Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

আজি দখিন-দুয়ার খোলা - আজি দখিন-দুয়ার এসো হে, এসো হে, এসো হে, আমার বসন্ত এসো। আজি দখিন-দুয়ার খোলা - আজি
পাখি আজ কোন সুরে গায় বকুলের ঘুম ভেঙে যায় আজ কোনো কথা নয় শুধু গান আরো গান তাই বুঝি দুজনের
বলি ও ননদী বলি ও ননদী আর দু মুঠো চাল ফেলে দে হাঁড়িতে ঠাকুর জামাই এলো বাড়িতে। লো ননদী। ঠাকুর
আশা ছিল ভালোবাসা ছিল আজ আশা নেই ভালোবাসা নেই এই সেই কৃষ্ণচূড়া যার তোলে দাঁড়িয়ে চোখে চোখ হাতে হাত কথা
আমার তো গল্প বলা কাজ নটে গাছ মুরিয়েছে আজ্ এবার ফিরি তবে পাহাড়ের ঢাল গুনে গুনে কাঁটা কাঁটা ঘসে ঘসে
আমি চলতে চলতে থেমে গেছি আমি বলতে বলতে ভুলে গেছি যে কথা তোমাকে বলবো। আমি চলতে চলতে থেমে গেছি আমি
মানুষ মানুষের জন্যে, জীবন জীবনের জন্যে। একটু সহানুভূতি কি মানুষ পেতে পারে না? ও বন্ধু- মানুষ মানুষের জন্যে, জীবন জীবনের
ওরে ভাই, ফাগুন লেগেছে বনে বনে - ডালে ডালে ফুলে ফলে পাতায় পাতায় রে, আড়ালে আড়ালে কোণে কোণে ।। রঙে রঙে রঙিল আকাশ ,
ব​ড়ো ইচ্ছে করছে ডাকতে তার গন্ধ মেখে থাকতে কেন সন্ধে সন্ধে নামলে সে পালায় তাকে আটকে রাখার চেষ্টা আরো বাড়িয়ে
মেঘেদের মিনারে দিগন্তের কিনারে বাদল আঁধার করেছে আবার আমার এই ঘর​ মেঘেদের মিনারে দিগন্তের কিনারে বাদল আঁধার করেছে আবার আমার
একটা মন হাঁটিহাঁটি পায় আঁকাবাঁকা রেলগাড়ি মেঘ এসে চোখে দিল রঙ হাতে দিল ডাকটিকিট। বৃষ্টি মেশে ড্র​য়িং খাতায় ফুল ফল
আমি কোথায় পাবো তারে আমার মনের মানুষ যে রে। আমি কোথায় পাবো তারে আমার মনের মানুষ যে রে। হারায়ে সেই
শীতের হাওয়ার লাগল নাচন আমলকির এই ডালে ডালে । পাতাগুলি শিরশিরিয়ে ঝরিয়ে  দিল  তালে  তালে || উড়িয়ে  দেবার  মাতন  এসে  কাঙাল তারে
আয়নাতে ঐ মুখ দেখবে যখন কপোলের কালো তিল পড়বে চোখে ফুটবে যখন ফুল বকুল শাখে ভ্রমর যে এসেছিলো জানবে লোকে।
ওরে সুজন নাইয়া ওরে সুজন নাইয়া কোন বা কন্যার দেশে যাও রে চাঁদের ডিঙ্গা বাইয়া? ওরে সুজন নাইয়া- গ্রহ তারার
মনে পড়ে মনে পড়ে সেই সব দিন সেই সব ঝরে যাওয়া স্বপ্ন রঙ্গিন সেই সব ঋতু জুড়ে ফাগুনের দিন মনে
মিলন হবে কত দিনে আমার মনের মানুষের সনে ।। চাতক প্রায় অহর্নিশি চেয়ে আছি কালো শশী হব বলে চরণ দাসী
ও বন্ধ দ্বারের অন্ধকারে থাকবো না তা রা রা রা রা রা মন কে তো আর বন্দি করে রাখবো না
কি গাব আমি কি শুনাব​, আজি আনন্দধামে। কি গাব আমি কি শুনাব​, আজি আনন্দধামে। পুরবাসী জনে এনাছি ডেকে তোমার অমৃতনামে।
হলুদ গাঁদার ফুল, দে এনে দে। সাতনুরি হার কানে ঝুমকোলতা, রূপকুমারী মেয়ে মান করেছে বাঁধবে না সে চুল বাঁধবে না
বেসামে বেসামে মুচো কোমো সি ফুয়েরা এস্তা নচে লা উলতিমা ভেজ বেসামে বেসামে মুচো কোয়েতেনঙ্গ মুয়েদো অ পেরদতে পেরদতে দেসপুইজ্
বেঁধো না সা ধা মা বলো বেঁধো না ফুলমালা ডোরে ফুলমালা ডোরে না শোনো ফুলমালা ডোরে ফুলমালা ডোরে বেঁধো না
আমি   রূপে তোমায় ভোলাব না, ভালবাসায় ভোলাব । আমি   হাত দিয়ে দ্বার খুলবো না গো, গান দিয়ে  দ্বার খোলাব ।।    
বড়ো আশা ক'রে এসেছি গো, কাছে ডেকে লও , ফিরায়ো না জননী ।। দীনহীনে কেহ চাহে না, তুমি তারে রাখিবে জানি গো ।

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V