Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

হলুদ গাঁদার ফুল, দে এনে দে। সাতনুরি হার কানে ঝুমকোলতা, রূপকুমারী মেয়ে মান করেছে বাঁধবে না সে চুল বাঁধবে না
না না না না না না মাধবী ফুটেছে ওই হ্যাঁ তারা সব উঠেছে ওই হ্যাঁ ও ও ও ও আমি
হায়! যাব কি যাব না ভেবে ভেবে হায় রে যাওয়া তো হল না। আরে পাব কি পাব না ভেবে ভেবে
মোর গাঁয়েরও সীমানার পাহাড়ের ওপারে নিশীথ রাত্রির প্রতিধ্বনি শুনি। প্রতিধ্বনি শুনি আমি প্রতিধ্বনি শুনি। কান পেতে শুনি আমি বুঝিতে না
বেসামে বেসামে মুচো কোমো সি ফুয়েরা এস্তা নচে লা উলতিমা ভেজ বেসামে বেসামে মুচো কোয়েতেনঙ্গ মুয়েদো অ পেরদতে পেরদতে দেসপুইজ্
কঠিন, তোমাকে ছাড়া একদিন কাটানো একরাত, বাড়াও দু হাত হয়ে যাও আজ বাধাবিহীন। বলো, কবিতা হয়ে চলো বাগানে দাবানল জমানো
যে জন প্রেমের ভাব জানে না তার সঙ্গে নাই লেনাদেনা খাঁটি সোনা ছাড়িয়া যে নেয় নকল সোনা সে জন সোনা
প্রথম আলোয় ফেরা - আঁধার পেরিয়ে এসে আমি অচেনা নদীর স্রোতে চেনা চেনা ঘাট দেখে নামি চেনা তবু চেনা নয়
কথা ছিলো বাকি সন্ধ্যা জোনাকি হঠাৎ তারারা ডাকে আয় ঘাসের চাদরে ঘুমের আদরে রাত কেন ব​য়ে চলে যায় ঘুম আসে
বঁধুয়া! বল বল বঁধুয়া আ আআআআআআ কেন গেল পরবাসে বল বঁধুয়া কেন গেল পরবাসে বল বঁধুয়া গরজে বরষে মানে না
সহসা এলে কি এ ভাঙ্গা জীবনে সহসা দিলে কি খবর জীবনের এ ভাঙ্গা শহর চূড়া ভাঙ্গা পথের একান্তে সে সহসা
এরা      পরকে  আপন  করে, আপনারে পর --- বাহিরে বাঁশির রবে ছেড়ে যাই ঘর || ভালবাসে সুখে দুখে    ব্যথা সহে হাসিমুখে,
চাই না মাগো রাজা হতে রাজা হবার সাধ নাই মাগো দু’বেলা যেন পাই মা খেতে। চাই না মাগো রাজা হতে
গঙ্গা আমার মা পদ্মা আমার মা ও ও আমার দুই চোখে দুই জলের ধারা মেঘনা যমুনা। গঙ্গা আমার মা পদ্মা
মরি কি আফসোসে তোমায় ভালবেসে মরি কি আফসোসে তোমায় ভালবেসে বিধুমুখী এই কি তোমার ভালবাসার গুণ? মরি কি আফসোসে তোমায়
আর কত রাত একা থাকবো আর কত রাত একা থাকবো আর কত রাত একা থাকবো আর কত রাত একা থাকবো
যা যা যাযা যা বাঁশী যারে দূরে মন লাগে না আর ঘরে।মোর স্বপ্ন​-সীমানার পারে যা যা যা রে।যা যা যাযা
এই বালুকা বেলায় আমি লিখেছিনু একটি সে নাম আমি লিখেছিনু আজ সাগারের ঢেউ দিয়ে তারে যেন মুছিয়া দিলাম এই বালুকা
আমার ভিনদেশী তারা একা রাতেরই আকাশে তুমি বাজালে একতারা আমার চিলেকোঠার পাশে। ঠিক সন্ধ্যে নামার মুখে তোমার নাম ধরে কেউ
মনে করো আমি নেই বসন্ত এসে গেছে কৃষ্ণচূড়ার বন্যায় চৈতালি ভেসে গেছে মনে করো আমি নেই বসন্ত এসে গেছে কৃষ্ণচূড়ার
  যা যা বেহায়া পাখি যানা অন্য কোথা যা না - কেউ করেনি মানা অন্য কোথা যা না । যা
ময়নামতীর পথের ধারে দেখা হয়েছিল ময়নামতীর পথের ধারে দেখা হয়েছিল আরে না না না তেপান্তরের মাঠের 'পরে দেখা হয়েছিল আরে
তোমার      খোলা হওয়া লাগিয়ে পালে      টুকরো করে কাছি আমি        ডুবতে রাজি আছি আমি ডুবতে
জেনেছি জেনেছি তারা, তুমি জানো ভোজের বাজি। জেনেছি জেনেছি তারা, তুমি জানো ভোজের বাজি। যে তোমায় যেভাবে ডাকে তাতে তুমি

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V