Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

এমন একটি ঝিনুক খুঁজে পেলাম না যাতে মুক্ত আছে এমন কোনো মানুষ খুঁজে পেলাম না যার মন আছে এমন একটি
ওম জয়ং দেহি মা বলম দেহি মা রুপম দেহি মা যশ দেহি মা আজ বাজে মন মাঝে ওই আগমনীর গান
বৃষ্টি থামার শেষে সোনালী আলোয়ে ভেসে রাজার কুমার এসে সোনালী কাঠি ছোঁয়ালো। বৃষ্টি থামার শেষে সোনালী আলোয়ে ভেসে রাজার কুমার
জাত গেল জাত গেল বলে একি আজব কারখানা জাত গেল জাত গেল বলে একি আজব কারখানা সত্য পথে কেউ নয়
মেঘ পাখি, ঝরা পাতা, এলোমেলো হাওয়া, তোর চোখ জুড়ে স্বপ্ন আর সহস্র চাওয়া, তোর ঠোঁট চাপা হাসি আর চোখে চাপা
আমি আজ ভেঙ্গে দেবো জোড়া ফুলদানি, বড়দের টিভি খুলে খিলতি জওয়ানি। ছুঁচোবাজি ছেড়ে দেবো ঠাকুমার ঘরে, একটাই ডেনজার জুজু যদি
ধি রা না না ধিন ধি রা না ধি রা না না ধিন ধি রা না পোড়া বাঁশি ডাক দিয়ে
সিং নেই তবু নাম তার সিংহ ডিম নয় তবু অশ্ব ডিম্ব গায়ে লাগে চ্যাকা ভ্যাবাচাকা হাম্বা হাম্বা ডিগ ডিগ ডিগ
তুমি নেই বলে আজ চাঁদ আসেনি আকাশে, নেই কোনো তারা। তুমি নেই বলে আজ ফুল ফোটেনি বাগানে, ঝরে গেছে পাতা।
ধন্য ধন্য বলি তারে । বেঁধেছে এমন ঘর শূন্যের উপর পোস্তা করে ।। সবে মাত্র একটি খুঁটি খুঁটির গোড়ায় নাইকো
ডেকে ডেকে চলে গেছি কত দূরে মনের প্রান্তে তার ঘুরে ঘুরে সে জানে না সে মানে না সে জানে না
না রে না, আর তো পারে না, মন আমার নাস্তানাবুদ এক জনেরই দায়| না রে না, কারো ধার ধরে না,
আমার সকল দুখের প্রদীপ জ্বেলে দিবস গেলে করব নিবেদন— আমার ব্যথার পূজা হয় নি সমাপন ।। যখন বেলা-শেষের ছায়ায় পাখিরা
শাওন রাতে যদি স্মরণে আসে মোরে বাহিরে ঝড় বহে নয়নে বারি ঝরে । শাওন রাতে যদি স্মরণে আসে মোরে বাহিরে
তুই চিরদিন তোর দরজা খুলে থাকিস অবাধ আনাগোনার হিসেব কেন রাখিস ? সাক্ষাত আলাদিন তোর প্রদীপ ভরা জিনে কেন খুঁজতে
কে তুমি আমারে ডাকো অলখে লুকায়ে থাকো ফিরে ফিরে চাই দেখিতে না পাই।। মনে তো পড়ে না তবুও যে মনে
Male Version: কিসের ডাকে পথে নেমেছি কেবা ভবিষ্যৎ দেখেছি! কাঁধে কাঁধ মেলাও, হাতে হাত মেলাও এসো বন্ধু। আসুক বিপদ, আসুক
এ গানে প্রজাপতি পাখায় পাখায় রঙ ছ​ড়ায়​ এ গানে রামধনু তার সাতটি রঙের দোল​ ঝরায়। এ গানে প্রজাপতি পাখায় পাখায়
মধুর মধুর চাওনি রে তোর কন্যা আমার হৃদপিন্ড তিরিং বিরিং করে রে মধুর মধুর চাওনি রে তোর কন্যা আমার হৃদপিন্ড
মুক্তির মন্দির সোপান তলে কত প্রাণ হল বলিদান লেখা আছে অশ্রুজলে। মুক্তির মন্দির সোপান তলে কত প্রাণ হল বলিদান লেখা
বুলবুল পাখি, ময়না, টিয়ে, আয় না যা না গান শুনিয়ে। বুলবুল পাখি, ময়না, টিয়ে, আয় না যা না গান শুনিয়ে।
আমার বলার কিছু ছিল না, না-গো আমার বলার কিছু ছিল না। চেয়ে চেয়ে দেখলাম তুমি চলে গেলে, তুমি চলে গেলে,
কৃষ্ণচূড়া শোন শোন শোন। সারাবেলা দোলায় তোকে ক্ষ্যাপা হাওয়া যে! ক্ষ্যাপা হাওয়া যে! তার পায়ের শব্দ যায় না শোনা পাতার
তারে ভোলানো গেল না কিছুতে তারে ভোলানো গেল না কিছুতে ভুল দিয়ে ভালোবাসা দিয়ে ভুল দিয়ে ভালোবাসা দিয়ে বিষের পরশ

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V