Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

তোকে রোজ সকালে দেখতে ইচ্ছে হয়। তোকে সঙ্গে পেলে করবো যুদ্ধ জয়। তোকে রোজ সকালে দেখতে ইচ্ছে হয়। তোকে সঙ্গে
তব চরণ নিম্নে উৎসবময়ী শ্যাম ধরণী সরসা। উর্ধে চাহ অগণিত-মণি-রঞ্জিত-নভো-নীলাঞ্চলা। উর্ধে চাহ অগণিত-মণি-রঞ্জিত-নভো-নীলাঞ্চলা। সৌম্য-মধুর-দিব্যাঙ্গনা, শান্ত-কুশল-দরশা। শ্যাম ধরণী সরসা। তব চরণ
দারুন অগ্নিবানে রে দারুন অগ্নিবানে রে হৃদয় তৃষায় হানে রে । হানে দারুন অগ্নিবানে রে দারুন অগ্নিবানে রে রজনী নিদ্রাহীন,
ভালোবাসি, ভালোবাসি--- এই সুরে    কাছে দূরে          জলে স্থলে   বাজায় বাঁশি ।। আকাশে কার বুকের
এক যে ছিল রাজা হবু চন্দ্র তাহার নাম, ভারতের অধিশ্বর দিল্লীতে তার ধাম। প্রধান মন্ত্রী তার গবু চন্দ্র শুভ নাম,
দূরে থেকো না। আরো কাছে এসো। পরশ করে দেখো আমায় রোমাঞ্চ জাগে কি? দূরে থেকো না। আরো আরো কাছে এসো।
চেয়ে দেখো মেঘেরা ছুঁয়েছে মেঘলা মন​ চেয়ে দেখো মেঘেরা ছুঁয়েছে মেঘলা মন​ উদাসীন সারাদিন রিমঝিম ঝিম ঝিম ঝরে যাওয়া এ
হা হা হা লা লা লা লা লা আহা হা পৃথিবী বদলে গেছে যা দেখি কি নতুন লাগে পৃথিবী বদলে
আ আ যখন কেউ আমাকে পাগল বলে, যখন কেউ আমাকে পাগল বলে, তার প্রতিবাদ করি আমি। যখন তুমি আমায় পাগল
বাজল তোমার আলোর বেণু, মাতল যে ভুবন, বাজল তোমার আলোর বেণু। আজ প্রভাতে সে সুর শুনে খুলে দিনু মন বাজল
কিছু স্বপ্ন এনেছি কুড়িয়ে রেখে দে নয়তো দে উড়িয়ে। কিছু স্বপ্ন এনেছি কুড়িয়ে রেখে দে নয়তো দে উড়িয়ে। ও আমাদের
আজ নতুন প্রভাত জাগে, যেন নতুন সে রং লাগে। চকিত এ মনে গভীর যতনে, চকিত এ মনে গভীর যতনে পসিল
তুমি নেই বলে আজ চাঁদ আসেনি আকাশে, নেই কোনো তারা। তুমি নেই বলে আজ ফুল ফোটেনি বাগানে, ঝরে গেছে পাতা।
এই পথে যায় চলে, ঝরা পাতা যায় দলে, ও কোন সুরে উতলা মন আমার নয় সে কাছে নয় সে দূরে
বড় সঙ্কটে পড়িয়া দয়াল বারে বার ডাকি তোমায়।। ক্ষম ক্ষম অপরাধ দাসের পানে একবার চাও হে দয়াময়। তোমার ক্ষমতায় আমি
মহারাজা! তোমারে সেলাম, সেলাম, সেলাম। মোরা বাংলাদেশের থেকে এলাম। মোরা বাংলাদেশের থেকে এলাম। মোরা সাদা সিধা মাটির মানুষ, দেশে দেশে
কি নামে ডেকে বলবো তোমাকে মন্দ করেছে আমাকে ঐ দুটি চোখে। কি নামে ডেকে বলবো তোমাকে মন্দ করেছে আমাকে ঐ
আ আআ আ কে যেন গো ডেকেছে আমায় মানে না নয়ন কেন ফিরে ফিরে চায়। কে যেন গো ডেকেছে আমায়
লালা লা লালালা লালা লালা লালা লালালা লালা লা তোলো ছিন্ন বীণা বাঁধো নতুন তারে, ভরে নাও সুর গাও জীবনেরই
চরণ ধরিতে দিযো গো আমারে - নিয়ো না,  নিয়ো না সরায়ে । জীবন মরণ সুখ দুখ দিয়ে বক্ষে ধরিব জড়ায়ে । স্খলিত শিথিল কামনার
কৃষ্ণকলি আমি তারেই বলি, কালো তারে বলে গাঁয়ের লোক । মেঘলা দিনে দেখেছিলেম মাঠে কালো মেয়ের কালো হরিণ-চোখ । ঘোমটা
আজ জীবন খুঁজে পাবি ছুটে ছুটে আয় আজ জীবন খুঁজে পাবি ছুটে ছুটে আয় মরণ ভুলে গিয়ে ছুটে ছুটে আয়।
তোমার কাছে এ বর মাগি, মরণ হতে যেন জাগি গানের সুরে । তোমার কাছে এ বর মাগি, মরণ হতে যেন
গৌরীশৃঙ্গ তুলেছে শির বহিছে সিন্ধু গর্জমান ভল্গা যমুনা রাইনে নাইলে মিসিসিপি মিলে তুলেছে তান নওজওয়ান গৌরীশৃঙ্গ তুলেছে শির বহিছে সিন্ধু

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V