Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

সেই রাতে রাত ছিল পূর্ণিমা, রঙ ছিল ফাল্গুনী হাওয়াতে। সেই রাতে রাত ছিল পূর্ণিমা, রঙ ছিল ফাল্গুনী হাওয়াতে। সব ভাল
সুজন মাঝিরে, কোন ঘাটে লাগাইবা তোমার নাও। সুজন মাঝিরে, কোন ঘাটে লাগাইবা তোমার নাও। আমি পারের আশায় বইসা আছি ও
ভাল লাগে হাঁটতে তোর হাত ধরে ভাবনা তোর আসছে দিন রাত ধরে। ভাল লাগে হাঁটতে তোর হাত ধরে ভাবনা তোর
বেসামে বেসামে মুচো কোমো সি ফুয়েরা এস্তা নচে লা উলতিমা ভেজ বেসামে বেসামে মুচো কোয়েতেনঙ্গ মুয়েদো অ পেরদতে পেরদতে দেসপুইজ্
যদি কিছু আমারে শুধাও- কি যে তোমারে কব, নীরবে চাহিয়া রব, না বলা কথা বুঝিয়া নাও। যদি কিছু আমারে শুধাও-
লীলাবালি লীলাবালি বড় যুবতী সই মোর বড় যুবতী ঘরে কি দিয়া সাজাইমু তোরে। লীলাবালি লীলাবালি বড় যুবতী সই মোর বড়
এ তো ভালবাসা ন​য় ভালবাসা ন​য়​কামনা জ​ড়ানো চাওয়া,আঁধার পেরিয়ে আঁধারের সাথেআঁধারেতে ডুবে যাওয়া। দুখের এ মালা দিও না বঁধুয়া দাও
মোর ভাবনারে কি হওয়ায় মাতালো , দোলে মন দোলে অকারণ হরষে। হৃদয়গগনে সজল ঘন নবীন মেঘে রসের ধারা বরষে ।।
রিমঝিম বৃষ্টি অঝোর ধারায় ঝরে বৃষ্টি সূর্য ঢেকে নিল দৃষ্টি। রিমঝিম বৃষ্টি অঝোর ধারায় ঝরে বৃষ্টি সূর্য ঢেকে নিল দৃষ্টি।
একটুকু ছোঁয়া লাগে, একটুকু কথা শুনি - তাই দিয়ে মনে মনে রচি মম ফাল্গুনী ।। কিছু পলাশের নেশা কিছু বা চাঁপায় মেশা,
যখন ডাকল বাঁশি তখন রাঁধা যাবেই যমুনায় । যখন ডাকল বাঁশি তখন রাঁধা যাবেই যমুনায় । জ্বলে পুড়ে মরল রাঁধা
আজ ঠোঁটের কোলাজ, থামালো কাজ মন তোমাকে ছুঁয়ে দিলাম নাম, বুকের বোতাম হারানো খাম আজ কেন যে খুঁজে পেলাম দিন
এই কূলে আমি আর ঐ কূলে তুমি মাঝখানে নদী ঐ বয়ে চলে যায়। এই কূলে আমি আর ঐ কূলে তুমি
সিং নেই তবু নাম তার সিংহ ডিম নয় তবু অশ্ব ডিম্ব গায়ে লাগে চ্যাকা ভ্যাবাচাকা হাম্বা হাম্বা ডিগ ডিগ ডিগ
ওরে পাকা চুল কালো করে কলপ যে ঐ মাখে, নোংড়া গায়ের গন্ধ যে ঐ আতর ঘসে ঢাকে। খেয়ে যে লাথি
চোখ ছলছল করে, ওগো মা কি ব্যথা অন্তরে, ওগো মা ভাঙ্গনের যে খেলা চারিধার নেই আজ গান একতার চোখ ছলছল
তুমি কোন কাননের ফুল, কোন্‌ গগনের তারা। তুমি কোন কাননের ফুল, কোন্‌ গগনের তারা। তোমায় কোথায় দেখেছি যেন কোন্‌ স্বপনের
একটা ছেলে মনের আঙিনাতে ধীর পায়েতে এক্কা দোক্কা খেলে বন পাহাড়ি ঝর্না খুঁজে বৃষ্টি জলে একলা ভিজে। একটা ছেলে মনের
জাত গেল জাত গেল বলে একি আজব কারখানা জাত গেল জাত গেল বলে একি আজব কারখানা সত্য পথে কেউ নয়
দে লো সখী দে পরাইয়ে গলে, সাধের বকুলফুলহার। দে লো সখী দে পরাইয়ে গলে, সাধের বকুলফুলহার। আধফোঁটা জুঁইগুলি যতনে আনিয়া
চাঁদ উঠেছে ফুল ফুটেছে কদম তলায় কে হাতি নাচ্ছে ঘোড়া নাচ্ছে সোনামণির বে। চাঁদ উঠেছে ফুল ফুটেছে কদম তলায় কে
ভাবছো তুমি, ভাবছি আমি বেলা গেল। ঘরের ছেলে, ঘরেতে ফিরলো না কেন! আসে গানের কথা, আসে সুর কিছু। আসে শরীরটা
রাগ যে তোমার মিষ্টি রাগ যে তোমার মিষ্টি আরো অনুরাগের চেয়ে সাধ করে তাই তোমায় রাগাই ওগো সোনার মেয়ে রাগ
এক ফালি রোদ এসে হাতছানি ভীনদেশে নীল আশমানী, মনমানী যে আজ। সারাদিন, তেরে বিন কেটেছে এতো দিন। চল ঘরছাড়া, মন

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V