Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

মেঘ-বিহীন খর-বৈশাখে মেঘ-বিহীন খর-বৈশাখে তৃষায় কাতর চাতকী ডাকে। মেঘ-বিহীন খর-বৈশাখে সমাধি-মগ্না উমা তপতী – সমাধি-মগ্না উমা তপতী – রৌদ্র যেন
যে জন প্রেমের ভাব জানে না তার সঙ্গে নাই লেনাদেনা খাঁটি সোনা ছাড়িয়া যে নেয় নকল সোনা সে জন সোনা
আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি। চিরদিন তোমার আকাশ, চিরদিন তোমার আকাশ, তোমার বাতাস, আমার প্রাণে ও গো, আমার প্রাণে
ওরে বাবা দেখ চেয়ে কত সেনা চলেছে সমরে! ওরে বাবা দেখ চেয়ে কত সেনা চলেছে সমরে! কত সেনা! কত সেনা!
ডেকে আনো ভোর, আলো আসতে দাও, ভেঙে পরার আগে, আজ ঘুরে দাড়াও। জাগো শক্তি, জাগো স্বপ্ন, জাগো জাগো উমা। জাগো
একবার বিদায় দে মা ঘুরে আসি। একবার বিদায় দে মা ঘুরে আসি। হাসি হাসি পরব ফাঁসি দেখবে ভারতবাসী। আমি হাসি
  এই রাত তোমার আমার । ওই চাঁদ তোমার আমার । শুধু দু'জনের- এই রাত শুধু যে গানের । এই
ভূতের রাজা দিল বর, ভূতের রাজা দিল বর, জবর জবর তিন বর। এক দুই তিন। জবর জবর তিন বর। এক
এসো প্রাণভরণ দৈনহরণ হে এসো প্রাণভরণ দৈনহরণ হে। বিশ্বভুব পরম স্মরণ হে। এসো প্রাণভরণ দৈনহরণ হে। জ্যোতিপূর্ণ করো হে গগন,
তিন পাগলে হলো মেলা নদে এসে- তোরা কেউ যাসনে ও পাগলের কাছে ।। একটা নারকেলের মালা তাতে জল তোলা ফেলা
সেই , গ্রীষ্মের সকাল গুলোতেই পর্দা ঠেলে সরিয়ে হাওয়া দিলো ভাসিয়ে হাওয়া দিলো ভাসিয়ে। তখন, আমার এ বিছানা ঘুম ছাড়েনি
মধু মালতী ডাকে আয় ফুল ফাগুনের এ খেলায় মধু মালতী ডাকে আয় মধু মালতী ডাকে আয় ফুল ফাগুনের এ খেলায়
নাগর আমার কাঁচা পিরীত পাকতে দিলো না। ও নাগর আমার কাঁচা পিরীত পাকতে দিলো না। গা গতোরে সোনার সোহাগ মাখতে
বাজল তোমার আলোর বেণু, মাতল যে ভুবন, বাজল তোমার আলোর বেণু। আজ প্রভাতে সে সুর শুনে খুলে দিনু মন বাজল
কথা দিলাম আমি কথা দিলাম। কথা দিলাম আমি কথা দিলাম। তুমি আমি যুগে যুগে থাকব সাথে, যুগে যুগে থাকব সাথে।
তুমি আসবে বলেই- তুমি আসবে বলেই, আকাশ মেঘলা বৃষ্টি এখনো হয়নি। তুমি আসবে বলেই, কৃষ্ণচূড়ার ফুলগুলো ঝরে যায়নি। তুমি আসবে
সূর্য ডোবার পালা আসে যদি আসুক বেশতো- গোধূলির রঙে হবে এ ধরণী স্বপ্নের দেশতো । সূর্য ডোবার পালা আসে যদি
নয়ন তোমারে পাই না দেখিতে , রয়েছ নয়নে নয়নে । হৃদয় তোমায় পাই না জানিতে, হৃদয়ে রয়েছ গোপনে || বাসনার বসে
কে প্রথম কাছে এসেছি ? কে প্রথম চেয়ে দেখেছি ? কিছুতেই পাই না ভেবে- কে প্রথম ভালবেসেছি ? তুমি- ?
অনেক জমানো ব্যথা বেদনা, কি করে গান হল জানিনা। অনেক জমানো ব্যথা বেদনা, কি করে গান হল জানিনা। কি করে
আজ তবে এইটুকু থাক, বাকি কথা পরে হবে। ধূসর ধূলির পথ, ভেঙে পড়ে আছে রথ, বহুদূর দূর যেতে হবে। আজ
জলছবি, রং-মশাল, স্কুল ছুটির হজমিরা, রূপকথার পায়রাদের গল্প বল । বন্ধু চল । রামধনু, ঝালমুড়ি, হাফ টিকেট, আব্বুলিশ, বিটনুন আর
বয়েই গেছে বয়েই গেছে তোমার ডাকে সারা দিতে বয়েই গেছে সাত রাজাধন মানিক যখন পাওয়াই আমার হয়েই গেছে বয়েই গেছে

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V