Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

এমন আমি ঘর বেঁধেছি পাহাড়ে যার ঠিকানা নাই স্বপনের সিঁড়ি দিয়ে যেখানে পৌঁছে আমি যাই এমন আমি ঘর বেঁধেছি পাহাড়ে
একবার বিদায় দে মা ঘুরে আসি। একবার বিদায় দে মা ঘুরে আসি। হাসি হাসি পরব ফাঁসি দেখবে ভারতবাসী। আমি হাসি
পাখি কখন জানি উড়ে যায় একটা বদ হাওয়া লেগে খাঁচায় ।। খাঁচার আড়া প'ল ধসে পাখি আর দাঁড়াবে কিসে আমি
কথা ছিলো বাকি সন্ধ্যা জোনাকি হঠাৎ তারারা ডাকে আয় ঘাসের চাদরে ঘুমের আদরে রাত কেন ব​য়ে চলে যায় ঘুম আসে
আমার       প্রাণের মানুষ আছে প্রাণে, তাই হেরি তায় সকল খানে।। আছে সে      নয়ন তারায় আলোক-ধারায়,
ও মা গো মা অন্যকিছু গল্প বলো এক যে ছিল রাজা রাণী অনেক হল​। ও মা গো মা অন্যকিছু গল্প
আমার তো গল্প বলা কাজ নটে গাছ মুরিয়েছে আজ্ এবার ফিরি তবে পাহাড়ের ঢাল গুনে গুনে কাঁটা কাঁটা ঘসে ঘসে
মায়ের পায়ের জবা হয়ে ওঠনা ফুটে মন। আমার মায়ের পায়ের জবা হয়ে ওঠনা ফুটে মন। তার গন্ধ না থাক যা
আহা আজ হৃদ​য়ে ভালোবেসে লিখে দিলে নাম তুমি এসে আজ হৃদ​য়ে ভালোবেসে লিখে দিলে নাম তুমি এসে যেন সাগরে নদী
ও তোমারি চলার পথে দিয়ে যেতে চাই আমি একটু আমার ভালোবাসা ও তোমারি চলার পথে দিয়ে যেতে চাই আমি একটু
সুজন মাঝিরে, কোন ঘাটে লাগাইবা তোমার নাও। সুজন মাঝিরে, কোন ঘাটে লাগাইবা তোমার নাও। আমি পারের আশায় বইসা আছি ও
বাড়ীর কাছে আরশী নগর সেথা পড়শী বসত করে এক ঘর​ পড়শী বসত করে আমি এক দিনও না দেখিলাম তারে। বাড়ীর
মন মাঝিরে তোর খেয়াতে তুই দিলি যে পাল তুলে ও মন মাঝিরে তোর খেয়াতে তুই দিলি যে পাল তুলে যাবি
মুক্তির মন্দির সোপান তলে কত প্রাণ হল বলিদান লেখা আছে অশ্রুজলে। মুক্তির মন্দির সোপান তলে কত প্রাণ হল বলিদান লেখা
মাগো ভাবনা কেন আমরা তোমার শান্তি প্রিয় শান্ত ছেলে তবু শত্রু এলে অশ্ত্র হাতে ধরতে জানি তোমার ভয় নেই মা
বোলোনা রাধিকা তাকে, যেও না, যেও না প্রিয়। বোলোনা রাধিকা তাকে, যেও না, যেও না প্রিয়। চলে যেতে চায় সে
গঙ্গা আমার মা পদ্মা আমার মা ও ও আমার দুই চোখে দুই জলের ধারা মেঘনা যমুনা। গঙ্গা আমার মা পদ্মা
উঠ গো ভারত-লক্ষ্মী, উঠ আদি-জগত-জন-পূজ্যা, উঠ গো ভারত-লক্ষ্মী, উঠ আদি-জগত-জন-পূজ্যা, দুঃখ দৈন্য সব নাশি করো দূরিত ভারত-লজ্জা। দুঃখ দৈন্য সব
ও আমার দেশের মাটি, তোমার ‘পরে ঠেকাই মাথা। তোমাতে বিশ্বময়ীর, তোমাতে বিশ্বমায়ের আঁচল পাতা ও আমার দেশের মাটি, তোমার ‘পরে
যদি হই চোরকাঁটা ওই শাড়ির ভাঁজে দুষ্টু যে হয় এমন কাজ তো তারই সাজে। যদি হই কাঁকন তোমার ওই হাতে
আয়নাতে ঐ মুখ দেখবে যখন কপোলের কালো তিল পড়বে চোখে ফুটবে যখন ফুল বকুল শাখে ভ্রমর যে এসেছিলো জানবে লোকে।
ও মৌ তুমি জানো না যে মাঝরাতে একঘেয়ে এই বিছানাতে আজও কথা বলি কার সাথে। জানি না কার কী যায়
হে কৃষ্ণ করুণাসিন্ধু দীনবন্ধু জগ​ৎপতেগোপেশ ও গোপিকা কান্ত রাধাকান্ত নমস্তুতে।বাজুক ডম্ম রে রবাব পাখোয়াজ করতাল তালধরল মেলিচলদচিত্রগতি সকল কলাবতীকরে করে
শূন্য এ–বুকে পাখি মোর আয় ফিরে আয় ফিরে আয়! তোরে না হেরিয়া সকালের ফুল অকালে ঝরিয়া যায়।। তুই নাই ব'লে

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V