Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

ঘরেতে ভ্রমর এল গুনগুনিয়ে। ঘরেতে ভ্রমর এল গুনগুনিয়ে। আমারে কার কথা সে যায় শুনিয়ে। ঘরেতে ভ্রমর এল গুনগুনিয়ে। আলোতে কোন
বিমূর্ত এই রাত্রি আমার মৌনতার সুতোয় বোনা একটি রঙ্গিন চাদর। সেই চাদরের ভাঁজে ভাঁজে নিঃশ্বাসেরই ছোঁয়া। আছে ভালবাসা, আদর। কামনার
চিন্তাময়ী তারা তুমি আমার চিন্তা করেছো কি? নামে জগৎ চিন্তাহরা তুমি নামে জগৎ চিন্তাহরা কিন্তুু কাজে তেমন কই মা দেখি?
তু রুরু রুরু রুরুরু রু ফিরে এসো অনুরাধা ভেঙ্গে দিয়ে সব বাধা। প্রিয়তমা মোনালিসা তুমি আমার ভালবাসা। বলেছিলে তুমি গান
আমি যে জলসাঘরে বেলোয়াড়ী ঝাড়। আমি যে জলসাঘরে বেলোয়াড়ী ঝাড়। আমি যে জলসাঘরে নিশি ফুরালে কেহ চায় না আমায় জানি
তুই ফেলে এসেছিস কারে মন, মন রে আমার| তাই জনম গেল,শান্তি পেলি না রে মন, মন রে আমার|| যে পথ
চল্‌ চল্ চল্ চল্‌ চল্ চল্ ঊর্দ্ধ গগনে বাজে মাদল, নিম্নে উতলা ধরণী তল অরুণ প্রাতের তরুণ দল চল্‌ রে
প্রেমে পড়া বারণ, কারণে অকারণ আঙুলে আঙ্গুল রাখলেও হাত ধরা বারণ। প্রেমে পড়া বারণ, কারণে অকারণ আঙুলে আঙ্গুল রাখলেও হাত
চল রে চল সবে ভারত সন্তান মাতৃভূমি করে আহ্বান চল রে চল সবে ভারত সন্তান মাতৃভূমি করে আহ্বান বীর দর্পে
ফাগুন,    হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান - তোমার  হাওয়ায় হাওয়ায়  করেছি যে দান - আমার    আপনহারা প্রাণ আমার বাঁধন-ছেঁড়া
টাপুর টুপুর বৃষ্টি ঝরে টাপুর টুপুর বৃষ্টি ঝরে কোন সে আকাশ থেকে ও আমার কমলিনী শিহরিয়া যায় টাপুর টুপুর বৃষ্টি
ও মন দিল না বঁধু, মন নিল যে শুধু, আমি কি নিয়ে থাকি? মন দিল না বঁধু, মন দিল না
এই শোনো তুমি শুনতে পাচ্ছো কি ? রাতের তারাগুলো গুনতে পারছ কি ? এই তোমার আমার এক মলাটের রাত আর
আ হা হুম আমায় তুমি যে ভালবেসেছ জীবনে যে তাই দোলা লাগান প্রানের পরির ঘুম ভাঙ্গান আমায় তুমি যে ভালবেসেছ
কাঁচের চুড়ির ছটা খেয়াবাজের ছলনা কাঁচের চুড়ির ছটা খেয়াবাজের ছলনা আগুনেতে ছটা নাকি ছটায় আগুন বল না কাঁচের চুড়ির ছটা
লীলাবালি লীলাবালি বড় যুবতী সই মোর বড় যুবতী ঘরে কি দিয়া সাজাইমু তোরে। লীলাবালি লীলাবালি বড় যুবতী সই মোর বড়
পরেছি চাঁপা ডুরে শাড়ি, আর খোঁপাটি বাহারি গো খোঁপাটি বাহারি। দুহাতে রেশমি চুড়ি পরেছি দুহাতে রেশমি চুড়ি পরেছি, আমি কি
এক ফালি রোদ এসে হাতছানি ভীনদেশে নীল আশমানী, মনমানী যে আজ। সারাদিন, তেরে বিন কেটেছে এতো দিন। চল ঘরছাড়া, মন
আমি      চিনি গো চিনি   তোমারে ওগো বিদেশিনী । তুমি       থাক সিন্ধুপারে   ওগো বিদেশিনী ।।       
এই কূলে আমি আর ঐ কূলে তুমি মাঝখানে নদী ঐ বয়ে চলে যায়। এই কূলে আমি আর ঐ কূলে তুমি
হোলি হ্যায় সাত সুরো কি বাঁধ পায়েলিয়া সাতরাঙ্গি তন ওর চুনরিয়া হোলি আয়ি হোলি আয়ি রে হোলি আয়ি সুখ তাই
একা নরে, কানে করে একা নরে, কানে করে তেঁতুল পারে, ছরে ছরে। এক হাতে তার নুনের ভাঁড় আর এক হাতে
ললিতা গো- ওকে আজ চলে যেতে বলনা। ওকে আজ চলে যেতে বলনা। ও ঘাটে জল আনিতে যাব না যাব না।
আজ জোৎস্না রাতে সবাই গেছে বনে বসন্তের এই মাতাল সমীরণে ।। যাব না গো যাব না যে,    রইনু পড়ে

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V