Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

শুভ্র শঙ্খরবে সারা নিখিল ধ্বনিত। আকাশতলে অনিলে জলে দিকে দিগন্তরে সকল লোকে পুরে বনে বনান্তরে নৃত্যগীত ছন্দে নন্দিত। শুভ্র শঙ্খরবে।
ভাদর আশ্বিন মাসে ভ্রমর বসে কাঁচা বাঁশে ওও ওও ওও ওও আরো কি থাকিবে বাপের ঘরে গো মন আমার কেমন
ফিরে এলাম দূরে গিয়ে আমি তোমার অনুরাধা ডেকো তুমি মোনালিসা ভেঙে দিলাম সব বাধা ও তুমি কেমন ছিলে বল​ আঁখি
আমি আভিসারে যাব আমি যাব আভিসারে ধুপের ধোঁয়াতে মোর অলক শুখায়ে নেবো সাজাতে কবরী ফুল হারে আমি আভিসারে যাব আমি
ওম জয়ং দেহি মা বলম দেহি মা রুপম দেহি মা যশ দেহি মা আজ বাজে মন মাঝে ওই আগমনীর গান
সাত ভাই চম্পা জাগো রে জাগো রে ঘুম ঘুম থাকে না ঘুমের এই ঘোরে একটি পারুল বোন আমি তোমার আমি
হো হো লক্ষীটি দোহাই তোমার আঁচল টেনে ধরো না উফ ছাড়ো না লোকে দেখে বলবে কি দুষ্টুমি আর কোরো না
তারে ভোলানো গেল না কিছুতে তারে ভোলানো গেল না কিছুতে ভুল দিয়ে ভালোবাসা দিয়ে ভুল দিয়ে ভালোবাসা দিয়ে বিষের পরশ
আজ ঠোঁটের কোলাজ, থামালো কাজ মন তোমাকে ছুঁয়ে দিলাম নাম, বুকের বোতাম হারানো খাম আজ কেন যে খুঁজে পেলাম দিন
মিলন হবে কত দিনে আমার মনের মানুষের সনে ।। চাতক প্রায় অহর্নিশি চেয়ে আছি কালো শশী হব বলে চরণ দাসী
চিতল মাছের মুইঠা, গরম ভাতে দুইটা, ভুইলা বাঙ্গালী খায়, চিনা জাপানি,লুইটা পুইটা। চিতল মাছের মুইঠা, গরম ভাতে দুইটা, ভুইলা বাঙ্গালী
প্রেমের জোয়ারে ভাসবে দোঁহারে - বাঁধন খুলে দাও, দাও দাও । ভুলিব ভাবনা, পিছনে চাব না - পাল তুলে দাও, দাও দাও ।
ভূতের রাজা দিল বর, ভূতের রাজা দিল বর, জবর জবর তিন বর। এক দুই তিন। জবর জবর তিন বর। এক
যখন ডাকল বাঁশি তখন রাঁধা যাবেই যমুনায় । যখন ডাকল বাঁশি তখন রাঁধা যাবেই যমুনায় । জ্বলে পুড়ে মরল রাঁধা
না এখনি নয় এখনি নয় যাবে যদি যেও কিছু পরে। যেতে মন চায় নাতো তবুও যাই যাই করে। বেশী তো
তোকে রোজ সকালে দেখতে ইচ্ছে হয়। তোকে সঙ্গে পেলে করবো যুদ্ধ জয়। তোকে রোজ সকালে দেখতে ইচ্ছে হয়। তোকে সঙ্গে
উম উম উম উমউম উমউম উম উম কফি হাউসের সেই আড্ডাটা আজ আর নেই, আজ আর নেই। কোথায় হারিয়ে গেল
মোর   বীনা ওঠে কোন সুরে বাজি কোন নব চঞ্চল চন্ধে । মম    অন্তর কম্পিত আজি নিখিলের হৃদয়স্পন্দে ।।
এবার আমি আমার থেকে আমাকে বাদ দিয়ে অনেক কিছু জীবনে যোগ দিলাম। ছোটো যত আপন ছিল বাহির করে দিয়ে ভুবনটারে
কারার ঐ লৌহকপাট, ভেঙ্গে ফেল কর রে লোপাট, রক্ত-জমাট শিকল পূজার পাষাণ-বেদী। কারার ঐ লৌহকপাট, ভেঙে ফেল কর রে লোপাট,
বাড়ীর কাছে আরশী নগর সেথা পড়শী বসত করে এক ঘর​ পড়শী বসত করে আমি এক দিনও না দেখিলাম তারে। বাড়ীর
চলে যেতে যেতে দিন বলে যায় আধাঁরের শেষে ভোর হবে হয়তো পাখীর গানে গানে তবু কেন মন উদাস হল হয়তো
আমার দুঃখগুলো কাছিমের মত- আমার দুঃখগুলো কাছিমের মত গুটি গুটি পায়ে আর এগোতে পারে না। আমার দুঃখগুলো কাছিমের মত আমাকে
শুনে দেখো গান আমার হয়তো ভাল লেগে যেতে পারে। একটু সময় দিতে হায়, বদলে যেতে পারে তোমার কান। তোমার জানলায়

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V