Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

জলছবি, রং-মশাল, স্কুল ছুটির হজমিরা, রূপকথার পায়রাদের গল্প বল । বন্ধু চল । রামধনু, ঝালমুড়ি, হাফ টিকেট, আব্বুলিশ, বিটনুন আর
ওরে     আয় রে ওরে     আয় রে তবে, মাত রে সবে আনন্দে আজ    নবীন প্রানের বসন্তে । ওরে
এই পথে যায় চলে, ঝরা পাতা যায় দলে, ও কোন সুরে উতলা মন আমার নয় সে কাছে নয় সে দূরে
এ শুধু গানের দিন এ লগন গান শোনাবার - এ শুধু গানের দিন এ লগন গান শোনাবার - এ তিথি
বড়ো আশা ক'রে এসেছি গো, কাছে ডেকে লও , ফিরায়ো না জননী ।। দীনহীনে কেহ চাহে না, তুমি তারে রাখিবে জানি গো ।
এক যে ছিল রাজা হবু চন্দ্র তাহার নাম, ভারতের অধিশ্বর দিল্লীতে তার ধাম। প্রধান মন্ত্রী তার গবু চন্দ্র শুভ নাম,
গঙ্গা আমার মা পদ্মা আমার মা ও ও আমার দুই চোখে দুই জলের ধারা মেঘনা যমুনা। গঙ্গা আমার মা পদ্মা
ও তোমারি চলার পথে দিয়ে যেতে চাই আমি একটু আমার ভালোবাসা ও তোমারি চলার পথে দিয়ে যেতে চাই আমি একটু
ওরা আমার মুখের ভাষা কাইরা নিতে চায়। ওরা আমার মুখের ভাষা কাইরা নিতে চায়। ওরা কথায় কথায় শিকল পরায় আমার
যা যারে যা যা পাখি,আর কিছু নাই যা ঢেকে রাখি।এ বাঁধন ছিঁড়ে উড়ে যা।এই শুধু বলি তারে,মোর মন কাঁদে আজও
কাদের কুলের বউ গো তুমি কাদের কুলের বউ যমুনায় যমুনায় জল আনতে যাচ্ছো- ওগো যমুনায় জল আনতে যাচ্ছো- সঙ্গে নেই
সজনি সজনি রাধিকা লো দেখ অবহুঁ চাহিয়া, মৃদুলগম শ্যাম আওয়ে মৃদুল গান গাহিয়া। সজনি সজনি রাধিকা লো দেখ অবহুঁ চাহিয়া।
আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারী আমি কি ভুলিতে পারি? ছেলে হারা শত মায়ের অশ্রু গ​ড়া এ ফেব্রুয়ারী আমি কি
আজি        বিজন ঘরে নিশীথরাতে আসবে যদি শূন্য হাতে -      আমি       তাই তে
দিয়ে গেনু বসন্তের এই গানখানি- দিয়ে গেনু বসন্তের এই বরষ ফুরায়ে যাবে, ভুলে যাবে ভুলে যাবে ভুলে যাবে জানি দিয়ে
যেতে দাও আমায় ডেকোনা যেতে দাও আমায় ডেকোনা কবে কি আমি বলেছি মনে রেখোনা যেতে দাও আমায় ডেকোনা কিছু বলবে
যদি জানতেম আমার কিসের ব্যাথা তোমায় জানাতাম । কে যে আমায় কাঁদায় কে যে আমায় কাঁদায় আমি কি জানি তার
সেদিন দুজনে দুলেছিনু বনে,  ফুলডরে বাঁধা ঝুলনা । সেই স্মৃতিটুকু  কভু খনে খনে  যেন জাগে মনে, ভুল না।। সেদিন বাতাসে ছিল
নয়ন তোমারে পাই না দেখিতে , রয়েছ নয়নে নয়নে । হৃদয় তোমায় পাই না জানিতে, হৃদয়ে রয়েছ গোপনে || বাসনার বসে
জেনেছি জেনেছি তারা, তুমি জানো ভোজের বাজি। জেনেছি জেনেছি তারা, তুমি জানো ভোজের বাজি। যে তোমায় যেভাবে ডাকে তাতে তুমি
তিন পাগলে হলো মেলা নদে এসে- তোরা কেউ যাসনে ও পাগলের কাছে ।। একটা নারকেলের মালা তাতে জল তোলা ফেলা
তোমার নামে আঁকা এ হাতের উপর আঁকা ডাকে আয় কাছে আয় তোমার চুলে ডাকা এ আদর দিয়ে মাখা ডাকে আয়
লালা লা লালালা লালা লালা লালা লালালা লালা লা তোলো ছিন্ন বীণা বাঁধো নতুন তারে, ভরে নাও সুর গাও জীবনেরই
অলিরও কথা শুনে বকুল হাসে কই তাহার মত তুমি আমার কথা শুনে হাসো না তো ! ধরারও ধুলিতে যে ফাগুন

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V