Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

কি করে তোকে বলব, তুই কে আমার আয় না সাথে চলব, সব পারাপার। মনেরই আসকারাতে তোর কাছে এলাম হারিয়ে গেলাম।
পাগলা হাওয়ার বাদল-দিনে পাগল আমার মন জেগে ওঠে। চেনাশোনার কোন বাইরে    যেখানে পথ নাই নাই রে সেখানে অ-কারণে যায়
তোমার দুটি চোখে ওই যে মিষ্টি হাসি আমায় কাছে ডেকে বলে ভালবাসি তোমার দুটি চোখে ওই যে মিষ্টি হাসি আমায়
বৈষ্ণব সেই জন পাশে থাকে আজীবন পরেরও বেদন-ব্যথা জানে রে। বৈষ্ণব সেই জন পাশে থাকে আজীবন পরেরও বেদন-ব্যথা জানে রে।
দেখা হবে বলে বারে বারে ছুটে আসা চেনা চৌকাঠে চাওয়াগুলো ধুতে আসা ছায়া পাবো বলে হাতে হাতে ছুটে আসা ভালবাসা
আমাকে আমার মত থাকতে দাও আমি নিজেকে নিজের মত গুছিয়ে নিয়েছি। আমাকে আমার মত থাকতে দাও আমি নিজেকে নিজের মত
সমুদ্রের কিনারে বসে জল বিনে চাতকী ম'লো। হায়রে বিধি ওরে বিধি তোর মনে কি ইহাই ছিলো।। চাতক থাকে মেঘের আশে
ওরে     আয় রে ওরে     আয় রে তবে, মাত রে সবে আনন্দে আজ    নবীন প্রানের বসন্তে । ওরে
আ আ আমায় ভালোবেসে ডেকে দেখো না দেখো না ভালোবেসে ডেকে দেখো না আসি কি না আসি পাশে কে তোমায়
জেনেছি জেনেছি তারা, তুমি জানো ভোজের বাজি। জেনেছি জেনেছি তারা, তুমি জানো ভোজের বাজি। যে তোমায় যেভাবে ডাকে তাতে তুমি
প্রেমে পড়া বারণ, কারণে অকারণ আঙুলে আঙ্গুল রাখলেও হাত ধরা বারণ। প্রেমে পড়া বারণ, কারণে অকারণ আঙুলে আঙ্গুল রাখলেও হাত
চোখে নামে বৃষ্টি, বুকে ওঠে ঝড় যে চোখে নামে বৃষ্টি, বুকে ওঠে ঝড় যে তুমি তো আমারই ছিলে, আজ কত
এক দিন পাখী উড়ে এক দিন পাখী উড়ে যাবে যে আকাশে, ফিরবে না সে তো আর কারো আকাশে। এক দিন
লাবণ্যে পূর্ণ প্রাণ, প্রাণেশ হে, একি লাবণ্যে পূর্ণ প্রাণ, প্রাণেশ হে, আনন্দবসন্তসমাগমে। একি লাবণ্যে পূর্ণ প্রাণ, প্রাণেশ হে বিকশিত প্রীতিকুসুম
কারার ঐ লৌহকপাট, ভেঙ্গে ফেল কর রে লোপাট, রক্ত-জমাট শিকল পূজার পাষাণ-বেদী। কারার ঐ লৌহকপাট, ভেঙে ফেল কর রে লোপাট,
আঃ শশীকান্ত কি হচ্ছে দাদরা বাজাও দাদরা কাহারবা নয় দাদরা বাজাও কাহারবা নয় দাদরা বাজাও উল্ট পাল্টা মারছ চাঁটি শশীকান্ত
তুই ফেলে এসেছিস কারে মন, মন রে আমার| তাই জনম গেল,শান্তি পেলি না রে মন, মন রে আমার|| যে পথ
না না কাছে এসো না যাও যাও দুরে থাক​ না না কাছে এসো না যাও যাও দুরে থাক​ না না
ও পলাশ ও শিমুল কেন এ মন মোর রাঙালে জানি না জানি না আমার এ ঘুম কেনো ভাঙালে যার পথ
আহা ওই আঁকা বাঁকা যে পথ যায় সুদূরে। আহা ওই আঁকা বাঁকা যে পথ যায় সুদূরে। কোনো হরিণী করুণ তার
গুল–বাগিচার বুলবুলি আমি রঙিন প্রেমের গাই গজল, হায়। অনুরাগের লাল শারাব মোর আঁখি ঝলে ঝলমল, হায়। আমার গানের মদির ছোঁয়ায়
যত দূরে যাবে চোখ তুমি ছাড়া- কিচ্ছু নেই কেউ কোথাও - নোনা জলে ডুবে আছে  গোটা পাড়া সাবধানে দুঃখ দাও
আমি আজ ভেঙ্গে দেবো জোড়া ফুলদানি, বড়দের টিভি খুলে খিলতি জওয়ানি। ছুঁচোবাজি ছেড়ে দেবো ঠাকুমার ঘরে, একটাই ডেনজার জুজু যদি
সকলি তোমারি ইচ্ছা, ইচ্ছাময়ী তারা তুমি তোমার কর্ম তুমি করো মা, লোকে বলে করি আমি। সকলি তোমারি ইচ্ছা, ইচ্ছাময়ী তারা

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V