Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

কারার ঐ লৌহকপাট, ভেঙ্গে ফেল কর রে লোপাট, রক্ত-জমাট শিকল পূজার পাষাণ-বেদী। কারার ঐ লৌহকপাট, ভেঙে ফেল কর রে লোপাট,
ও এহে হে হা হা হা মোর স্বপ্নের সাথী তুমি কাছে এসো আজ ঋতু ফাল্গুনে তবু দূরে থাকো বৃথা যায়
রোজ রোজ আকাশ নীলে, কত তারা রাতে জ্বলে, মন তবু এই যে বলে, তোমারি দুচোখে শুধু সেই আলো জ্বলে। রোজ
আজ ঠোঁটের কোলাজ, থামালো কাজ মন তোমাকে ছুঁয়ে দিলাম নাম, বুকের বোতাম হারানো খাম আজ কেন যে খুঁজে পেলাম দিন
গুল–বাগিচার বুলবুলি আমি রঙিন প্রেমের গাই গজল, হায়। অনুরাগের লাল শারাব মোর আঁখি ঝলে ঝলমল, হায়। আমার গানের মদির ছোঁয়ায়
মন তোমার এই ভ্রম গেল না, গেল না, কালী কেমন তাই চেয়ে দেখলে না, দেখলে না, মন তোমার এই ভ্রম
ঠুং ঠাং ঠুং ঠাং চুড়ির তালে থৈথৈ বন্যা নাচেরে। ঠুং ঠাং ঠুং ঠাং চুড়ির তালে থৈথৈ বন্যা নাচেরে। রিমঝিম রিমঝিম
শুনে দেখো গান আমার হয়তো ভাল লেগে যেতে পারে। একটু সময় দিতে হায়, বদলে যেতে পারে তোমার কান। তোমার জানলায়
আমার     প্রানের 'পরে চলে গেল কে বসন্তের    বাতাসটুকুর মতো । সে যে      ছুঁয়ে গেল নুয়ে গেল রে
ফেরারি আজ মন, তোকে ভেবে যখন​ সাজিয়েছি আমি আদুরে আলাপন। হো ও ও ওও ও হো ও ওও ওও ফেরারি
আমি গান শোনাবো একটি আশা নিয়ে এ গান যেন তোমার ভাল লাগে আমি রঙ ছড়াবো একটি তুলি দিয়ে সে গান
কি নামে ডেকে বলবো তোমাকে মন্দ করেছে আমাকে ঐ দুটি চোখে। কি নামে ডেকে বলবো তোমাকে মন্দ করেছে আমাকে ঐ
বল বল বল সবে শত বীণা বেনু রবে ভারত আবার জগত সভায় শ্রেষ্ঠ আসন লবে বল বল বল সবে শত
নানা নানা ওমন করে দাগা দিয়ে সরে থেকো না নানা নানা ওমন করে দাগা দিয়ে সরে থেকো না। আমায় নিয়ে
চল রাস্তায় সাজি ট্রাম লাইন আর কবিতায় শুয়ে কাপ্লেট আহা উত্তাপ কত সুন্দর তুই থার্মোমিটারে মাপলে। হিয়া টুপটাপ জিয়া নস্টাল
বেঁধো না সা ধা মা বলো বেঁধো না ফুলমালা ডোরে ফুলমালা ডোরে না শোনো ফুলমালা ডোরে ফুলমালা ডোরে বেঁধো না
সেদিন দুজনে দুলেছিনু বনে,  ফুলডরে বাঁধা ঝুলনা । সেই স্মৃতিটুকু  কভু খনে খনে  যেন জাগে মনে, ভুল না।। সেদিন বাতাসে ছিল
এলো বরষা যে সহসা মনে তাই, রিম ঝিম ঝিম রিম ঝিম ঝিম গান গেয়ে যাই। এলো বরষা যে সহসা মনে
মানুষ ছাড়া ক্ষ্যাপা রে তুই মূল হারাবি। মানুষ ছাড়া ক্ষ্যাপা রে তুই মূল হারাবি। মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি। ও
এই ছন্দ এ আনন্দ এ যে বিধাতার মহাদান। আনন্দে পাখি গায় ঝর্ণারা ছুটে যায় ফুল দিয়ে যায় তার গন্ধ। এই
ফাগুনেরও মোহনায় ফাগুনেরও মোহনায় মন মাতানো মহুয়ায় রঙ্গীন এ বিহুর নেশা কোন আকাশে নিয়ে যায় ফাগুনেরও মোহনায় ফাগুনেরও মোহনায় মন
আরে ও জীবন রে জীবন ছাড়িয়া না যাইস্ মোকে আরে তুই জীবন ছাড়িয়া গেলে আদর করিবে কায় জীবনরে। আদর করিবে
এক দিন পাখী উড়ে এক দিন পাখী উড়ে যাবে যে আকাশে, ফিরবে না সে তো আর কারো আকাশে। এক দিন
আমার বেঁচে থাকা কারণ শুধু তুই তোকে আছে বলা আজ এটুকুই, জানি ঠিকই ধরবি রে হাত, শূন্য পথে দেখ চলছে

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V