Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

আঃ শশীকান্ত কি হচ্ছে দাদরা বাজাও দাদরা কাহারবা নয় দাদরা বাজাও কাহারবা নয় দাদরা বাজাও উল্ট পাল্টা মারছ চাঁটি শশীকান্ত
নানা নানা ওমন করে দাগা দিয়ে সরে থেকো না নানা নানা ওমন করে দাগা দিয়ে সরে থেকো না। আমায় নিয়ে
আমার মল্লিকাবনে যখন প্রথম ধরেছে কলি আমার মল্লিকাবনে যখন প্রথম ধরেছে কলি আমার মল্লিকাবনে তোমার লাগিয়া তখনি, বন্ধু, বেঁধেছিনু অঞ্জলি
হয়তো তোমারি জন্য হয়েছি প্রেমে যে বন্য জানি তুমি অনন্য আশার হাত বাড়াই । যদি কখনো একান্তে চেয়েছি তোমায় জানতে
ও সে হোক না কালো আমার ভাল চোখে লেগেছে। ও সে হোক না কালো আমার ভাল চোখে লেগেছে। বটগাছের আঠার
কি যে ভাবি এলোমেলো লা লা লা লা লা লা লা লা সেকি এলো সেকি এলো হা সে তো না
বন্ধ মনের দুয়ার দিয়েছি খুলে। এসেছে ফাগুন হওয়া, এখন সবই দেবার পালা নেই তো কিছু চাওয়ার। বন্ধ মনের দুয়ার দিয়েছি
যখন নীরবে দূরে দাঁড়াও এসে যেখানে পথ বেঁকেছে যখন নীরবে দূরে দাঁড়াও এসে যেখানে পথ বেঁকেছে তোমায় ছুঁতে চাওয়ার মুহূর্তরা
আশা ছিল ভালোবাসা ছিল আজ আশা নেই ভালোবাসা নেই এই সেই কৃষ্ণচূড়া যার তোলে দাঁড়িয়ে চোখে চোখ হাতে হাত কথা
টুং-টাং পিয়ানোয় সারাটি দুপুর, কচি কচি দুটি হাত তুলবে যে সুর। মাথা নেড়ে বুড়োবুড়ি শুনবে যে গান। হুপ-হুপ লাফাবে যে
এতো কাছে দুজনে প্রেম ভরা যৌবনে এতো কাছে দুজনে প্রেম ভরা যৌবনে হঠাৎ ভুলে ভুল না হয়ে যায় এতো কাছে
পাড়ায় ঢুকলে ঠ্যাং খোড়া করে দেবো বলেছে পাড়ার দাদারা অন্যপাড়া দিয়ে যাচ্ছি তাই রঞ্জনা আমি আর আসবো না। এখানে রঞ্জনা
সংকোচের বিহ্বলতা নিজেরে অপমান সংক্টের কল্পনাতে হয়ো না মৃয়মাণ সংকোচের বিহ্বলতা নিজেরে অপমান সংক্টের কল্পনাতে হয়ো না মৃয়মাণ আ আহা
আমার জীবনের এতো খুশি এতো হাসি কোথায় গেলো আমার জীবনের এতো খুশি এতো হাসি কোথায় গেলো ফুলের বুকে সেই অলির
সকাল আসে না, আয়না হাসে না, জানলা খোলা মেঘ, সে ভালবাসে না না কিছু ভাবি না, রোদ এলো কিনা, স্নানের
ঘরেতে ভ্রমর এল গুনগুনিয়ে। ঘরেতে ভ্রমর এল গুনগুনিয়ে। আমারে কার কথা সে যায় শুনিয়ে। ঘরেতে ভ্রমর এল গুনগুনিয়ে। আলোতে কোন
আ আআ আ আমি হতে পারিনি আকাশ আমি হতে পারিনি আকাশ তুমি দিন শেষে আলোর আবেশ নিয়ে চাঁদ হলে। তুমি
যাও পাখি বল হাওয়া ছল ছল আবছায়া জানলার কাঁচ আমি কি আমাকে হারিয়েছি বাঁকে রুপকথা আনাচে -কানাচ আঙুলের কোলে জ্বলে
এনে দে এনে দে ঝুমকা না হলে না হলে সাথে যাবো না এ এ এ রঙ্গিলা রঙ্গিলা ঝুমকা না হলে
আহ! বাঁশি শুনে আর কাজ নাই সে যে ডাকাতিয়া বাঁশি। বাঁশি শুনে আর কাজ নাই সে যে ডাকাতিয়া বাঁশি। সে
ফান্দে পড়িয়া বগা কান্দে রে ফান্দে পড়িয়া বগা কান্দে রে ফান্দ বসাইছে ফান্দি রে ভাই পুঁটি মাছো দিয়া ওরে মাছের
ফেটে গেল ফেটে গেল কালিরামের ঢোল সে এক দাঁড়কাকের সাধ হল কোকিলা সাজিতে পড়ল ধরা কাকা রবে তার সে জারিজুরি
কোথা কোথা খুঁজেছি তোমায় তুমি জানো না কোথা কোথা খুঁজেছি তোমায় তুমি জানো না খুঁজেছি খুঁজেছি খুঁজেছি কোথায় তোমায় কোথা
সা নি সা সা সা সা সা রে সা সা সা সা সা রে সা রে ধা পা নি। সা

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V