Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

বলি ও ননদী বলি ও ননদী আর দু মুঠো চাল ফেলে দে হাঁড়িতে ঠাকুর জামাই এলো বাড়িতে। লো ননদী। ঠাকুর
কি নামে ডেকে বলবো তোমাকে মন্দ করেছে আমাকে ঐ দুটি চোখে। কি নামে ডেকে বলবো তোমাকে মন্দ করেছে আমাকে ঐ
মেঘেদের মিনারে দিগন্তের কিনারে বাদল আঁধার করেছে আবার আমার এই ঘর​ মেঘেদের মিনারে দিগন্তের কিনারে বাদল আঁধার করেছে আবার আমার
বৃষ্টি থামার শেষে সোনালী আলোয়ে ভেসে রাজার কুমার এসে সোনালী কাঠি ছোঁয়ালো। বৃষ্টি থামার শেষে সোনালী আলোয়ে ভেসে রাজার কুমার
এখন অনেক রাত, তোমার কাঁধে আমার নিঃশ্বাস, আমি বেঁচে আছি তোমার ভালোবাসায়। ছুঁয়ে দিলে হাত, আমার বৃদ্ধবুকে তোমার মাথা চেপে
ফুলে গন্ধ নেই এতো ভাবতেও পারি না ফুলে গন্ধ নেই এতো ভাবতেও পারি না সুরে ছন্দ নেই এতো ভাবতেও পারি
শহর জুরে যেন প্রেমের মরশুম আলোতে মাখামাখি আমার এ গ্রীনরুম কখন নেমে আসে অচেনা প্যারাশুট তোমাকে ভালোবেসে আমার চিরকুট কলকাতা
বোলোনা রাধিকা তাকে, যেও না, যেও না প্রিয়। বোলোনা রাধিকা তাকে, যেও না, যেও না প্রিয়। চলে যেতে চায় সে
আমি তোমার সঙ্গে বেঁধেছি আমার প্রাণ সুরের বাঁধনে— তুমি জান না, আমি তোমারে পেয়েছি অজানা সাধনে ।। সে সাধনায় মিশিয়া
আমার একলা আকাশ থমকে গেছে রাতের স্রোতে ভেসে শুধু তোমায় ভালোবেসে আমার দিনগুলো সব রং চিনেছে তোমার কাছে এসে শুধু
আ আ আ আ আআআআআআআআ নিঝুম সন্ধ্যায় পান্থ পাখিরা বুঝিবা পথ ভুলে যায়। নিঝুম সন্ধ্যায় পান্থ পাখিরা বুঝিবা পথ ভুলে
দোলা হে দোলা হে দোলা হে দোলা আঁকা-বাঁকা পথে মোরা কাঁধে নিয়ে ছুটে যাই রাজা মহারাজাদের দোলা, ও দোলা আমাদের
পাড়ায় ঢুকলে ঠ্যাং খোড়া করে দেবো বলেছে পাড়ার দাদারা অন্যপাড়া দিয়ে যাচ্ছি তাই রঞ্জনা আমি আর আসবো না। এখানে রঞ্জনা
নাম রেখেছি বনলতা যখন দেখেছি হয়তো বা সেইক্ষণেই তোমায় ভালবেসেছি নাম রেখেছি বনলতা যখন দেখেছি হয়তো বা সেইক্ষণেই তোমায় ভালবেসেছি
এই শোনো তুমি শুনতে পাচ্ছো কি ? রাতের তারাগুলো গুনতে পারছ কি ? এই তোমার আমার এক মলাটের রাত আর
বলে দিলি তুই আমি কিচ্ছু পারি না। সাদাকালো সমাজে আমি বাঁচতে জানি না। বলে দিলি তুই আমি কিচ্ছু পারি না।
হায় হায় প্রাণ যায়, প্রাণ যায় যায় প্রাণ যায়। চোখ তারি, যেন কাটারি, দিল খুনে খুনে ভরে যায়। হে হে
টাপুর টুপুর সারা দুপুর নূপুর বাজায় কে? যেন এক কাজলা মেয়ে। কাজল কাজল মেঘের আঁচল শুধু ওড়ায় কে? যেন এক
চল রে চল সবে ভারত সন্তান মাতৃভূমি করে আহ্বান চল রে চল সবে ভারত সন্তান মাতৃভূমি করে আহ্বান বীর দর্পে
চলে যেতে যেতে দিন বলে যায় আধাঁরের শেষে ভোর হবে হয়তো পাখীর গানে গানে তবু কেন মন উদাস হল হয়তো
ভালবাসার আগুন জ্বেলে কেন চলে যায় ভালবাসার আগুন জ্বেলে কেন চলে যায় ব্যাথার বাতাস কেঁদে মরে ব্যাথার বাতাস কেঁদে মরে
আ আ আ আ নিঙ্গারিয়া নীল শাড়ি শ্রীমতি চলে। নিঙ্গারিয়া নীল শাড়ি শ্রীমতি চলে। শ্যামলের বেণু বাজে কদমতলে। নিঙ্গারিয়া নীল
সত্য—সুপথ না চিনিলে পাবিনে মানুষের দরশন ওরে আমার মন । সত্য বল সুপথে চল ওরে আমার মন ।। খরিদ্দার মহাজন
কৃষ্ণকলি আমি তারেই বলি, কালো তারে বলে গাঁয়ের লোক । মেঘলা দিনে দেখেছিলেম মাঠে কালো মেয়ের কালো হরিণ-চোখ । ঘোমটা

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V