Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

Male Version: আ আ আমি কি তোমায় খুব বিরক্ত করছি, বলে দিতে পারো তা আমায় হয়তো আমার কোনো প্রয়োজন নেই,
শূন্য এ–বুকে পাখি মোর আয় ফিরে আয় ফিরে আয়! তোরে না হেরিয়া সকালের ফুল অকালে ঝরিয়া যায়।। তুই নাই ব'লে
বল মা আমি দাঁড়াই কোথা বল মা আমি দাঁড়াই কোথা আমার কেহ নাই শঙ্করী হেথা, বল মা আমি দাঁড়াই কোথা।
এই বালুকা বেলায় আমি লিখেছিনু একটি সে নাম আমি লিখেছিনু আজ সাগারের ঢেউ দিয়ে তারে যেন মুছিয়া দিলাম এই বালুকা
নাগর আমার কাঁচা পিরীত পাকতে দিলো না। ও নাগর আমার কাঁচা পিরীত পাকতে দিলো না। গা গতোরে সোনার সোহাগ মাখতে
মধুর মধুর চাওনি রে তোর কন্যা আমার হৃদপিন্ড তিরিং বিরিং করে রে মধুর মধুর চাওনি রে তোর কন্যা আমার হৃদপিন্ড
বঁধুয়া, নিদ নাহি আঁখিপাতে। আমিও একাকী, তুমিও একাকী আজি এ বাদল-রাতে। ডাকিছে দাদুরী মিলনতিয়াসে ঝিল্লি ডাকিছে উল্লাসে। পল্লীর বধু বিরহী
কি যে করি দূরে যেতে হ​য় তাই সুরে সুরে কাছে যেতে চাই তাই কি যে করি দূরে যেতে হ​য় তাই
ওরা মনের গোপন চেনে না। ওরা হৃদয়ের রং জানে না। প্রজাপতি ডানা ছুঁলো বিবাহ বাসরে, কেন সারারাত জেগে বাড়ি ফিরি
ঝগ​ড়াঝাটি রাগ, মারামারি ভাগ সেরে যাবে সব পাগলামি শুধু তিনটে চারটে সাতটা আটটা হামি, শুধু তিনটে চারটে সাতটা আটটা হামি।
মোর গাঁয়েরও সীমানার পাহাড়ের ওপারে নিশীথ রাত্রির প্রতিধ্বনি শুনি। প্রতিধ্বনি শুনি আমি প্রতিধ্বনি শুনি। কান পেতে শুনি আমি বুঝিতে না
আরে ও জীবন রে জীবন ছাড়িয়া না যাইস্ মোকে আরে তুই জীবন ছাড়িয়া গেলে আদর করিবে কায় জীবনরে। আদর করিবে
অন্ধকারের উত্স হতে উত্সারিত আলো সেই তো তোমার আলো ! সকল দন্দ্ববিরোধ-মাঝে জাগ্রত যে ভালো সেই তো তোমার ভালো ।।
জাত গেল জাত গেল বলে একি আজব কারখানা ! সত্য কাজে কেউ নয় রাজি সবই দেখি তা না না না
ইয়া চণ্ডী মধুকৈটবধী দৈত্যদলনী ইয়া মহিষিসোমলিনী ইয়া ধুম্রকেশনা চণ্ডমুণ্ডমাদনী ইয়া রক্তবীজাশনী শক্তি শুম্ভ-নিশুম্ভ দৈত্যদলনী ইয়া সিদ্ধিদাত্রী পারা সা দেবী নবকোদিমূর্তিসাহিতা
এ তো ভালবাসা ন​য় ভালবাসা ন​য়​কামনা জ​ড়ানো চাওয়া,আঁধার পেরিয়ে আঁধারের সাথেআঁধারেতে ডুবে যাওয়া। দুখের এ মালা দিও না বঁধুয়া দাও
আজি বসন্ত জাগ্রত দ্বারে। বসন্ত জাগ্রত দ্বারে। তব অবগুন্ঠিত কুন্ঠিত জীবনে কোরো না বিড়ম্বিত তারে। বসন্ত জাগ্রত দ্বারে। আজি খুলিয়ো
তুমি না হ​য় রহিতে কাছে কিছুক্ষন আরো না হয় রহিতে কাছে আরো কিছু কথা না হ​য় বলিতে মোরে কিছুক্ষন আরো
মধু মালতী ডাকে আয় ফুল ফাগুনের এ খেলায় মধু মালতী ডাকে আয় মধু মালতী ডাকে আয় ফুল ফাগুনের এ খেলায়
পা নি সা রে গা নি সা নি সা গারে গা মা গা মাগা নি সা গা মা গা মাগা
বঁধু, কোন আলো লাগল চোখে ! বুঝি দীপ্তিরূপে ছিলে  সূর্যলোকে ! ছিল মন তোমারি প্রতিক্ষা করি যুগে যুগে দিন রাত্রি  ধরি
যারে যারে উড়ে যারে পাখি ফুরালো প্রাণের মেলা শেষ হ​য়ে এলো বেলা আর কেন মিছে তোরে বেঁধে রাখি যারে আকাশে
চিতল মাছের মুইঠা, গরম ভাতে দুইটা, ভুইলা বাঙ্গালী খায়, চিনা জাপানি,লুইটা পুইটা। চিতল মাছের মুইঠা, গরম ভাতে দুইটা, ভুইলা বাঙ্গালী
আমি বলি, আমি বলি তোমায় দূরে থাকো তুমি কথা রাখো না। আমি বলি তোমায় দূরে থাকো তুমি কথা রাখো না।

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V