Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

আমি   হৃদয়ের কথা বলিতে ব্যাকুল, শুধাইল না কেহ। সে তো  এল না যারে সঁপিলাম এই প্রাণ মন দেহ।। সে
মধু বনে বাঁশি বাজে রাধা হল বেমনা ও মন কেন মানে না রাধা বাঁশি ছাড়া জানে না মন কেন রাধা
পুরানো দিন পুরানো মন পুরানো সবকিছু পিছনে ফেলে আয় ছুটে চলে, নতুনের ডাক শোনা যায় ওই আগামীর দিগন্ত ভুলে যাবে
আমার একলা আকাশ থমকে গেছে রাতের স্রোতে ভেসে শুধু তোমায় ভালোবেসে আমার দিনগুলো সব রং চিনেছে তোমার কাছে এসে শুধু
আমি এক যাযাবর, আমি এক যাযাবর, পৃথিবী আমাকে আপন করেছে ভুলেছি নিজের ঘর। আমি এক যাযাবর, আমি এক যাযাবর। আমি
এই কূলে আমি আর ঐ কূলে তুমি মাঝখানে নদী ঐ বয়ে চলে যায়। এই কূলে আমি আর ঐ কূলে তুমি
আমার সারাটা দিন মেঘলা আকাশ বৃষ্টি তোমাকে দিলাম আমার সারাটা দিন মেঘলা আকাশ বৃষ্টি তোমাকে দিলাম শুধু শ্রাবণ সন্ধ্যাটুকু তোমার
ভাল লাগে হাঁটতে তোর হাত ধরে ভাবনা তোর আসছে দিন রাত ধরে। ভাল লাগে হাঁটতে তোর হাত ধরে ভাবনা তোর
পার করো আমায় বাবা দয়াল তোমারি লীলা তুমি সর্বোদয়। এই সবাই মিলে গান ধরবে ঠিক আছে? নাক মে করতে দাম্মা
আহা কি আনন্দ আকাশে বাতাসে। আহা কি আনন্দ আকাশে বাতাসে। আহা কি আনন্দ আকাশে বাতাসে। শাখে শাখে পাখি ডাকে কত
শ্রীমৎ আদি শঙ্করাচার্য রচিত মহিষাসুরমর্দিনী স্তোত্রম্ ।।১।। অয়ি গিরিনন্দিনি নন্দিতমেদিনি বিশ্ব-বিনোদিনি নন্দনুতে গিরিবরবিন্ধ  শিরো‌ধিনিবাসিনি বিষ্ণু-বিলাসিনি জিষ্ণুনুতে, ভগবতি হে শিতিকণ্ঠ-কুটুম্বিণি ভূরিকুটুম্বিণি
ও শ্যাম যখন তখন খেলোনা খেলা অমন ও শ্যাম যখন তখন খেলোনা খেলা অমন ধরলে আজ তোমায় ছাড়বনা না না
টাপুর টুপুর সারা দুপুর নূপুর বাজায় কে? যেন এক কাজলা মেয়ে। কাজল কাজল মেঘের আঁচল শুধু ওড়ায় কে? যেন এক
বিরস দিন বিরল কাজ, প্রবল বিদ্রোহে এসেছ প্রেম, এসেছ আজ কী মহা সমারহে ।। একেলা রই আলসমন,   নীরব এই ভবনকোণ, ভাঙিলে দ্বার
শুভ্র শঙ্খরবে সারা নিখিল ধ্বনিত। আকাশতলে অনিলে জলে দিকে দিগন্তরে সকল লোকে পুরে বনে বনান্তরে নৃত্যগীত ছন্দে নন্দিত। শুভ্র শঙ্খরবে।
মুসাফির মোছ রে আঁখিজল ফিরে চল আপনারে নিয়া। মুসাফির মোছ রে আঁখিজল ফিরে চল আপনারে নিয়া। আপনি ফুটেছিল ফুল গিয়াছে
ও ঝিংনানা ঝিংনানা ঝিংনানা ঝিংনানা রে ঝিংনানা ওহ ঝিংনানা আরে ঝিংনানা ঝিংনানা রে ঝিংনানা ওহে ঝিংনানা এহে ঝিংনানা ঝিংনানা রে।
কোন সে আলোর স্বপ্ন নিয়ে যেন আমায় কে ডাকে আয় চলে আয়। কোন সে আলোর স্বপ্ন নিয়ে যেন আমায় কে
ফাঁকা ফ্রেম আর অকেজো হাতঘড়ি নিয়ে এখন আমি কি করি? অ্যান্টেনায় আর অশ্বত্থের ডালে ঝুলে থাকি প্রতেক সকালে শহুরে সন্ধ্যায়
আজ ঠোঁটের কোলাজ, থামালো কাজ মন তোমাকে ছুঁয়ে দিলাম নাম, বুকের বোতাম হারানো খাম আজ কেন যে খুঁজে পেলাম দিন
কথা ছিলো বাকি সন্ধ্যা জোনাকি হঠাৎ তারারা ডাকে আয় ঘাসের চাদরে ঘুমের আদরে রাত কেন ব​য়ে চলে যায় ঘুম আসে
এক যে ছিল মাছি, তার নামটি ছিল পাঁচী। এক যে ছিল মাছি, তার নামটি ছিল পাঁচী। উড়তে উড়তে পাঁচী, গিয়ে
ফুলেশ্বরী ফুলেশ্বরী ফুলের মত নাম ফুলেশ্বরী ফুলেশ্বরী ফুলের মত নাম তোমার দেওয়া দুখীর কমল বুকে ধরলাম ফুলেশ্বরী ফুলেশ্বরী ফুলের মত
ও প্রজাপতি প্রজাপতি পাখনা মেলো ও প্রজাপতি প্রজাপতি পাখনা মেলো আমার এই মনের আঁধার কোণে কোণে রঙে রঙে রংমশাল জ্বালো

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V