Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

তোমরা যতই আঘাত করো নেইকো অপমান শুধু আমায় দাও গো সুযোগ শোনাতে এই গান তোমরা যতই তোমরা যতই আঘাত করো
চাঁদের গায়ে চাঁদ লেগেছে           আমরা ভেবে করবো কি ঝিয়ের পেটে মায়ের জন্ম      
মহারাজ, এ কি সাজে এলে হৃদয়পুর মাঝে! চরণতলে কোটি শশী সূর্য মরে লাজে। মহারাজ এ কি সাজে- গর্ব সব টুটিয়া
ও তুমি যাবে গো চলে যাবে গো যাবে গো যাবে গো যাবে গো আমি জানি। দেখ এই রাত আছে কিছু
হে নূতন, দেখা দিক আর-বার জন্মের প্রথম শুভক্ষণ ।। তোমার প্রকাশ হোক কুহেলিকা করি উদঘাটন সূর্যের মতন । তোমার প্রকাশ
আমি যামিনী তুমি শশী হে- ভাতিছ গগণ মাঝে । আমি যামিনী তুমি শশী হে- ভাতিছ গগণ মাঝে । মম সরসীতে
ওগো নিরুপমা করিও ক্ষমা তোমাকে আমার ঘরনি করিতে আমার মনের দোসর করিতে পারিলামনা পারিলামনা তো কিছুতেই ওগো নিরুপমা হয়তো তোমার
আজ তবে এইটুকু থাক, বাকি কথা পরে হবে। ধূসর ধূলির পথ, ভেঙে পড়ে আছে রথ, বহুদূর দূর যেতে হবে। আজ
আমার মনের এই ময়ূরমহলে এসো আজ প্রেমের আতর ঢেলে দাও। বেগম রাতটার গায়ে তারা ওড়না দুচোখে আজ নয় ঝাড়বাতি জ্বেলে
মম চিত্তে নিতি নৃত্যে কে যে নাচে তাতা থৈথৈ, তাতা থৈথৈ, তাতা থৈথৈ। মম চিত্তে নিতি নৃত্যে কে যে নাচে
হে পিন্দারে পলাশের বন পালাবো পালাবো মন হে পিন্দারে পলাশের বন পালাবো পালাবো মন পিন্দারে পলাশের বন পালাবো পালাবো মন
আহ! বাঁশি শুনে আর কাজ নাই সে যে ডাকাতিয়া বাঁশি। বাঁশি শুনে আর কাজ নাই সে যে ডাকাতিয়া বাঁশি। সে
আমার নাম এ্যান্টনি হুম হুম হুম হুম হুম হুম হুম আমার নাম এ্যান্টনি। কাজের কিছু শিখিনি লার্নিং কিংবা পেন্টিং অর
হে দেখুক পাড়া পড়শিতে কেমন মাছ গেঁথেছি বড়শিতে দেখুন কেনে পড়শিতে। এ যে রুই কাতলা মিরগেল তো নয় মারে প্রেমের
হয়তো তোমারি জন্য হয়েছি প্রেমে যে বন্য জানি তুমি অনন্য আশার হাত বাড়াই । যদি কখনো একান্তে চেয়েছি তোমায় জানতে
পথ হারাব বলেই এবার পথে নেমেছি, সোজা পথের ধাঁধাঁয় আমি অনেক ধেঁধেছি। পথ হারাব বলেই এবার পথে নেমেছি। নিষেধের পাহারাতে
তোমারি বাঁকা- ও চোখ ঝিলিক- মারে ঝিকিমিকি। জ্বলছে এ বুকে যে তুষের আগুন ধিকিধিকি। তোমারি বাঁকা- ও চোখ- একি বল
ভোলা মন​ হায় মনের কথা কাকে বলি আর এমন করে ছিঁড়ল কেনে একতারাটার তার ও উদাস বাউল নেই তো বাউল
মেঘ-বিহীন খর-বৈশাখে মেঘ-বিহীন খর-বৈশাখে তৃষায় কাতর চাতকী ডাকে। মেঘ-বিহীন খর-বৈশাখে সমাধি-মগ্না উমা তপতী – সমাধি-মগ্না উমা তপতী – রৌদ্র যেন
শ্যামা নামের লাগল আগুন আমার দেহ ধূপ–কাঠিতে। শ্যামা নামের লাগল আগুন আমার দেহ ধূপ–কাঠিতে। যত জ্বালি সুবাস তত যত জ্বালি
দূরে আকাশ সামিয়ানায় দূরে আকাশ সামিয়ানায় প্রদীপ জ্বালায় তারায় জেগে জেগে কি যে ভাবি কে জানে মন ছাড়া দূরে আকাশ
বলদে চড়িয়া শিবে শিঙ্গায় দিলা হাঁক আর শিঙ্গা শুনি মর্ত্যেতে বাজিয়া উঠল ঢাক। বলদে চড়িয়া শিবে শিঙ্গায় দিলা হাঁক আর
আকাশ কেন ডাকে মন ছুটি চায় ময়ূরপঙ্খী মেঘ ওই যায় ভেসে যায় আকাশ কেন ডাকে মন ছুটি চায় ময়ূরপঙ্খী মেঘ
তোমাকে শোনাতে এ গান যে গেয়ে যাই। তোমাকে শোনাতে এ গান যে গেয়ে যাই। বাজাই এ গানে মঙ্গলশঙ্খ তখনি আরও

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V