Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

ভালবাসার আগুন জ্বালাও ঝাড়বাতিটা নিভিয়ে দাও চোখের থেকে বিজলি ছোঁড়ো ওড়নাটাকে সরিয়ে নাও ভালবাসার আগুন জ্বালাও ভালবাসার আগুন জ্বালাও ওই
শিশিরে শিশিরে শারদ আকাশে ভোরের আগমনী। শিশিরে শিশিরে শারদ আকাশে ভোরের আগমনী। শিউলি ঝরানো দিন আনে সে, শিউলি ঝরানো দিন
টুং-টাং পিয়ানোয় সারাটি দুপুর, কচি কচি দুটি হাত তুলবে যে সুর। মাথা নেড়ে বুড়োবুড়ি শুনবে যে গান। হুপ-হুপ লাফাবে যে
কি মিষ্টি দেখো মিষ্টি কি মিষ্টি দেখো মিষ্টি কি মিষ্টি এ সকাল ! কি মিষ্টি দেখো মিষ্টি কি মিষ্টি এ
আমি চলতে চলতে থেমে গেছি আমি বলতে বলতে ভুলে গেছি যে কথা তোমাকে বলবো। আমি চলতে চলতে থেমে গেছি আমি
তোমার দুটি চোখে ওই যে মিষ্টি হাসি আমায় কাছে ডেকে বলে ভালবাসি তোমার দুটি চোখে ওই যে মিষ্টি হাসি আমায়
উঠছে জেগে সকালগুলো, পাশ ফিরে মন আবার শুলো এবার তোকে আদর চোখে দেখবে সে। দেখবে দামাল প্রেম কিরকম, মন্ত্র ছাড়াই
বঁধুয়া, নিদ নাহি আঁখিপাতে। আমিও একাকী, তুমিও একাকী আজি এ বাদল-রাতে। ডাকিছে দাদুরী মিলনতিয়াসে ঝিল্লি ডাকিছে উল্লাসে। পল্লীর বধু বিরহী
বিপিন বাবুর কারন সুধা মেটায় জ্বালা মেটায় ক্ষুধা। বুঝলি পদা! এ বিপিন বাবুর কারন সুধা মেটায় জ্বালা মেটায় ক্ষুধা। মরা
এক ঝাঁক পাখিদের মত কিছু রোদ্দুর বাধা ভেঙ্গে জানলার শার্শী সমুদ্দুর একঝাঁক পাখিদের মত কিছু রোদ্দুর এল আঁধারের শত্তুর। এক
মন বোঝে না বোঝে না বোঝে না, মন বোঝে না বোঝে না। পড়ছে কেন বিনা মেঘেই বাজ পদ্য লেখা আমার
তোমায় পরেছে মনে আবার শ্রাবণ দিনে, একলা বসে নিরালায় হায়। তোমায় পরেছে মনে আবার শ্রাবণ দিনে, একলা বসে নিরালায় হায়।
বল না রে মন কোথায় যাবি, কোথায় গেলে শান্তি পাবি। বল না রে মন কোথায় যাবি, কোথায় গেলে শান্তি পাবি।
আয়  তবে  সহচরী, হাতে হাতে ধরি ধরি নাচিবি ঘিরি ঘিরি, গাহিবি গান । আন তবে বীণা --- সপ্তম সুরে বাঁধ তবে তান ||
চলে এসো আজ এ রাতে চলে এসো আমার সাথে প্রিয়তমা তোমার দুচোখ যতদূর যাব আমি ততদুর প্রিয়তমা আজ যেন ভেসে
ভিজছে কাক, আয়না থাক দেখুক তোমায় ফুলের দল পথের বাঁক, আনতে যাক বৃষ্টি ধোয়া কলসি জল শহরতলি জুড়ে, গলির মোড়ে
না এখনি নয় এখনি নয় যাবে যদি যেও কিছু পরে। যেতে মন চায় নাতো তবুও যাই যাই করে। বেশী তো
জাত গেল জাত গেল বলে একি আজব কারখানা ! সত্য কাজে কেউ নয় রাজি সবই দেখি তা না না না
তুমি যে আমার ওগো তুমি যে আমার । তুমি যে আমার ওগো তুমি যে আমার । কানে কানে শুধু একবার
তোমার জন্য রয়েছে রাখা হাজার আলো বছর মাখা পাখির পাখা। তোমার জন্য আদিম গুহায় প্রথম তুলি টানের ছবি রয়েছে আঁকা।
আজি বসন্ত জাগ্রত দ্বারে। বসন্ত জাগ্রত দ্বারে। তব অবগুন্ঠিত কুন্ঠিত জীবনে কোরো না বিড়ম্বিত তারে। বসন্ত জাগ্রত দ্বারে। আজি খুলিয়ো
নিম ফুলের মউ পি’য়ে ঝিম হয়েছে ভোমরা। ঝিম হয়েছে ভোমরা, ঝিম হয়েছে ভোমরা। নিম ফুলের মউ পি’য়ে ঝিম হয়েছে ভোমরা।
ওগো আবার নতুন করে ভুলে যাওয়া নাম ধরে ডেকো না হারানো স্বপন চোখে এঁকো না। ওগো আবার নতুন করে ভুলে
জানি না আজ যে আপন কাল সে কেন পর হ​য়ে যায়​ জানি না আজ যে আপন কাল সে কেন পর

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V