Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

এই কথাটি মনে রেখো তোমাদের এই হাসিখেলায় এই কথাটি মনে রেখো তোমাদের এই হাসিখেলায় আমি যে গান গেয়েছিলেম মনে রেখো
সুন্দরী গো দোহাই দোহাই মান করোনা। আজ নিশিথে কাছে থাকো না বলো না। সুন্দরীগো দোহাই দোহাই মান করোনা। অনেক শিখা
পার করো আমায় বাবা দয়াল তোমারি লীলা তুমি সর্বোদয়। এই সবাই মিলে গান ধরবে ঠিক আছে? নাক মে করতে দাম্মা
দোলে দোদুল দোলে ঝুলনা । দোলে দোদুল দোলে ঝুলনা । দোলে কৃষ্ণ দোলে ঝুলনা । দোলে রাই দোলে ঝুলনা ।
বৃষ্টি থামার শেষে সোনালী আলোয়ে ভেসে রাজার কুমার এসে সোনালী কাঠি ছোঁয়ালো। বৃষ্টি থামার শেষে সোনালী আলোয়ে ভেসে রাজার কুমার
আমি অপার হয়ে বসে আছি ওহে দয়াময় পারে লয়ে যাও আমায় ।। আমি একা রইলাম ঘাটে ভানু সে বসিল পাটে
আমি চলতে চলতে থেমে গেছি আমি বলতে বলতে ভুলে গেছি যে কথা তোমাকে বলবো। আমি চলতে চলতে থেমে গেছি আমি
মায়ের পায়ের জবা হয়ে ওঠনা ফুটে মন। আমার মায়ের পায়ের জবা হয়ে ওঠনা ফুটে মন। তার গন্ধ না থাক যা
সা নি সা সা সা সা সা রে সা সা সা সা সা রে সা রে ধা পা নি। সা
আমি চেয়ে চেয়ে দেখি সারাদিন আজ ওই চোখে সাগরের নীল আমি তাইকি গান গাইকি বুঝি মনে মনে হয়ে গেল মিল।
ভেবে দেখ মন, কেউ কারো নয়, মিছে ভ্রম ভূ-মন্ডলে ৷ ভেবে দেখ মন, কেউ কারো নয়, মিছে ভ্রম ভূ-মন্ডলে ৷
আঁকা বাঁকা পথে যদি মন হয়ে যায় নদী তীর ছুঁয়ে বসে থাকি না আমাকে ধরে রাখি না আঁকা বাঁকা পথে
চঞ্চল মন আনমনা হ​য় যেই তার ছোঁয়া লাগে চঞ্চল মন আনমনা হ​য় যেই তার ছোঁয়া লাগে ভোরের আকাশে আলো দেখে
টাপুর টুপুর বৃষ্টি নুপুর জলছবিরই গায়ে, তুই যে আমার একলা আকাশ, মেঠো সুরের ছাই রে মেঠো সুরের ছাই। রং বেরঙের
তুই চিরদিন তোর দরজা খুলে থাকিস অবাধ আনাগোনার হিসেব কেন রাখিস ? সাক্ষাত আলাদিন তোর প্রদীপ ভরা জিনে কেন খুঁজতে
যেতে যেতে একলা পথে নিবেছে মোর বাতি। ঝ​ড় এসেছে, ওরে, ওরে, ঝ​ড় এসেছে, ওরে, এবার ঝ​ড়কে পেলাম সাথী। যেতে যেতে
বনমালী গো তুমি আমারই মত পর জনমে হইয় রাধা। আমি মরিয়া হইব শ্রীনন্দের নন্দন তখন​ তোমাকে বানাইব রাধা। বনমালী গো
আমার ভিনদেশী তারা একা রাতেরই আকাশে তুমি বাজালে একতারা আমার চিলেকোঠার পাশে। ঠিক সন্ধ্যে নামার মুখে তোমার নাম ধরে কেউ
যদি জানতেম আমার কিসের ব্যাথা তোমায় জানাতাম । কে যে আমায় কাঁদায় কে যে আমায় কাঁদায় আমি কি জানি তার
মহুয়ায় জমেছে আজ মৌ গো, ও মহুয়ায় জমেছে আজ মৌ গো। কোণে দেখা মেঘে যে ওই সোনা রং লেগেছে ওই
চাঁদ উঠেছে ফুল ফুটেছে কদম তলায় কে হাতি নাচ্ছে ঘোড়া নাচ্ছে সোনামণির বে। চাঁদ উঠেছে ফুল ফুটেছে কদম তলায় কে
Male Version: আ আ আমি কি তোমায় খুব বিরক্ত করছি, বলে দিতে পারো তা আমায় হয়তো আমার কোনো প্রয়োজন নেই,
যেমন বেনী তেমনি রবে চুল ভিজাবো না আমার যেমন বেনী তেমনি রবে চুল ভিজাবো না ওগো চুল ভিজাবো না না
আজ তবে এইটুকু থাক, বাকি কথা পরে হবে। ধূসর ধূলির পথ, ভেঙে পড়ে আছে রথ, বহুদূর দূর যেতে হবে। আজ

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V