Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

এই পথে যায় চলে, ঝরা পাতা যায় দলে, ও কোন সুরে উতলা মন আমার নয় সে কাছে নয় সে দূরে
মনে করো আমি নেই বসন্ত এসে গেছে কৃষ্ণচূড়ার বন্যায় চৈতালি ভেসে গেছে মনে করো আমি নেই বসন্ত এসে গেছে কৃষ্ণচূড়ার
এক ফালি রোদ এসে হাতছানি ভীনদেশে নীল আশমানী, মনমানী যে আজ। সারাদিন, তেরে বিন কেটেছে এতো দিন। চল ঘরছাড়া, মন
আমার হাত বান্ধিবি, পা বান্ধিবি মন বান্ধিবি কেমনে? আমার চোখ বান্ধিবি, মুখ বান্ধিবি পরান বান্ধিবি কেমনে? আমার হাত বান্ধিবি, পা
মন যদি তুই বৃন্দাবনে যাবি পাগল, মন যদি তুই বৃন্দাবনে যাবি অনুরাগের ঘরে মারগা চাবি। টলাটলের মধ্য দিয়া উর্দ্ধ রে
লা লা লা লা আআ লা লা আ লা লা আকাশে সূর্য আছে যতদিন তুমি তো আমারই আর কারো ন​য়,
মিথ্যে কথা এতো বোলো না, রাত্রি জাগা এতো ভালো না। মিথ্যে কথা এতো বোলো না, রাত্রি জাগা এতো ভালো না।
এখন তো সময় ভালোবাসার, এ দুটি হৃদয় কাছে আসার, তুমি যে একা আমিও যে একা, লাগে যে ভালো, ও প্রিয়
কেন কেন সর্বনাশের নেশা ধরিয়ে তুমি এলে না যে মরি লাজে বুকে বাজে মন লাগে না আর কোন কাজে মরি
ফুলেশ্বরী ফুলেশ্বরী ফুলের মত নাম ফুলেশ্বরী ফুলেশ্বরী ফুলের মত নাম তোমার দেওয়া দুখীর কমল বুকে ধরলাম ফুলেশ্বরী ফুলেশ্বরী ফুলের মত
কঠিন, তোমাকে ছাড়া একদিন কাটানো একরাত, বাড়াও দু হাত হয়ে যাও আজ বাধাবিহীন। বলো, কবিতা হয়ে চলো বাগানে দাবানল জমানো
শীতের হাওয়ার লাগল নাচন আমলকির এই ডালে ডালে । পাতাগুলি শিরশিরিয়ে ঝরিয়ে  দিল  তালে  তালে || উড়িয়ে  দেবার  মাতন  এসে  কাঙাল তারে
তোমার আকাশ দুটি চোখে, আমি হয়ে গেছি তারা। ওগো তোমার আকাশ দুটি চোখে, আমি হয়ে গেছি তারা। এই জীবন ছিল
আরে ও জীবন রে জীবন ছাড়িয়া না যাইস্ মোকে আরে তুই জীবন ছাড়িয়া গেলে আদর করিবে কায় জীবনরে। আদর করিবে
ফিরে এলাম দূরে গিয়ে আমি তোমার অনুরাধা ডেকো তুমি মোনালিসা ভেঙে দিলাম সব বাধা ও তুমি কেমন ছিলে বল​ আঁখি
না, মন লাগে না। এ জীবনে কিছু যেন ভাল লাগেনা। না, মন লাগে না। এ জীবনে কিছু যেন ভাল লাগেনা।
সেই ভালো সেই ভালো,   আমারে না হয়  না জানো। দুরে  গিয়ে নয় দুঃখ দেবে ,  কাছে কেন লাজে লাজানো ।। মোর বসন্তে
টুং-টাং পিয়ানোয় সারাটি দুপুর, কচি কচি দুটি হাত তুলবে যে সুর। মাথা নেড়ে বুড়োবুড়ি শুনবে যে গান। হুপ-হুপ লাফাবে যে
তোমার জন্য রয়েছে রাখা হাজার আলো বছর মাখা পাখির পাখা। তোমার জন্য আদিম গুহায় প্রথম তুলি টানের ছবি রয়েছে আঁকা।
ওগো সুন্দর জানো না কি তুমি কে আমি কার ? ওগো প্রিয়তম শোনোনি কি আমি কার তুমি কে? শোনোনি কি
বনমালী গো তুমি আমারই মত পর জনমে হইয় রাধা। আমি মরিয়া হইব শ্রীনন্দের নন্দন তখন​ তোমাকে বানাইব রাধা। বনমালী গো
সকাল আসে না, আয়না হাসে না, জানলা খোলা মেঘ, সে ভালবাসে না না কিছু ভাবি না, রোদ এলো কিনা, স্নানের
ললিতা গো- ওকে আজ চলে যেতে বলনা। ওকে আজ চলে যেতে বলনা। ও ঘাটে জল আনিতে যাব না যাব না।
চল রাস্তায় সাজি ট্রাম লাইন আর কবিতায় শুয়ে কাপ্লেট আহা উত্তাপ কত সুন্দর তুই থার্মোমিটারে মাপলে। হিয়া টুপটাপ জিয়া নস্টাল

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V