Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

চম্পা চামেলী গোলাপেরই বাগে চম্পা চামেলী গোলাপেরই বাগে এমন মাধবী নিশি আসেনি তো আগে এমন মাধবী নিশি আসেনি তো আগে।
এই ছন্দ এ আনন্দ এ যে বিধাতার মহাদান। আনন্দে পাখি গায় ঝর্ণারা ছুটে যায় ফুল দিয়ে যায় তার গন্ধ। এই
শ্রীমৎ আদি শঙ্করাচার্য রচিত মহিষাসুরমর্দিনী স্তোত্রম্ ।।১।। অয়ি গিরিনন্দিনি নন্দিতমেদিনি বিশ্ব-বিনোদিনি নন্দনুতে গিরিবরবিন্ধ  শিরো‌ধিনিবাসিনি বিষ্ণু-বিলাসিনি জিষ্ণুনুতে, ভগবতি হে শিতিকণ্ঠ-কুটুম্বিণি ভূরিকুটুম্বিণি
             গ্রাম ওই রাঙা মাটির পথ আমার মন ভুলে রে । ওরে         কার  মন
যদি আকাশের গায়ে কান না পাতি তোমার কথা শুনতে পাবো না। যদি আকাশের গায়ে কান না পাতি তোমার কথা শুনতে
শুনে সাঁঝবেলার সে গান মন বায় একা উজান শুনে সাঁঝবেলার সে গান মন বায় একা উজান সরে সরে যায় তটভূমি
সময় গেলে সাধন হবে না । দিন থাকিতে দিনের সাধন কেন জানলে না ।। জানো না মন খালে বিলে থাকে
তোমার নামে আঁকা এ হাতের উপর আঁকা ডাকে আয় কাছে আয় তোমার চুলে ডাকা এ আদর দিয়ে মাখা ডাকে আয়
এসো প্রাণভরণ দৈনহরণ হে এসো প্রাণভরণ দৈনহরণ হে। বিশ্বভুব পরম স্মরণ হে। এসো প্রাণভরণ দৈনহরণ হে। জ্যোতিপূর্ণ করো হে গগন,
ভারতবর্ষ সূর্যের এক নাম আমরা র​য়েছি সেই সূর্যের দেশে লীলাচঞ্চল সমুদ্রে অবিরাম গঙ্গা যমুনা ভাগীরথী যেথা মেশে ভারতবর্ষ সূর্যের এক
নাম রেখেছি বনলতা যখন দেখেছি হয়তো বা সেইক্ষণেই তোমায় ভালবেসেছি নাম রেখেছি বনলতা যখন দেখেছি হয়তো বা সেইক্ষণেই তোমায় ভালবেসেছি
ধনধান্য পুষ্প ভরা আমাদের এই বসুন্ধরা তাহার মাঝে আছে দেশ এক সকল দেশের সেরা ও সে স্বপ্ন দিয়ে তৈরি সে
সুন্দরী গো দোহাই দোহাই মান করোনা। আজ নিশিথে কাছে থাকো না বলো না। সুন্দরীগো দোহাই দোহাই মান করোনা। অনেক শিখা
নীল নীল আকাশে, চাঁদ ওই যখন আসে ভালোবাসা ছড়িয়ে, মন আমার ভরিয়ে। এমন কেউ সাথী কই, এমন কেউ কাছে কই,
ও সোনা ব্যাঙ, ও কোলা ব্যাঙ। ও সোনা ব্যাঙ, ও কোলা ব্যাঙ। সারারাত হেড়ে গলায় ডাকিস গ্যাঙর​-গ্যাঙ। তোরা কি গলা
পার করো আমায় বাবা দয়াল তোমারি লীলা তুমি সর্বোদয়। এই সবাই মিলে গান ধরবে ঠিক আছে? নাক মে করতে দাম্মা
বাড়ীর কাছে আরশী নগর সেথা পড়শী বসত করে এক ঘর​ পড়শী বসত করে আমি এক দিনও না দেখিলাম তারে। বাড়ীর
আমার মাথা নত করে দাও হে তোমার চরণধুলার তলে। সকল অহংকার হে আমার ডুবাও চোখের জলে। আমার মাথা নত করে
এরা      পরকে  আপন  করে, আপনারে পর --- বাহিরে বাঁশির রবে ছেড়ে যাই ঘর || ভালবাসে সুখে দুখে    ব্যথা সহে হাসিমুখে,
তোমার কাছে ফাগুন চেয়েছে কৃষ্ণচূড়া তোমার কাছে ফাগুন চেয়েছে কৃষ্ণচূড়া তুমি তাই দুহাত ভরে দিলে আগুন উজার করে সে কি
ঢাক বাজা কাঁসর বাজা উলু দে আর শাঁখ বাজা বছর পরে আবার এল মা যে। পূজো পূজো গন্ধ নিয়ে নতুন
ভূতের রাজা দিল বর, ভূতের রাজা দিল বর, জবর জবর তিন বর। এক দুই তিন। জবর জবর তিন বর। এক
ও ঝিংনানা ঝিংনানা ঝিংনানা ঝিংনানা রে ঝিংনানা ওহ ঝিংনানা আরে ঝিংনানা ঝিংনানা রে ঝিংনানা ওহে ঝিংনানা এহে ঝিংনানা ঝিংনানা রে।
জেনেছি জেনেছি তারা, তুমি জানো ভোজের বাজি। জেনেছি জেনেছি তারা, তুমি জানো ভোজের বাজি। যে তোমায় যেভাবে ডাকে তাতে তুমি

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V