মৃতিটুকু  কভু খনে খনে  যেন জাগে মনে, ভুল না।। সেদিন বাতাসে ছিল
আজ দুজনে মন্দ হলে মন্দ কি আজ দুজনে মন্দ হলে মন্দ কি দেখো ময়ূরকন্ঠী রাত যে আলোয় ঝিলমিলিয়ে আহা এমন
জড়োয়ার ঝুমকো থেকে একটা মতি খসে পড়েছে খসে পড়েছে । আমি কুড়িয়ে নিয়েছি আমি কুড়িয়ে নিয়েছি যদি এই মুক্তোর আংটি
ফাঁকা ফ্রেম আর অকেজো হাতঘড়ি নিয়ে এখন আমি কি করি? অ্যান্টেনায় আর অশ্বত্থের ডালে ঝুলে থাকি প্রতেক সকালে শহুরে সন্ধ্যায়
ও শ্যামু শ্যাম রে ফুল ফোটাতে মধুবনে ডাক দেরে বসন্ত রে একবার ডাক দেরে বসন্ত রে আমি এসে গেছি রে
হোলি হ্যায় সাত সুরো কি বাঁধ পায়েলিয়া সাতরাঙ্গি তন ওর চুনরিয়া হোলি আয়ি হোলি আয়ি রে হোলি আয়ি সুখ তাই
লা লা লা রারারা না রা নানা রা না রারারারা ঝিরি ঝিরি স্বপ্ন ঝরে, দুটি চোখের সীমানায়। চুপি চুপি কানে
পাড়ায় ঢুকলে ঠ্যাং খোড়া করে দেবো বলেছে পাড়ার দাদারা অন্যপাড়া দিয়ে যাচ্ছি তাই রঞ্জনা আমি আর আসবো না। এখানে রঞ্জনা
যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে তবে একলা চলো রে। একলা চলো, একলা চলো, একলা চলো, একলা চলো রে।।
কারার ঐ লৌহকপাট, ভেঙ্গে ফেল কর রে লোপাট, রক্ত-জমাট শিকল পূজার পাষাণ-বেদী। কারার ঐ লৌহকপাট, ভেঙে ফেল কর রে লোপাট,
আজ যাই? আসব আর একদিন আজ যাই। আসব আর একদিন আজ যাই। হো ফোটা ঝরা ফুলের যে কাজ তাই। আজ
হা হা হা হা হা হাহা হাহা হাহা হা হা হা হা হা হাহা হাহা হাহা হা-হা-হা-হা হা-হা-হা-হা হা-হা-হা-হা হা-হা-হা-হা

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V