Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

বড় সঙ্কটে পড়িয়া দয়াল বারে বার ডাকি তোমায়।। ক্ষম ক্ষম অপরাধ দাসের পানে একবার চাও হে দয়াময়। তোমার ক্ষমতায় আমি
পাগলা খাবি কি ঝাঁঝে মরে যাবি পাগলা খাবি কি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ল​ড়ে যাবি পাগলা খাবি কি নর্থের গর্তে
এ গানে প্রজাপতি পাখায় পাখায় রঙ ছ​ড়ায়​ এ গানে রামধনু তার সাতটি রঙের দোল​ ঝরায়। এ গানে প্রজাপতি পাখায় পাখায়
পরিয়ে কৌপনি ধ্বজা মজা উড়ালো ফকিরী । দেখ না মন ঝাকমারি এই দুনিয়াদারি ।। বড় আশার বাসা এ ঘর পড়ে
উথালি পাথালি আমার বুক আমার, মনেতে নাই সুখরে আমায় ডুবাইলিরে আমায় ভাসাইলিরে অকুল দরীয়ায় বুঝি কুল নাইরে হেইয়া হেইয়া হেইয়া
মন আমার তোর কিনারে হারালো দিন দাহারে সে তোর মানছে না রে এবার ভালোবাসতে আয়। মন আমার তোর কিনারে হারালো
এই বালুকা বেলায় আমি লিখেছিনু একটি সে নাম আমি লিখেছিনু আজ সাগারের ঢেউ দিয়ে তারে যেন মুছিয়া দিলাম এই বালুকা
রোদন ভরা এ বসন্ত কখনো আসে নি বুঝি আগে। রোদন ভরা এ বসন্ত মোর বিরহবেদনা রাঙালো কিংশুকরক্তিমরাগে। রোদন ভরা এ
লুকিয়ে ভালোবাসব তারে আমি লুকিয়ে ভালোবাসব তারে জানতে দিব না, আমি লুকিয়ে ভালোবাসব তারে জানতে দিব না, আমি লুকিয়ে ভালোবাসব
এই মণিহার আমায় নাহি সাজে--- এরে   পরতে গেলে লাগে ,এরে ছিড়তে গেলে বাজে ।। কণ্ঠ যে রোধ করে,    সুর তো নাহি  সরে।
সমুদ্রের কিনারে বসে জল বিনে চাতকী ম'লো। হায়রে বিধি ওরে বিধি তোর মনে কি ইহাই ছিলো।। চাতক থাকে মেঘের আশে
ভালবাসার আগুন জ্বালাও ঝাড়বাতিটা নিভিয়ে দাও চোখের থেকে বিজলি ছোঁড়ো ওড়নাটাকে সরিয়ে নাও ভালবাসার আগুন জ্বালাও ভালবাসার আগুন জ্বালাও ওই
হলুদ গাঁদার ফুল, রাঙা পলাশ ফুল এনে দে এনে দে নইলে রাঁধব না, বাঁধব না চুল। হলুদ গাঁদার ফুল, রাঙা
রাত এখনও অনেক বাকি। কিছু তারা জেগে আছে তারি পানে এসো চেয়ে থাকি। রাত এখনও অনেক বাকি। কথার পাহাড় ভেঙ্গে
ওরা আমার মুখের ভাষা কাইরা নিতে চায়। ওরা আমার মুখের ভাষা কাইরা নিতে চায়। ওরা কথায় কথায় শিকল পরায় আমার
ওগো নিরুপমা করিও ক্ষমা তোমাকে আমার ঘরনি করিতে আমার মনের দোসর করিতে পারিলামনা পারিলামনা তো কিছুতেই ওগো নিরুপমা হয়তো তোমার
আমি         তারেই খুঁজে বেড়াই যে রয় মনে আমার মনে । সে           আছে
'আমি পথ ভোলা এক পথিক এসেছি । সন্ধ্যাবেলার চামেলি গো,  সকালবেলার মল্লিকা আমায় চেন কি ।' 'চিনি তোমায় চিনি, নবীন
এই শোনো তুমি শুনতে পাচ্ছো কি ? রাতের তারাগুলো গুনতে পারছ কি ? এই তোমার আমার এক মলাটের রাত আর
বঁধুয়া, নিদ নাহি আঁখিপাতে। আমিও একাকী, তুমিও একাকী আজি এ বাদল-রাতে। ডাকিছে দাদুরী মিলনতিয়াসে ঝিল্লি ডাকিছে উল্লাসে। পল্লীর বধু বিরহী
আ আ আ আ আ আ বাঁশি শুনে কি ঘরে থাকা যায় বাঁশি শুনে কি ঘরে থাকা যায় বলো গো
সকাল আসে না, আয়না হাসে না, জানলা খোলা মেঘ, সে ভালবাসে না না কিছু ভাবি না, রোদ এলো কিনা, স্নানের
বাড়ীর কাছে আরশী নগর সেথা পড়শী বসত করে এক ঘর​ পড়শী বসত করে আমি এক দিনও না দেখিলাম তারে। বাড়ীর
মরি হায় গো হায়। মরি হায় গো হায়। এলে যখন আমার ভাঙ্গা ঘরে শূন্য আঙিনায়। মরি হায় গো হায়। তখন

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V