Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

আমার এ পথ তোমার পথের থেকে অনেক দূরে গেছে বেঁকে গেছে বেঁকে আমার ফুলে আর কি কবে তোমার মালা গাঁথা
প্রাণ ভরিয়ে তৃষা হরিয়ে মোরে আরো আরো আরো দাও প্রাণ। প্রাণ ভরিয়ে তৃষা হরিয়ে মোরে আরো আরো আরো দাও প্রাণ।
তেলের শিশি ভাঙল বলে খুকুর পরে রাগ করো। তোমরা যে সব বুড়ো খোকা ভারত ভেঙে ভাগ করো! তার বেলা? তার
আমার সাথে তোমার কথা নেই জানি তবু তোমার সাথে আমার কথা আছে তোমার পাশে আমার ছায়া নেই জানি তবু আমার
নাচ ময়ুরী নাচ রে, রুম ঝুমা ঝুম নাচরে । ঐ এলো আকাশ ছেয়ে ও বর্ষা রাণী সাজ রে । নাচ
মধু মালতী ডাকে আয় ফুল ফাগুনের এ খেলায় মধু মালতী ডাকে আয় মধু মালতী ডাকে আয় ফুল ফাগুনের এ খেলায়
এক সুত্রে বাঁধিয়াছি সহস্রটি মন, এক কার্যে সঁপিয়াছি সহস্র জীবন​- বন্দেমাতরম বন্দেমাতরম। এক সুত্রে বাঁধিয়াছি সহস্রটি মন, এক সুত্রে বাঁধিয়াছি
আমার বেঁচে থাকা কারণ শুধু তুই তোকে আছে বলা আজ এটুকুই, জানি ঠিকই ধরবি রে হাত, শূন্য পথে দেখ চলছে
যদি তারে নাই চিনি গো সেকি - সেকি আমায় নেবে চিনে ? এই নব ফাল্গুনের দিনে জানি নে, জানি নে
এমন মধুর সন্ধ্যায় এক কি থাকা যায়। এমন মধুর সন্ধ্যায় এক কি থাকা যায়। খুঁজে নাও, বেছে নাও, তুমি সাথী
এ মন আমার হারিয়ে যায় কোন খানে, কেউ জানে না শুধু আমার মন জানে। আজকে শুধু হারিয়ে যাবার দিন, কেউ
আমি      চিনি গো চিনি   তোমারে ওগো বিদেশিনী । তুমি       থাক সিন্ধুপারে   ওগো বিদেশিনী ।।       
আমার বেলা যে যায় সাঁঝ-বেলাতে তোমার সুরে সুরে সুর মেলাতে। আমার বেলা যে যায় সাঁঝ-বেলাতে তোমার সুরে সুরে সুর মেলাতে।
হে হুম এ কি হল কেন হল কবে হল জানি না শুরু হল শেষ হল কি যে হল জানি না
বসন পরো মা, বসন পরো মা বসন পরো, পরো মা গো বসন পরো মা। চন্দনে চর্চিত জবা পদে দিব আমি
এ কথা কি জানে ইন্দু জোছনাকে বুকে ধরে ভালবাসে তাকে সিন্ধু সে কথা কি জানে ইন্দু যেখানে যখনি থাকি ওই
ওরে গেইলে কি আসিবেন মোর মাহুত বন্ধুরে? ওরে গেইলে কি আসিবেন মোর মাহুত বন্ধুরে? হস্তির নড়ান হস্তির চড়ান হস্তির গলায়
এলো বরষা যে সহসা মনে তাই, রিম ঝিম ঝিম রিম ঝিম ঝিম গান গেয়ে যাই। এলো বরষা যে সহসা মনে
জলে ভাসা পদ্ম আমি, শুধুই পেলাম ছলনা। ও আমার সহেলি, আমার নেই তো কথাও কোনো ঠাঁই। বুকের জ্বালা কোথায় যে
সত্য—সুপথ না চিনিলে পাবিনে মানুষের দরশন ওরে আমার মন । সত্য বল সুপথে চল ওরে আমার মন ।। খরিদ্দার মহাজন
আজ বিকেলের ডাকে তোমার চিঠি পেলাম। আজ বিকেলের ডাকে তোমার চিঠি পেলাম। রঙ্গিন খামে যত্নে লেখা আমারই নাম। আজ বিকেলের
তোমারি বাঁকা- ও চোখ ঝিলিক- মারে ঝিকিমিকি। জ্বলছে এ বুকে যে তুষের আগুন ধিকিধিকি। তোমারি বাঁকা- ও চোখ- একি বল
তব চরণ নিম্নে উৎসবময়ী শ্যাম ধরণী সরসা। উর্ধে চাহ অগণিত-মণি-রঞ্জিত-নভো-নীলাঞ্চলা। উর্ধে চাহ অগণিত-মণি-রঞ্জিত-নভো-নীলাঞ্চলা। সৌম্য-মধুর-দিব্যাঙ্গনা, শান্ত-কুশল-দরশা। শ্যাম ধরণী সরসা। তব চরণ
এটা গল্প কার দেখো লিখছে কে ভুলে অন্ধকার আলো শিখছে কে এটা গল্প কার দেখো লিখছে কে ভুলে অন্ধকার আলো

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V