Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

মরি কি আফসোসে তোমায় ভালবেসে মরি কি আফসোসে তোমায় ভালবেসে বিধুমুখী এই কি তোমার ভালবাসার গুণ? মরি কি আফসোসে তোমায়
দোলা হে দোলা হে দোলা হে দোলা আঁকা-বাঁকা পথে মোরা কাঁধে নিয়ে ছুটে যাই রাজা মহারাজাদের দোলা, ও দোলা আমাদের
শুভ্র শঙ্খরবে সারা নিখিল ধ্বনিত। আকাশতলে অনিলে জলে দিকে দিগন্তরে সকল লোকে পুরে বনে বনান্তরে নৃত্যগীত ছন্দে নন্দিত। শুভ্র শঙ্খরবে।
প্রেমের জোয়ারে ভাসবে দোঁহারে - বাঁধন খুলে দাও, দাও দাও । ভুলিব ভাবনা, পিছনে চাব না - পাল তুলে দাও, দাও দাও ।
এই মোম জোছনায় অঙ্গ ভিজিয়ে এসো না গল্প করি দেখো ওই ঝিলিমিলি চাঁদ সারারাত আকাশে সলমা জরি এই মোম জোছনায়
বড়ো আশা ক'রে এসেছি গো, কাছে ডেকে লও , ফিরায়ো না জননী ।। দীনহীনে কেহ চাহে না, তুমি তারে রাখিবে জানি গো ।
আমার মালতীলতা কি আবেশে দোলে, আমি সে কথা জানি না আমায় কে গো দেবে বলে। আমার মালতীলতা ওগো কি আবেশে
কে আবার বাজায় বাঁশি এ ভাঙ্গা কুঞ্জবনে! কে আবার বাজায় বাঁশি এ ভাঙ্গা কুঞ্জবনে! হৃদি মোর উঠল কাঁপি, চরণের সেই
সকাল আসে না, আয়না হাসে না, জানলা খোলা মেঘ, সে ভালবাসে না না কিছু ভাবি না, রোদ এলো কিনা, স্নানের
প্রতিমা বন্দ্যোপাধ্যায় ------------------------ নাও গান ভরে, নাও প্রাণ ভরে সুরে যাই যেখানে প্রান্তর সোনার ধানের শীষে ডাকে সেখানে সোনা ভরা
আমার       প্রাণের মানুষ আছে প্রাণে, তাই হেরি তায় সকল খানে।। আছে সে      নয়ন তারায় আলোক-ধারায়,
মন মাঝিরে তোর খেয়াতে তুই দিলি যে পাল তুলে ও মন মাঝিরে তোর খেয়াতে তুই দিলি যে পাল তুলে যাবি
কিছু স্বপ্ন এনেছি কুড়িয়ে রেখে দে নয়তো দে উড়িয়ে। কিছু স্বপ্ন এনেছি কুড়িয়ে রেখে দে নয়তো দে উড়িয়ে। ও আমাদের
ব​ড়ো ইচ্ছে করছে ডাকতে তার গন্ধ মেখে থাকতে কেন সন্ধে সন্ধে নামলে সে পালায় তাকে আটকে রাখার চেষ্টা আরো বাড়িয়ে
এই মণিহার আমায় নাহি সাজে--- এরে   পরতে গেলে লাগে ,এরে ছিড়তে গেলে বাজে ।। কণ্ঠ যে রোধ করে,    সুর তো নাহি  সরে।
এই বাংলার মাটিতে মাগো জন্ম আমায় দিও। এই বাংলার মাটিতে মাগো জন্ম আমায় দিও। এই আকাশ, নদী, পাহাড় আমার বড়
তোমার কাছে ফাগুন চেয়েছে কৃষ্ণচূড়া তোমার কাছে ফাগুন চেয়েছে কৃষ্ণচূড়া তুমি তাই দুহাত ভরে দিলে আগুন উজার করে সে কি
এই নিশি রাত নিশি রাত - বাঁকা চাঁদ আকাশে, চুপি চুপি বাঁশি বাজে বাতাসে-এ বাতাসে-এ, নিশি রাত - বাঁকা চাঁদ
নাম রেখেছি বনলতা যখন দেখেছি হয়তো বা সেইক্ষণেই তোমায় ভালবেসেছি নাম রেখেছি বনলতা যখন দেখেছি হয়তো বা সেইক্ষণেই তোমায় ভালবেসেছি
তোমাকে বুঝি না প্রিয় বোঝো না তুমি আমায় দূরত্ব বাড়ে যোগাযোগ নিভে যায় তোমাকে বুঝি না প্রিয় বোঝো না তুমি
বলি ও ননদী বলি ও ননদী আর দু মুঠো চাল ফেলে দে হাঁড়িতে ঠাকুর জামাই এলো বাড়িতে। লো ননদী। ঠাকুর
যে জন প্রেমের ভাব জানে না তার সঙ্গে নাই লেনাদেনা খাঁটি সোনা ছাড়িয়া যে নেয় নকল সোনা সে জন সোনা
হা হা হা ব​ড়ো একা লাগে এই আঁধারে মেঘের খেলা আকাশ পারে ব​ড়ো একা লাগে এই আঁধারে ব​ড়ো একা লাগে
আমার একলা আকাশ থমকে গেছে রাতের স্রোতে ভেসে শুধু তোমায় ভালোবেসে আমার দিনগুলো সব রং চিনেছে তোমার কাছে এসে শুধু

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V