Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

ও বাঁশি হায় বাঁশি কেন গায় আমারে কাঁদায় কে গেছে হারায় স্মরণের বেদনায় কেন মনে এনে দেয় আ আ বাঁশি
আজ জীবন খুঁজে পাবি ছুটে ছুটে আয় আজ জীবন খুঁজে পাবি ছুটে ছুটে আয় মরণ ভুলে গিয়ে ছুটে ছুটে আয়।
অনেক জমানো ব্যথা বেদনা, কি করে গান হল জানিনা। অনেক জমানো ব্যথা বেদনা, কি করে গান হল জানিনা। কি করে
বিপিন বাবুর কারন সুধা মেটায় জ্বালা মেটায় ক্ষুধা। বুঝলি পদা! এ বিপিন বাবুর কারন সুধা মেটায় জ্বালা মেটায় ক্ষুধা। মরা
ও শ্যাম যখন তখন খেলোনা খেলা অমন ও শ্যাম যখন তখন খেলোনা খেলা অমন ধরলে আজ তোমায় ছাড়বনা না না
ও পাখি উড়ে আয়, উড়ে আয় তোরি সুরে যা যা দেখে যা যা যারে দেখে যা- আমি আজ কার কাছে
মহারাজ, এ কি সাজে এলে হৃদয়পুর মাঝে! চরণতলে কোটি শশী সূর্য মরে লাজে। মহারাজ এ কি সাজে- গর্ব সব টুটিয়া
আমার মনটা টানে আমার মনটা টানে ঘরের পানে কোথায় আমার ঘর যদি মন ঘরানি পাবে সে ঘর আশার খুঁটি দিয়া
আমরা যারা এই চেহারা হন্যে হ​য়ে রোজ পাহারা তাও শুকিয়ে যায় ফোয়ারা প্রেম পালিয়ে যায় আলোর দ​ড়ি জরায় তাকে এমনিতে
এই ছন্দ এ আনন্দ এ যে বিধাতার মহাদান। আনন্দে পাখি গায় ঝর্ণারা ছুটে যায় ফুল দিয়ে যায় তার গন্ধ। এই
আঃ শশীকান্ত কি হচ্ছে দাদরা বাজাও দাদরা কাহারবা নয় দাদরা বাজাও কাহারবা নয় দাদরা বাজাও উল্ট পাল্টা মারছ চাঁটি শশীকান্ত
আ আ আ আ আ আরো দূরে চলো যাই ঘুরে আসি মন নিয়ে কাছাকাছি তুমি আছো আমি আছি পাশাপাশি ঘুরে
আমাকে আমার মত থাকতে দাও আমি নিজেকে নিজের মত গুছিয়ে নিয়েছি। আমাকে আমার মত থাকতে দাও আমি নিজেকে নিজের মত
মাগো ভাবনা কেন আমরা তোমার শান্তি প্রিয় শান্ত ছেলে তবু শত্রু এলে অশ্ত্র হাতে ধরতে জানি তোমার ভয় নেই মা
এ তুমি কেমন তুমি চোখের তারায় আয়না ধর ! এ কেমন কান্না তুমি আমায় যখন আদর কর ! এ তুমি
আমার হাত বান্ধিবি, পা বান্ধিবি মন বান্ধিবি কেমনে? আমার চোখ বান্ধিবি, মুখ বান্ধিবি পরান বান্ধিবি কেমনে? আমার হাত বান্ধিবি, পা
তুমি, নির্মল কর, মঙ্গল করে মলিন মর্ম মুছায়ে । তুমি, নির্মল কর, মঙ্গল করে মলিন মর্ম মুছায়ে । তব, পূণ্য-কিরণ
আমি আভিসারে যাব আমি যাব আভিসারে ধুপের ধোঁয়াতে মোর অলক শুখায়ে নেবো সাজাতে কবরী ফুল হারে আমি আভিসারে যাব আমি
গঙ্গা আমার মা পদ্মা আমার মা ও ও আমার দুই চোখে দুই জলের ধারা মেঘনা যমুনা। গঙ্গা আমার মা পদ্মা
একটা গান লিখো আমার জন্য। একটা গান লিখো আমার জন্য। নাহয় আমি তোমার কাছে ছিলেম অতি নগন্য। একটা গান লিখো
কাদের কুলের বউ গো তুমি কাদের কুলের বউ যমুনায় যমুনায় জল আনতে যাচ্ছো- ওগো যমুনায় জল আনতে যাচ্ছো- সঙ্গে নেই
আজ এই দিনটাকে মনের খাতায় লিখে রাখো। আমায় পড়বে মনে কাছে দূরে যেখানেই থাকো। আজ এই দিনটাকে মনের খাতায় লিখে
বারে বারে কে যেন ডাকে আমারে, বারে বারে কে যেন ডাকে। কার ছোঁয়া লাগে যেন মনোবীণার তারে কার ছোঁয়া লাগে
কারার ঐ লৌহকপাট, ভেঙ্গে ফেল কর রে লোপাট, রক্ত-জমাট শিকল পূজার পাষাণ-বেদী। কারার ঐ লৌহকপাট, ভেঙে ফেল কর রে লোপাট,

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V