Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

বিধির বাঁধন কাটবে তুমি এমন শক্তিমান - তুমি কি এমনি শক্তিমান ! আমাদের ভাঙাগড়া তোমার হাতে এমন অভিমান - তোমাদের এমনি অভিমান ।। চিরদিন টানবে
মন রে কৃষিকাজ জানো না। মন রে কৃষিকাজ জানো না। এমন মানব জমিন রইল পতিত আবাদ করলে ফলত সোনা। মানব
মুসাফির মোছ রে আঁখিজল ফিরে চল আপনারে নিয়া। মুসাফির মোছ রে আঁখিজল ফিরে চল আপনারে নিয়া। আপনি ফুটেছিল ফুল গিয়াছে
আলগা দিচ্ছি সুতো, পালিয়ে যাওয়ার ছুতো, রাখলে মনে ভালো, কে ফিরে তাকালো? এই কপালের দাগে, অনেক বছর আগে, ছিলাম তোমার
বঁধু, কোন আলো লাগল চোখে ! বুঝি দীপ্তিরূপে ছিলে  সূর্যলোকে ! ছিল মন তোমারি প্রতিক্ষা করি যুগে যুগে দিন রাত্রি  ধরি
আ বেঁধেছি বীণা গান শোনাবো তোমায় আজ রাতে বেঁধেছি বীণা গান শোনাবো তোমায় আজ রাতে রাতে বেঁধেছি বীণা গান শোনাবো
কি উপহার সাজিয়ে দেব গান আছে তাই শুনিয়ে যাব অনন্ত আমারই গান দুরন্ত আমারই প্রান এইতো উপহার। কি উপহার সাজিয়ে
সুবি রুবি রা তু তুতু তুরু তু রুরু রা তা সুবি রুবি রা তু তুতু তুরু তু রুরু রা তা
বৃষ্টি থামার শেষে সোনালী আলোয়ে ভেসে রাজার কুমার এসে সোনালী কাঠি ছোঁয়ালো। বৃষ্টি থামার শেষে সোনালী আলোয়ে ভেসে রাজার কুমার
রাধা না খায় অন্ন না খায় পানি নাহি বান্ধে কেশ রে ভ্রমর​ কইয়ো গিয়া ভ্রমর কইয়ো গিয়া শ্রীকৃষ্ণ বিচ্ছেদের অনলে
পাখি আজ কোন সুরে গায় বকুলের ঘুম ভেঙে যায় আজ কোনো কথা নয় শুধু গান আরো গান তাই বুঝি দুজনের
ক্ষমা করো আমি ভালো নেই ক্ষমা করো আমি ভালো নেই এলোমেলো হয়ে গেছি, যেন সব হারিয়েছি, হে বসন্ত বিদায়। ক্ষমা
একটা মন হাঁটিহাঁটি পায় আঁকাবাঁকা রেলগাড়ি মেঘ এসে চোখে দিল রঙ হাতে দিল ডাকটিকিট। বৃষ্টি মেশে ড্র​য়িং খাতায় ফুল ফল
হে নূতন, দেখা দিক আর-বার জন্মের প্রথম শুভক্ষণ ।। তোমার প্রকাশ হোক কুহেলিকা করি উদঘাটন সূর্যের মতন । তোমার প্রকাশ
ওই যে সবুজ বনবিথীকা। দূর দিগন্তের সীমানায়, ছোট্টো নদীটির ওই বাঁকে মোর প্রিয় হোথায় থাকে। ওই যে সবুজ বনবিথীকা। দূর
নদী ভরা ঢেউ বোঝ নাতো কেউ কেন মায়ার তরী বাও বাও গো ভরসা করি এ ভব কাণ্ডারী অবেলার বেলা পানে
আমি এক যাযাবর, আমি এক যাযাবর, পৃথিবী আমাকে আপন করেছে ভুলেছি নিজের ঘর। আমি এক যাযাবর, আমি এক যাযাবর। আমি
ভেবে দেখ মন, কেউ কারো নয়, মিছে ভ্রম ভূ-মন্ডলে ৷ ভেবে দেখ মন, কেউ কারো নয়, মিছে ভ্রম ভূ-মন্ডলে ৷
কালো মেয়ের পায়ের তলায় দেখে যা আলোর নাচন। কালো মেয়ের পায়ের তলায় দেখে যা আলোর নাচন। রূপ দেখে দেয় বুক
আমাকে আমার মত থাকতে দাও আমি নিজেকে নিজের মত গুছিয়ে নিয়েছি। আমাকে আমার মত থাকতে দাও আমি নিজেকে নিজের মত
মরি কি আফসোসে তোমায় ভালবেসে মরি কি আফসোসে তোমায় ভালবেসে বিধুমুখী এই কি তোমার ভালবাসার গুণ? মরি কি আফসোসে তোমায়
এখনও সারেঙ্গীটা বাজছে- এখনও চেনা চেনা আতরের গন্ধ একি রোমাঞ্চ শুধু রোমাঞ্চ নাকি আগামী দিনের কোনো ঝড়ের আভাস বয়ে আনছে।
খোঁপার ওই গোলাপ দিয়ে - মনটা কেন এত কাছে আনলে ? খোঁপার ওই গোলাপ দিয়ে - মনটা কেন এত কাছে
থেই থেই তা থেই তা থেই তাতা থেই থেই থেই তা থেই তা থেই তা থেইয়া থেইয়া তাৎ তা থে

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V