Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

'আমি পথ ভোলা এক পথিক এসেছি । সন্ধ্যাবেলার চামেলি গো,  সকালবেলার মল্লিকা আমায় চেন কি ।' 'চিনি তোমায় চিনি, নবীন
কথা দিলাম আমি কথা দিলাম। কথা দিলাম আমি কথা দিলাম। তুমি আমি যুগে যুগে থাকব সাথে, যুগে যুগে থাকব সাথে।
কে প্রথম কাছে এসেছি ? কে প্রথম চেয়ে দেখেছি ? কিছুতেই পাই না ভেবে- কে প্রথম ভালবেসেছি ? তুমি- ?
ওরে বাবা দেখ চেয়ে কত সেনা চলেছে সমরে! ওরে বাবা দেখ চেয়ে কত সেনা চলেছে সমরে! কত সেনা! কত সেনা!
এক পায়ে নূপুর আমার অন্য পা খালি এক পাশে সাগর এক পাশে বালি তোমার ছোট তরী বলো, নেবে কি? এক
বসন পরো মা, বসন পরো মা বসন পরো, পরো মা গো বসন পরো মা। চন্দনে চর্চিত জবা পদে দিব আমি
চল রাস্তায় সাজি ট্রাম লাইন আর কবিতায় শুয়ে কাপ্লেট আহা উত্তাপ কত সুন্দর তুই থার্মোমিটারে মাপলে। হিয়া টুপটাপ জিয়া নস্টাল
নাগর আমার কাঁচা পিরীত পাকতে দিলো না। ও নাগর আমার কাঁচা পিরীত পাকতে দিলো না। গা গতোরে সোনার সোহাগ মাখতে
আমি তোমার কাছেই ফিরে আসবো তোমায় আবার ভালবাসবো তুমি কি ডাকবে মোরে চেনা সেই নামটি ধরে আমি তোমার কাছেই ফিরে
শূন্য এ–বুকে পাখি মোর আয় ফিরে আয় ফিরে আয়! তোরে না হেরিয়া সকালের ফুল অকালে ঝরিয়া যায়।। তুই নাই ব'লে
আমি   রূপে তোমায় ভোলাব না, ভালবাসায় ভোলাব । আমি   হাত দিয়ে দ্বার খুলবো না গো, গান দিয়ে  দ্বার খোলাব ।।    
আমার চোখে চোখ রাখ তুই আমার কথা গুলো তোর হয়ে যেতে পারে দুর্ঘটনা ঘটতে দে আঙুল গুনে ফেলা মনে পড়ে
তুমি আর তো কারো নও শুধু আমার যত দূরে সরে যাও রবে আমার স্তব্ধ সময়টাকে ধরে রেখে ! স্মৃতির পাতায়
ও প্রজাপতি প্রজাপতি পাখনা মেলো ও প্রজাপতি প্রজাপতি পাখনা মেলো আমার এই মনের আঁধার কোণে কোণে রঙে রঙে রংমশাল জ্বালো
আ আ আ আ আ আরো দূরে চলো যাই ঘুরে আসি মন নিয়ে কাছাকাছি তুমি আছো আমি আছি পাশাপাশি ঘুরে
হায়! যাব কি যাব না ভেবে ভেবে হায় রে যাওয়া তো হল না। আরে পাব কি পাব না ভেবে ভেবে
হা হো গুঞ্জনে দোলে যে ভ্রমর সুর তোলে যে উড়ে উড়ে গুঞ্জনে দোলে যে ভ্রমর সুর তোলে যে উড়ে উড়ে
কিচ্ছু চাইনি আমি আজীবন ভালবাসা ছাড়া আমিও তাদেরই দলে বার বার মরে যায় যারা। না না, কিচ্ছু চাইনি আমি আজীবন
যদি জানতেম আমার কিসের ব্যাথা তোমায় জানাতাম । কে যে আমায় কাঁদায় কে যে আমায় কাঁদায় আমি কি জানি তার
কেন কিছু কথা বলো না? শুধু চোখে চোখে চেয়ে যা কিছু চাওয়ার আমার নিলে সবই চেয়ে। এ কি ছলনা! কেন
আমার ভালোবাসার রাজপ্রাসাদে নিশুতি রাত গুমরে কাঁদে ৷ মনের ময়ুর মরেছে ঐ ময়ুর মহলেই ৷ দেখি মুকুটটা তো পড়ে আছে
ভাল করিয়া বাজান রে দোতারা কমলা সুন্দরী নাচে। কমলা সুন্দরীর পেন্দরের শাড়ি রোদে ঝিলমিল করে রে। নাচিতে নাচিতে কমলা সুন্দরী
পরেছি চাঁপা ডুরে শাড়ি, আর খোঁপাটি বাহারি গো খোঁপাটি বাহারি। দুহাতে রেশমি চুড়ি পরেছি দুহাতে রেশমি চুড়ি পরেছি, আমি কি
ওরে গৃহবাসী খোল, দ্বার খোল, লাগলো যে দোল । স্থলে জলে বনতলে লাগলো যে দোল । দ্বার খোল, দ্বার খোল ।।

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V