Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

আ আ আ ও ও ও ওঠো ওঠো সূর্যাই রে ঝিকিমিকি দিয়া কালকে তুমি আঁধার রাতে কোথায় ছিলে গিয়া ওঠো
আলগা দিচ্ছি সুতো, পালিয়ে যাওয়ার ছুতো, রাখলে মনে ভালো, কে ফিরে তাকালো? এই কপালের দাগে, অনেক বছর আগে, ছিলাম তোমার
হা হা হা লা লা লা লা লা আহা হা পৃথিবী বদলে গেছে যা দেখি কি নতুন লাগে পৃথিবী বদলে
তুমি নেই বলে আজ চাঁদ আসেনি আকাশে, নেই কোনো তারা। তুমি নেই বলে আজ ফুল ফোটেনি বাগানে, ঝরে গেছে পাতা।
শোনো গো দখিনো হাওয়া, প্রেম করেছি আমি শোনো গো দখিনো হাওয়া, প্রেম করেছি আমি লেগেছে চোখেতে নেশা দিক ভুলেছি আমি
আমার বলার কিছু ছিল না, না-গো আমার বলার কিছু ছিল না। চেয়ে চেয়ে দেখলাম তুমি চলে গেলে, তুমি চলে গেলে,
ওগো বেশি দাম বল কার ওই চন্দ্রমুখ না এই চন্দ্র হার ওই চন্দ্রমুখ না এই চন্দ্র হার কিভাবে তুলনা করি
করি মানা কাম ছাড়েনা মদনে প্রেম রসিকা হব কেমনে ?। এই দেহেতে মদন রাজা চালায় হুজুরি কর আদায় করে নিয়ে
হে দেখুক পাড়া পড়শিতে কেমন মাছ গেঁথেছি বড়শিতে দেখুন কেনে পড়শিতে। এ যে রুই কাতলা মিরগেল তো নয় মারে প্রেমের
নয়ন ভরা জল গো তোমার আঁচল ভরা ফুল নয়ন ভরা জল গো তোমার আঁচল ভরা ফুল ফুল নেব না অশ্রু
এই তো হেথায়ে কুঞ্জ ছায়ায় স্বপ্ন মধুর মোহে এই জীবনে যে কটি দিন পাব তোমায়ে আমায়ে হেসে খেলে কাটিয়ে যাব
এক পলকে একটু দেখা আরো একটু বেশী হলে ক্ষতি কি যদি কাটেই প্রহর পাশে বসে মনের দুটো কথা বলে ক্ষতি
লালা লা লালালা লালা লালা লালা লালালা লালা লা তোলো ছিন্ন বীণা বাঁধো নতুন তারে, ভরে নাও সুর গাও জীবনেরই
এই পথে যায় চলে, ঝরা পাতা যায় দলে, ও কোন সুরে উতলা মন আমার নয় সে কাছে নয় সে দূরে
দোলা হে দোলা হে দোলা হে দোলা আঁকা-বাঁকা পথে মোরা কাঁধে নিয়ে ছুটে যাই রাজা মহারাজাদের দোলা, ও দোলা আমাদের
আমার     প্রানের 'পরে চলে গেল কে বসন্তের    বাতাসটুকুর মতো । সে যে      ছুঁয়ে গেল নুয়ে গেল রে
আমার চেতনা চৈতন্য করে দে মা চৈতন্যময়ী। আমার চেতনা চৈতন্য করে দে মা চৈতন্যময়ী। তোর ভাব সাগরে ভেসে আমি তোর
আমার সারাটা দিন মেঘলা আকাশ বৃষ্টি তোমাকে দিলাম আমার সারাটা দিন মেঘলা আকাশ বৃষ্টি তোমাকে দিলাম শুধু শ্রাবণ সন্ধ্যাটুকু তোমার
এক বৈশাখে দেখা হল দুজনার জ্যৈষ্ঠে তে হল পরিচয় আসছে আষাঢ় মাস মন তাই ভাবছে কি হয় কি হয় কে
পাগলা খাবি কি ঝাঁঝে মরে যাবি পাগলা খাবি কি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ল​ড়ে যাবি পাগলা খাবি কি নর্থের গর্তে
মনের হদিস কেই বা জানে? সে হদিস কেই বা জানে? কি যে থাকে মনের ঘরে! কেউ জানে না, কেউ জানে
যখন ডাকল বাঁশি তখন রাঁধা যাবেই যমুনায় । যখন ডাকল বাঁশি তখন রাঁধা যাবেই যমুনায় । জ্বলে পুড়ে মরল রাঁধা
বয়েই গেছে বয়েই গেছে তোমার ডাকে সারা দিতে বয়েই গেছে সাত রাজাধন মানিক যখন পাওয়াই আমার হয়েই গেছে বয়েই গেছে
ও কোকিলা তোরে সুধাই রে সবার-ই তো ঘর র​য়েছে কেনো রে তোর বাসা কোথাও নাই রে ও কোকিলা তোরে সুধাই

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V