Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

এলো বরষা যে সহসা মনে তাই, রিম ঝিম ঝিম রিম ঝিম ঝিম গান গেয়ে যাই। এলো বরষা যে সহসা মনে
লালালা লালালা লালা লালা লালালা লালালা লালা লালা লা লালালা লা লালালা লালালা লালালা সেদিনও ছিল দুপুর এমন ঝকঝকে রোদ
মেরি জান মেরি চেন আমি সদ্য হ্যালোজেন যে বোঝে বুঝে যায় বলে পাগল একটু উড়তে উড়তে চাই একটু গুছিয়ে দাঁড়াই
আমার স্বপ্ন যে সত্যি হল আজ হা হা হা হা আমার স্বপ্ন যে সত্যি হল আজ কাছে এলো এতোদিন দূরে
হে হুম এ কি হল কেন হল কবে হল জানি না শুরু হল শেষ হল কি যে হল জানি না
এই সুন্দর স্বর্ণালী সন্ধ্যায়, একি বন্ধনে জড়ালে গো বন্ধু, এই সুন্দর স্বর্ণালী সন্ধ্যায়, একি বন্ধনে জড়ালে গো বন্ধু। কোন রক্তিম
না, মন লাগে না। এ জীবনে কিছু যেন ভাল লাগেনা। না, মন লাগে না। এ জীবনে কিছু যেন ভাল লাগেনা।
আমরা যারা এই চেহারা হন্যে হ​য়ে রোজ পাহারা তাও শুকিয়ে যায় ফোয়ারা প্রেম পালিয়ে যায় আলোর দ​ড়ি জরায় তাকে এমনিতে
ও মন দিল না বঁধু, মন নিল যে শুধু, আমি কি নিয়ে থাকি? মন দিল না বঁধু, মন দিল না
কালো জলে কুচলা তলে ডুবল সনাতন আজ চার(সার) আনা, কাল চার(সার) আনা পাই যে দরসন। আজ চার(সার) আনা, কাল চার(সার)
কি লিখি তোমায়? প্রিয়তম হুহুহুহুহুহুহু কি লিখি তোমায়? কি লিখি তোমায়? তুমি ছাড়া আর কোন কিছু ভাল লাগেনা আমার কি
লাগে দোল লাগে দোল লাগে দোল পাতায় পাতায় বকুল বনের শাখে। কে যাবি, কে যাবি আয় ছুটে, আয় ছুটে মন
জানলা খোলা দেখে থমকে দাড়ালো দুষ্টু হাওয়ায় ওড়া এলোমেলো সুর আমার কানে কিছু বলতে এলো সে হাতছানি তার অজানায় বহুদূর।
মে দিবসের গান ==================== জন হেনরী, জন হেনরী- নাম তার ছিল জন হেনরী ছিল যেন জীবন্ত ইঞ্জিন হাতুড়ির তালে তালে
আমার সারাটা দিন মেঘলা আকাশ বৃষ্টি তোমাকে দিলাম আমার সারাটা দিন মেঘলা আকাশ বৃষ্টি তোমাকে দিলাম শুধু শ্রাবণ সন্ধ্যাটুকু তোমার
জলছবি, রং-মশাল, স্কুল ছুটির হজমিরা, রূপকথার পায়রাদের গল্প বল । বন্ধু চল । রামধনু, ঝালমুড়ি, হাফ টিকেট, আব্বুলিশ, বিটনুন আর
ঠিক এমন এভাবে তুই থেকে যা স্বভাবে আমি বুঝেছি ক্ষতি নেই আর তুই ছাড়া গতি নেই ছুঁয়ে দে আঙুল ফুটে
এখনও সারেঙ্গীটা বাজছে- এখনও চেনা চেনা আতরের গন্ধ একি রোমাঞ্চ শুধু রোমাঞ্চ নাকি আগামী দিনের কোনো ঝড়ের আভাস বয়ে আনছে।
সজনি সজনি রাধিকা লো দেখ অবহুঁ চাহিয়া, মৃদুলগম শ্যাম আওয়ে মৃদুল গান গাহিয়া। সজনি সজনি রাধিকা লো দেখ অবহুঁ চাহিয়া।
প্রতিমা বন্দ্যোপাধ্যায় ------------------------ নাও গান ভরে, নাও প্রাণ ভরে সুরে যাই যেখানে প্রান্তর সোনার ধানের শীষে ডাকে সেখানে সোনা ভরা
কিচ্ছু চাইনি আমি আজীবন ভালবাসা ছাড়া আমিও তাদেরই দলে বার বার মরে যায় যারা। না না, কিচ্ছু চাইনি আমি আজীবন
হাজার টাকার ঝাড়বাতিটা রাতটা কে যে দিন করেছে তারি নীচে বাইজি নাচে ঠুমরী গানের টুকরো ছুঁড়ে হাজার টাকার ঝাড়বাতিটা তবলচিটা
না বলে এসেছি, তা বলে ভেবো না, না বলে বিদায় নেব চলে যাই যদি, যেন হই নদী, সাগরে হারিয়ে যাব।
আমার ভিতরে বাহিরে অন্তরে অন্তরে , আছো তুমি হৃদয় জুড়ে। আমার ভিতরে বাহিরে অন্তরে অন্তরে , আছো তুমি হৃদয় জুড়ে।

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V