Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

একটা মন হাঁটিহাঁটি পায় আঁকাবাঁকা রেলগাড়ি মেঘ এসে চোখে দিল রঙ হাতে দিল ডাকটিকিট। বৃষ্টি মেশে ড্র​য়িং খাতায় ফুল ফল
যা যা যাযা যা বাঁশী যারে দূরে মন লাগে না আর ঘরে।মোর স্বপ্ন​-সীমানার পারে যা যা যা রে।যা যা যাযা
উথালি পাথালি আমার বুক আমার, মনেতে নাই সুখরে আমায় ডুবাইলিরে আমায় ভাসাইলিরে অকুল দরীয়ায় বুঝি কুল নাইরে হেইয়া হেইয়া হেইয়া
এই বালুকা বেলায় আমি লিখেছিনু একটি সে নাম আমি লিখেছিনু আজ সাগারের ঢেউ দিয়ে তারে যেন মুছিয়া দিলাম এই বালুকা
এক দিন পাখী উড়ে এক দিন পাখী উড়ে যাবে যে আকাশে, ফিরবে না সে তো আর কারো আকাশে। এক দিন
এক পলকে একটু দেখা আরো একটু বেশী হলে ক্ষতি কি যদি কাটেই প্রহর পাশে বসে মনের দুটো কথা বলে ক্ষতি
কঠিন, তোমাকে ছাড়া একদিন কাটানো একরাত, বাড়াও দু হাত হয়ে যাও আজ বাধাবিহীন। বলো, কবিতা হয়ে চলো বাগানে দাবানল জমানো
ফাঁকা ফ্রেম আর অকেজো হাতঘড়ি নিয়ে এখন আমি কি করি? অ্যান্টেনায় আর অশ্বত্থের ডালে ঝুলে থাকি প্রতেক সকালে শহুরে সন্ধ্যায়
প্রেমের জোয়ারে ভাসবে দোঁহারে - বাঁধন খুলে দাও, দাও দাও । ভুলিব ভাবনা, পিছনে চাব না - পাল তুলে দাও, দাও দাও ।
তুমি রবে নীরবে হৃদয়ে মম তুমি রবে নীরবে নিবিড় নিভৃত পূর্ণিমা নিশীথিনীসম তুমি রবে নীরবে মম জীবন যৌবন মম অখিল
আ আ আমায় ভালোবেসে ডেকে দেখো না দেখো না ভালোবেসে ডেকে দেখো না আসি কি না আসি পাশে কে তোমায়
করি মানা কাম ছাড়েনা মদনে প্রেম রসিকা হব কেমনে ?। এই দেহেতে মদন রাজা চালায় হুজুরি কর আদায় করে নিয়ে
আজ জোৎস্না রাতে সবাই গেছে বনে বসন্তের এই মাতাল সমীরণে ।। যাব না গো যাব না যে,    রইনু পড়ে
জেনেছি জেনেছি তারা, তুমি জানো ভোজের বাজি। জেনেছি জেনেছি তারা, তুমি জানো ভোজের বাজি। যে তোমায় যেভাবে ডাকে তাতে তুমি
এখন অনেক রাত, তোমার কাঁধে আমার নিঃশ্বাস, আমি বেঁচে আছি তোমার ভালোবাসায়। ছুঁয়ে দিলে হাত, আমার বৃদ্ধবুকে তোমার মাথা চেপে
কি আশায় বাঁধি খেলাঘর বেদনার বালুচরে । নিয়তি আমার ভাগ্য লয়ে যে নিশিদিন খেলা করে ।। হায় গো হৃদয় তবুও
ছাতা ধরো হে দেওরা হ্যেসান সুন্দর খোঁপা আমার ভিগ গিলাই না ছাতা ধরো হে দেওরা হ্যেসান সুন্দর শাড়ি আমার ভিগ
কৃষ্ণচূড়া শোন শোন শোন। সারাবেলা দোলায় তোকে ক্ষ্যাপা হাওয়া যে! ক্ষ্যাপা হাওয়া যে! তার পায়ের শব্দ যায় না শোনা পাতার
ওই ঘুম ঘুম ঘুমন্ত ঘুম ঘুম পাহাড়ে দূর দূর দিগন্তে পড়ে তার ছায়া রে, মোর মন আনমন, জানি না কেন,
সময় গেলে সাধন হবে না । দিন থাকিতে দিনের সাধন কেন জানলে না ।। জানো না মন খালে বিলে থাকে
আ আ আ আ আ আ বাঁশি শুনে কি ঘরে থাকা যায় বাঁশি শুনে কি ঘরে থাকা যায় বলো গো
টাপুর টুপুর সারা দুপুর নূপুর বাজায় কে? যেন এক কাজলা মেয়ে। কাজল কাজল মেঘের আঁচল শুধু ওড়ায় কে? যেন এক
সকলি তোমারি ইচ্ছা, ইচ্ছাময়ী তারা তুমি তোমার কর্ম তুমি করো মা, লোকে বলে করি আমি। সকলি তোমারি ইচ্ছা, ইচ্ছাময়ী তারা
কালো মেয়ের পায়ের তলায় দেখে যা আলোর নাচন। কালো মেয়ের পায়ের তলায় দেখে যা আলোর নাচন। রূপ দেখে দেয় বুক

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V