Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

ঝনক-ঝনক কনক কাঁকন বাজে নতুন নতুন কুঁড়ি ফোটে লাজে। ঝনক-ঝনক ঝনক-ঝনক কনক কাঁকন বাজে নতুন নতুন কুঁড়ি ফোটে লাজে। ঝনক-ঝনক
এবার আমি আমার থেকে আমাকে বাদ দিয়ে অনেক কিছু জীবনে যোগ দিলাম। ছোটো যত আপন ছিল বাহির করে দিয়ে ভুবনটারে
শহর জুরে যেন প্রেমের মরশুম আলোতে মাখামাখি আমার এ গ্রীনরুম কখন নেমে আসে অচেনা প্যারাশুট তোমাকে ভালোবেসে আমার চিরকুট কলকাতা
ইতিহাস লেখা আঁখি জলে, বলে যায় সে কথা প্রতি পলে। ইতিহাস লেখা আঁখি জলে, বলে যায় সে কথা প্রতি পলে।
মেঘ পাখি, ঝরা পাতা, এলোমেলো হাওয়া, তোর চোখ জুড়ে স্বপ্ন আর সহস্র চাওয়া, তোর ঠোঁট চাপা হাসি আর চোখে চাপা
সমুদ্রের কিনারে বসে জল বিনে চাতকী ম'লো। হায়রে বিধি ওরে বিধি তোর মনে কি ইহাই ছিলো।। চাতক থাকে মেঘের আশে
ফেটে গেল ফেটে গেল কালিরামের ঢোল সে এক দাঁড়কাকের সাধ হল কোকিলা সাজিতে পড়ল ধরা কাকা রবে তার সে জারিজুরি
পুব​-হাওয়াতে দেয় দোলা আজ মরি মরি। পুব​-হাওয়াতে দেয় দোলা... হৃদ​য় নদীর কূলে কূলে জাগে লহরী। মরি মরি পুব​-হাওয়াতে দেয় দোলা
গুন গুন গুন কুঞ্জে আমার একি গুঞ্জরন​ হা আজ গুন গুন গুন কুঞ্জে আমার একি গুঞ্জরন​ গানের সুরে পেলাম এ
শূন্য এ–বুকে পাখি মোর আয় ফিরে আয় ফিরে আয়! তোরে না হেরিয়া সকালের ফুল অকালে ঝরিয়া যায়।। তুই নাই ব'লে
মোদের গরব, মোদের আশা, আ মরি বাংলা ভাষা ! মোদের গরব, মোদের আশা, আ মরি বাংলা ভাষা ! মাগো তোমার
এমন মানব জনম আর কি হবে ? মন যা কর ত্বরায় কর এই ভবে।। অনন্ত রূপ সৃষ্টি করলেন সাঁই শুনি
এ শুধু গানের দিন এ লগন গান শোনাবার - এ শুধু গানের দিন এ লগন গান শোনাবার - এ তিথি
আ হা হুম আমায় তুমি যে ভালবেসেছ জীবনে যে তাই দোলা লাগান প্রানের পরির ঘুম ভাঙ্গান আমায় তুমি যে ভালবেসেছ
ওরে সুজন নাইয়া ওরে সুজন নাইয়া কোন বা কন্যার দেশে যাও রে চাঁদের ডিঙ্গা বাইয়া? ওরে সুজন নাইয়া- গ্রহ তারার
ঘরেতে ভ্রমর এল গুনগুনিয়ে। ঘরেতে ভ্রমর এল গুনগুনিয়ে। আমারে কার কথা সে যায় শুনিয়ে। ঘরেতে ভ্রমর এল গুনগুনিয়ে। আলোতে কোন
যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে তবে একলা চলো রে। একলা চলো, একলা চলো, একলা চলো, একলা চলো রে।।
এক যে ছিল রাজা হবু চন্দ্র তাহার নাম, ভারতের অধিশ্বর দিল্লীতে তার ধাম। প্রধান মন্ত্রী তার গবু চন্দ্র শুভ নাম,
আমি তোমার সঙ্গে বেঁধেছি আমার প্রাণ সুরের বাঁধনে— তুমি জান না, আমি তোমারে পেয়েছি অজানা সাধনে ।। সে সাধনায় মিশিয়া
কথা কিছু কিছু বুঝে নিতে হয় সেতো মুখে বলা যায় না সেতো মুখে বলা যায় না কথা কিছু কিছু বুঝে
একা মোর গানের তরী ভাসিয়েছিলাম নয়ন-জলে; সহসা কে এলে গো এ তরী বাইবে ব'লে? ভাসিয়েছিলাম নয়ন-জলে; যা ছিল কল্পমায়া, সে
ওরে বাবা দেখ চেয়ে কত সেনা চলেছে সমরে! ওরে বাবা দেখ চেয়ে কত সেনা চলেছে সমরে! কত সেনা! কত সেনা!
এই কূলে আমি আর ঐ কূলে তুমি মাঝখানে নদী ঐ বয়ে চলে যায়। এই কূলে আমি আর ঐ কূলে তুমি
কি উপহার সাজিয়ে দেব গান আছে তাই শুনিয়ে যাব অনন্ত আমারই গান দুরন্ত আমারই প্রান এইতো উপহার। কি উপহার সাজিয়ে

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V