Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

বাড়ীর কাছে আরশী নগর সেথা পড়শী বসত করে এক ঘর​ পড়শী বসত করে আমি এক দিনও না দেখিলাম তারে। বাড়ীর
লেখা প​ড়া করে যে গাড়ি ঘোড়া চড়ে সে লেখা প​ড়া করে না গাড়ি ঘোড়া চড়ে না ভাষণ​ ​ গিলে গিলে
এই পথ যদি না শেষ হয় তবে কেমন হতো তুমি বলোতো ? এই পথ যদি না শেষ হয় তবে কেমন
আমার বেলা যে যায় সাঁঝ-বেলাতে তোমার সুরে সুরে সুর মেলাতে। আমার বেলা যে যায় সাঁঝ-বেলাতে তোমার সুরে সুরে সুর মেলাতে।
আরো কাছাকাছি আরো কাছে এসো আরো কাছাকাছি আরো কাছে এসো মনে মনে এ দুটি মন আজ এক হয়ে যাবে কি
আ হা হুম আমায় তুমি যে ভালবেসেছ জীবনে যে তাই দোলা লাগান প্রানের পরির ঘুম ভাঙ্গান আমায় তুমি যে ভালবেসেছ
নানা নানা ওমন করে দাগা দিয়ে সরে থেকো না নানা নানা ওমন করে দাগা দিয়ে সরে থেকো না। আমায় নিয়ে
গঙ্গা আমার মা পদ্মা আমার মা ও ও আমার দুই চোখে দুই জলের ধারা মেঘনা যমুনা। গঙ্গা আমার মা পদ্মা
হো হো লক্ষীটি দোহাই তোমার আঁচল টেনে ধরো না উফ ছাড়ো না লোকে দেখে বলবে কি দুষ্টুমি আর কোরো না
শহর জুরে যেন প্রেমের মরশুম আলোতে মাখামাখি আমার এ গ্রীনরুম কখন নেমে আসে অচেনা প্যারাশুট তোমাকে ভালোবেসে আমার চিরকুট কলকাতা
শাওন রাতে যদি স্মরণে আসে মোরে বাহিরে ঝড় বহে নয়নে বারি ঝরে । শাওন রাতে যদি স্মরণে আসে মোরে বাহিরে
এক গোছা রজনীগন্ধা হাতে দিয়ে বললাম চললাম এক গোছা রজনীগন্ধা হাতে দিয়ে বললাম চললাম চললাম বেশ কিছু সম​য় তো থাকলাম
ইয়া চণ্ডী মধুকৈটবধী দৈত্যদলনী ইয়া মহিষিসোমলিনী ইয়া ধুম্রকেশনা চণ্ডমুণ্ডমাদনী ইয়া রক্তবীজাশনী শক্তি শুম্ভ-নিশুম্ভ দৈত্যদলনী ইয়া সিদ্ধিদাত্রী পারা সা দেবী নবকোদিমূর্তিসাহিতা
ভিজছে কাক, আয়না থাক দেখুক তোমায় ফুলের দল পথের বাঁক, আনতে যাক বৃষ্টি ধোয়া কলসি জল শহরতলি জুড়ে, গলির মোড়ে
আমার মল্লিকাবনে যখন প্রথম ধরেছে কলি আমার মল্লিকাবনে যখন প্রথম ধরেছে কলি আমার মল্লিকাবনে তোমার লাগিয়া তখনি, বন্ধু, বেঁধেছিনু অঞ্জলি
ধি রা না না ধিন ধি রা না ধি রা না না ধিন ধি রা না পোড়া বাঁশি ডাক দিয়ে
একতারাতে বেঁধে দিলে দোতারারই সুর একই দেহে রাম, আর কৃষ্ণ সুমধুর। একই দেহে রাম, আর কৃষ্ণ সুমধুর। সরযু নদীতে নেমে,
ও তোতা পাখি রে শেকল খুলে উড়িয়ে দেবো মাকে যদি এনে দাও আমার মাকে যদি এনে দাও ঘুমিয়েছিলাম মায়ের কোলে
প্রেমে পড়া বারণ, কারণে অকারণ আঙুলে আঙ্গুল রাখলেও হাত ধরা বারণ। প্রেমে পড়া বারণ, কারণে অকারণ আঙুলে আঙ্গুল রাখলেও হাত
মানুষ মানুষের জন্যে, জীবন জীবনের জন্যে। একটু সহানুভূতি কি মানুষ পেতে পারে না? ও বন্ধু- মানুষ মানুষের জন্যে, জীবন জীবনের
চলে যেতে যেতে দিন বলে যায় আধাঁরের শেষে ভোর হবে হয়তো পাখীর গানে গানে তবু কেন মন উদাস হল হয়তো
লা লা লা রারারা না রা নানা রা না রারারারা ঝিরি ঝিরি স্বপ্ন ঝরে, দুটি চোখের সীমানায়। চুপি চুপি কানে
টুং-টাং পিয়ানোয় সারাটি দুপুর, কচি কচি দুটি হাত তুলবে যে সুর। মাথা নেড়ে বুড়োবুড়ি শুনবে যে গান। হুপ-হুপ লাফাবে যে
আমার মাথা নত করে দাও হে তোমার চরণধুলার তলে। সকল অহংকার হে আমার ডুবাও চোখের জলে। আমার মাথা নত করে

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V