Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

ধি রা না না ধিন ধি রা না ধি রা না না ধিন ধি রা না পোড়া বাঁশি ডাক দিয়ে
যদি কিছু আমারে শুধাও- কি যে তোমারে কব, নীরবে চাহিয়া রব, না বলা কথা বুঝিয়া নাও। যদি কিছু আমারে শুধাও-
ওই বুঝি ওই বুঝি কালবৈশাখী সন্ধ্যা-আকাশ দেয় ঢাকি ওই বুঝি ওই বুঝি কালবৈশাখী ভ​য় কি রে তোর ভ​য় কারে দ্বার
ওরা অকারণে চঞ্চল ওরা অকারণে চঞ্চল ডালে ডালে দোলে বায়ু হিল্লোলে নবপল্লবদল ওরা অকারণে চঞ্চল ওরা অকারণে চঞ্চল ছ​ড়ায়ে ছ​ড়ায়ে
ইয়া চণ্ডী মধুকৈটবধী দৈত্যদলনী ইয়া মহিষিসোমলিনী ইয়া ধুম্রকেশনা চণ্ডমুণ্ডমাদনী ইয়া রক্তবীজাশনী শক্তি শুম্ভ-নিশুম্ভ দৈত্যদলনী ইয়া সিদ্ধিদাত্রী পারা সা দেবী নবকোদিমূর্তিসাহিতা
আবার হবে তো দেখা এ দেখাই শেষ দেখা নয় তো। আবার হবে তো দেখা এ দেখাই শেষ দেখা নয় তো।
সুবি রুবি রা তু তুতু তুরু তু রুরু রা তা সুবি রুবি রা তু তুতু তুরু তু রুরু রা তা
তুমি রবে নীরবে হৃদয়ে মম তুমি রবে নীরবে নিবিড় নিভৃত পূর্ণিমা নিশীথিনীসম তুমি রবে নীরবে মম জীবন যৌবন মম অখিল
পিয়া বিনা জাগে না রে না রে জিয়া লাগে না পিয়া বিনা জিয়া লাগে না আমি হব রাত আর তুই
এক ঝাঁক পাখিদের মত কিছু রোদ্দুর বাধা ভেঙ্গে জানলার শার্শী সমুদ্দুর একঝাঁক পাখিদের মত কিছু রোদ্দুর এল আঁধারের শত্তুর। এক
কতদিন দেখিনি তোমায়। তবু মনে পড়ে তব মুখখানি। স্মৃতির মুকুরে মম আজ, তবু ছায়া পড়ে রানী। কতদিন, কতদিন দেখিনি তোমায়।
লাবণ্যে পূর্ণ প্রাণ, প্রাণেশ হে, একি লাবণ্যে পূর্ণ প্রাণ, প্রাণেশ হে, আনন্দবসন্তসমাগমে। একি লাবণ্যে পূর্ণ প্রাণ, প্রাণেশ হে বিকশিত প্রীতিকুসুম
ও প্রজাপতি প্রজাপতি পাখনা মেলো ও প্রজাপতি প্রজাপতি পাখনা মেলো আমার এই মনের আঁধার কোণে কোণে রঙে রঙে রংমশাল জ্বালো
পরদেশি মেঘ যাও রে ফিরে।পরদেশী মেঘ যাও রে ফিরে।বলি ও আমার পরদেশী রে।পরদেশী মেঘ যাও রে ফিরে।বলি ও আমার পরদেশী
মধুর মধুর বংশী বাজে, কোথা কোন কদম তলিতে। মধুর মধুর বংশী বাজে, কোথা কোন কদম তলিতে। আমি পথের মাঝে পথ
অলিরও কথা শুনে বকুল হাসে কই তাহার মত তুমি আমার কথা শুনে হাসো না তো ! ধরারও ধুলিতে যে ফাগুন
ঘুম ঘুম চাঁদ ঝিকিমিকি তারা এই মাধবী রাত আসেনিতো বুঝি আর জীবনে আমার । ঘুম ঘুম চাঁদ ঝিকিমিকি তারা এই
উম উম উম উমউম উমউম উম উম কফি হাউসের সেই আড্ডাটা আজ আর নেই, আজ আর নেই। কোথায় হারিয়ে গেল
না ডেকো না। না ডেকো না। ডেকো না গো মোরে, ডাকিলে আমাতে থাকে না মন​। ও না ডেকো না। ডেকো না
আজ নতুন প্রভাত জাগে, যেন নতুন সে রং লাগে। চকিত এ মনে গভীর যতনে, চকিত এ মনে গভীর যতনে পসিল
মহারাজা! তোমারে সেলাম, সেলাম, সেলাম। মোরা বাংলাদেশের থেকে এলাম। মোরা বাংলাদেশের থেকে এলাম। মোরা সাদা সিধা মাটির মানুষ, দেশে দেশে
দিয়ে গেনু বসন্তের এই গানখানি- দিয়ে গেনু বসন্তের এই বরষ ফুরায়ে যাবে, ভুলে যাবে ভুলে যাবে ভুলে যাবে জানি দিয়ে
হায় রে পোড়া বাঁশি ঘরেতে ও রইতে দিলো না ঘরেতে হায় রে পোড়া বাঁশি ঘরেতে ও রইতে দিলো না ঘরেতে
এই মণিহার আমায় নাহি সাজে--- এরে   পরতে গেলে লাগে ,এরে ছিড়তে গেলে বাজে ।। কণ্ঠ যে রোধ করে,    সুর তো নাহি  সরে।

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V