Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

তোমার জন্য রয়েছে রাখা হাজার আলো বছর মাখা পাখির পাখা। তোমার জন্য আদিম গুহায় প্রথম তুলি টানের ছবি রয়েছে আঁকা।
এই সুন্দর স্বর্ণালী সন্ধ্যায়, একি বন্ধনে জড়ালে গো বন্ধু, এই সুন্দর স্বর্ণালী সন্ধ্যায়, একি বন্ধনে জড়ালে গো বন্ধু। কোন রক্তিম
             গ্রাম ওই রাঙা মাটির পথ আমার মন ভুলে রে । ওরে         কার  মন
বঁধুয়া, নিদ নাহি আঁখিপাতে। আমিও একাকী, তুমিও একাকী আজি এ বাদল-রাতে। ডাকিছে দাদুরী মিলনতিয়াসে ঝিল্লি ডাকিছে উল্লাসে। পল্লীর বধু বিরহী
আমার সকল রসের ধারা তোমাতে আজ হোক-না হারা। আমার সকল রসের ধারা তোমাতে আজ হোক-না হারা। আমার সকল রসের ধারা
ছাতা ধরো হে দেওরা হ্যেসান সুন্দর খোঁপা আমার ভিগ গিলাই না ছাতা ধরো হে দেওরা হ্যেসান সুন্দর শাড়ি আমার ভিগ
এক যে ছিল মাছি, তার নামটি ছিল পাঁচী। এক যে ছিল মাছি, তার নামটি ছিল পাঁচী। উড়তে উড়তে পাঁচী, গিয়ে
ও মৌ তুমি জানো না যে মাঝরাতে একঘেয়ে এই বিছানাতে আজও কথা বলি কার সাথে। জানি না কার কী যায়
পরদেশি মেঘ যাও রে ফিরে।পরদেশী মেঘ যাও রে ফিরে।বলি ও আমার পরদেশী রে।পরদেশী মেঘ যাও রে ফিরে।বলি ও আমার পরদেশী
আমি গান শোনাবো একটি আশা নিয়ে এ গান যেন তোমার ভাল লাগে আমি রঙ ছড়াবো একটি তুলি দিয়ে সে গান
উড়ে যাক এ ঘুম আমার, ছুঁতে শ্বেত পাথরের রাত। জানি পাইনা কাছে কিছু আমার শূণ্য দুটি হাত। ভরে যাক এ
মা আমার সাধ না মিটিল আশা না পুরিল সকলি ফুরায়ে যায় মা। আমার সাধ না মিটিল আশা না পুরিল সকলি
আজি বসন্ত জাগ্রত দ্বারে। বসন্ত জাগ্রত দ্বারে। তব অবগুন্ঠিত কুন্ঠিত জীবনে কোরো না বিড়ম্বিত তারে। বসন্ত জাগ্রত দ্বারে। আজি খুলিয়ো
কেউ বলে ফাল্গুন, কেউ বলে পলাশের মাস, আমি বলি আমার সর্বনাশ। কেউ বলে দখিনা, কেউ বলে মাতাল বাতাস, আমি বলি
ওরা অকারণে চঞ্চল ওরা অকারণে চঞ্চল ডালে ডালে দোলে বায়ু হিল্লোলে নবপল্লবদল ওরা অকারণে চঞ্চল ওরা অকারণে চঞ্চল ছ​ড়ায়ে ছ​ড়ায়ে
দে মা তবিলদারি, আমায় দে মা তবিলদারি, আমি নেমকহারাম নই শঙ্করী। পদরত্নভান্ডার সবাই লুটে ইহা আমি সইতে নারি, দে মা
করি মানা কাম ছাড়েনা মদনে প্রেম রসিকা হব কেমনে ?। এই দেহেতে মদন রাজা চালায় হুজুরি কর আদায় করে নিয়ে
রাঙিয়ে দিয়ে যাও যাও যাও গো এবার যাবার আগে - রাঙিয়ে দিয়ে যাও যাও যাও গো এবার যাবার আগে -
মন, হাওয়ায় পেয়েছি তোর নাম মন, হাওয়ায় হারিয়ে ফেললাম। মন, হাওয়ায় পেয়েছি তোর নাম মন, হাওয়ায় হারিয়ে ফেললাম। হাওয়া দিল
আমি যে জলসাঘরে বেলোয়াড়ী ঝাড়। আমি যে জলসাঘরে বেলোয়াড়ী ঝাড়। আমি যে জলসাঘরে নিশি ফুরালে কেহ চায় না আমায় জানি
এই পথে যায় চলে, ঝরা পাতা যায় দলে, ও কোন সুরে উতলা মন আমার নয় সে কাছে নয় সে দূরে
পা পা মা গা রে সা পা পা মা গা রে সা তার চোখের জটিল ভাষা ধা ধা পা মা
শীতের হাওয়ার লাগল নাচন আমলকির এই ডালে ডালে । পাতাগুলি শিরশিরিয়ে ঝরিয়ে  দিল  তালে  তালে || উড়িয়ে  দেবার  মাতন  এসে  কাঙাল তারে
আমরা করবো জ​য় আমরা করবো জ​য় আমরা করবো জ​য় নিশ্চ​য় ! আহা বুকে গভীর আছে প্রত্য​য় আমরা করবো জ​য় নিশ্চ​য়

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V