Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

ওই যে সবুজ বনবিথীকা। দূর দিগন্তের সীমানায়, ছোট্টো নদীটির ওই বাঁকে মোর প্রিয় হোথায় থাকে। ওই যে সবুজ বনবিথীকা। দূর
যদি কেড়ে নিতে বলে কবিতা ঠাসা খাতা জেনো কেড়ে নিতে দেবো না। যদি ছেড়ে যেতে বলে শহুরে কথকতা জেনো আমি
এক সুত্রে বাঁধিয়াছি সহস্রটি মন, এক কার্যে সঁপিয়াছি সহস্র জীবন​- বন্দেমাতরম বন্দেমাতরম। এক সুত্রে বাঁধিয়াছি সহস্রটি মন, এক সুত্রে বাঁধিয়াছি
মাঝে নদী বহে রে, ওপারে তুমি শ্যাম এপারে আমি | মাঝে নদী বহে রে, ওপারে তুমি রাধে এপারে আমি |
না না না না না না মাধবী ফুটেছে ওই হ্যাঁ তারা সব উঠেছে ওই হ্যাঁ ও ও ও ও আমি
সব কথা বলা হলো বাকি রয়ে গেল শুধু বলিতে, যে কথা মনের কথা কতবার থেমে গেছি বলিতে বলিতে বলিতে বলিতে।
এ শুধু গানের দিন এ লগন গান শোনাবার - এ শুধু গানের দিন এ লগন গান শোনাবার - এ তিথি
সমারোহে এসো হে পরমতর সুন্দর এসো হে। সমারোহে এসো হে পরমতর সুন্দর এসো হে। ঝনক ঝংকারে, উড়ায় শঙ্কারে খুলেছে দুয়ার
নাম রেখেছি বনলতা যখন দেখেছি হয়তো বা সেইক্ষণেই তোমায় ভালবেসেছি নাম রেখেছি বনলতা যখন দেখেছি হয়তো বা সেইক্ষণেই তোমায় ভালবেসেছি
এ গানে প্রজাপতি পাখায় পাখায় রঙ ছ​ড়ায়​ এ গানে রামধনু তার সাতটি রঙের দোল​ ঝরায়। এ গানে প্রজাপতি পাখায় পাখায়
ও আমার দেশের মাটি, তোমার ‘পরে ঠেকাই মাথা। তোমাতে বিশ্বময়ীর, তোমাতে বিশ্বমায়ের আঁচল পাতা ও আমার দেশের মাটি, তোমার ‘পরে
আরে ও জীবন রে জীবন ছাড়িয়া না যাইস্ মোকে আরে তুই জীবন ছাড়িয়া গেলে আদর করিবে কায় জীবনরে। আদর করিবে
আমার নাম এ্যান্টনি হুম হুম হুম হুম হুম হুম হুম আমার নাম এ্যান্টনি। কাজের কিছু শিখিনি লার্নিং কিংবা পেন্টিং অর
আহা মরি মরি চলিতে চলিতে বাজায় কাঁকন পরনে নীলাম্বরী। পাগল আমি ও রূপ দেখে মনে যে লয় অঙ্গ থেকে ও
টুং-টাং পিয়ানোয় সারাটি দুপুর, কচি কচি দুটি হাত তুলবে যে সুর। মাথা নেড়ে বুড়োবুড়ি শুনবে যে গান। হুপ-হুপ লাফাবে যে
দোষ কারো নয় গো মা আমি স্বখাত সলিলে ডুবে মরি শ্যামা। দোষ কারো নয় গো মা দোষ কারো নয় গো
মেঘ থম থম করে কেউ নেই নেই জল থৈ থৈ তীরে কিছু নেই নেই ভাঙ্গনের যে নেই পারাপার তুমি আমি
হা হো গুঞ্জনে দোলে যে ভ্রমর সুর তোলে যে উড়ে উড়ে গুঞ্জনে দোলে যে ভ্রমর সুর তোলে যে উড়ে উড়ে
শহর জুরে যেন প্রেমের মরশুম আলোতে মাখামাখি আমার এ গ্রীনরুম কখন নেমে আসে অচেনা প্যারাশুট তোমাকে ভালোবেসে আমার চিরকুট কলকাতা
তোমার কাছে ফাগুন চেয়েছে কৃষ্ণচূড়া তোমার কাছে ফাগুন চেয়েছে কৃষ্ণচূড়া তুমি তাই দুহাত ভরে দিলে আগুন উজার করে সে কি
মোর ভাবনারে কি হওয়ায় মাতালো , দোলে মন দোলে অকারণ হরষে। হৃদয়গগনে সজল ঘন নবীন মেঘে রসের ধারা বরষে ।।
আমার হাত বান্ধিবি, পা বান্ধিবি মন বান্ধিবি কেমনে? আমার চোখ বান্ধিবি, মুখ বান্ধিবি পরান বান্ধিবি কেমনে? আমার হাত বান্ধিবি, পা
সজনি সজনি রাধিকা লো দেখ অবহুঁ চাহিয়া, মৃদুলগম শ্যাম আওয়ে মৃদুল গান গাহিয়া। সজনি সজনি রাধিকা লো দেখ অবহুঁ চাহিয়া।

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V