Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

পাড়ায় ঢুকলে ঠ্যাং খোড়া করে দেবো বলেছে পাড়ার দাদারা অন্যপাড়া দিয়ে যাচ্ছি তাই রঞ্জনা আমি আর আসবো না। এখানে রঞ্জনা
এটা গল্প কার দেখো লিখছে কে ভুলে অন্ধকার আলো শিখছে কে এটা গল্প কার দেখো লিখছে কে ভুলে অন্ধকার আলো
এলো বরষা যে সহসা মনে তাই, রিম ঝিম ঝিম রিম ঝিম ঝিম গান গেয়ে যাই। এলো বরষা যে সহসা মনে
মহুয়ায় জমেছে আজ মৌ গো, ও মহুয়ায় জমেছে আজ মৌ গো। কোণে দেখা মেঘে যে ওই সোনা রং লেগেছে ওই
আমি অপার হয়ে বসে আছি ওহে দয়াময় পারে লয়ে যাও আমায় ।। আমি একা রইলাম ঘাটে ভানু সে বসিল পাটে
দেখেছো কি তাকে ওই নীল নদীর ধারে বৃষ্টি পায়ে পায়ে তার কি যেন কি নাম জলে ভেজা মাঠে আকাশে হাত
মায়াবনবিহারিনী হরিণী গহন স্বপন সঞ্চারিনী কেন তারে ধরিবারে করি পণ অকারণ মায়াবনবিহারিনী মায়াবনবিহারিনী হরিণী গহন স্বপন সঞ্চারিনী কেন তারে ধরিবারে
কিভাবে কত কি পুড়ে ছাই। কখন কে জানে রাস্তার মোড়ে হাত নাড়ি বিদায় বাসের সারি বুকের ভেতর ভাড়ি পাথরের ছোঁয়াটুকু
নদীর যেমন ঝর্ণা আছেঝর্ণারও নদী আছে।আমার আছো তুমি শুধু তুমি।আমার আছো তুমি শুধু তুমি। বাঁশীর যেমন কৃষ্ণ আছেকৃষ্ণেরও বাঁশী আছে।আমার
হস্তির কন্যা হস্তির কন্যা বাহনের মারি মাথায় নিয়া তাম কলসী ও সখী হাতে সোনার ঝারি সখী ও ও মোর হায়
আমি বাংলায় গান গাইআমি বাংলার গান গাইআমি, আমার আমিকে চিরদিন এই বাংলায় খুঁজে পাই।আমি বাংলায় গান গাইআমি বাংলার গান গাইআমি,
দিয়ে গেনু বসন্তের এই গানখানি- দিয়ে গেনু বসন্তের এই বরষ ফুরায়ে যাবে, ভুলে যাবে ভুলে যাবে ভুলে যাবে জানি দিয়ে
আহা ওই আঁকা বাঁকা যে পথ যায় সুদূরে। আহা ওই আঁকা বাঁকা যে পথ যায় সুদূরে। কোনো হরিণী করুণ তার
ওরে সুজন নাইয়া ওরে সুজন নাইয়া কোন বা কন্যার দেশে যাও রে চাঁদের ডিঙ্গা বাইয়া? ওরে সুজন নাইয়া- গ্রহ তারার
আয়  তবে  সহচরী, হাতে হাতে ধরি ধরি নাচিবি ঘিরি ঘিরি, গাহিবি গান । আন তবে বীণা --- সপ্তম সুরে বাঁধ তবে তান ||
পরিয়ে কৌপনি ধ্বজা মজা উড়ালো ফকিরী । দেখ না মন ঝাকমারি এই দুনিয়াদারি ।। বড় আশার বাসা এ ঘর পড়ে
বুলবুল পাখি, ময়না, টিয়ে, আয় না যা না গান শুনিয়ে। বুলবুল পাখি, ময়না, টিয়ে, আয় না যা না গান শুনিয়ে।
টাপুর টুপুর সারা দুপুর নূপুর বাজায় কে? যেন এক কাজলা মেয়ে। কাজল কাজল মেঘের আঁচল শুধু ওড়ায় কে? যেন এক
এদিন আজি কোন ঘরে গো খুলে দিল দ্বার ? আজি প্রাতে সুর্য-ওঠা সফল হল কার ? কাহার অভিষেকের তরে সোনার
দেখা হবে বলে বারে বারে ছুটে আসা চেনা চৌকাঠে চাওয়াগুলো ধুতে আসা ছায়া পাবো বলে হাতে হাতে ছুটে আসা ভালবাসা
এবার তোর মরা গাঙে বান এসেছেজয় মা বলে ভাসা তরী।এবার তোর মরা গাঙে বান এসেছেজয় মা বলে ভাসা তরী। ওরে
করি মানা কাম ছাড়েনা মদনে প্রেম রসিকা হব কেমনে ?। এই দেহেতে মদন রাজা চালায় হুজুরি কর আদায় করে নিয়ে
মোর গাঁয়েরও সীমানার পাহাড়ের ওপারে নিশীথ রাত্রির প্রতিধ্বনি শুনি। প্রতিধ্বনি শুনি আমি প্রতিধ্বনি শুনি। কান পেতে শুনি আমি বুঝিতে না
আমি দূর হতে তোমারেই দেখেছি আর মুগ্ধ এ চোখে চেয়ে থেকেছি আমি দূর হতে তোমারেই দেখেছি আর মুগ্ধ হয়ে চোখে

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V