Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

কতদিন দেখিনি তোমায়। তবু মনে পড়ে তব মুখখানি। স্মৃতির মুকুরে মম আজ, তবু ছায়া পড়ে রানী। কতদিন, কতদিন দেখিনি তোমায়।
সাদাকালো কিছু ডোরাকাটা দাগ ঐ পেরোচ্ছে রোদ্দুর ট্রামের তারে আটকা ঘুড়ি ভাবছে সমুদ্দুর হুম​ সাদাকালো কিছু ডোরাকাটা দাগ ঐ পেরোচ্ছে
মেঘ থম থম করে কেউ নেই নেই জল থৈ থৈ তীরে কিছু নেই নেই ভাঙ্গনের যে নেই পারাপার তুমি আমি
বৈষ্ণব সেই জন পাশে থাকে আজীবন পরেরও বেদন-ব্যথা জানে রে। বৈষ্ণব সেই জন পাশে থাকে আজীবন পরেরও বেদন-ব্যথা জানে রে।
অন্ধকারের উত্স হতে উত্সারিত আলো সেই তো তোমার আলো ! সকল দন্দ্ববিরোধ-মাঝে জাগ্রত যে ভালো সেই তো তোমার ভালো ।।
কি যে করি দূরে যেতে হ​য় তাই সুরে সুরে কাছে যেতে চাই তাই কি যে করি দূরে যেতে হ​য় তাই
বসন পরো মা, বসন পরো মা বসন পরো, পরো মা গো বসন পরো মা। চন্দনে চর্চিত জবা পদে দিব আমি
সেই , গ্রীষ্মের সকাল গুলোতেই পর্দা ঠেলে সরিয়ে হাওয়া দিলো ভাসিয়ে হাওয়া দিলো ভাসিয়ে। তখন, আমার এ বিছানা ঘুম ছাড়েনি
আয়নাতে ঐ মুখ দেখবে যখন কপোলের কালো তিল পড়বে চোখে ফুটবে যখন ফুল বকুল শাখে ভ্রমর যে এসেছিলো জানবে লোকে।
টাপুর টুপুর বৃষ্টি ঝরে টাপুর টুপুর বৃষ্টি ঝরে কোন সে আকাশ থেকে ও আমার কমলিনী শিহরিয়া যায় টাপুর টুপুর বৃষ্টি
কিভাবে কত কি পুড়ে ছাই। কখন কে জানে রাস্তার মোড়ে হাত নাড়ি বিদায় বাসের সারি বুকের ভেতর ভাড়ি পাথরের ছোঁয়াটুকু
আমার বলার কিছু ছিল না, না-গো আমার বলার কিছু ছিল না। চেয়ে চেয়ে দেখলাম তুমি চলে গেলে, তুমি চলে গেলে,
ওই যে সবুজ বনবিথীকা। দূর দিগন্তের সীমানায়, ছোট্টো নদীটির ওই বাঁকে মোর প্রিয় হোথায় থাকে। ওই যে সবুজ বনবিথীকা। দূর
সজনি সজনি রাধিকা লো দেখ অবহুঁ চাহিয়া, মৃদুলগম শ্যাম আওয়ে মৃদুল গান গাহিয়া। সজনি সজনি রাধিকা লো দেখ অবহুঁ চাহিয়া।
কিচ্ছু চাইনি আমি আজীবন ভালবাসা ছাড়া আমিও তাদেরই দলে বার বার মরে যায় যারা। না না, কিচ্ছু চাইনি আমি আজীবন
চেয়ে দেখো মেঘেরা ছুঁয়েছে মেঘলা মন​ চেয়ে দেখো মেঘেরা ছুঁয়েছে মেঘলা মন​ উদাসীন সারাদিন রিমঝিম ঝিম ঝিম ঝরে যাওয়া এ
ছিন্ন পাতার সাজাই তরণী, একা একা করি খেলা- আনমনা যেন দিকবালিকার আনমনা যেন দিকবালিকার ভাসানো মেঘের ভেলা। ছিন্ন পাতার সাজাই
মন লাগে না তুমি বিনা মোর জীবন যেন চাঁদনি বিহীনা রজনী হায় আ আআ আআআ আ আ আ নিশিদিন নিশিদিন
মম চিত্তে নিতি নৃত্যে কে যে নাচে তাতা থৈথৈ, তাতা থৈথৈ, তাতা থৈথৈ। মম চিত্তে নিতি নৃত্যে কে যে নাচে
ও এহে হে হা হা হা মোর স্বপ্নের সাথী তুমি কাছে এসো আজ ঋতু ফাল্গুনে তবু দূরে থাকো বৃথা যায়
ঝনক-ঝনক কনক কাঁকন বাজে নতুন নতুন কুঁড়ি ফোটে লাজে। ঝনক-ঝনক ঝনক-ঝনক কনক কাঁকন বাজে নতুন নতুন কুঁড়ি ফোটে লাজে। ঝনক-ঝনক
কি উপহার সাজিয়ে দেব গান আছে তাই শুনিয়ে যাব অনন্ত আমারই গান দুরন্ত আমারই প্রান এইতো উপহার। কি উপহার সাজিয়ে
যাও পাখি বল হাওয়া ছল ছল আবছায়া জানলার কাঁচ আমি কি আমাকে হারিয়েছি বাঁকে রুপকথা আনাচে -কানাচ আঙুলের কোলে জ্বলে
মেঘ বলেছে 'যাব যাব', রাত বলেছে যাই, সাগর বলে 'কূল মিলেছে--- আমি তো আর নাই' ।। দুঃখ বলে 'রইনু চুপে

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V