Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

আকাশ কেন ডাকে মন ছুটি চায় ময়ূরপঙ্খী মেঘ ওই যায় ভেসে যায় আকাশ কেন ডাকে মন ছুটি চায় ময়ূরপঙ্খী মেঘ
হাজার টাকার ঝাড়বাতিটা রাতটা কে যে দিন করেছে তারি নীচে বাইজি নাচে ঠুমরী গানের টুকরো ছুঁড়ে হাজার টাকার ঝাড়বাতিটা তবলচিটা
আমার সাথে তোমার কথা নেই জানি তবু তোমার সাথে আমার কথা আছে তোমার পাশে আমার ছায়া নেই জানি তবু আমার
কে জানে ক'ঘন্টা পাবে রে জীবনটা? কে জানে ক'ঘন্টা পাবে রে জীবনটা? যেটুকু চোখে পরে মনে ধরে নিয়ে যা। যে
চলে যেতে যেতে দিন বলে যায় আধাঁরের শেষে ভোর হবে হয়তো পাখীর গানে গানে তবু কেন মন উদাস হল হয়তো
মোমের পুতুল মমীর দেশের মেয়ে নেচে যায়।বিহ্বল –চঞ্চল–পায়।বিহ্বল –চঞ্চল–পায়। খর্জুর–বীথির ধারেসাহারা মরুর পারেবাজায় ঘুমুর ঝুমুর ঝুমুর মধুর ঝঙ্কারে।বাজায় ঘুমুর ঝুমুর
মেঘেদের মিনারে দিগন্তের কিনারে বাদল আঁধার করেছে আবার আমার এই ঘর​ মেঘেদের মিনারে দিগন্তের কিনারে বাদল আঁধার করেছে আবার আমার
ভারতবর্ষ সূর্যের এক নাম আমরা র​য়েছি সেই সূর্যের দেশে লীলাচঞ্চল সমুদ্রে অবিরাম গঙ্গা যমুনা ভাগীরথী যেথা মেশে ভারতবর্ষ সূর্যের এক
এলো বরষা যে সহসা মনে তাই, রিম ঝিম ঝিম রিম ঝিম ঝিম গান গেয়ে যাই। এলো বরষা যে সহসা মনে
আমার ভিতরে বাহিরে অন্তরে অন্তরে , আছো তুমি হৃদয় জুড়ে। আমার ভিতরে বাহিরে অন্তরে অন্তরে , আছো তুমি হৃদয় জুড়ে।
গঙ্গা আমার মা পদ্মা আমার মা ও ও আমার দুই চোখে দুই জলের ধারা মেঘনা যমুনা। গঙ্গা আমার মা পদ্মা
ওই বুঝি ওই বুঝি কালবৈশাখী সন্ধ্যা-আকাশ দেয় ঢাকি ওই বুঝি ওই বুঝি কালবৈশাখী ভ​য় কি রে তোর ভ​য় কারে দ্বার
চোখ ছলছল করে, ওগো মা কি ব্যথা অন্তরে, ওগো মা ভাঙ্গনের যে খেলা চারিধার নেই আজ গান একতার চোখ ছলছল
তোমাতে আমাতে দেখা হয়েছিল। তোমাতে আমাতে দেখা হয়েছিল, জানিনা কবে কোথায় জানিনা মন দেওয়া নেওয়া খেলা হয়েছিলো জানিনা কবে কোথায়।
ও আমার দেশের মাটি, তোমার ‘পরে ঠেকাই মাথা। তোমাতে বিশ্বময়ীর, তোমাতে বিশ্বমায়ের আঁচল পাতা ও আমার দেশের মাটি, তোমার ‘পরে
জয় জয় গোবিন্দ গোপাল গদাধর কৃষ্ণচন্দ্র কর কৃপা করুণাসাগর। জয় রাধে গোবিন্দ গোপাল বনমালী শ্রীরাধার প্রাণধন মুকুন্দ মুরারী। হরিনাম বিনে
মন তোমার এই ভ্রম গেল না, গেল না, কালী কেমন তাই চেয়ে দেখলে না, দেখলে না, মন তোমার এই ভ্রম
ওরা অকারণে চঞ্চল ওরা অকারণে চঞ্চল ডালে ডালে দোলে বায়ু হিল্লোলে নবপল্লবদল ওরা অকারণে চঞ্চল ওরা অকারণে চঞ্চল ছ​ড়ায়ে ছ​ড়ায়ে
ইতিহাস লেখা আঁখি জলে, বলে যায় সে কথা প্রতি পলে। ইতিহাস লেখা আঁখি জলে, বলে যায় সে কথা প্রতি পলে।
সকাল আসে না, আয়না হাসে না, জানলা খোলা মেঘ, সে ভালবাসে না না কিছু ভাবি না, রোদ এলো কিনা, স্নানের
Male Version: আ আ আমি কি তোমায় খুব বিরক্ত করছি, বলে দিতে পারো তা আমায় হয়তো আমার কোনো প্রয়োজন নেই,
এসো প্রাণভরণ দৈনহরণ হে এসো প্রাণভরণ দৈনহরণ হে। বিশ্বভুব পরম স্মরণ হে। এসো প্রাণভরণ দৈনহরণ হে। জ্যোতিপূর্ণ করো হে গগন,
আমরা নতুন যৌবনেরই দূত । আমরা চঞ্চল আমরা অদ্ভূত । আমরা বেড়া ভাঙি , আমরা অশোকবনের রাঙা নেশায় রাঙি । ঝঙ্ঝার বন্ধন
কে তুমি কে তুমি! কে তুমি তন্দ্রাহরণী। দাঁড়িয়ে আমার চোখের আগে রাঙ্গালে এ মন পুস্পরাগে কে গো চম্পাবরণী। কে তুমি

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V