Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

ও তোতা পাখি রে শেকল খুলে উড়িয়ে দেবো মাকে যদি এনে দাও আমার মাকে যদি এনে দাও ঘুমিয়েছিলাম মায়ের কোলে
থুইলাম রে মন পদ্মপাতায়, আর ধুইলাম রে মন জলে আর অঞ্চলে ঢাকিলাম রে মন, তবু কেন জ্বলে। থুইলাম রে মন
ফুলকলি রে ফুলকলি রে ফুলকলি রে ফুলকলি ও আমার ফুলি আমায় ফেলে যাচ্ছিস কোন গলি ফুলকলি রে ফুলকলি বল তো
মাঝে নদী বহে রে, ওপারে তুমি শ্যাম এপারে আমি | মাঝে নদী বহে রে, ওপারে তুমি রাধে এপারে আমি |
ফুলে গন্ধ নেই এতো ভাবতেও পারি না ফুলে গন্ধ নেই এতো ভাবতেও পারি না সুরে ছন্দ নেই এতো ভাবতেও পারি
আমার স্বপন কিনতে পারে এমন আমির কই? আমার জলছবিতে রঙ মেলাবে এমন আবির কই? আমার স্বপন কিনতে পারে এমন আমির
কৃষ্ণকলি আমি তারেই বলি, কালো তারে বলে গাঁয়ের লোক । মেঘলা দিনে দেখেছিলেম মাঠে কালো মেয়ের কালো হরিণ-চোখ । ঘোমটা
দেখেছো কি তাকে ওই নীল নদীর ধারে বৃষ্টি পায়ে পায়ে তার কি যেন কি নাম জলে ভেজা মাঠে আকাশে হাত
প্রিয়, ফুল খেলবার দিন নয় অদ্য ধ্বংসের মুখোমুখি আমরা, চোখে আর স্বপ্নের নেই নীল মদ্য কাঠফাটা রোদ সেঁকে চামড়া। প্রিয়,
মোর প্রিয়া হবে এসো রানী দেব খোঁপায় তারার ফুল কর্ণে দোলাব তৃতীয়া তিথির চৈতী চাঁদের দুল। খোঁপায় তারার ফুল। মোর
আমার ভালোবাসার রাজপ্রাসাদে নিশুতি রাত গুমরে কাঁদে ৷ মনের ময়ুর মরেছে ঐ ময়ুর মহলেই ৷ দেখি মুকুটটা তো পড়ে আছে
এ তো ভালবাসা ন​য় ভালবাসা ন​য়​কামনা জ​ড়ানো চাওয়া,আঁধার পেরিয়ে আঁধারের সাথেআঁধারেতে ডুবে যাওয়া। দুখের এ মালা দিও না বঁধুয়া দাও
লালা লা লালালা লালা লালা লালা লালালা লালা লা তোলো ছিন্ন বীণা বাঁধো নতুন তারে, ভরে নাও সুর গাও জীবনেরই
ও কোকিলা তোরে সুধাই রে সবার-ই তো ঘর র​য়েছে কেনো রে তোর বাসা কোথাও নাই রে ও কোকিলা তোরে সুধাই
বিরস দিন বিরল কাজ, প্রবল বিদ্রোহে এসেছ প্রেম, এসেছ আজ কী মহা সমারহে ।। একেলা রই আলসমন,   নীরব এই ভবনকোণ, ভাঙিলে দ্বার
না ডেকো না। না ডেকো না। ডেকো না গো মোরে, ডাকিলে আমাতে থাকে না মন​। ও না ডেকো না। ডেকো না
এই সময় এই অন্ধকার, চারিদিকে শুধু বন্ধ দ্বার। এই সময় এই অন্ধকার, চারিদিকে শুধু বন্ধ দ্বার। খুলে দাও জানালা, আলোরই
মেঘ থম থম করে কেউ নেই নেই জল থৈ থৈ তীরে কিছু নেই নেই ভাঙ্গনের যে নেই পারাপার তুমি আমি
তোমার নামে আঁকা এ হাতের উপর আঁকা ডাকে আয় কাছে আয় তোমার চুলে ডাকা এ আদর দিয়ে মাখা ডাকে আয়
প্রজাপাতি এ মন মেলুক পাখনা দূরে যত দূরে যায় যদি যাক না সোনালী রোদ আঁকে আলপনা সোনালী রোদ আঁকে আলপনা
ঢাক বাজা কাঁসর বাজা উলু দে আর শাঁখ বাজা বছর পরে আবার এল মা যে। পূজো পূজো গন্ধ নিয়ে নতুন
ফেটে গেল ফেটে গেল কালিরামের ঢোল সে এক দাঁড়কাকের সাধ হল কোকিলা সাজিতে পড়ল ধরা কাকা রবে তার সে জারিজুরি
ওই বিহুর ডাকে যায় ভেসে মন​ মন পাখি যায় রে বাঁকে আজ পরব দিনে আসাম গেছে মন আমার ধামসার তালে
সাত ভাই চম্পা জাগো রে জাগো রে ঘুম ঘুম থাকে না ঘুমের এই ঘোরে একটি পারুল বোন আমি তোমার আমি

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V