Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

আ আ আ আ আ আ বাঁশি শুনে কি ঘরে থাকা যায় বাঁশি শুনে কি ঘরে থাকা যায় বলো গো
টুং-টাং পিয়ানোয় সারাটি দুপুর, কচি কচি দুটি হাত তুলবে যে সুর। মাথা নেড়ে বুড়োবুড়ি শুনবে যে গান। হুপ-হুপ লাফাবে যে
আ আআ আ কে যেন গো ডেকেছে আমায় মানে না নয়ন কেন ফিরে ফিরে চায়। কে যেন গো ডেকেছে আমায়
ঢাকের তালে কোমর দোলে খুশীতে নাচে মন, আজ বাজা কাঁসর জমা আসর থাকবে মা আর কতক্ষন। ঢাকের তালে কোমর দোলে
চাই না মাগো রাজা হতে রাজা হবার সাধ নাই মাগো দু’বেলা যেন পাই মা খেতে। চাই না মাগো রাজা হতে
জাত গেল জাত গেল বলে একি আজব কারখানা জাত গেল জাত গেল বলে একি আজব কারখানা সত্য পথে কেউ নয়
সাত ভাই চম্পা জাগো রে জাগো রে ঘুম ঘুম থাকে না ঘুমের এই ঘোরে একটি পারুল বোন আমি তোমার আমি
এক পলকে একটু দেখা আরো একটু বেশী হলে ক্ষতি কি যদি কাটেই প্রহর পাশে বসে মনের দুটো কথা বলে ক্ষতি
তুমি এসেছিলে পরশু কাল কেন আসনি। তুমি এসেছিলে পরশু কাল কেন আসনি। তুমি কি আমায় বন্ধু কাল কেন আসনি। তুমি
উচাটন মন ঘরে র​য় না ( পিয়া মোর ) উচাটন মন ঘরে র​য় না ( পিয়া মোর ) ডাকে পথে
মেঘ পাখি, ঝরা পাতা, এলোমেলো হাওয়া, তোর চোখ জুড়ে স্বপ্ন আর সহস্র চাওয়া, তোর ঠোঁট চাপা হাসি আর চোখে চাপা
কিছু কথা ছিল চোখে কিছু কথা ছিল মুখে হু হু হু হু হু হু বাজে সে সুর বুকে কিছু কথা
যাও পাখি বল হাওয়া ছল ছল আবছায়া জানলার কাঁচ আমি কি আমাকে হারিয়েছি বাঁকে রুপকথা আনাচে -কানাচ আঙুলের কোলে জ্বলে
শ্যামা নামের লাগল আগুন আমার দেহ ধূপ–কাঠিতে। শ্যামা নামের লাগল আগুন আমার দেহ ধূপ–কাঠিতে। যত জ্বালি সুবাস তত যত জ্বালি
তুমি আর তো কারো নও শুধু আমার যত দূরে সরে যাও রবে আমার স্তব্ধ সময়টাকে ধরে রেখে ! স্মৃতির পাতায়
আমি কোথায় পাবো তারে আমার মনের মানুষ যে রে। আমি কোথায় পাবো তারে আমার মনের মানুষ যে রে। হারায়ে সেই
সাসাগারেগাসারে সাসাগারেগাসারে সাসাগারেগারেগা সা সাসাগারেগাসারে সাসাগারেগাসারে সাসাগারেগারেগা সা ঝিরি ঝিরি ঝিরি ঝিরি ঝিরি ঝিরি ঝিরি ঝিরি ঝিরি ঝিরি ঝিরি ঝিরি
ওরম তাকিয়ো না আমি কেবল হয়ে যাই আমার চোখের ভাষা যায় হারিয়ে আমার হৃদয় কাঁপে পরিস্থিতির চাপে তখন থেকে বোকার
কত কষ্ট করে আমি   কামাই রোজগার করে আনি কত কষ্ট করে আমি   কামাই রোজগার করে আনি তবু বন্ধুর
এক ফালি রোদ এসে হাতছানি ভীনদেশে নীল আশমানী, মনমানী যে আজ। সারাদিন, তেরে বিন কেটেছে এতো দিন। চল ঘরছাড়া, মন
মায়ের পায়ের জবা হয়ে ওঠনা ফুটে মন। আমার মায়ের পায়ের জবা হয়ে ওঠনা ফুটে মন। তার গন্ধ না থাক যা
এই বাংলার মাটিতে মাগো জন্ম আমায় দিও। এই বাংলার মাটিতে মাগো জন্ম আমায় দিও। এই আকাশ, নদী, পাহাড় আমার বড়
প্রথম আলোয় ফেরা - আঁধার পেরিয়ে এসে আমি অচেনা নদীর স্রোতে চেনা চেনা ঘাট দেখে নামি চেনা তবু চেনা নয়
দোলা হে দোলা হে দোলা হে দোলা আঁকা-বাঁকা পথে মোরা কাঁধে নিয়ে ছুটে যাই রাজা মহারাজাদের দোলা, ও দোলা আমাদের

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V