Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

সেই রাতে রাত ছিল পূর্ণিমা, রঙ ছিল ফাল্গুনী হাওয়াতে। সেই রাতে রাত ছিল পূর্ণিমা, রঙ ছিল ফাল্গুনী হাওয়াতে। সব ভাল
বঁধুয়া! বল বল বঁধুয়া আ আআআআআআ কেন গেল পরবাসে বল বঁধুয়া কেন গেল পরবাসে বল বঁধুয়া গরজে বরষে মানে না
মন বোঝে না বোঝে না বোঝে না, মন বোঝে না বোঝে না। পড়ছে কেন বিনা মেঘেই বাজ পদ্য লেখা আমার
এনে দে এনে দে ঝুমকা না হলে না হলে সাথে যাবো না এ এ এ রঙ্গিলা রঙ্গিলা ঝুমকা না হলে
তোর সাথে যে নদীর অনেক মিল নদীর নামে তোকে যে তাই ডাকি রোদ প​ড়লেই নদীটা ঝিলমিল তোকে ভেবেই নদীর ছবি
হুম হো ও ওও ও না বলা কিছু কথা র​য়ে যায় এ মনে, বুঝ্তে পারিনা বলব কি করে? ছায়াপথ দিয়ে
তোমার      খোলা হওয়া লাগিয়ে পালে      টুকরো করে কাছি আমি        ডুবতে রাজি আছি আমি ডুবতে
তেলের শিশি ভাঙল বলে খুকুর পরে রাগ করো। তোমরা যে সব বুড়ো খোকা ভারত ভেঙে ভাগ করো! তার বেলা? তার
এখন অনেক রাত, তোমার কাঁধে আমার নিঃশ্বাস, আমি বেঁচে আছি তোমার ভালোবাসায়। ছুঁয়ে দিলে হাত, আমার বৃদ্ধবুকে তোমার মাথা চেপে
বাজল তোমার আলোর বেণু, মাতল যে ভুবন, বাজল তোমার আলোর বেণু। আজ প্রভাতে সে সুর শুনে খুলে দিনু মন বাজল
ও লিলাক দিদি লিলো লো লিলো লো লিলো লো শাল তলে বেলা ডুবিল​ ও লিলাক দিদি লিলো লো লিলো লো
এমন মানব জনম আর কি হবে। মন যা কর, ত্বরায় কর এই ভবে।। অনন্ত রূপ সৃষ্টি করলেন সাঁই, শুনি মানব
আমার বেঁচে থাকা কারণ শুধু তুই তোকে আছে বলা আজ এটুকুই, জানি ঠিকই ধরবি রে হাত, শূন্য পথে দেখ চলছে
এবার আমি আমার থেকে আমাকে বাদ দিয়ে অনেক কিছু জীবনে যোগ দিলাম। ছোটো যত আপন ছিল বাহির করে দিয়ে ভুবনটারে
সুজন মাঝিরে, কোন ঘাটে লাগাইবা তোমার নাও। সুজন মাঝিরে, কোন ঘাটে লাগাইবা তোমার নাও। আমি পারের আশায় বইসা আছি ও
আমার বলার কিছু ছিল না, না-গো আমার বলার কিছু ছিল না। চেয়ে চেয়ে দেখলাম তুমি চলে গেলে, তুমি চলে গেলে,
জয় জয় গোবিন্দ গোপাল গদাধর কৃষ্ণচন্দ্র কর কৃপা করুণাসাগর। জয় রাধে গোবিন্দ গোপাল বনমালী শ্রীরাধার প্রাণধন মুকুন্দ মুরারী। হরিনাম বিনে
শাওন রাতে যদি স্মরণে আসে মোরে বাহিরে ঝড় বহে নয়নে বারি ঝরে । শাওন রাতে যদি স্মরণে আসে মোরে বাহিরে
আজ জীবন খুঁজে পাবি ছুটে ছুটে আয় আজ জীবন খুঁজে পাবি ছুটে ছুটে আয় মরণ ভুলে গিয়ে ছুটে ছুটে আয়।
কি মিষ্টি দেখো মিষ্টি কি মিষ্টি দেখো মিষ্টি কি মিষ্টি এ সকাল ! কি মিষ্টি দেখো মিষ্টি কি মিষ্টি এ
এ তো ভালবাসা ন​য় ভালবাসা ন​য়​কামনা জ​ড়ানো চাওয়া,আঁধার পেরিয়ে আঁধারের সাথেআঁধারেতে ডুবে যাওয়া। দুখের এ মালা দিও না বঁধুয়া দাও
বৃষ্টি থামার শেষে সোনালী আলোয়ে ভেসে রাজার কুমার এসে সোনালী কাঠি ছোঁয়ালো। বৃষ্টি থামার শেষে সোনালী আলোয়ে ভেসে রাজার কুমার
যে জন প্রেমের ভাব জানে না তার সঙ্গে নাই লেনাদেনা খাঁটি সোনা ছাড়িয়া যে নেয় নকল সোনা সে জন সোনা
এক পায়ে নূপুর আমার অন্য পা খালি এক পাশে সাগর এক পাশে বালি তোমার ছোট তরী বলো, নেবে কি? এক

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V