Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

কবে যে কোথায় কি যে হল ভুল জীবন জুয়ায় হেরে গেলাম কবে যে কোথায় কি যে হল ভুল জীবন জুয়ায়
আ আআ আ আমি হতে পারিনি আকাশ আমি হতে পারিনি আকাশ তুমি দিন শেষে আলোর আবেশ নিয়ে চাঁদ হলে। তুমি
আমি কোন পথে যে চলি কোন কথা যে বলি তোমায় সামনে পেয়েও খুঁজে বেরাই মনের চোরাগলি ।। সেই গলিতেই ঢুকতে
কাদের কুলের বউ গো তুমি কাদের কুলের বউ যমুনায় যমুনায় জল আনতে যাচ্ছো- ওগো যমুনায় জল আনতে যাচ্ছো- সঙ্গে নেই
ডেকে ডেকে চলে গেছি কত দূরে মনের প্রান্তে তার ঘুরে ঘুরে সে জানে না সে মানে না সে জানে না
সেই রাতে রাত ছিল পূর্ণিমা, রঙ ছিল ফাল্গুনী হাওয়াতে। সেই রাতে রাত ছিল পূর্ণিমা, রঙ ছিল ফাল্গুনী হাওয়াতে। সব ভাল
এই পথে যায় চলে, ঝরা পাতা যায় দলে, ও কোন সুরে উতলা মন আমার নয় সে কাছে নয় সে দূরে
হলুদ গাঁদার ফুল, রাঙা পলাশ ফুল এনে দে এনে দে নইলে রাঁধব না, বাঁধব না চুল। হলুদ গাঁদার ফুল, রাঙা
চাঁদ উঠেছে ফুল ফুটেছে কদম তলায় কে হাতি নাচ্ছে ঘোড়া নাচ্ছে সোনামণির বে। চাঁদ উঠেছে ফুল ফুটেছে কদম তলায় কে
আমার স্বপন কিনতে পারে এমন আমির কই? আমার জলছবিতে রঙ মেলাবে এমন আবির কই? আমার স্বপন কিনতে পারে এমন আমির
ঠুং ঠাং ঠুং ঠাং চুড়ির তালে থৈথৈ বন্যা নাচেরে। ঠুং ঠাং ঠুং ঠাং চুড়ির তালে থৈথৈ বন্যা নাচেরে। রিমঝিম রিমঝিম
আমার জীবনের এতো খুশি এতো হাসি কোথায় গেলো আমার জীবনের এতো খুশি এতো হাসি কোথায় গেলো ফুলের বুকে সেই অলির
একটুখানি পাশ ফিরেছি একটুখানি পাশ ফিরেছি সারা নিশি মালা গেঁথে। একটুখানি পাশ ফিরেছি সারা নিশি মালা গেঁথে। কে আবার এলি
আ আ যখন কেউ আমাকে পাগল বলে, যখন কেউ আমাকে পাগল বলে, তার প্রতিবাদ করি আমি। যখন তুমি আমায় পাগল
লাগে দোল লাগে দোল লাগে দোল পাতায় পাতায় বকুল বনের শাখে। কে যাবি, কে যাবি আয় ছুটে, আয় ছুটে মন
তুমি যাকে ভালবাসো স্নানের ঘরে বাষ্পে ভাসো তার জীবনে ঝ​ড়​ তুমি যাকে ভালবাসো স্নানের ঘরে বাষ্পে ভাসো তার জীবনে ঝ​ড়​
আমার মনের এই ময়ূরমহলে এসো আজ প্রেমের আতর ঢেলে দাও। বেগম রাতটার গায়ে তারা ওড়না দুচোখে আজ নয় ঝাড়বাতি জ্বেলে
প্রেমে পড়া বারণ, কারণে অকারণ আঙুলে আঙ্গুল রাখলেও হাত ধরা বারণ। প্রেমে পড়া বারণ, কারণে অকারণ আঙুলে আঙ্গুল রাখলেও হাত
ওগো সুন্দর জানো না কি তুমি কে আমি কার ? ওগো প্রিয়তম শোনোনি কি আমি কার তুমি কে? শোনোনি কি
ও আমার দেশের মাটি, তোমার ‘পরে ঠেকাই মাথা। তোমাতে বিশ্বময়ীর, তোমাতে বিশ্বমায়ের আঁচল পাতা ও আমার দেশের মাটি, তোমার ‘পরে
ছিন্ন পাতার সাজাই তরণী, একা একা করি খেলা- আনমনা যেন দিকবালিকার আনমনা যেন দিকবালিকার ভাসানো মেঘের ভেলা। ছিন্ন পাতার সাজাই
কে যে আমার ঘুম ভাঙ্গিয়ে গেল, কে যে আমার ঘুম ভাঙ্গিয়ে গেল। আমি জানি না রে আমি জানি না। আমি
যেন মুঠোর রুমাল রুমাল সোহাগী লাল যেন রাতের আড়াল আড়াল রংমশাল যেন গানের বাগান বাগান আকাশে নীল যেন ঘুমের বনে
লা লা লা লা আআ লা লা আ লা লা আকাশে সূর্য আছে যতদিন তুমি তো আমারই আর কারো ন​য়,

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V