Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

কবে যে কোথায় কি যে হল ভুল জীবন জুয়ায় হেরে গেলাম কবে যে কোথায় কি যে হল ভুল জীবন জুয়ায়
আমার চোখে চোখ রাখ তুই আমার কথা গুলো তোর হয়ে যেতে পারে দুর্ঘটনা ঘটতে দে আঙুল গুনে ফেলা মনে পড়ে
যেখানে সাঁইর বারামখানা । শুনিলে প্রাণ চমকে উঠে দেখতে যেমন ভুজাঙ্গনা ।। যা ছুঁইলে প্রাণে মরি এই জগতে তাইতে তরি
এই তো হেথায়ে কুঞ্জ ছায়ায় স্বপ্ন মধুর মোহে এই জীবনে যে কটি দিন পাব তোমায়ে আমায়ে হেসে খেলে কাটিয়ে যাব
তিন পাগলে হলো মেলা নদে এসে- তোরা কেউ যাসনে ও পাগলের কাছে ।। একটা নারকেলের মালা তাতে জল তোলা ফেলা
হয়তো তোমারি জন্য হয়েছি প্রেমে যে বন্য জানি তুমি অনন্য আশার হাত বাড়াই । যদি কখনো একান্তে চেয়েছি তোমায় জানতে
যখন নীরবে দূরে দাঁড়াও এসে যেখানে পথ বেঁকেছে যখন নীরবে দূরে দাঁড়াও এসে যেখানে পথ বেঁকেছে তোমায় ছুঁতে চাওয়ার মুহূর্তরা
বলে দিলি তুই আমি কিচ্ছু পারি না। সাদাকালো সমাজে আমি বাঁচতে জানি না। বলে দিলি তুই আমি কিচ্ছু পারি না।
এ গানে প্রজাপতি পাখায় পাখায় রঙ ছ​ড়ায়​ এ গানে রামধনু তার সাতটি রঙের দোল​ ঝরায়। এ গানে প্রজাপতি পাখায় পাখায়
বঁধুয়া, নিদ নাহি আঁখিপাতে। আমিও একাকী, তুমিও একাকী আজি এ বাদল-রাতে। ডাকিছে দাদুরী মিলনতিয়াসে ঝিল্লি ডাকিছে উল্লাসে। পল্লীর বধু বিরহী
আমি এক যাযাবর, আমি এক যাযাবর, পৃথিবী আমাকে আপন করেছে ভুলেছি নিজের ঘর। আমি এক যাযাবর, আমি এক যাযাবর। আমি
এসো হে বৈশাখ এসো, এসো, এসো হে বৈশাখ এসো, এসো, তাপসনিশ্বাসবায়ে মুমূর্ষুরে দাও উড়ায়ে, তাপসনিশ্বাসবায়ে মুমূর্ষুরে দাও উড়ায়ে, বৎসরের আবর্জনা
টাপুর টুপুর বৃষ্টি নুপুর জলছবিরই গায়ে, তুই যে আমার একলা আকাশ, মেঠো সুরের ছাই রে মেঠো সুরের ছাই। রং বেরঙের
জাগো তুমি জাগো জাগো দুর্গা জাগো দশপ্রহরণধারিণী অভ​য়া শক্তি বলপ্রদায়িনী তুমি জাগো জাগো তুমি জাগো প্রণমি বরদা অজরা অতুলা প্রণমি
কেন কিছু কথা বলো না? শুধু চোখে চোখে চেয়ে যা কিছু চাওয়ার আমার নিলে সবই চেয়ে। এ কি ছলনা! কেন
আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারী আমি কি ভুলিতে পারি? ছেলে হারা শত মায়ের অশ্রু গ​ড়া এ ফেব্রুয়ারী আমি কি
আমি   রূপে তোমায় ভোলাব না, ভালবাসায় ভোলাব । আমি   হাত দিয়ে দ্বার খুলবো না গো, গান দিয়ে  দ্বার খোলাব ।।    
দীপ ছিল, শিখা ছিল, শুধু তুমি ছিলে না বলে আলো জ্বলল না। ভাষা ছিল, কথা ছিল, কাছে ডাকলে না বলে
নদীর যেমন ঝর্ণা আছেঝর্ণারও নদী আছে।আমার আছো তুমি শুধু তুমি।আমার আছো তুমি শুধু তুমি। বাঁশীর যেমন কৃষ্ণ আছেকৃষ্ণেরও বাঁশী আছে।আমার
মহারাজা! তোমারে সেলাম, সেলাম, সেলাম। মোরা বাংলাদেশের থেকে এলাম। মোরা বাংলাদেশের থেকে এলাম। মোরা সাদা সিধা মাটির মানুষ, দেশে দেশে
হু হু হু হুহুহু হুহু লালা লা লালা লালা ওপারে থাকব আমি তুমি রইবে এপারে শুধু আমার দুচোখ ভরে দেখবো
তুই ফেলে এসেছিস কারে মন, মন রে আমার| তাই জনম গেল,শান্তি পেলি না রে মন, মন রে আমার|| যে পথ
ইস দেবাশিস, তুমি বড়ো হয়ে গেছ দেবাশীষ। ইশ দেবাশীষ, চেনা ঠিকানার নেই হদিশ। ইশ দেবাশিস, বয়ে গেলো শুধু বছরের ঢেউ।
না এখনি নয় এখনি নয় যাবে যদি যেও কিছু পরে। যেতে মন চায় নাতো তবুও যাই যাই করে। বেশী তো

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V