Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

আ আ আ আ আ জোছনা করেছে আড়ি, জোছনা করেছে আড়ি, আসেনা আমার বাড়ি আসেনা আমার বাড়ি। গলি দিয়ে চলে
পার করো আমায় বাবা দয়াল তোমারি লীলা তুমি সর্বোদয়। এই সবাই মিলে গান ধরবে ঠিক আছে? নাক মে করতে দাম্মা
আমার বেলা যে যায় সাঁঝ-বেলাতে তোমার সুরে সুরে সুর মেলাতে। আমার বেলা যে যায় সাঁঝ-বেলাতে তোমার সুরে সুরে সুর মেলাতে।
উঠ গো ভারত-লক্ষ্মী, উঠ আদি-জগত-জন-পূজ্যা, উঠ গো ভারত-লক্ষ্মী, উঠ আদি-জগত-জন-পূজ্যা, দুঃখ দৈন্য সব নাশি করো দূরিত ভারত-লজ্জা। দুঃখ দৈন্য সব
             গ্রাম ওই রাঙা মাটির পথ আমার মন ভুলে রে । ওরে         কার  মন
আমার বলার কিছু ছিল না, না-গো আমার বলার কিছু ছিল না। চেয়ে চেয়ে দেখলাম তুমি চলে গেলে, তুমি চলে গেলে,
ব্রজ–গোপী খেলে হোরী হোরী রে ব্রজ–গোপী খেলে হোরী খেলে আনন্দ নবঘন শ্যাম সাথে। ব্রজ–গোপী খেলে হোরী হোরী রে ব্রজ–গোপী খেলে
ওই ঘুম ঘুম ঘুমন্ত ঘুম ঘুম পাহাড়ে দূর দূর দিগন্তে পড়ে তার ছায়া রে, মোর মন আনমন, জানি না কেন,
ভেবে দেখ মন, কেউ কারো নয়, মিছে ভ্রম ভূ-মন্ডলে ৷ ভেবে দেখ মন, কেউ কারো নয়, মিছে ভ্রম ভূ-মন্ডলে ৷
ঝিলমিল ঝাউয়ের বনে ঝিকিমিকি তার ফাঁক দিয়ে যে চাঁদ মারে উঁকি ও চাঁদ বড় প্রিয়, আমায় ধরো দেখি পাবে না,
আ আ আ আ নিঙ্গারিয়া নীল শাড়ি শ্রীমতি চলে। নিঙ্গারিয়া নীল শাড়ি শ্রীমতি চলে। শ্যামলের বেণু বাজে কদমতলে। নিঙ্গারিয়া নীল
শুনো শুনো গো সবে শুনো দিয়া মন​, বিচিত্র কাহিনী এক করি বর্ণণ। এক দেশে এক বনের ধারে ছোট্ট নদীর তীরে,
চোখে চোখে কথা বল, মুখে কিছু বলনা। মন নিয়ে খেলা করো, এ কি ছলনা। চোখে চোখে হা কথা বল, মুখে
দীপ ছিল, শিখা ছিল, শুধু তুমি ছিলে না বলে আলো জ্বলল না। ভাষা ছিল, কথা ছিল, কাছে ডাকলে না বলে
ও শ্যামু শ্যাম রে ফুল ফোটাতে মধুবনে ডাক দেরে বসন্ত রে একবার ডাক দেরে বসন্ত রে আমি এসে গেছি রে
মন তোমার এই ভ্রম গেল না, গেল না, কালী কেমন তাই চেয়ে দেখলে না, দেখলে না, মন তোমার এই ভ্রম
আয়  তবে  সহচরী, হাতে হাতে ধরি ধরি নাচিবি ঘিরি ঘিরি, গাহিবি গান । আন তবে বীণা --- সপ্তম সুরে বাঁধ তবে তান ||
এখনও সারেঙ্গীটা বাজছে- এখনও চেনা চেনা আতরের গন্ধ একি রোমাঞ্চ শুধু রোমাঞ্চ নাকি আগামী দিনের কোনো ঝড়ের আভাস বয়ে আনছে।
ছোটো ছোটো দিন আলাপে রঙ্গিন নূড়ির​ মতন ছোটো ছোটো রাত চেনা মনটার পলাশের বন আহা অগোছালো ঘর খড়কুটোময় চিলেকোঠা কোণ
জয় জয় গোবিন্দ গোপাল গদাধর কৃষ্ণচন্দ্র কর কৃপা করুণাসাগর। জয় রাধে গোবিন্দ গোপাল বনমালী শ্রীরাধার প্রাণধন মুকুন্দ মুরারী। হরিনাম বিনে
মধুর মধুর চাওনি রে তোর কন্যা আমার হৃদপিন্ড তিরিং বিরিং করে রে মধুর মধুর চাওনি রে তোর কন্যা আমার হৃদপিন্ড
আমি      চিনি গো চিনি   তোমারে ওগো বিদেশিনী । তুমি       থাক সিন্ধুপারে   ওগো বিদেশিনী ।।       
ওগো নিরুপমা করিও ক্ষমা তোমাকে আমার ঘরনি করিতে আমার মনের দোসর করিতে পারিলামনা পারিলামনা তো কিছুতেই ওগো নিরুপমা হয়তো তোমার
হস্তির কন্যা হস্তির কন্যা বাহনের মারি মাথায় নিয়া তাম কলসী ও সখী হাতে সোনার ঝারি সখী ও ও মোর হায়

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V