Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

ওম জয়ং দেহি মা বলম দেহি মা রুপম দেহি মা যশ দেহি মা আজ বাজে মন মাঝে ওই আগমনীর গান
ভেবে দেখ মন, কেউ কারো নয়, মিছে ভ্রম ভূ-মন্ডলে ৷ ভেবে দেখ মন, কেউ কারো নয়, মিছে ভ্রম ভূ-মন্ডলে ৷
কিছুদিন মনে মনে- কিছুদিন মনে মনে ঘরের কোণে শ্যামের পিরিত রাখ গোপনে। কিছুদিন মনে মনে- ইশারায় কইবি কথা গোঠে মাঠে,
এই বাংলার মাটিতে মাগো জন্ম আমায় দিও। এই বাংলার মাটিতে মাগো জন্ম আমায় দিও। এই আকাশ, নদী, পাহাড় আমার বড়
শীতের হাওয়ার লাগল নাচন আমলকির এই ডালে ডালে । পাতাগুলি শিরশিরিয়ে ঝরিয়ে  দিল  তালে  তালে || উড়িয়ে  দেবার  মাতন  এসে  কাঙাল তারে
ফাঁকা ফ্রেম আর অকেজো হাতঘড়ি নিয়ে এখন আমি কি করি? অ্যান্টেনায় আর অশ্বত্থের ডালে ঝুলে থাকি প্রতেক সকালে শহুরে সন্ধ্যায়
মাগো ভাবনা কেন আমরা তোমার শান্তি প্রিয় শান্ত ছেলে তবু শত্রু এলে অশ্ত্র হাতে ধরতে জানি তোমার ভয় নেই মা
সখী , ভাবনা কাহারে বলে । সখী , যাতনা কাহারে বলে । তোমরা যে বলো দিবস-রজনী , 'ভালোবাসা' 'ভালোবাসা'--- সখী, ভালোবাসা কারে কয় ! সে
পাগলা হাওয়ার বাদল-দিনে পাগল আমার মন জেগে ওঠে। চেনাশোনার কোন বাইরে    যেখানে পথ নাই নাই রে সেখানে অ-কারণে যায়
কে প্রথম কাছে এসেছি ? কে প্রথম চেয়ে দেখেছি ? কিছুতেই পাই না ভেবে- কে প্রথম ভালবেসেছি ? তুমি- ?
তোমাকে বুঝি না প্রিয় বোঝো না তুমি আমায় দূরত্ব বাড়ে যোগাযোগ নিভে যায় তোমাকে বুঝি না প্রিয় বোঝো না তুমি
ময়নামতীর পথের ধারে দেখা হয়েছিল ময়নামতীর পথের ধারে দেখা হয়েছিল আরে না না না তেপান্তরের মাঠের 'পরে দেখা হয়েছিল আরে
আমার মাথা নত করে দাও হে তোমার চরণধুলার তলে। সকল অহংকার হে আমার ডুবাও চোখের জলে। আমার মাথা নত করে
আজ দুজনে মন্দ হলে মন্দ কি আজ দুজনে মন্দ হলে মন্দ কি দেখো ময়ূরকন্ঠী রাত যে আলোয় ঝিলমিলিয়ে আহা এমন
প্রাণ ভরিয়ে তৃষা হরিয়ে মোরে আরো আরো আরো দাও প্রাণ। প্রাণ ভরিয়ে তৃষা হরিয়ে মোরে আরো আরো আরো দাও প্রাণ।
কত যে তোমাকে বেসেছি ভালো সে কথা তুমি যদি জানতে কত যে তোমাকে বেসেছি ভালো সে কথা তুমি যদি জানতে
নীল নীল আকাশে, চাঁদ ওই যখন আসে ভালোবাসা ছড়িয়ে, মন আমার ভরিয়ে। এমন কেউ সাথী কই, এমন কেউ কাছে কই,
রাধে ... রাধে... রাধে মনটা রেখে এলি বল কোন মথুরায় ? একবার মন দিলে হায় রে - তারে একবার মন
শঙ্খ বাজিয়ে মাকে ঘরে এনেছি সুগন্ধী ধূপ জ্বেলে আসন পেতেছি। শঙ্খ বাজিয়ে মাকে ঘরে এনেছি সুগন্ধী ধূপ জ্বেলে আসন পেতেছি।
কে আবার বাজায় বাঁশি এ ভাঙ্গা কুঞ্জবনে! কে আবার বাজায় বাঁশি এ ভাঙ্গা কুঞ্জবনে! হৃদি মোর উঠল কাঁপি, চরণের সেই
কঠিন, তোমাকে ছাড়া একদিন কাটানো একরাত, বাড়াও দু হাত হয়ে যাও আজ বাধাবিহীন। বলো, কবিতা হয়ে চলো বাগানে দাবানল জমানো
হায় রে পোড়া বাঁশি ঘরেতে ও রইতে দিলো না ঘরেতে হায় রে পোড়া বাঁশি ঘরেতে ও রইতে দিলো না ঘরেতে
কতদিন দেখিনি তোমায়। তবু মনে পড়ে তব মুখখানি। স্মৃতির মুকুরে মম আজ, তবু ছায়া পড়ে রানী। কতদিন, কতদিন দেখিনি তোমায়।
আজ নতুন প্রভাত জাগে, যেন নতুন সে রং লাগে। চকিত এ মনে গভীর যতনে, চকিত এ মনে গভীর যতনে পসিল

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V