Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

জাত গেল জাত গেল বলে একি আজব কারখানা জাত গেল জাত গেল বলে একি আজব কারখানা সত্য পথে কেউ নয়
কোথা কোথা খুঁজেছি তোমায় তুমি জানো না কোথা কোথা খুঁজেছি তোমায় তুমি জানো না খুঁজেছি খুঁজেছি খুঁজেছি কোথায় তোমায় কোথা
মন যদি তুই বৃন্দাবনে যাবি পাগল, মন যদি তুই বৃন্দাবনে যাবি অনুরাগের ঘরে মারগা চাবি। টলাটলের মধ্য দিয়া উর্দ্ধ রে
এই করেছ ভালো নিঠুর হে নিঠুর হে এই করেছ ভালো এমনি করেই হৃদয়ে মোর তীব্র দহন জ্বালো নিঠুর হে এই
জলছবি, রং-মশাল, স্কুল ছুটির হজমিরা, রূপকথার পায়রাদের গল্প বল । বন্ধু চল । রামধনু, ঝালমুড়ি, হাফ টিকেট, আব্বুলিশ, বিটনুন আর
নদীর যেমন ঝর্ণা আছেঝর্ণারও নদী আছে।আমার আছো তুমি শুধু তুমি।আমার আছো তুমি শুধু তুমি। বাঁশীর যেমন কৃষ্ণ আছেকৃষ্ণেরও বাঁশী আছে।আমার
এক টানেতে যেমন তেমন দুই টানেতে রোগী তিন টানেতে রাজা উজির চার টানেতে সুখী এর কি মহিমা বাবা এক টানেতে
আ আআ আ আমি হতে পারিনি আকাশ আমি হতে পারিনি আকাশ তুমি দিন শেষে আলোর আবেশ নিয়ে চাঁদ হলে। তুমি
এক বৈশাখে দেখা হল দুজনার জ্যৈষ্ঠে তে হল পরিচয় আসছে আষাঢ় মাস মন তাই ভাবছে কি হয় কি হয় কে
এই সুন্দর স্বর্ণালী সন্ধ্যায়, একি বন্ধনে জড়ালে গো বন্ধু, এই সুন্দর স্বর্ণালী সন্ধ্যায়, একি বন্ধনে জড়ালে গো বন্ধু। কোন রক্তিম
Male Version: আ আ আমি কি তোমায় খুব বিরক্ত করছি, বলে দিতে পারো তা আমায় হয়তো আমার কোনো প্রয়োজন নেই,
এ গানে প্রজাপতি পাখায় পাখায় রঙ ছ​ড়ায়​ এ গানে রামধনু তার সাতটি রঙের দোল​ ঝরায়। এ গানে প্রজাপতি পাখায় পাখায়
একা মোর গানের তরী ভাসিয়েছিলাম নয়ন-জলে; সহসা কে এলে গো এ তরী বাইবে ব'লে? ভাসিয়েছিলাম নয়ন-জলে; যা ছিল কল্পমায়া, সে
না ডেকো না। না ডেকো না। ডেকো না গো মোরে, ডাকিলে আমাতে থাকে না মন​। ও না ডেকো না। ডেকো না
ওরে পাকা চুল কালো করে কলপ যে ঐ মাখে, নোংড়া গায়ের গন্ধ যে ঐ আতর ঘসে ঢাকে। খেয়ে যে লাথি
আ আ আ ও ও ও ওঠো ওঠো সূর্যাই রে ঝিকিমিকি দিয়া কালকে তুমি আঁধার রাতে কোথায় ছিলে গিয়া ওঠো
আজ ঠোঁটের কোলাজ, থামালো কাজ মন তোমাকে ছুঁয়ে দিলাম নাম, বুকের বোতাম হারানো খাম আজ কেন যে খুঁজে পেলাম দিন
তোমায় পরেছে মনে আবার শ্রাবণ দিনে, একলা বসে নিরালায় হায়। তোমায় পরেছে মনে আবার শ্রাবণ দিনে, একলা বসে নিরালায় হায়।
আহা আজি এ বসন্তে এত ফুল ফুটে, এত বাঁশি বাজে এত পাখি গায় আহা আজি এ বসন্তে। আহা আজি এ
মেঘ-বিহীন খর-বৈশাখে মেঘ-বিহীন খর-বৈশাখে তৃষায় কাতর চাতকী ডাকে। মেঘ-বিহীন খর-বৈশাখে সমাধি-মগ্না উমা তপতী – সমাধি-মগ্না উমা তপতী – রৌদ্র যেন
হে দেখুক পাড়া পড়শিতে কেমন মাছ গেঁথেছি বড়শিতে দেখুন কেনে পড়শিতে। এ যে রুই কাতলা মিরগেল তো নয় মারে প্রেমের
বন্ধু তিনদিন, তোর বাড়িতে গেলাম দেখা পাইলাম না, বন্ধু তিনদিন, তোর বাড়িতে গেলাম দেখা পাইলাম না, বন্ধু তিনদিন। গাঙ পাড়
আজ তবে এইটুকু থাক, বাকি কথা পরে হবে। ধূসর ধূলির পথ, ভেঙে পড়ে আছে রথ, বহুদূর দূর যেতে হবে। আজ
বউ কথা কও পাখি কেন অমন করে ডাকে গো মৌ বনেরই সুর ছ​ড়ান ছায়। কেন সারাবেলা নীরব থেকে এখন সারা

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V