Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

এক পলকে একটু দেখা আরো একটু বেশী হলে ক্ষতি কি যদি কাটেই প্রহর পাশে বসে মনের দুটো কথা বলে ক্ষতি
কিভাবে কত কি পুড়ে ছাই। কখন কে জানে রাস্তার মোড়ে হাত নাড়ি বিদায় বাসের সারি বুকের ভেতর ভাড়ি পাথরের ছোঁয়াটুকু
প্রাণে খুশির তুফান উঠেছে । ভয়-ভাবনার বাধা টুটেছে ।। দুঃখকে আজ কঠিন   বলে জড়িয়ে ধরতে বুকের তলে উধাও হয়ে হৃদয় ছুটেছে
কেমন করে খোলা ঘাটে নাইবো বল না? কেমন করে খোলা ঘাটে নাইবো বল না? কেমন করে খোলা ঘাটে নাইবো বল
আয়নাতে ঐ মুখ দেখবে যখন কপোলের কালো তিল পড়বে চোখে ফুটবে যখন ফুল বকুল শাখে ভ্রমর যে এসেছিলো জানবে লোকে।
ওরম তাকিয়ো না আমি কেবল হয়ে যাই আমার চোখের ভাষা যায় হারিয়ে আমার হৃদয় কাঁপে পরিস্থিতির চাপে তখন থেকে বোকার
শুনে দেখো গান আমার হয়তো ভাল লেগে যেতে পারে। একটু সময় দিতে হায়, বদলে যেতে পারে তোমার কান। তোমার জানলায়
কেউ বলে ফাল্গুন, কেউ বলে পলাশের মাস, আমি বলি আমার সর্বনাশ। কেউ বলে দখিনা, কেউ বলে মাতাল বাতাস, আমি বলি
ও সে হোক না কালো আমার ভাল চোখে লেগেছে। ও সে হোক না কালো আমার ভাল চোখে লেগেছে। বটগাছের আঠার
ঝিলমিল ঝাউয়ের বনে ঝিকিমিকি তার ফাঁক দিয়ে যে চাঁদ মারে উঁকি ও চাঁদ বড় প্রিয়, আমায় ধরো দেখি পাবে না,
আ আ আ আ আআআআআআআআ নিঝুম সন্ধ্যায় পান্থ পাখিরা বুঝিবা পথ ভুলে যায়। নিঝুম সন্ধ্যায় পান্থ পাখিরা বুঝিবা পথ ভুলে
আমার মাথা নত করে দাও হে তোমার চরণধুলার তলে। সকল অহংকার হে আমার ডুবাও চোখের জলে। আমার মাথা নত করে
ভোলা মন​ হায় মনের কথা কাকে বলি আর এমন করে ছিঁড়ল কেনে একতারাটার তার ও উদাস বাউল নেই তো বাউল
হলুদ গাঁদার ফুল, রাঙা পলাশ ফুল এনে দে এনে দে নইলে রাঁধব না, বাঁধব না চুল। হলুদ গাঁদার ফুল, রাঙা
ইতিহাস লেখা আঁখি জলে, বলে যায় সে কথা প্রতি পলে। ইতিহাস লেখা আঁখি জলে, বলে যায় সে কথা প্রতি পলে।
মন মাঝিরে তোর খেয়াতে তুই দিলি যে পাল তুলে ও মন মাঝিরে তোর খেয়াতে তুই দিলি যে পাল তুলে যাবি
ভালবাসার আগুন জ্বেলে কেন চলে যায় ভালবাসার আগুন জ্বেলে কেন চলে যায় ব্যাথার বাতাস কেঁদে মরে ব্যাথার বাতাস কেঁদে মরে
হে কৃষ্ণ করুণাসিন্ধু দীনবন্ধু জগ​ৎপতেগোপেশ ও গোপিকা কান্ত রাধাকান্ত নমস্তুতে।বাজুক ডম্ম রে রবাব পাখোয়াজ করতাল তালধরল মেলিচলদচিত্রগতি সকল কলাবতীকরে করে
আমার সকল দুখের প্রদীপ জ্বেলে দিবস গেলে করব নিবেদন— আমার ব্যথার পূজা হয় নি সমাপন ।। যখন বেলা-শেষের ছায়ায় পাখিরা
এলো বরষা যে সহসা মনে তাই, রিম ঝিম ঝিম রিম ঝিম ঝিম গান গেয়ে যাই। এলো বরষা যে সহসা মনে
কি আশায় বাঁধি খেলাঘর বেদনার বালুচরে । নিয়তি আমার ভাগ্য লয়ে যে নিশিদিন খেলা করে ।। হায় গো হৃদয় তবুও
ও এহে হে হা হা হা মোর স্বপ্নের সাথী তুমি কাছে এসো আজ ঋতু ফাল্গুনে তবু দূরে থাকো বৃথা যায়
আ আ আ আ আ জোছনা করেছে আড়ি, জোছনা করেছে আড়ি, আসেনা আমার বাড়ি আসেনা আমার বাড়ি। গলি দিয়ে চলে
টুং-টাং পিয়ানোয় সারাটি দুপুর, কচি কচি দুটি হাত তুলবে যে সুর। মাথা নেড়ে বুড়োবুড়ি শুনবে যে গান। হুপ-হুপ লাফাবে যে

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V