Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

মুক্তির মন্দির সোপান তলে কত প্রাণ হল বলিদান লেখা আছে অশ্রুজলে। মুক্তির মন্দির সোপান তলে কত প্রাণ হল বলিদান লেখা
এ তুমি কেমন তুমি চোখের তারায় আয়না ধর ! এ কেমন কান্না তুমি আমায় যখন আদর কর ! এ তুমি
ও শ্যাম যখন তখন খেলোনা খেলা অমন ও শ্যাম যখন তখন খেলোনা খেলা অমন ধরলে আজ তোমায় ছাড়বনা না না
ও এহে হে হা হা হা মোর স্বপ্নের সাথী তুমি কাছে এসো আজ ঋতু ফাল্গুনে তবু দূরে থাকো বৃথা যায়
আঁকা বাঁকা পথে যদি মন হয়ে যায় নদী তীর ছুঁয়ে বসে থাকি না আমাকে ধরে রাখি না আঁকা বাঁকা পথে
বসন পরো মা, বসন পরো মা বসন পরো, পরো মা গো বসন পরো মা। চন্দনে চর্চিত জবা পদে দিব আমি
প্রজাপতি প্রজাপতি আমার ইচ্ছা হ​য়ে বনে বনে ঘাসে ঘাসে ওড়ে আর ফেরে প্রজাপতি প্রজাপতি প্রজাপতি আমার মনের মত ছোটো এক
ও কোকিলা তোরে সুধাই রে সবার-ই তো ঘর র​য়েছে কেনো রে তোর বাসা কোথাও নাই রে ও কোকিলা তোরে সুধাই
কেন কিছু কথা বলো না? শুধু চোখে চোখে চেয়ে যা কিছু চাওয়ার আমার নিলে সবই চেয়ে। এ কি ছলনা! কেন
চুড়ির তালে নুড়ির মালা রিনিঝিনি বাজে লো – খোঁপায় দোলে বুনো ফুলের কুঁড়ি। চুড়ির তালে নুড়ির মালা রিনিঝিনি বাজে লো
তুত তুরুরু তুরুরু তুরুরু রু তুত তুরুরু তুরুরু তুরুরু রু জানলা খোলা সন্ধেবেলা এলোমেলো শীত, ছন্নছাড়া দুঃখতারা হয়েছে অতীত। জানলা
আমি এত যে তোমায় ভালোবেসেছি আমি এত যে তোমায় ভালোবেসেছি তবু মনে হয় সে যেন তো কিছু নয় কেন আরো
ও লিলাক দিদি লিলো লো লিলো লো লিলো লো শাল তলে বেলা ডুবিল​ ও লিলাক দিদি লিলো লো লিলো লো
জীবন খাতার প্রতি পাতায় যতই লেখ হিসাব নিকাষ কিছুই রবে না । লুকোচুরির এই যে খেলা প্রাণের যত দেয়া নেয়া
দেখেছো কি তাকে ওই নীল নদীর ধারে বৃষ্টি পায়ে পায়ে তার কি যেন কি নাম জলে ভেজা মাঠে আকাশে হাত
হলুদ গাঁদার ফুল, রাঙা পলাশ ফুল এনে দে এনে দে নইলে রাঁধব না, বাঁধব না চুল। হলুদ গাঁদার ফুল, রাঙা
Male Version: আ আ আমি কি তোমায় খুব বিরক্ত করছি, বলে দিতে পারো তা আমায় হয়তো আমার কোনো প্রয়োজন নেই,
এলো বরষা যে সহসা মনে তাই, রিম ঝিম ঝিম রিম ঝিম ঝিম গান গেয়ে যাই। এলো বরষা যে সহসা মনে
ও ছেড়োনা ছেড়োনা হাত দেব না দেব না গো যেতে থাক আমার কাছে। ছেড়োনা ছেড়োনা হাত দেব না দেব না
বড় লোকের বেটি লো লম্বা লম্বা চুল, এমন মাথায় বেঁধে দেবো লাল গেন্দা ফুল। বড় লোকের বেটি লো লম্বা লম্বা
এরা      পরকে  আপন  করে, আপনারে পর --- বাহিরে বাঁশির রবে ছেড়ে যাই ঘর || ভালবাসে সুখে দুখে    ব্যথা সহে হাসিমুখে,
এই পথ যদি না শেষ হয় তবে কেমন হতো তুমি বলোতো ? এই পথ যদি না শেষ হয় তবে কেমন
প্রেমের জোয়ারে ভাসবে দোঁহারে - বাঁধন খুলে দাও, দাও দাও । ভুলিব ভাবনা, পিছনে চাব না - পাল তুলে দাও, দাও দাও ।
সহে না যাতনা দিবস গণিয়া গণিয়া বিরলে নিশিদিন বসে আছি শুধু পথপানে চেয়ে— সখা হে, এলে না । সহে না

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V