Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

মানুষ মানুষের জন্যে, জীবন জীবনের জন্যে। একটু সহানুভূতি কি মানুষ পেতে পারে না? ও বন্ধু- মানুষ মানুষের জন্যে, জীবন জীবনের
হও ধরমেতে ধীর হও করমেতে বীর, হও উন্নতশির - নাহি ভয়। হও ধরমেতে ধীর হও করমেতে বীর, হও উন্নতশির -
মায়াবনবিহারিনী হরিণী গহন স্বপন সঞ্চারিনী কেন তারে ধরিবারে করি পণ অকারণ মায়াবনবিহারিনী মায়াবনবিহারিনী হরিণী গহন স্বপন সঞ্চারিনী কেন তারে ধরিবারে
মেঘ-বিহীন খর-বৈশাখে মেঘ-বিহীন খর-বৈশাখে তৃষায় কাতর চাতকী ডাকে। মেঘ-বিহীন খর-বৈশাখে সমাধি-মগ্না উমা তপতী – সমাধি-মগ্না উমা তপতী – রৌদ্র যেন
আমার চোখে চোখ রাখ তুই আমার কথা গুলো তোর হয়ে যেতে পারে দুর্ঘটনা ঘটতে দে আঙুল গুনে ফেলা মনে পড়ে
যদি কিছু আমারে শুধাও- কি যে তোমারে কব, নীরবে চাহিয়া রব, না বলা কথা বুঝিয়া নাও। যদি কিছু আমারে শুধাও-
বলদে চড়িয়া শিবে শিঙ্গায় দিলা হাঁক আর শিঙ্গা শুনি মর্ত্যেতে বাজিয়া উঠল ঢাক। বলদে চড়িয়া শিবে শিঙ্গায় দিলা হাঁক আর
ও তুমি যাবে গো চলে যাবে গো যাবে গো যাবে গো যাবে গো আমি জানি। দেখ এই রাত আছে কিছু
আমি আজ ভেঙ্গে দেবো জোড়া ফুলদানি, বড়দের টিভি খুলে খিলতি জওয়ানি। ছুঁচোবাজি ছেড়ে দেবো ঠাকুমার ঘরে, একটাই ডেনজার জুজু যদি
এদিন আজি কোন ঘরে গো খুলে দিল দ্বার ? আজি প্রাতে সুর্য-ওঠা সফল হল কার ? কাহার অভিষেকের তরে সোনার
কে প্রথম কাছে এসেছি ? কে প্রথম চেয়ে দেখেছি ? কিছুতেই পাই না ভেবে- কে প্রথম ভালবেসেছি ? তুমি- ?
মনে করো আমি নেই বসন্ত এসে গেছে কৃষ্ণচূড়ার বন্যায় চৈতালি ভেসে গেছে মনে করো আমি নেই বসন্ত এসে গেছে কৃষ্ণচূড়ার
চেয়ে দেখো মেঘেরা ছুঁয়েছে মেঘলা মন​ চেয়ে দেখো মেঘেরা ছুঁয়েছে মেঘলা মন​ উদাসীন সারাদিন রিমঝিম ঝিম ঝিম ঝরে যাওয়া এ
ও বন্ধ দ্বারের অন্ধকারে থাকবো না তা রা রা রা রা রা মন কে তো আর বন্দি করে রাখবো না
বনমালী গো তুমি আমারই মত পর জনমে হইয় রাধা। আমি মরিয়া হইব শ্রীনন্দের নন্দন তখন​ তোমাকে বানাইব রাধা। বনমালী গো
বিমূর্ত এই রাত্রি আমার মৌনতার সুতোয় বোনা একটি রঙ্গিন চাদর। সেই চাদরের ভাঁজে ভাঁজে নিঃশ্বাসেরই ছোঁয়া। আছে ভালবাসা, আদর। কামনার
এসো মিলে মিশে থাকি ধরে শরীরে জোনাকি ভালবাসার​ এসো হাতে হাত রাখি আছে যেটুকু যা বাকি কাছে আসার কাছে আসার
চল্‌ চল্ চল্ চল্‌ চল্ চল্ ঊর্দ্ধ গগনে বাজে মাদল, নিম্নে উতলা ধরণী তল অরুণ প্রাতের তরুণ দল চল্‌ রে
ওই দূর দিগন্ত পাড়ে, ওই দূর দিগন্ত পাড়ে, যেথা আকাশ মাটিতে কানাকানি! তোমার আমার শুধু তেমনি করেই জানাজানি; ওই দূর
থুইলাম রে মন পদ্মপাতায়, আর ধুইলাম রে মন জলে আর অঞ্চলে ঢাকিলাম রে মন, তবু কেন জ্বলে। থুইলাম রে মন
একটুকু ছোঁয়া লাগে, একটুকু কথা শুনি - তাই দিয়ে মনে মনে রচি মম ফাল্গুনী ।। কিছু পলাশের নেশা কিছু বা চাঁপায় মেশা,
ওগো নিঠুর দরদী, এ কি খেলছ অনুক্ষণ! ওগো নিঠুর দরদী। তোমার কাঁটায় ভরা বন তোমার প্রেমে ভরা মন। তোমার কাঁটায়
তুমি না হয় রহিতে কাছে কিছুক্ষণ আরো নাহয় রহিতে কাছে - আরো কিছু কথা নাহয় বলিতে মোরে কিছুক্ষণ আরো নাহয়
ভেঙে মোর ঘরের চাবি নিয়ে যাবি কে আমারে ও বন্ধু আমার! না পেয়ে তোমার দেখা, একা একা দিন যে আমার

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V