Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

না না না না না না মাধবী ফুটেছে ওই হ্যাঁ তারা সব উঠেছে ওই হ্যাঁ ও ও ও ও আমি
হলুদ গাঁদার ফুল, দে এনে দে। সাতনুরি হার কানে ঝুমকোলতা, রূপকুমারী মেয়ে মান করেছে বাঁধবে না সে চুল বাঁধবে না
শীতের হাওয়ার লাগল নাচন আমলকির এই ডালে ডালে । পাতাগুলি শিরশিরিয়ে ঝরিয়ে  দিল  তালে  তালে || উড়িয়ে  দেবার  মাতন  এসে  কাঙাল তারে
জলে ভাসা পদ্ম আমি, শুধুই পেলাম ছলনা। ও আমার সহেলি, আমার নেই তো কথাও কোনো ঠাঁই। বুকের জ্বালা কোথায় যে
আহা ওই আঁকা বাঁকা যে পথ যায় সুদূরে। আহা ওই আঁকা বাঁকা যে পথ যায় সুদূরে। কোনো হরিণী করুণ তার
এই তো হেথায়ে কুঞ্জ ছায়ায় স্বপ্ন মধুর মোহে এই জীবনে যে কটি দিন পাব তোমায়ে আমায়ে হেসে খেলে কাটিয়ে যাব
ওগো আবার নতুন করে ভুলে যাওয়া নাম ধরে ডেকো না হারানো স্বপন চোখে এঁকো না। ওগো আবার নতুন করে ভুলে
ও মন কাখন শুরু কাখন যে শেষ কে জানে ? ও মন কাখন শুরু কাখন যে শেষ কে জানে ?
 ক্লান্তি আমার ক্ষমা কারো প্রভু, পথে যদি পিছিয়ে পিছিয়ে পড়ি কভু || এই-হিয়া থরোথরো   কাঁপে আজি এমনতরো এই বেদনা ক্ষমা
ফাঁকা ফ্রেম আর অকেজো হাতঘড়ি নিয়ে এখন আমি কি করি? অ্যান্টেনায় আর অশ্বত্থের ডালে ঝুলে থাকি প্রতেক সকালে শহুরে সন্ধ্যায়
বুলবুল পাখি, ময়না, টিয়ে, আয় না যা না গান শুনিয়ে। বুলবুল পাখি, ময়না, টিয়ে, আয় না যা না গান শুনিয়ে।
কালো মেয়ের পায়ের তলায় দেখে যা আলোর নাচন। কালো মেয়ের পায়ের তলায় দেখে যা আলোর নাচন। রূপ দেখে দেয় বুক
আ... অভিমানে চলে যেও না অভিমানে চলে যেও না না অভিমানে চলে যেও না না অভিমানে চলে যেও না। এখনি
ফেরারি আজ মন, তোকে ভেবে যখন​ সাজিয়েছি আমি আদুরে আলাপন। হো ও ও ওও ও হো ও ওও ওও ফেরারি
সেই রাতে রাত ছিল পূর্ণিমা, রঙ ছিল ফাল্গুনী হাওয়াতে। সেই রাতে রাত ছিল পূর্ণিমা, রঙ ছিল ফাল্গুনী হাওয়াতে। সব ভাল
ও আমার কাঁধের আঁচল যায় পরে। ও আমার কাঁধের আঁচল যায় পরে। থাকে না মন যে আমার আর ঘরে। ও
এই মন তোমাকে দিলাম এই প্রেম তোমাকে দিলাম এই মন তোমাকে দিলাম এই প্রেম তোমাকে দিলাম তুমি চোখের আড়াল হও
আমার ভিতরে বাহিরে অন্তরে অন্তরে , আছো তুমি হৃদয় জুড়ে। আমার ভিতরে বাহিরে অন্তরে অন্তরে , আছো তুমি হৃদয় জুড়ে।
তোকে নিয়ে ঘুরতে যাব একশো বৃন্দাবন- হে তোকে নিয়ে ঘুরতে যাব একশো বৃন্দাবন, আমি আর অন্য কিছুর মুডে নেই এখন।
কে তুমি কে তুমি! কে তুমি তন্দ্রাহরণী। দাঁড়িয়ে আমার চোখের আগে রাঙ্গালে এ মন পুস্পরাগে কে গো চম্পাবরণী। কে তুমি
যা যা যাযা যা বাঁশী যারে দূরে মন লাগে না আর ঘরে।মোর স্বপ্ন​-সীমানার পারে যা যা যা রে।যা যা যাযা
ওগো নিঠুর দরদী, এ কি খেলছ অনুক্ষণ! ওগো নিঠুর দরদী। তোমার কাঁটায় ভরা বন তোমার প্রেমে ভরা মন। তোমার কাঁটায়
কৃষ্ণচূড়া শোন শোন শোন। সারাবেলা দোলায় তোকে ক্ষ্যাপা হাওয়া যে! ক্ষ্যাপা হাওয়া যে! তার পায়ের শব্দ যায় না শোনা পাতার
সহে না যাতনা দিবস গণিয়া গণিয়া বিরলে নিশিদিন বসে আছি শুধু পথপানে চেয়ে— সখা হে, এলে না । সহে না

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V