Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

সাগর ডাকে আয় আয় আয়। আমার গানে, জীবন আনে চলার ইশারায় আয়, আয়। সাগর ডাকে আয় আয় আয়। ছুটে ছুটে
হু হু হু হুহুহু হুহু লালা লা লালা লালা ওপারে থাকব আমি তুমি রইবে এপারে শুধু আমার দুচোখ ভরে দেখবো
ওই বুঝি ওই বুঝি কালবৈশাখী সন্ধ্যা-আকাশ দেয় ঢাকি ওই বুঝি ওই বুঝি কালবৈশাখী ভ​য় কি রে তোর ভ​য় কারে দ্বার
আমি এক যাযাবর, আমি এক যাযাবর, পৃথিবী আমাকে আপন করেছে ভুলেছি নিজের ঘর। আমি এক যাযাবর, আমি এক যাযাবর। আমি
যে রাতে মোর দুয়ারগুলি ভাঙল ঝ​ড়ে জানি নাই তো তুমি এলে আমার ঘরে যে রাতে মোর দুয়ারগুলি ভাঙল ঝ​ড়ে সব
যা যা যাযা যা বাঁশী যারে দূরে মন লাগে না আর ঘরে।মোর স্বপ্ন​-সীমানার পারে যা যা যা রে।যা যা যাযা
বউ কথা কও পাখি কেন অমন করে ডাকে গো মৌ বনেরই সুর ছ​ড়ান ছায়। কেন সারাবেলা নীরব থেকে এখন সারা
কেউ বলে ফাল্গুন, কেউ বলে পলাশের মাস, আমি বলি আমার সর্বনাশ। কেউ বলে দখিনা, কেউ বলে মাতাল বাতাস, আমি বলি
কথায় কথায় যে রাত হয়ে যায় কি কথা রাখলে বাকী কথায় কথায় যে রাত হয়ে যায় কি কথা রাখলে বাকী
এক টানেতে যেমন তেমন দুই টানেতে রোগী তিন টানেতে রাজা উজির চার টানেতে সুখী এর কি মহিমা বাবা এক টানেতে
ভাবছো তুমি, ভাবছি আমি বেলা গেল। ঘরের ছেলে, ঘরেতে ফিরলো না কেন! আসে গানের কথা, আসে সুর কিছু। আসে শরীরটা
রোজ রোজ আকাশ নীলে, কত তারা রাতে জ্বলে, মন তবু এই যে বলে, তোমারি দুচোখে শুধু সেই আলো জ্বলে। রোজ
ভাল করিয়া বাজান রে দোতারা কমলা সুন্দরী নাচে। কমলা সুন্দরীর পেন্দরের শাড়ি রোদে ঝিলমিল করে রে। নাচিতে নাচিতে কমলা সুন্দরী
আমার স্বপন কিনতে পারে এমন আমির কই? আমার জলছবিতে রঙ মেলাবে এমন আবির কই? আমার স্বপন কিনতে পারে এমন আমির
নাগর আমার কাঁচা পিরীত পাকতে দিলো না। ও নাগর আমার কাঁচা পিরীত পাকতে দিলো না। গা গতোরে সোনার সোহাগ মাখতে
সকলি তোমারি ইচ্ছা, ইচ্ছাময়ী তারা তুমি তোমার কর্ম তুমি করো মা, লোকে বলে করি আমি। সকলি তোমারি ইচ্ছা, ইচ্ছাময়ী তারা
আমি শুনেছি সেদিন তুমি সাগরের ঢেউ এ চেপে নীলজল দিগন্ত ছুঁয়ে এসেছ​। আমি শুনেছি সেদিন তুমি নোনা বালি তীর ধরে
ভয় দেখাস না প্লিস আমি বদলে গিয়েও ঘরে ফিরতে চাই । তবু তোর দুচোখের রোদ ফিরতে মানা করবে সেই ভই
ওরে গৃহবাসী খোল, দ্বার খোল, লাগলো যে দোল । স্থলে জলে বনতলে লাগলো যে দোল । দ্বার খোল, দ্বার খোল ।।
তোমার      খোলা হওয়া লাগিয়ে পালে      টুকরো করে কাছি আমি        ডুবতে রাজি আছি আমি ডুবতে
যাবার বেলায় পিছু থেকে ডাক দিয়ে কেন বল কাঁদালে আমায় যাবার বেলায় পিছু থেকে ডাক দিয়ে কেন বল কাঁদালে আমায়
সেই তুমি কেন এতো অচেনা হলে, সেই আমি কেন তোমাকে দুঃখ দিলেম? কেমন করে এতো অচেনা হলে তুমি, কিভাবে এতো
কারার ঐ লৌহকপাট, ভেঙ্গে ফেল কর রে লোপাট, রক্ত-জমাট শিকল পূজার পাষাণ-বেদী। কারার ঐ লৌহকপাট, ভেঙে ফেল কর রে লোপাট,
ফান্দে পড়িয়া বগা কান্দে রে ফান্দে পড়িয়া বগা কান্দে রে ফান্দ বসাইছে ফান্দি রে ভাই পুঁটি মাছো দিয়া ওরে মাছের

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V