Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

আ আ আ আআ আআ আআআআ দেখোরে দেখোরে দেখোরে নয়ন মেলে দেখোরে নয়ন মেলে জগতের বাহার। জগতের বাহার, জগতের বাহার,
কালো মেয়ের পায়ের তলায় দেখে যা আলোর নাচন। কালো মেয়ের পায়ের তলায় দেখে যা আলোর নাচন। রূপ দেখে দেয় বুক
আমার ভালোবাসার রাজপ্রাসাদে নিশুতি রাত গুমরে কাঁদে ৷ মনের ময়ুর মরেছে ঐ ময়ুর মহলেই ৷ দেখি মুকুটটা তো পড়ে আছে
প্রাণ ভরিয়ে তৃষা হরিয়ে মোরে আরো আরো আরো দাও প্রাণ। প্রাণ ভরিয়ে তৃষা হরিয়ে মোরে আরো আরো আরো দাও প্রাণ।
এই মন অচেনা, কার খোঁজ বোঝেনা। দলছুট ঠিকানায়, তোলপাড় অজানায়। হাত বাড়িয়ে চাঁদটা কে ছুঁই, সঙ্গে থাকিস, প্রেম মানে তুই।
দিয়ে গেনু বসন্তের এই গানখানি- দিয়ে গেনু বসন্তের এই বরষ ফুরায়ে যাবে, ভুলে যাবে ভুলে যাবে ভুলে যাবে জানি দিয়ে
হে কৃষ্ণ করুণাসিন্ধু দীনবন্ধু জগ​ৎপতেগোপেশ ও গোপিকা কান্ত রাধাকান্ত নমস্তুতে।বাজুক ডম্ম রে রবাব পাখোয়াজ করতাল তালধরল মেলিচলদচিত্রগতি সকল কলাবতীকরে করে
কিভাবে কত কি পুড়ে ছাই। কখন কে জানে রাস্তার মোড়ে হাত নাড়ি বিদায় বাসের সারি বুকের ভেতর ভাড়ি পাথরের ছোঁয়াটুকু
নি সা গা মা পা নি সা রে গা নি সা গা মা পা নি সা রে গা গা গা
এই মেঘলা দিনে একলা ঘরে থাকেনাতো মন কাছে যাবো কবে  পাবো ওগো তোমার নিমন্ত্রণ ? এই মেঘলা দিনে একলা ঘরে
কে যে আমার ঘুম ভাঙ্গিয়ে গেল, কে যে আমার ঘুম ভাঙ্গিয়ে গেল। আমি জানি না রে আমি জানি না। আমি
ভাল করিয়া বাজান রে দোতারা কমলা সুন্দরী নাচে। কমলা সুন্দরীর পেন্দরের শাড়ি রোদে ঝিলমিল করে রে। নাচিতে নাচিতে কমলা সুন্দরী
ধরো হাল শক্ত হাতে ভয় কি নদীর সাথে ধরো হাল শক্ত হাতে ভয় কি নদীর সাথে টলবে না নৌকা ভীষণ
নানা নানা ওমন করে দাগা দিয়ে সরে থেকো না নানা নানা ওমন করে দাগা দিয়ে সরে থেকো না। আমায় নিয়ে
রাত এখনও অনেক বাকি। কিছু তারা জেগে আছে তারি পানে এসো চেয়ে থাকি। রাত এখনও অনেক বাকি। কথার পাহাড় ভেঙ্গে
হোলি হ্যায় সাত সুরো কি বাঁধ পায়েলিয়া সাতরাঙ্গি তন ওর চুনরিয়া হোলি আয়ি হোলি আয়ি রে হোলি আয়ি সুখ তাই
সময় গেলে সাধন হবে না । দিন থাকিতে দিনের সাধন কেন জানলে না ।। জানো না মন খালে বিলে থাকে
মাগো ভাবনা কেন আমরা তোমার শান্তি প্রিয় শান্ত ছেলে তবু শত্রু এলে অশ্ত্র হাতে ধরতে জানি তোমার ভয় নেই মা
ব্রজ–গোপী খেলে হোরী হোরী রে ব্রজ–গোপী খেলে হোরী খেলে আনন্দ নবঘন শ্যাম সাথে। ব্রজ–গোপী খেলে হোরী হোরী রে ব্রজ–গোপী খেলে
মন মাঝিরে তোর খেয়াতে তুই দিলি যে পাল তুলে ও মন মাঝিরে তোর খেয়াতে তুই দিলি যে পাল তুলে যাবি
অন্ধকারের উত্স হতে উত্সারিত আলো সেই তো তোমার আলো ! সকল দন্দ্ববিরোধ-মাঝে জাগ্রত যে ভালো সেই তো তোমার ভালো ।।
তুমি রবে নীরবে হৃদয়ে মম তুমি রবে নীরবে নিবিড় নিভৃত পূর্ণিমা নিশীথিনীসম তুমি রবে নীরবে মম জীবন যৌবন মম অখিল
পদ্মার কথা কইলা বন্ধু কইলা মেঘনা রূপসী সোনা মেঘের হাসি দিলা হাত বাড়াইয়া হাত ও দিলা তবু কন্যা নাম কইলা
ভেঙে মোর ঘরের চাবি নিয়ে যাবি কে আমারে ও বন্ধু আমার! না পেয়ে তোমার দেখা, একা একা দিন যে আমার

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V