Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

ও হো হো হো ও ও ও আ আ আ আ আ হো হোহোহো হো হোহো হোহো হোহো আ আ
প্রাণে খুশির তুফান উঠেছে । ভয়-ভাবনার বাধা টুটেছে ।। দুঃখকে আজ কঠিন   বলে জড়িয়ে ধরতে বুকের তলে উধাও হয়ে হৃদয় ছুটেছে
এই শহর থেকে আরও অনেক দূরে চলো কোথাও চলে যাই। ঐ আকাশটাকে শুধু চোখে রেখে মনটাকে কোথাও হারাই। কি চাইনি
এই তো হেথায়ে কুঞ্জ ছায়ায় স্বপ্ন মধুর মোহে এই জীবনে যে কটি দিন পাব তোমায়ে আমায়ে হেসে খেলে কাটিয়ে যাব
ভালো করে তুমি চেয়ে দেখো দেখো তো চিনতে পারো কি না! ভালো করে তুমি চেয়ে দেখো দেখো তো চিনতে পারো
জনগণমন-অধিনায়ক জয় হে ভারতভাগ্যবিধাতা! পঞ্জাব সিন্ধু গুজরাট মরাঠা দ্রাবিড় উৎকল বঙ্গ বিন্ধ্য হিমাচল যমুনা গঙ্গা উচ্ছলজলধিতরঙ্গ তব শুভ নামে জাগে,
এরা      পরকে  আপন  করে, আপনারে পর --- বাহিরে বাঁশির রবে ছেড়ে যাই ঘর || ভালবাসে সুখে দুখে    ব্যথা সহে হাসিমুখে,
এক সুত্রে বাঁধিয়াছি সহস্রটি মন, এক কার্যে সঁপিয়াছি সহস্র জীবন​- বন্দেমাতরম বন্দেমাতরম। এক সুত্রে বাঁধিয়াছি সহস্রটি মন, এক সুত্রে বাঁধিয়াছি
ও মৌ তুমি জানো না যে মাঝরাতে একঘেয়ে এই বিছানাতে আজও কথা বলি কার সাথে। জানি না কার কী যায়
ওরে বাবা দেখ চেয়ে কত সেনা চলেছে সমরে! ওরে বাবা দেখ চেয়ে কত সেনা চলেছে সমরে! কত সেনা! কত সেনা!
আমার বেলা যে যায় সাঁঝ-বেলাতে তোমার সুরে সুরে সুর মেলাতে। আমার বেলা যে যায় সাঁঝ-বেলাতে তোমার সুরে সুরে সুর মেলাতে।
লাল পাহাড়ের দেশে যা রাঙা মাটির দেশে যা হিতাক তোকে মানাইছেনাই রে এক্কেবারে মানাইছেনাই রে লাল পাহাড়ের দেশে যাবি হাড়িয়া
কে তুমি আমারে ডাকো অলখে লুকায়ে থাকো ফিরে ফিরে চাই দেখিতে না পাই।। মনে তো পড়ে না তবুও যে মনে
একতারাতে বেঁধে দিলে দোতারারই সুর একই দেহে রাম, আর কৃষ্ণ সুমধুর। একই দেহে রাম, আর কৃষ্ণ সুমধুর। সরযু নদীতে নেমে,
একবার বিদায় দে মা ঘুরে আসি। একবার বিদায় দে মা ঘুরে আসি। হাসি হাসি পরব ফাঁসি দেখবে ভারতবাসী। আমি হাসি
এমন মধুর সন্ধ্যায় এক কি থাকা যায়। এমন মধুর সন্ধ্যায় এক কি থাকা যায়। খুঁজে নাও, বেছে নাও, তুমি সাথী
বঁধুয়া, নিদ নাহি আঁখিপাতে। আমিও একাকী, তুমিও একাকী আজি এ বাদল-রাতে। ডাকিছে দাদুরী মিলনতিয়াসে ঝিল্লি ডাকিছে উল্লাসে। পল্লীর বধু বিরহী
দোষ কারো নয় গো মা আমি স্বখাত সলিলে ডুবে মরি শ্যামা। দোষ কারো নয় গো মা দোষ কারো নয় গো
হ্যাপি বার্থ ডে টু য়ূউ হ্যাপি বার্থ ডে টু য়ূউ আমার পরমায়ু নিয়ে তুমি আয়ুমান জন্মদিনের লগনে তোমার রইল আমার
প্রেমে পড়া বারণ, কারণে অকারণ আঙুলে আঙ্গুল রাখলেও হাত ধরা বারণ। প্রেমে পড়া বারণ, কারণে অকারণ আঙুলে আঙ্গুল রাখলেও হাত
মহুয়ায় জমেছে আজ মৌ গো, ও মহুয়ায় জমেছে আজ মৌ গো। কোণে দেখা মেঘে যে ওই সোনা রং লেগেছে ওই
খাঁচার ভিতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায় খাঁচার ভিতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায় তারে ধরতে পারলে মন বেড়ি দিতাম
বিপিন বাবুর কারন সুধা মেটায় জ্বালা মেটায় ক্ষুধা। বুঝলি পদা! এ বিপিন বাবুর কারন সুধা মেটায় জ্বালা মেটায় ক্ষুধা। মরা
ময়নামতীর পথের ধারে দেখা হয়েছিল ময়নামতীর পথের ধারে দেখা হয়েছিল আরে না না না তেপান্তরের মাঠের 'পরে দেখা হয়েছিল আরে

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V