Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

উড়ে যাক এ ঘুম আমার, ছুঁতে শ্বেত পাথরের রাত। জানি পাইনা কাছে কিছু আমার শূণ্য দুটি হাত। ভরে যাক এ
পরদেশি মেঘ যাও রে ফিরে।পরদেশী মেঘ যাও রে ফিরে।বলি ও আমার পরদেশী রে।পরদেশী মেঘ যাও রে ফিরে।বলি ও আমার পরদেশী
আমার       প্রাণের মানুষ আছে প্রাণে, তাই হেরি তায় সকল খানে।। আছে সে      নয়ন তারায় আলোক-ধারায়,
ওগো নিরুপমা করিও ক্ষমা তোমাকে আমার ঘরনি করিতে আমার মনের দোসর করিতে পারিলামনা পারিলামনা তো কিছুতেই ওগো নিরুপমা হয়তো তোমার
কে প্রথম কাছে এসেছি ? কে প্রথম চেয়ে দেখেছি ? কিছুতেই পাই না ভেবে- কে প্রথম ভালবেসেছি ? তুমি- ?
আশা ছিল ভালোবাসা ছিল আজ আশা নেই ভালোবাসা নেই এই সেই কৃষ্ণচূড়া যার তোলে দাঁড়িয়ে চোখে চোখ হাতে হাত কথা
হে নূতন, দেখা দিক আর-বার জন্মের প্রথম শুভক্ষণ ।। তোমার প্রকাশ হোক কুহেলিকা করি উদঘাটন সূর্যের মতন । তোমার প্রকাশ
পুব​-হাওয়াতে দেয় দোলা আজ মরি মরি। পুব​-হাওয়াতে দেয় দোলা... হৃদ​য় নদীর কূলে কূলে জাগে লহরী। মরি মরি পুব​-হাওয়াতে দেয় দোলা
শুনো শুনো গো সবে শুনো দিয়া মন​, বিচিত্র কাহিনী এক করি বর্ণণ। এক দেশে এক বনের ধারে ছোট্ট নদীর তীরে,
যদি জানতেম আমার কিসের ব্যাথা তোমায় জানাতাম । কে যে আমায় কাঁদায় কে যে আমায় কাঁদায় আমি কি জানি তার
তোমার ভুবনে মাগো এত পাপ ! একি অভিশাপ, নাই প্রতিকার? মিথ্যারই জয় আজ, সত্যের নাই তাই অধিকার। তোমার ভুবনে মাগো
প্রেমে পড়া বারণ, কারণে অকারণ আঙুলে আঙ্গুল রাখলেও হাত ধরা বারণ। প্রেমে পড়া বারণ, কারণে অকারণ আঙুলে আঙ্গুল রাখলেও হাত
মানুষ ছাড়া ক্ষ্যাপা রে তুই মূল হারাবি। মানুষ ছাড়া ক্ষ্যাপা রে তুই মূল হারাবি। মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি। ও
একটুখানি পাশ ফিরেছি একটুখানি পাশ ফিরেছি সারা নিশি মালা গেঁথে। একটুখানি পাশ ফিরেছি সারা নিশি মালা গেঁথে। কে আবার এলি
হে দেখুক পাড়া পড়শিতে কেমন মাছ গেঁথেছি বড়শিতে দেখুন কেনে পড়শিতে। এ যে রুই কাতলা মিরগেল তো নয় মারে প্রেমের
সমুদ্রের কিনারে বসে জল বিনে চাতকী ম'লো। হায়রে বিধি ওরে বিধি তোর মনে কি ইহাই ছিলো।। চাতক থাকে মেঘের আশে
আঃ শশীকান্ত কি হচ্ছে দাদরা বাজাও দাদরা কাহারবা নয় দাদরা বাজাও কাহারবা নয় দাদরা বাজাও উল্ট পাল্টা মারছ চাঁটি শশীকান্ত
এ দিন তো যাবে না মানা তুমি যতই করো। এ দিন তো যাবে না মানা তুমি যতই করো। যা ইচ্ছা
কারার ঐ লৌহকপাট, ভেঙ্গে ফেল কর রে লোপাট, রক্ত-জমাট শিকল পূজার পাষাণ-বেদী। কারার ঐ লৌহকপাট, ভেঙে ফেল কর রে লোপাট,
ভিজছে কাক, আয়না থাক দেখুক তোমায় ফুলের দল পথের বাঁক, আনতে যাক বৃষ্টি ধোয়া কলসি জল শহরতলি জুড়ে, গলির মোড়ে
বলে দিলি তুই আমি কিচ্ছু পারি না। সাদাকালো সমাজে আমি বাঁচতে জানি না। বলে দিলি তুই আমি কিচ্ছু পারি না।
বল না রে মন কোথায় যাবি, কোথায় গেলে শান্তি পাবি। বল না রে মন কোথায় যাবি, কোথায় গেলে শান্তি পাবি।
আমি কোন পথে যে চলি কোন কথা যে বলি তোমায় সামনে পেয়েও খুঁজে বেরাই মনের চোরাগলি ।। সেই গলিতেই ঢুকতে
তেলের শিশি ভাঙল বলে খুকুর পরে রাগ করো। তোমরা যে সব বুড়ো খোকা ভারত ভেঙে ভাগ করো! তার বেলা? তার

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V