Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

কি হল দাঁড়ালে কেন যাবে না? যেতে পারো যাও না যাও তুমি যেতে পারো যাবে যদি গো তুমি এবার, কি
এ গানে প্রজাপতি পাখায় পাখায় রঙ ছ​ড়ায়​ এ গানে রামধনু তার সাতটি রঙের দোল​ ঝরায়। এ গানে প্রজাপতি পাখায় পাখায়
শুনো শুনো গো সবে শুনো দিয়া মন​, বিচিত্র কাহিনী এক করি বর্ণণ। এক দেশে এক বনের ধারে ছোট্ট নদীর তীরে,
প্রিয়, ফুল খেলবার দিন নয় অদ্য ধ্বংসের মুখোমুখি আমরা, চোখে আর স্বপ্নের নেই নীল মদ্য কাঠফাটা রোদ সেঁকে চামড়া। প্রিয়,
হায়! যাব কি যাব না ভেবে ভেবে হায় রে যাওয়া তো হল না। আরে পাব কি পাব না ভেবে ভেবে
নয়ন তোমারে পাই না দেখিতে , রয়েছ নয়নে নয়নে । হৃদয় তোমায় পাই না জানিতে, হৃদয়ে রয়েছ গোপনে || বাসনার বসে
উড়ে যাক এ ঘুম আমার, ছুঁতে শ্বেত পাথরের রাত। জানি পাইনা কাছে কিছু আমার শূণ্য দুটি হাত। ভরে যাক এ
কৃষ্ণকলি আমি তারেই বলি, কালো তারে বলে গাঁয়ের লোক । মেঘলা দিনে দেখেছিলেম মাঠে কালো মেয়ের কালো হরিণ-চোখ । ঘোমটা
মোমের পুতুল মমীর দেশের মেয়ে নেচে যায়।বিহ্বল –চঞ্চল–পায়।বিহ্বল –চঞ্চল–পায়। খর্জুর–বীথির ধারেসাহারা মরুর পারেবাজায় ঘুমুর ঝুমুর ঝুমুর মধুর ঝঙ্কারে।বাজায় ঘুমুর ঝুমুর
মন রে কৃষিকাজ জানো না। মন রে কৃষিকাজ জানো না। এমন মানব জমিন রইল পতিত আবাদ করলে ফলত সোনা। মানব
কিছুদিন মনে মনে- কিছুদিন মনে মনে ঘরের কোণে শ্যামের পিরিত রাখ গোপনে। কিছুদিন মনে মনে- ইশারায় কইবি কথা গোঠে মাঠে,
আ আ আ ও ও ও ওঠো ওঠো সূর্যাই রে ঝিকিমিকি দিয়া কালকে তুমি আঁধার রাতে কোথায় ছিলে গিয়া ওঠো
ভাল করিয়া বাজান রে দোতারা কমলা সুন্দরী নাচে। কমলা সুন্দরীর পেন্দরের শাড়ি রোদে ঝিলমিল করে রে। নাচিতে নাচিতে কমলা সুন্দরী
বেঁধো না সা ধা মা বলো বেঁধো না ফুলমালা ডোরে ফুলমালা ডোরে না শোনো ফুলমালা ডোরে ফুলমালা ডোরে বেঁধো না
হাতে ছিলো মশাল আর ধোঁয়াতে যে হারিয়েছে প্রমান। সে ভেবেছিলো খবর ঢেকে যাবে উড়ে যাবে বিমান। হাতে ছিলো মশাল আর
হুম হো ও ওও ও না বলা কিছু কথা র​য়ে যায় এ মনে, বুঝ্তে পারিনা বলব কি করে? ছায়াপথ দিয়ে
মা আমার সাধ না মিটিল আশা না পুরিল সকলি ফুরায়ে যায় মা। আমার সাধ না মিটিল আশা না পুরিল সকলি
বিধির বাঁধন কাটবে তুমি এমন শক্তিমান - তুমি কি এমনি শক্তিমান ! আমাদের ভাঙাগড়া তোমার হাতে এমন অভিমান - তোমাদের এমনি অভিমান ।। চিরদিন টানবে
চোখে চোখে কথা বল, মুখে কিছু বলনা। মন নিয়ে খেলা করো, এ কি ছলনা। চোখে চোখে হা কথা বল, মুখে
মাধবী মধুপে হল মিতালি এই বুঝি জীবনের মধু গীতালি মাধবী মধুপে হল মিতালি এই বুঝি জীবনের মধু গীতালি জ্বলে দেখি
নয়ন ভরা জল গো তোমার আঁচল ভরা ফুল নয়ন ভরা জল গো তোমার আঁচল ভরা ফুল ফুল নেব না অশ্রু
মোর গাঁয়েরও সীমানার পাহাড়ের ওপারে নিশীথ রাত্রির প্রতিধ্বনি শুনি। প্রতিধ্বনি শুনি আমি প্রতিধ্বনি শুনি। কান পেতে শুনি আমি বুঝিতে না
আগুনের পরশ-মণি ছোঁয়াও প্রাণে। এ জীবন পুণ্য করো এ জীবন পুণ্য করো এ জীবন পুণ্য করো এ জীবন পুণ্য করো
আমার সাথে তোমার কথা নেই জানি তবু তোমার সাথে আমার কথা আছে তোমার পাশে আমার ছায়া নেই জানি তবু আমার

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V