Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

এ আমার গুরুদক্ষিণা গুরুকে জানাই প্রণাম যার শুভ কামনায় আমি এ আমার গুরুদক্ষিণা গুরুকে জানাই প্রণাম যার শুভ কামনায় আমি
মন আমার তোর কিনারে হারালো দিন দাহারে সে তোর মানছে না রে এবার ভালোবাসতে আয়। মন আমার তোর কিনারে হারালো
পাখি আজ কোন সুরে গায় বকুলের ঘুম ভেঙে যায় আজ কোনো কথা নয় শুধু গান আরো গান তাই বুঝি দুজনের
সাগর ডাকে আয় আয় আয়। আমার গানে, জীবন আনে চলার ইশারায় আয়, আয়। সাগর ডাকে আয় আয় আয়। ছুটে ছুটে
সন্ধ্যাবেলায়, তুমি আমি বসে আছি দুজনে। তুমি বলবে, আমি শুনব, তুমি বলবে। আমি শুনব শুনব, তুমি বলবে। সন্ধ্যাবেলায়, তুমি আমি
এই মোম জোছনায় অঙ্গ ভিজিয়ে এসো না গল্প করি দেখো ওই ঝিলিমিলি চাঁদ সারারাত আকাশে সলমা জরি এই মোম জোছনায়
মন বোঝে না বোঝে না বোঝে না, মন বোঝে না বোঝে না। পড়ছে কেন বিনা মেঘেই বাজ পদ্য লেখা আমার
চাঁদ উঠেছে ফুল ফুটেছে কদম তলায় কে হাতি নাচ্ছে ঘোড়া নাচ্ছে সোনামণির বে। চাঁদ উঠেছে ফুল ফুটেছে কদম তলায় কে
আমি যামিনী তুমি শশী হে- ভাতিছ গগণ মাঝে । আমি যামিনী তুমি শশী হে- ভাতিছ গগণ মাঝে । মম সরসীতে
মোমের পুতুল মমীর দেশের মেয়ে নেচে যায়।বিহ্বল –চঞ্চল–পায়।বিহ্বল –চঞ্চল–পায়। খর্জুর–বীথির ধারেসাহারা মরুর পারেবাজায় ঘুমুর ঝুমুর ঝুমুর মধুর ঝঙ্কারে।বাজায় ঘুমুর ঝুমুর
আ আআ আ আমি হতে পারিনি আকাশ আমি হতে পারিনি আকাশ তুমি দিন শেষে আলোর আবেশ নিয়ে চাঁদ হলে। তুমি
রিমঝিম বৃষ্টি অঝোর ধারায় ঝরে বৃষ্টি সূর্য ঢেকে নিল দৃষ্টি। রিমঝিম বৃষ্টি অঝোর ধারায় ঝরে বৃষ্টি সূর্য ঢেকে নিল দৃষ্টি।
ঘরেতে ভ্রমর এল গুনগুনিয়ে। ঘরেতে ভ্রমর এল গুনগুনিয়ে। আমারে কার কথা সে যায় শুনিয়ে। ঘরেতে ভ্রমর এল গুনগুনিয়ে। আলোতে কোন
চরণ ধরিতে দিযো গো আমারে - নিয়ো না,  নিয়ো না সরায়ে । জীবন মরণ সুখ দুখ দিয়ে বক্ষে ধরিব জড়ায়ে । স্খলিত শিথিল কামনার
আলগা দিচ্ছি সুতো, পালিয়ে যাওয়ার ছুতো, রাখলে মনে ভালো, কে ফিরে তাকালো? এই কপালের দাগে, অনেক বছর আগে, ছিলাম তোমার
কি গাব আমি কি শুনাব​, আজি আনন্দধামে। কি গাব আমি কি শুনাব​, আজি আনন্দধামে। পুরবাসী জনে এনাছি ডেকে তোমার অমৃতনামে।
ওরা অকারণে চঞ্চল ওরা অকারণে চঞ্চল ডালে ডালে দোলে বায়ু হিল্লোলে নবপল্লবদল ওরা অকারণে চঞ্চল ওরা অকারণে চঞ্চল ছ​ড়ায়ে ছ​ড়ায়ে
মেরি জান মেরি চেন আমি সদ্য হ্যালোজেন যে বোঝে বুঝে যায় বলে পাগল একটু উড়তে উড়তে চাই একটু গুছিয়ে দাঁড়াই
আমার     প্রানের 'পরে চলে গেল কে বসন্তের    বাতাসটুকুর মতো । সে যে      ছুঁয়ে গেল নুয়ে গেল রে
না বলে এসেছি, তা বলে ভেবো না, না বলে বিদায় নেব চলে যাই যদি, যেন হই নদী, সাগরে হারিয়ে যাব।
শ্যামা নামের লাগল আগুন আমার দেহ ধূপ–কাঠিতে। শ্যামা নামের লাগল আগুন আমার দেহ ধূপ–কাঠিতে। যত জ্বালি সুবাস তত যত জ্বালি
খিড়কি থেকে সিংহদুয়ার এই তোমাদের পৃথিবী এর বাইরে জগত আছে তোমরা মাননা তোমাদের কোনটা হাসি কোনটা ব্যাথা কোনটা প্রলাপ কোনটা
কে যে আমার ঘুম ভাঙ্গিয়ে গেল, কে যে আমার ঘুম ভাঙ্গিয়ে গেল। আমি জানি না রে আমি জানি না। আমি
বেসামে বেসামে মুচো কোমো সি ফুয়েরা এস্তা নচে লা উলতিমা ভেজ বেসামে বেসামে মুচো কোয়েতেনঙ্গ মুয়েদো অ পেরদতে পেরদতে দেসপুইজ্

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V