Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

প্রতিমা বন্দ্যোপাধ্যায় ------------------------ নাও গান ভরে, নাও প্রাণ ভরে সুরে যাই যেখানে প্রান্তর সোনার ধানের শীষে ডাকে সেখানে সোনা ভরা
এমন মানব জনম আর কি হবে ? মন যা কর ত্বরায় কর এই ভবে।। অনন্ত রূপ সৃষ্টি করলেন সাঁই শুনি
ব​ড়ো ইচ্ছে করছে ডাকতে তার গন্ধ মেখে থাকতে কেন সন্ধে সন্ধে নামলে সে পালায় তাকে আটকে রাখার চেষ্টা আরো বাড়িয়ে
আ আ আ আ নিঙ্গারিয়া নীল শাড়ি শ্রীমতি চলে। নিঙ্গারিয়া নীল শাড়ি শ্রীমতি চলে। শ্যামলের বেণু বাজে কদমতলে। নিঙ্গারিয়া নীল
ক্ষমা করো আমি ভালো নেই ক্ষমা করো আমি ভালো নেই এলোমেলো হয়ে গেছি, যেন সব হারিয়েছি, হে বসন্ত বিদায়। ক্ষমা
আমার ভালোবাসার রাজপ্রাসাদে নিশুতি রাত গুমরে কাঁদে ৷ মনের ময়ুর মরেছে ঐ ময়ুর মহলেই ৷ দেখি মুকুটটা তো পড়ে আছে
গৌরীশৃঙ্গ তুলেছে শির বহিছে সিন্ধু গর্জমান ভল্গা যমুনা রাইনে নাইলে মিসিসিপি মিলে তুলেছে তান নওজওয়ান গৌরীশৃঙ্গ তুলেছে শির বহিছে সিন্ধু
খোলাখুলি বলতে গেলে, পরে গেছি তোর কবলে, তলিয়েছে মন, ভীষণ রকম, অথৈ জলে। খোলাখুলি বলতে গেলে, পরে গেছি তোর কবলে,
আমি আজ ভেঙ্গে দেবো জোড়া ফুলদানি, বড়দের টিভি খুলে খিলতি জওয়ানি। ছুঁচোবাজি ছেড়ে দেবো ঠাকুমার ঘরে, একটাই ডেনজার জুজু যদি
মেঘ-বিহীন খর-বৈশাখে মেঘ-বিহীন খর-বৈশাখে তৃষায় কাতর চাতকী ডাকে। মেঘ-বিহীন খর-বৈশাখে সমাধি-মগ্না উমা তপতী – সমাধি-মগ্না উমা তপতী – রৌদ্র যেন
আকাশ আমায় ভরল আলোয়, আকাশ আমি ভরব গানে সুরের আবীর হানব হাওয়ায়, নাচের আবীর হাওয়ায় হানে ।। ওরে পলাশ, ওরে পলাশ,
আমাকে আমার মত থাকতে দাও আমি নিজেকে নিজের মত গুছিয়ে নিয়েছি। আমাকে আমার মত থাকতে দাও আমি নিজেকে নিজের মত
জানো যদি এ মন কি চায় জানো যদি এ মন কি চায় তবে কেন সরে আছো তুমি ক্ষতি কি আর
আমি চলতে চলতে থেমে গেছি আমি বলতে বলতে ভুলে গেছি যে কথা তোমাকে বলবো। আমি চলতে চলতে থেমে গেছি আমি
ও ছেড়োনা ছেড়োনা হাত দেব না দেব না গো যেতে থাক আমার কাছে। ছেড়োনা ছেড়োনা হাত দেব না দেব না
আরে ও জীবন রে জীবন ছাড়িয়া না যাইস্ মোকে আরে তুই জীবন ছাড়িয়া গেলে আদর করিবে কায় জীবনরে। আদর করিবে
ডেকে ডেকে চলে গেছি কত দূরে মনের প্রান্তে তার ঘুরে ঘুরে সে জানে না সে মানে না সে জানে না
মহারাজ, এ কি সাজে এলে হৃদয়পুর মাঝে! চরণতলে কোটি শশী সূর্য মরে লাজে। মহারাজ এ কি সাজে- গর্ব সব টুটিয়া
ও আমার কাঁধের আঁচল যায় পরে। ও আমার কাঁধের আঁচল যায় পরে। থাকে না মন যে আমার আর ঘরে। ও
উড়ে যাক এ ঘুম আমার, ছুঁতে শ্বেত পাথরের রাত। জানি পাইনা কাছে কিছু আমার শূণ্য দুটি হাত। ভরে যাক এ
ফান্দে পড়িয়া বগা কান্দে রে ফান্দে পড়িয়া বগা কান্দে রে ফান্দ বসাইছে ফান্দি রে ভাই পুঁটি মাছো দিয়া ওরে মাছের
ইচ্ছেগুলো যে দিচ্ছে ইশারা, যাচ্ছে উড়ে মন মেঘেদের পাড়া চেনা চেনা সুরে আসছি ফিরে ফিরে ভাবনারা কেন যে আজ দিশেহারা।
মোর গাঁয়েরও সীমানার পাহাড়ের ওপারে নিশীথ রাত্রির প্রতিধ্বনি শুনি। প্রতিধ্বনি শুনি আমি প্রতিধ্বনি শুনি। কান পেতে শুনি আমি বুঝিতে না
চল্‌ চল্ চল্ চল্‌ চল্ চল্ ঊর্দ্ধ গগনে বাজে মাদল, নিম্নে উতলা ধরণী তল অরুণ প্রাতের তরুণ দল চল্‌ রে

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V