Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

সমুদ্রের কিনারে বসে জল বিনে চাতকী ম'লো। হায়রে বিধি ওরে বিধি তোর মনে কি ইহাই ছিলো।। চাতক থাকে মেঘের আশে
ঢাক বাজা কাঁসর বাজা উলু দে আর শাঁখ বাজা বছর পরে আবার এল মা যে। পূজো পূজো গন্ধ নিয়ে নতুন
থুইলাম রে মন পদ্মপাতায়, আর ধুইলাম রে মন জলে আর অঞ্চলে ঢাকিলাম রে মন, তবু কেন জ্বলে। থুইলাম রে মন
কথা কিছু কিছু বুঝে নিতে হয় সেতো মুখে বলা যায় না সেতো মুখে বলা যায় না কথা কিছু কিছু বুঝে
মন রে কৃষিকাজ জানো না। মন রে কৃষিকাজ জানো না। এমন মানব জমিন রইল পতিত আবাদ করলে ফলত সোনা। মানব
ও বাঁশি হায় বাঁশি কেন গায় আমারে কাঁদায় কে গেছে হারায় স্মরণের বেদনায় কেন মনে এনে দেয় আ আ বাঁশি
মেঘ-বিহীন খর-বৈশাখে মেঘ-বিহীন খর-বৈশাখে তৃষায় কাতর চাতকী ডাকে। মেঘ-বিহীন খর-বৈশাখে সমাধি-মগ্না উমা তপতী – সমাধি-মগ্না উমা তপতী – রৌদ্র যেন
এ আমার গুরুদক্ষিণা গুরুকে জানাই প্রণাম যার শুভ কামনায় আমি এ আমার গুরুদক্ষিণা গুরুকে জানাই প্রণাম যার শুভ কামনায় আমি
একটা সময় তোরে আমার সবই ভাবিতাম তোরে মন পিঞ্জরে যতন করে আগলায়া রাখতাম তোর হাসি মুখের ছবি দেইখা দুঃখ পুষাইতাম,
ইতিহাস লেখা আঁখি জলে, বলে যায় সে কথা প্রতি পলে। ইতিহাস লেখা আঁখি জলে, বলে যায় সে কথা প্রতি পলে।
ফাঁকা ফ্রেম আর অকেজো হাতঘড়ি নিয়ে এখন আমি কি করি? অ্যান্টেনায় আর অশ্বত্থের ডালে ঝুলে থাকি প্রতেক সকালে শহুরে সন্ধ্যায়
দিনে দিনে হলো আমার দিন আখেরি । আমি কোথায় ছিলাম কোথায় এলাম সদাই ভেবে মরি ।। বসত করি দিবা রাতে
আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারী আমি কি ভুলিতে পারি? ছেলে হারা শত মায়ের অশ্রু গ​ড়া এ ফেব্রুয়ারী আমি কি
সখী , ভাবনা কাহারে বলে । সখী , যাতনা কাহারে বলে । তোমরা যে বলো দিবস-রজনী , 'ভালোবাসা' 'ভালোবাসা'--- সখী, ভালোবাসা কারে কয় ! সে
সাগর সঙ্গমে- সাগর সঙ্গমে সাঁতার কেটেছি কত কখনও তো হই নাই ক্লান্ত। সাগর সঙ্গমে সাঁতার কেটেছি কত কখনও তো হই
ভালোবাসি, ভালোবাসি--- এই সুরে    কাছে দূরে          জলে স্থলে   বাজায় বাঁশি ।। আকাশে কার বুকের
ঝিলমিল ঝাউয়ের বনে ঝিকিমিকি তার ফাঁক দিয়ে যে চাঁদ মারে উঁকি ও চাঁদ বড় প্রিয়, আমায় ধরো দেখি পাবে না,
গৌরীশৃঙ্গ তুলেছে শির বহিছে সিন্ধু গর্জমান ভল্গা যমুনা রাইনে নাইলে মিসিসিপি মিলে তুলেছে তান নওজওয়ান গৌরীশৃঙ্গ তুলেছে শির বহিছে সিন্ধু
এক যে ছিল মাছি, তার নামটি ছিল পাঁচী। এক যে ছিল মাছি, তার নামটি ছিল পাঁচী। উড়তে উড়তে পাঁচী, গিয়ে
ভালবাসার আগুন জ্বালাও ঝাড়বাতিটা নিভিয়ে দাও চোখের থেকে বিজলি ছোঁড়ো ওড়নাটাকে সরিয়ে নাও ভালবাসার আগুন জ্বালাও ভালবাসার আগুন জ্বালাও ওই
বড় সঙ্কটে পড়িয়া দয়াল বারে বার ডাকি তোমায়।। ক্ষম ক্ষম অপরাধ দাসের পানে একবার চাও হে দয়াময়। তোমার ক্ষমতায় আমি
এই নিশি রাত নিশি রাত - বাঁকা চাঁদ আকাশে, চুপি চুপি বাঁশি বাজে বাতাসে-এ বাতাসে-এ, নিশি রাত - বাঁকা চাঁদ
ওরম তাকিয়ো না আমি কেবল হয়ে যাই আমার চোখের ভাষা যায় হারিয়ে আমার হৃদয় কাঁপে পরিস্থিতির চাপে তখন থেকে বোকার
থেই থেই তা থেই তা থেই তাতা থেই থেই থেই তা থেই তা থেই তা থেইয়া থেইয়া তাৎ তা থে

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V