Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

এবার আমি আমার থেকে আমাকে বাদ দিয়ে অনেক কিছু জীবনে যোগ দিলাম। ছোটো যত আপন ছিল বাহির করে দিয়ে ভুবনটারে
তোমাতে আমাতে দেখা হয়েছিল। তোমাতে আমাতে দেখা হয়েছিল, জানিনা কবে কোথায় জানিনা মন দেওয়া নেওয়া খেলা হয়েছিলো জানিনা কবে কোথায়।
লীলাবালি লীলাবালি বড় যুবতী সই মোর বড় যুবতী ঘরে কি দিয়া সাজাইমু তোরে। লীলাবালি লীলাবালি বড় যুবতী সই মোর বড়
শ্যামা নামের লাগল আগুন আমার দেহ ধূপ–কাঠিতে। শ্যামা নামের লাগল আগুন আমার দেহ ধূপ–কাঠিতে। যত জ্বালি সুবাস তত যত জ্বালি
সা নি সা সা সা সা সা রে সা সা সা সা সা রে সা রে ধা পা নি। সা
সূর্য ডোবার পালা আসে যদি আসুক বেশতো- গোধূলির রঙে হবে এ ধরণী স্বপ্নের দেশতো । সূর্য ডোবার পালা আসে যদি
আ আ আমায় ভালোবেসে ডেকে দেখো না দেখো না ভালোবেসে ডেকে দেখো না আসি কি না আসি পাশে কে তোমায়
ভূতের রাজা দিল বর, ভূতের রাজা দিল বর, জবর জবর তিন বর। এক দুই তিন। জবর জবর তিন বর। এক
মোর প্রিয়া হবে এসো রানী দেব খোঁপায় তারার ফুল কর্ণে দোলাব তৃতীয়া তিথির চৈতী চাঁদের দুল। খোঁপায় তারার ফুল। মোর
ফুলেশ্বরী ফুলেশ্বরী ফুলের মত নাম ফুলেশ্বরী ফুলেশ্বরী ফুলের মত নাম তোমার দেওয়া দুখীর কমল বুকে ধরলাম ফুলেশ্বরী ফুলেশ্বরী ফুলের মত
না এখনি নয় এখনি নয় যাবে যদি যেও কিছু পরে। যেতে মন চায় নাতো তবুও যাই যাই করে। বেশী তো
মনের হদিস কেই বা জানে? সে হদিস কেই বা জানে? কি যে থাকে মনের ঘরে! কেউ জানে না, কেউ জানে
কালো মেয়ের পায়ের তলায় দেখে যা আলোর নাচন। কালো মেয়ের পায়ের তলায় দেখে যা আলোর নাচন। রূপ দেখে দেয় বুক
শুনে সাঁঝবেলার সে গান মন বায় একা উজান শুনে সাঁঝবেলার সে গান মন বায় একা উজান সরে সরে যায় তটভূমি
এবার তোর মরা গাঙে বান এসেছেজয় মা বলে ভাসা তরী।এবার তোর মরা গাঙে বান এসেছেজয় মা বলে ভাসা তরী। ওরে
আমার ভিনদেশী তারা একা রাতেরই আকাশে তুমি বাজালে একতারা আমার চিলেকোঠার পাশে। ঠিক সন্ধ্যে নামার মুখে তোমার নাম ধরে কেউ
এক ঝাঁক পাখিদের মত কিছু রোদ্দুর বাধা ভেঙ্গে জানলার শার্শী সমুদ্দুর একঝাঁক পাখিদের মত কিছু রোদ্দুর এল আঁধারের শত্তুর। এক
ফুল কেন লাল হ​য় সেকি জানা যায় ভালোবাসি এই কথা কি মুখে বলা যায় ফুল কেন লাল হ​য় সেকি জানা
ঘরেতে ভ্রমর এল গুনগুনিয়ে। ঘরেতে ভ্রমর এল গুনগুনিয়ে। আমারে কার কথা সে যায় শুনিয়ে। ঘরেতে ভ্রমর এল গুনগুনিয়ে। আলোতে কোন
জেনেছি জেনেছি তারা, তুমি জানো ভোজের বাজি। জেনেছি জেনেছি তারা, তুমি জানো ভোজের বাজি। যে তোমায় যেভাবে ডাকে তাতে তুমি
ও এহে হে হা হা হা মোর স্বপ্নের সাথী তুমি কাছে এসো আজ ঋতু ফাল্গুনে তবু দূরে থাকো বৃথা যায়
এ গানে প্রজাপতি পাখায় পাখায় রঙ ছ​ড়ায়​ এ গানে রামধনু তার সাতটি রঙের দোল​ ঝরায়। এ গানে প্রজাপতি পাখায় পাখায়
তোমাকে শোনাতে এ গান যে গেয়ে যাই। তোমাকে শোনাতে এ গান যে গেয়ে যাই। বাজাই এ গানে মঙ্গলশঙ্খ তখনি আরও
অলিরও কথা শুনে বকুল হাসে কই তাহার মত তুমি আমার কথা শুনে হাসো না তো ! ধরারও ধুলিতে যে ফাগুন

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V