Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

পা রা পা পা পা পা পা পারোনি ধরতে হযবরল এ জীবন কি যে চায় মা মা মা মা মা
প্রজাপতি প্রজাপতি আমার ইচ্ছা হ​য়ে বনে বনে ঘাসে ঘাসে ওড়ে আর ফেরে প্রজাপতি প্রজাপতি প্রজাপতি আমার মনের মত ছোটো এক
বিপিন বাবুর কারন সুধা মেটায় জ্বালা মেটায় ক্ষুধা। বুঝলি পদা! এ বিপিন বাবুর কারন সুধা মেটায় জ্বালা মেটায় ক্ষুধা। মরা
পথ হারাব বলেই এবার পথে নেমেছি, সোজা পথের ধাঁধাঁয় আমি অনেক ধেঁধেছি। পথ হারাব বলেই এবার পথে নেমেছি। নিষেধের পাহারাতে
আজ ঠোঁটের কোলাজ, থামালো কাজ মন তোমাকে ছুঁয়ে দিলাম নাম, বুকের বোতাম হারানো খাম আজ কেন যে খুঁজে পেলাম দিন
আমার এ পথ তোমার পথের থেকে অনেক দূরে গেছে বেঁকে গেছে বেঁকে আমার ফুলে আর কি কবে তোমার মালা গাঁথা
প্রজাপাতি এ মন মেলুক পাখনা দূরে যত দূরে যায় যদি যাক না সোনালী রোদ আঁকে আলপনা সোনালী রোদ আঁকে আলপনা
আ আ আ আ আ আ বাঁশি শুনে কি ঘরে থাকা যায় বাঁশি শুনে কি ঘরে থাকা যায় বলো গো
কত যে তোমাকে বেসেছি ভালো সে কথা তুমি যদি জানতে কত যে তোমাকে বেসেছি ভালো সে কথা তুমি যদি জানতে
আমার সকল দুখের প্রদীপ জ্বেলে দিবস গেলে করব নিবেদন— আমার ব্যথার পূজা হয় নি সমাপন ।। যখন বেলা-শেষের ছায়ায় পাখিরা
পরদেশি মেঘ যাও রে ফিরে।পরদেশী মেঘ যাও রে ফিরে।বলি ও আমার পরদেশী রে।পরদেশী মেঘ যাও রে ফিরে।বলি ও আমার পরদেশী
মায়ের পায়ের জবা হয়ে ওঠনা ফুটে মন। আমার মায়ের পায়ের জবা হয়ে ওঠনা ফুটে মন। তার গন্ধ না থাক যা
উঠ গো ভারত-লক্ষ্মী, উঠ আদি-জগত-জন-পূজ্যা, উঠ গো ভারত-লক্ষ্মী, উঠ আদি-জগত-জন-পূজ্যা, দুঃখ দৈন্য সব নাশি করো দূরিত ভারত-লজ্জা। দুঃখ দৈন্য সব
আমার মালতীলতা কি আবেশে দোলে, আমি সে কথা জানি না আমায় কে গো দেবে বলে। আমার মালতীলতা ওগো কি আবেশে
এই সুন্দর পৃথিবীতে যেখানে যা কিছু আছে সুন্দর​ এসো না সবাই এসো না সবাই কিছু উপহার দিতে ওগো কাজাল ন​য়না
আমার সাথে তোমার কথা নেই জানি তবু তোমার সাথে আমার কথা আছে তোমার পাশে আমার ছায়া নেই জানি তবু আমার
প্রেমে পড়া বারণ, কারণে অকারণ আঙুলে আঙ্গুল রাখলেও হাত ধরা বারণ। প্রেমে পড়া বারণ, কারণে অকারণ আঙুলে আঙ্গুল রাখলেও হাত
কি হল দাঁড়ালে কেন যাবে না? যেতে পারো যাও না যাও তুমি যেতে পারো যাবে যদি গো তুমি এবার, কি
নীড় ছোট ক্ষতি নেই, আকাশ তো বড়। নীড় ছোট ক্ষতি নেই, আকাশ তো বড়। হে মন বলাকা, মোর অজানার আহবানে
সাদাকালো কিছু ডোরাকাটা দাগ ঐ পেরোচ্ছে রোদ্দুর ট্রামের তারে আটকা ঘুড়ি ভাবছে সমুদ্দুর হুম​ সাদাকালো কিছু ডোরাকাটা দাগ ঐ পেরোচ্ছে
চাঁদ কেন আসেনা আমার ঘরে। চাঁদ কেন আসেনা আমার ঘরে। হো চাঁদ কেন আসেনা আমার ঘরে। চাঁদ কেন আসেনা আমার
আমি   হৃদয়ের কথা বলিতে ব্যাকুল, শুধাইল না কেহ। সে তো  এল না যারে সঁপিলাম এই প্রাণ মন দেহ।। সে
এমন মানব জনম আর কি হবে ? মন যা কর ত্বরায় কর এই ভবে।। অনন্ত রূপ সৃষ্টি করলেন সাঁই শুনি
ফাগুন,    হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান - তোমার  হাওয়ায় হাওয়ায়  করেছি যে দান - আমার    আপনহারা প্রাণ আমার বাঁধন-ছেঁড়া

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V