Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

কাঁচের চুড়ির ছটা খেয়াবাজের ছলনা কাঁচের চুড়ির ছটা খেয়াবাজের ছলনা আগুনেতে ছটা নাকি ছটায় আগুন বল না কাঁচের চুড়ির ছটা
হায়! যাব কি যাব না ভেবে ভেবে হায় রে যাওয়া তো হল না। আরে পাব কি পাব না ভেবে ভেবে
সাগর ডাকে আয় আয় আয়। আমার গানে, জীবন আনে চলার ইশারায় আয়, আয়। সাগর ডাকে আয় আয় আয়। ছুটে ছুটে
তুত তুরুরু তুরুরু তুরুরু রু তুত তুরুরু তুরুরু তুরুরু রু জানলা খোলা সন্ধেবেলা এলোমেলো শীত, ছন্নছাড়া দুঃখতারা হয়েছে অতীত। জানলা
যখন নীরবে দূরে দাঁড়াও এসে যেখানে পথ বেঁকেছে যখন নীরবে দূরে দাঁড়াও এসে যেখানে পথ বেঁকেছে তোমায় ছুঁতে চাওয়ার মুহূর্তরা
আমার ভালোবাসার রাজপ্রাসাদে নিশুতি রাত গুমরে কাঁদে ৷ মনের ময়ুর মরেছে ঐ ময়ুর মহলেই ৷ দেখি মুকুটটা তো পড়ে আছে
ধি রা না না ধিন ধি রা না ধি রা না না ধিন ধি রা না পোড়া বাঁশি ডাক দিয়ে
মানুষ মানুষের জন্যে, জীবন জীবনের জন্যে। একটু সহানুভূতি কি মানুষ পেতে পারে না? ও বন্ধু- মানুষ মানুষের জন্যে, জীবন জীবনের
আমি         তারেই খুঁজে বেড়াই যে রয় মনে আমার মনে । সে           আছে
এমন মানব জনম আর কি হবে। মন যা কর, ত্বরায় কর এই ভবে।। অনন্ত রূপ সৃষ্টি করলেন সাঁই, শুনি মানব
এই ভালো এই খারাপ ও প্রেম মানে মিষ্টি পাপ চলো মানে মানে দিয়ে ফেলি ডুব তুমি আমি মিলে। দুজনেই মনটাকে
এসো প্রাণভরণ দৈনহরণ হে এসো প্রাণভরণ দৈনহরণ হে। বিশ্বভুব পরম স্মরণ হে। এসো প্রাণভরণ দৈনহরণ হে। জ্যোতিপূর্ণ করো হে গগন,
বেসামে বেসামে মুচো কোমো সি ফুয়েরা এস্তা নচে লা উলতিমা ভেজ বেসামে বেসামে মুচো কোয়েতেনঙ্গ মুয়েদো অ পেরদতে পেরদতে দেসপুইজ্
ও ঝর ঝর ঝরনা, ও রূপালী বর্ণা ও ও ঝর ঝর ঝরনা, ও রূপালী বর্ণা ওরে হারায়েছে প্রাণ মন আমার
আমি অপার হয়ে বসে আছি ওহে দয়াময় পারে লয়ে যাও আমায় ।। আমি একা রইলাম ঘাটে ভানু সে বসিল পাটে
প্রাণে খুশির তুফান উঠেছে । ভয়-ভাবনার বাধা টুটেছে ।। দুঃখকে আজ কঠিন   বলে জড়িয়ে ধরতে বুকের তলে উধাও হয়ে হৃদয় ছুটেছে
এতো কাছে দুজনে প্রেম ভরা যৌবনে এতো কাছে দুজনে প্রেম ভরা যৌবনে হঠাৎ ভুলে ভুল না হয়ে যায় এতো কাছে
চাই না মাগো রাজা হতে রাজা হবার সাধ নাই মাগো দু’বেলা যেন পাই মা খেতে। চাই না মাগো রাজা হতে
টাপুর টুপুর সারা দুপুর নূপুর বাজায় কে? যেন এক কাজলা মেয়ে। কাজল কাজল মেঘের আঁচল শুধু ওড়ায় কে? যেন এক
মোমের পুতুল মমীর দেশের মেয়ে নেচে যায়।বিহ্বল –চঞ্চল–পায়।বিহ্বল –চঞ্চল–পায়। খর্জুর–বীথির ধারেসাহারা মরুর পারেবাজায় ঘুমুর ঝুমুর ঝুমুর মধুর ঝঙ্কারে।বাজায় ঘুমুর ঝুমুর
আমরা যারা এই চেহারা হন্যে হ​য়ে রোজ পাহারা তাও শুকিয়ে যায় ফোয়ারা প্রেম পালিয়ে যায় আলোর দ​ড়ি জরায় তাকে এমনিতে
মধু মালতী ডাকে আয় ফুল ফাগুনের এ খেলায় মধু মালতী ডাকে আয় মধু মালতী ডাকে আয় ফুল ফাগুনের এ খেলায়
গানে মোর কোন ইন্দ্রধনু আর স্বপ্ন ছড়াতে চায় হৃদয় ভরাতে চায়। গানে মোর কোন ইন্দ্রধনু আজ স্বপ্ন ছড়াতে চায় হৃদয়
এলো বরষা যে সহসা মনে তাই, রিম ঝিম ঝিম রিম ঝিম ঝিম গান গেয়ে যাই। এলো বরষা যে সহসা মনে

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V