Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

সহসা এলে কি এ ভাঙ্গা জীবনে সহসা দিলে কি খবর জীবনের এ ভাঙ্গা শহর চূড়া ভাঙ্গা পথের একান্তে সে সহসা
ভালোবেসে, সখী, নিভৃতে যতনেআমার নামটি লিখো-তোমারমনের মন্দিরে।আমার পরানে যে গান বাজিছেতাহার তালটি শিখো-তোমারচরণমঞ্জীরে।।ধরিয়া রাখিয়ো সোহাগে আদরেআমার মুখর পাখি – তোমারপ্রাসাদপ্রাঙ্গণে।মনে
আ আ আ আ আ আ বাঁশি শুনে কি ঘরে থাকা যায় বাঁশি শুনে কি ঘরে থাকা যায় বলো গো
তারে ভোলানো গেল না কিছুতে তারে ভোলানো গেল না কিছুতে ভুল দিয়ে ভালোবাসা দিয়ে ভুল দিয়ে ভালোবাসা দিয়ে বিষের পরশ
ধা নিসাগামা ধা নিধা নিধা নিসা নিধা পামাগা মাগা মাগা মাগাসানি আহা হা ঝরনা ঝরঝরিয়ে জল ছড়িয়ে কেন নেচে নেচে
ও বাঁশি হায় বাঁশি কেন গায় আমারে কাঁদায় কে গেছে হারায় স্মরণের বেদনায় কেন মনে এনে দেয় আ আ বাঁশি
ভুটু তুই নাদুস​-নুদুস বড্ড পেটুক ভুটু ওই দেখ ডিজে ভুটু তুই নাদুস​-নুদুস বড্ড পেটুক ভুটু ওই দেখ ডিজে ভুটু তোর
বঁধুয়া, নিদ নাহি আঁখিপাতে। আমিও একাকী, তুমিও একাকী আজি এ বাদল-রাতে। ডাকিছে দাদুরী মিলনতিয়াসে ঝিল্লি ডাকিছে উল্লাসে। পল্লীর বধু বিরহী
আহা আজি এ বসন্তে এত ফুল ফুটে, এত বাঁশি বাজে এত পাখি গায় আহা আজি এ বসন্তে। আহা আজি এ
মোর প্রিয়া হবে এসো রানী দেব খোঁপায় তারার ফুল কর্ণে দোলাব তৃতীয়া তিথির চৈতী চাঁদের দুল। খোঁপায় তারার ফুল। মোর
আমার চোখে চোখ রাখ তুই আমার কথা গুলো তোর হয়ে যেতে পারে দুর্ঘটনা ঘটতে দে আঙুল গুনে ফেলা মনে পড়ে
দারুন অগ্নিবানে রে দারুন অগ্নিবানে রে হৃদয় তৃষায় হানে রে । হানে দারুন অগ্নিবানে রে দারুন অগ্নিবানে রে রজনী নিদ্রাহীন,
লাল পাহাড়ের দেশে যা রাঙা মাটির দেশে যা হিতাক তোকে মানাইছেনাই রে এক্কেবারে মানাইছেনাই রে লাল পাহাড়ের দেশে যাবি হাড়িয়া
ওরে     আয় রে ওরে     আয় রে তবে, মাত রে সবে আনন্দে আজ    নবীন প্রানের বসন্তে । ওরে
হা হা হা লা লা লা লা লা আহা হা পৃথিবী বদলে গেছে যা দেখি কি নতুন লাগে পৃথিবী বদলে
আমরা নতুন যৌবনেরই দূত । আমরা চঞ্চল আমরা অদ্ভূত । আমরা বেড়া ভাঙি , আমরা অশোকবনের রাঙা নেশায় রাঙি । ঝঙ্ঝার বন্ধন
টিয়া টিয়া টিয়া অজ পাড়াগাঁয়ে থাকে টেরা চোখে তাকায় টিয়া নোলক পরা নাকে টিয়া টিয়া টিয়া অজ পাড়াগাঁয়ে থাকে টেরা
ও হো হো হো ও ও ও আ আ আ আ আ হো হোহোহো হো হোহো হোহো হোহো আ আ
ও তুমি যাবে গো চলে যাবে গো যাবে গো যাবে গো যাবে গো আমি জানি। দেখ এই রাত আছে কিছু
ফাঁকা ফ্রেম আর অকেজো হাতঘড়ি নিয়ে এখন আমি কি করি? অ্যান্টেনায় আর অশ্বত্থের ডালে ঝুলে থাকি প্রতেক সকালে শহুরে সন্ধ্যায়
যারে যারে উড়ে যারে পাখি ফুরালো প্রাণের মেলা শেষ হ​য়ে এলো বেলা আর কেন মিছে তোরে বেঁধে রাখি যারে আকাশে
এ কোন সকাল রাতের চেয়েও অন্ধকার- এ কোন সকাল রাতের চেয়েও অন্ধকার! এ কোন সকাল রাতের চেয়েও অন্ধকার! ও কি
উড়ে যাক এ ঘুম আমার, ছুঁতে শ্বেত পাথরের রাত। জানি পাইনা কাছে কিছু আমার শূণ্য দুটি হাত। ভরে যাক এ
বউ কথা কও পাখি কেন অমন করে ডাকে গো মৌ বনেরই সুর ছ​ড়ান ছায়। কেন সারাবেলা নীরব থেকে এখন সারা

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V