Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারী আমি কি ভুলিতে পারি? ছেলে হারা শত মায়ের অশ্রু গ​ড়া এ ফেব্রুয়ারী আমি কি
লাল ফিতে সাদা মোজা সু-স্কুলের ইউনিফর্ম ন'টার সাইরেন সংকেত সিলেবাসে মনোযোগ কম পড়া ফেলে এক ছুট ছুট্টে রাস্তার মোড়ে, দেখে
আহা মরি মরি চলিতে চলিতে বাজায় কাঁকন পরনে নীলাম্বরী। পাগল আমি ও রূপ দেখে মনে যে লয় অঙ্গ থেকে ও
কিছুদিন মনে মনে- কিছুদিন মনে মনে ঘরের কোণে শ্যামের পিরিত রাখ গোপনে। কিছুদিন মনে মনে- ইশারায় কইবি কথা গোঠে মাঠে,
হে হে হেহে হে হে উ উ উ মনে পড়ে রুবি রায় মনে পড়ে রুবি রায়, কবিতায় তোমাকে একদিন কত
ঝনক-ঝনক কনক কাঁকন বাজে নতুন নতুন কুঁড়ি ফোটে লাজে। ঝনক-ঝনক ঝনক-ঝনক কনক কাঁকন বাজে নতুন নতুন কুঁড়ি ফোটে লাজে। ঝনক-ঝনক
বৈষ্ণব সেই জন পাশে থাকে আজীবন পরেরও বেদন-ব্যথা জানে রে। বৈষ্ণব সেই জন পাশে থাকে আজীবন পরেরও বেদন-ব্যথা জানে রে।
সূর্য ডোবার পালা আসে যদি আসুক বেশতো- গোধূলির রঙে হবে এ ধরণী স্বপ্নের দেশতো । সূর্য ডোবার পালা আসে যদি
গুল–বাগিচার বুলবুলি আমি রঙিন প্রেমের গাই গজল, হায়। অনুরাগের লাল শারাব মোর আঁখি ঝলে ঝলমল, হায়। আমার গানের মদির ছোঁয়ায়
যদি কিছু আমারে শুধাও- কি যে তোমারে কব, নীরবে চাহিয়া রব, না বলা কথা বুঝিয়া নাও। যদি কিছু আমারে শুধাও-
বল মা আমি দাঁড়াই কোথা বল মা আমি দাঁড়াই কোথা আমার কেহ নাই শঙ্করী হেথা, বল মা আমি দাঁড়াই কোথা।
ছিন্ন পাতার সাজাই তরণী, একা একা করি খেলা- আনমনা যেন দিকবালিকার আনমনা যেন দিকবালিকার ভাসানো মেঘের ভেলা। ছিন্ন পাতার সাজাই
যদি হই চোরকাঁটা ওই শাড়ির ভাঁজে দুষ্টু যে হয় এমন কাজ তো তারই সাজে। যদি হই কাঁকন তোমার ওই হাতে
মাঝে নদী বহে রে, ওপারে তুমি শ্যাম এপারে আমি | মাঝে নদী বহে রে, ওপারে তুমি রাধে এপারে আমি |
বেঁচে থেকে লাভ কি বল তোকে ছাড়া আর, খুঁজেছে জবাব অচল মন কোথাকার। জানে স্বপ্ন তার পাতায় কত কি কত
মন, হাওয়ায় পেয়েছি তোর নাম মন, হাওয়ায় হারিয়ে ফেললাম। মন, হাওয়ায় পেয়েছি তোর নাম মন, হাওয়ায় হারিয়ে ফেললাম। হাওয়া দিল
রাঙিয়ে দিয়ে যাও যাও যাও গো এবার যাবার আগে - রাঙিয়ে দিয়ে যাও যাও যাও গো এবার যাবার আগে -
মাগো আনন্দময়ী নিরানন্দ কর না। মাগো আনন্দময়ী নিরানন্দ কর না। তোমার ও দুটি চরণ বিনে আমার মন ও দুটি চরণ
তোমার জন্য রয়েছে রাখা হাজার আলো বছর মাখা পাখির পাখা। তোমার জন্য আদিম গুহায় প্রথম তুলি টানের ছবি রয়েছে আঁকা।
বউ কথা কও, বউ কথা কও ডাকিস কেন ওরে পাখি। বউ কথা কও, বউ কথা কও ডাকিস কেন ওরে পাখি।
তব চরণ নিম্নে উৎসবময়ী শ্যাম ধরণী সরসা। উর্ধে চাহ অগণিত-মণি-রঞ্জিত-নভো-নীলাঞ্চলা। উর্ধে চাহ অগণিত-মণি-রঞ্জিত-নভো-নীলাঞ্চলা। সৌম্য-মধুর-দিব্যাঙ্গনা, শান্ত-কুশল-দরশা। শ্যাম ধরণী সরসা। তব চরণ
যেন মুঠোর রুমাল রুমাল সোহাগী লাল যেন রাতের আড়াল আড়াল রংমশাল যেন গানের বাগান বাগান আকাশে নীল যেন ঘুমের বনে
ও পলাশ ও শিমুল কেন এ মন মোর রাঙালে জানি না জানি না আমার এ ঘুম কেনো ভাঙালে যার পথ
এই শহর থেকে আরও অনেক দূরে চলো কোথাও চলে যাই। ঐ আকাশটাকে শুধু চোখে রেখে মনটাকে কোথাও হারাই। কি চাইনি

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V