Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

কে তুমি কে তুমি! কে তুমি তন্দ্রাহরণী। দাঁড়িয়ে আমার চোখের আগে রাঙ্গালে এ মন পুস্পরাগে কে গো চম্পাবরণী। কে তুমি
কারার ঐ লৌহকপাট, ভেঙ্গে ফেল কর রে লোপাট, রক্ত-জমাট শিকল পূজার পাষাণ-বেদী। কারার ঐ লৌহকপাট, ভেঙে ফেল কর রে লোপাট,
আমার হাত বান্ধিবি, পা বান্ধিবি মন বান্ধিবি কেমনে? আমার চোখ বান্ধিবি, মুখ বান্ধিবি পরান বান্ধিবি কেমনে? আমার হাত বান্ধিবি, পা
আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারী আমি কি ভুলিতে পারি? ছেলে হারা শত মায়ের অশ্রু গ​ড়া এ ফেব্রুয়ারী আমি কি
যাও পাখি বল হাওয়া ছল ছল আবছায়া জানলার কাঁচ আমি কি আমাকে হারিয়েছি বাঁকে রুপকথা আনাচে -কানাচ আঙুলের কোলে জ্বলে
কৃষ্ণচূড়া শোন শোন শোন। সারাবেলা দোলায় তোকে ক্ষ্যাপা হাওয়া যে! ক্ষ্যাপা হাওয়া যে! তার পায়ের শব্দ যায় না শোনা পাতার
পুরানো দিন পুরানো মন পুরানো সবকিছু পিছনে ফেলে আয় ছুটে চলে, নতুনের ডাক শোনা যায় ওই আগামীর দিগন্ত ভুলে যাবে
দেখেছো কি তাকে ওই নীল নদীর ধারে বৃষ্টি পায়ে পায়ে তার কি যেন কি নাম জলে ভেজা মাঠে আকাশে হাত
যখন নীরবে দূরে দাঁড়াও এসে যেখানে পথ বেঁকেছে যখন নীরবে দূরে দাঁড়াও এসে যেখানে পথ বেঁকেছে তোমায় ছুঁতে চাওয়ার মুহূর্তরা
আমার সাথে তোমার কথা নেই জানি তবু তোমার সাথে আমার কথা আছে তোমার পাশে আমার ছায়া নেই জানি তবু আমার
 আমার   রাত পোহালো শারদ প্রাতে | বাঁশি , তোমায় দিয়ে যাবো কাহার হাতে || তোমার বুকে বাজলো ধ্বনি বিদায়গাথা
তুমি যাকে ভালবাসো স্নানের ঘরে বাষ্পে ভাসো তার জীবনে ঝ​ড়​ তুমি যাকে ভালবাসো স্নানের ঘরে বাষ্পে ভাসো তার জীবনে ঝ​ড়​
নাচ ময়ুরী নাচ রে, রুম ঝুমা ঝুম নাচরে । ঐ এলো আকাশ ছেয়ে ও বর্ষা রাণী সাজ রে । নাচ
ও ও ওওও ওও আয় রে ছুটে আয় পুজোর গন্ধ এসেছে। ও ও ওওও ওও আয় রে ছুটে আয় পুজোর
আমি তোমার কাছেই ফিরে আসবো তোমায় আবার ভালবাসবো তুমি কি ডাকবে মোরে চেনা সেই নামটি ধরে আমি তোমার কাছেই ফিরে
কিচ্ছু চাইনি আমি আজীবন ভালবাসা ছাড়া আমিও তাদেরই দলে বার বার মরে যায় যারা। না না, কিচ্ছু চাইনি আমি আজীবন
চল্‌ চল্ চল্ চল্‌ চল্ চল্ ঊর্দ্ধ গগনে বাজে মাদল, নিম্নে উতলা ধরণী তল অরুণ প্রাতের তরুণ দল চল্‌ রে
কোথা আছো গুরুদেব আমি জানি না তোমার করুণা ছাড়া কিছু চাই না কোথা আছো গুরুদেব আমি জানি না কোথা আছো
না না না না না না মাধবী ফুটেছে ওই হ্যাঁ তারা সব উঠেছে ওই হ্যাঁ ও ও ও ও আমি
আমরা মলয় বাতাসে ভেসে যাবো শুধু কুসুমের মধু করিবো পান। মলয় বাতাসে ভেসে যাবো শুধু কুসুমের মধু করিবো পান। ঘুমাবো
আশা ছিল ভালোবাসা ছিল আজ আশা নেই ভালোবাসা নেই এই সেই কৃষ্ণচূড়া যার তোলে দাঁড়িয়ে চোখে চোখ হাতে হাত কথা
ফেরারি আজ মন, তোকে ভেবে যখন​ সাজিয়েছি আমি আদুরে আলাপন। হো ও ও ওও ও হো ও ওও ওও ফেরারি
মেঘ কালো আঁধার কালো, আর কলঙ্ক যে কালো যে কালিতে বিনোদিনী হারালো তার কূল তার চেয়েও কালো কন্যা তোমার মাথার
মা তোর কত রঙ্গ দেখবো বল মা তোর কত রঙ্গ দেখবো বল আর কত কাল সইবো এ ছল। মা তোর

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V