Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

অনেক তারার মাঝে যে তুই আমার ধ্রুবতারা আমার সাধের বাগানটাতে তুই যে গোলাপচারা অনেক তারার মাঝে যে তুই আমার ধ্রুবতারা
হা হা হা লা লা লা লা লা আহা হা পৃথিবী বদলে গেছে যা দেখি কি নতুন লাগে পৃথিবী বদলে
মন তোমার এই ভ্রম গেল না, গেল না, কালী কেমন তাই চেয়ে দেখলে না, দেখলে না, মন তোমার এই ভ্রম
এ মন আমার হারিয়ে যায় কোন খানে, কেউ জানে না শুধু আমার মন জানে। আজকে শুধু হারিয়ে যাবার দিন, কেউ
বল না রে মন কোথায় যাবি, কোথায় গেলে শান্তি পাবি। বল না রে মন কোথায় যাবি, কোথায় গেলে শান্তি পাবি।
উচাটন মন ঘরে র​য় না ( পিয়া মোর ) উচাটন মন ঘরে র​য় না ( পিয়া মোর ) ডাকে পথে
ও রি কিসুক রাই জিয়া রা সাঁইয়া কে য়াদ যো আয়ে শুনা পরা হে মেরা আঙ্গনা দি যো সন্দেশা ভিজাইকে
জেনে শুনে বিষ করেছি পান। আমি- জেনে শুনে বিষ করেছি পান। প্রাণের আশা ছেড়ে সঁপেছি প্রাণ। আমি- জেনে শুনে বিষ
লাগে দোল লাগে দোল লাগে দোল পাতায় পাতায় বকুল বনের শাখে। কে যাবি, কে যাবি আয় ছুটে, আয় ছুটে মন
ভয় দেখাস না প্লিস আমি বদলে গিয়েও ঘরে ফিরতে চাই । তবু তোর দুচোখের রোদ ফিরতে মানা করবে সেই ভই
হও ধরমেতে ধীর হও করমেতে বীর, হও উন্নতশির - নাহি ভয়। হও ধরমেতে ধীর হও করমেতে বীর, হও উন্নতশির -
শাপলা ফুলের পোকা, ভেজা শালিকের ডানা ঘাসজমি থমথমে, ধূসর সামিয়ানা। শাপলা ফুলের পোকা, ভেজা শালিকের ডানা ঘাসজমি থমথমে, ধূসর সামিয়ানা।
মহারাজা! তোমারে সেলাম, সেলাম, সেলাম। মোরা বাংলাদেশের থেকে এলাম। মোরা বাংলাদেশের থেকে এলাম। মোরা সাদা সিধা মাটির মানুষ, দেশে দেশে
কালো জলে কুচলা তলে ডুবল সনাতন আজ চার(সার) আনা, কাল চার(সার) আনা পাই যে দরসন। আজ চার(সার) আনা, কাল চার(সার)
কথা হয়েছিল তবু কথা হল না আজ সবাই এসেছে শুধু তুমি এলে না শুধু তুমি এলে না কথা হয়েছিল তবু
ফুলেশ্বরী ফুলেশ্বরী ফুলের মত নাম ফুলেশ্বরী ফুলেশ্বরী ফুলের মত নাম তোমার দেওয়া দুখীর কমল বুকে ধরলাম ফুলেশ্বরী ফুলেশ্বরী ফুলের মত
তোমার আকাশ দুটি চোখে, আমি হয়ে গেছি তারা। ওগো তোমার আকাশ দুটি চোখে, আমি হয়ে গেছি তারা। এই জীবন ছিল
মরি হায় গো হায়। মরি হায় গো হায়। এলে যখন আমার ভাঙ্গা ঘরে শূন্য আঙিনায়। মরি হায় গো হায়। তখন
চাঁদের গায়ে চাঁদ লেগেছে           আমরা ভেবে করবো কি ঝিয়ের পেটে মায়ের জন্ম      
ও তোমারি চলার পথে দিয়ে যেতে চাই আমি একটু আমার ভালোবাসা ও তোমারি চলার পথে দিয়ে যেতে চাই আমি একটু
কে তুমি আমারে ডাকো অলখে লুকায়ে থাকো ফিরে ফিরে চাই দেখিতে না পাই।। মনে তো পড়ে না তবুও যে মনে
মন বোঝে না বোঝে না বোঝে না, মন বোঝে না বোঝে না। পড়ছে কেন বিনা মেঘেই বাজ পদ্য লেখা আমার
কে আবার বাজায় বাঁশি এ ভাঙ্গা কুঞ্জবনে! কে আবার বাজায় বাঁশি এ ভাঙ্গা কুঞ্জবনে! হৃদি মোর উঠল কাঁপি, চরণের সেই
নদীর যেমন ঝর্ণা আছেঝর্ণারও নদী আছে।আমার আছো তুমি শুধু তুমি।আমার আছো তুমি শুধু তুমি। বাঁশীর যেমন কৃষ্ণ আছেকৃষ্ণেরও বাঁশী আছে।আমার

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V