Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

ওরে মন'ওয়া রে, ওরে মন'ওয়া রে মোরে মন'ওয়া রে, ক্যা'সা হে তু বাতা। ওরে মন'ওয়া রে, ওরে মন'ওয়া রে মোরে
তুই চিরদিন তোর দরজা খুলে থাকিস অবাধ আনাগোনার হিসেব কেন রাখিস ? সাক্ষাত আলাদিন তোর প্রদীপ ভরা জিনে কেন খুঁজতে
হে হুম এ কি হল কেন হল কবে হল জানি না শুরু হল শেষ হল কি যে হল জানি না
হো হো লক্ষীটি দোহাই তোমার আঁচল টেনে ধরো না উফ ছাড়ো না লোকে দেখে বলবে কি দুষ্টুমি আর কোরো না
কিভাবে কত কি পুড়ে ছাই। কখন কে জানে রাস্তার মোড়ে হাত নাড়ি বিদায় বাসের সারি বুকের ভেতর ভাড়ি পাথরের ছোঁয়াটুকু
তোমার সঙ্গে দেখা না হলে ভালবাসার দেশটা আমার দেখা হত না। তুমি না হাত বাড়িয়ে দিলে এমন একটা পথে চলা
আমি তোমার কাছেই ফিরে আসবো তোমায় আবার ভালবাসবো তুমি কি ডাকবে মোরে চেনা সেই নামটি ধরে আমি তোমার কাছেই ফিরে
ভালো করে তুমি চেয়ে দেখো দেখো তো চিনতে পারো কি না! ভালো করে তুমি চেয়ে দেখো দেখো তো চিনতে পারো
আ আ আ ওরে মন পাখি কেন ডাকাডাকি তুই থাক না রে গোপনে ওরে মন পাখি কেন ডাকাডাকি তুই থাক
কিচ্ছু চাইনি আমি আজীবন ভালবাসা ছাড়া আমিও তাদেরই দলে বার বার মরে যায় যারা। না না, কিচ্ছু চাইনি আমি আজীবন
ফাঁকা ফ্রেম আর অকেজো হাতঘড়ি নিয়ে এখন আমি কি করি? অ্যান্টেনায় আর অশ্বত্থের ডালে ঝুলে থাকি প্রতেক সকালে শহুরে সন্ধ্যায়
এবার তোর মরা গাঙে বান এসেছেজয় মা বলে ভাসা তরী।এবার তোর মরা গাঙে বান এসেছেজয় মা বলে ভাসা তরী। ওরে
চেয়ে দেখো মেঘেরা ছুঁয়েছে মেঘলা মন​ চেয়ে দেখো মেঘেরা ছুঁয়েছে মেঘলা মন​ উদাসীন সারাদিন রিমঝিম ঝিম ঝিম ঝরে যাওয়া এ
আজি বসন্ত জাগ্রত দ্বারে। বসন্ত জাগ্রত দ্বারে। তব অবগুন্ঠিত কুন্ঠিত জীবনে কোরো না বিড়ম্বিত তারে। বসন্ত জাগ্রত দ্বারে। আজি খুলিয়ো
প্রজাপতি প্রজাপতি প্রজাপতি প্রজাপতি কোথায় পেলে ভাই এমন রঙিন পাখা কোথায় পেলে ভাই এমন রঙিন পাখা টুকটুকে লাল নীল ঝিলিমিলি
ও এহে হে হা হা হা মোর স্বপ্নের সাথী তুমি কাছে এসো আজ ঋতু ফাল্গুনে তবু দূরে থাকো বৃথা যায়
আজ বিকেলের ডাকে তোমার চিঠি পেলাম। আজ বিকেলের ডাকে তোমার চিঠি পেলাম। রঙ্গিন খামে যত্নে লেখা আমারই নাম। আজ বিকেলের
আমার বেঁচে থাকা কারণ শুধু তুই তোকে আছে বলা আজ এটুকুই, জানি ঠিকই ধরবি রে হাত, শূন্য পথে দেখ চলছে
একটা মন হাঁটিহাঁটি পায় আঁকাবাঁকা রেলগাড়ি মেঘ এসে চোখে দিল রঙ হাতে দিল ডাকটিকিট। বৃষ্টি মেশে ড্র​য়িং খাতায় ফুল ফল
আমার হাত বান্ধিবি, পা বান্ধিবি মন বান্ধিবি কেমনে? আমার চোখ বান্ধিবি, মুখ বান্ধিবি পরান বান্ধিবি কেমনে? আমার হাত বান্ধিবি, পা
চল রে চল সবে ভারত সন্তান মাতৃভূমি করে আহ্বান চল রে চল সবে ভারত সন্তান মাতৃভূমি করে আহ্বান বীর দর্পে
বনমালী গো তুমি আমারই মত পর জনমে হইয় রাধা। আমি মরিয়া হইব শ্রীনন্দের নন্দন তখন​ তোমাকে বানাইব রাধা। বনমালী গো
উঠ গো ভারত-লক্ষ্মী, উঠ আদি-জগত-জন-পূজ্যা, উঠ গো ভারত-লক্ষ্মী, উঠ আদি-জগত-জন-পূজ্যা, দুঃখ দৈন্য সব নাশি করো দূরিত ভারত-লজ্জা। দুঃখ দৈন্য সব
অজানা কোনো গল্প বলে মেঘলা নীল, অচেনা পথে দিচ্ছে পাড়ি একলা চিল। অজানা কোনো গল্প বলে মেঘলা নীল, অচেনা পথে

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V