Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

চিতল মাছের মুইঠা, গরম ভাতে দুইটা, ভুইলা বাঙ্গালী খায়, চিনা জাপানি,লুইটা পুইটা। চিতল মাছের মুইঠা, গরম ভাতে দুইটা, ভুইলা বাঙ্গালী
ও মন দিল না বঁধু, মন নিল যে শুধু, আমি কি নিয়ে থাকি? মন দিল না বঁধু, মন দিল না
সেদিন দুজনে দুলেছিনু বনে,  ফুলডরে বাঁধা ঝুলনা । সেই স্মৃতিটুকু  কভু খনে খনে  যেন জাগে মনে, ভুল না।। সেদিন বাতাসে ছিল
আমি এক যাযাবর, আমি এক যাযাবর, পৃথিবী আমাকে আপন করেছে ভুলেছি নিজের ঘর। আমি এক যাযাবর, আমি এক যাযাবর। আমি
এই কথাটি মনে রেখো তোমাদের এই হাসিখেলায় এই কথাটি মনে রেখো তোমাদের এই হাসিখেলায় আমি যে গান গেয়েছিলেম মনে রেখো
 ক্লান্তি আমার ক্ষমা কারো প্রভু, পথে যদি পিছিয়ে পিছিয়ে পড়ি কভু || এই-হিয়া থরোথরো   কাঁপে আজি এমনতরো এই বেদনা ক্ষমা
বেসামে বেসামে মুচো কোমো সি ফুয়েরা এস্তা নচে লা উলতিমা ভেজ বেসামে বেসামে মুচো কোয়েতেনঙ্গ মুয়েদো অ পেরদতে পেরদতে দেসপুইজ্
বনমালী গো তুমি আমারই মত পর জনমে হইয় রাধা। আমি মরিয়া হইব শ্রীনন্দের নন্দন তখন​ তোমাকে বানাইব রাধা। বনমালী গো
ব্রজ–গোপী খেলে হোরী হোরী রে ব্রজ–গোপী খেলে হোরী খেলে আনন্দ নবঘন শ্যাম সাথে। ব্রজ–গোপী খেলে হোরী হোরী রে ব্রজ–গোপী খেলে
চিন্তাময়ী তারা তুমি আমার চিন্তা করেছো কি? নামে জগৎ চিন্তাহরা তুমি নামে জগৎ চিন্তাহরা কিন্তুু কাজে তেমন কই মা দেখি?
এক বৈশাখে দেখা হল দুজনার জ্যৈষ্ঠে তে হল পরিচয় আসছে আষাঢ় মাস মন তাই ভাবছে কি হয় কি হয় কে
জানো যদি এ মন কি চায় জানো যদি এ মন কি চায় তবে কেন সরে আছো তুমি ক্ষতি কি আর
আমার ভিনদেশী তারা একা রাতেরই আকাশে তুমি বাজালে একতারা আমার চিলেকোঠার পাশে। ঠিক সন্ধ্যে নামার মুখে তোমার নাম ধরে কেউ
তোমায় পরেছে মনে আবার শ্রাবণ দিনে, একলা বসে নিরালায় হায়। তোমায় পরেছে মনে আবার শ্রাবণ দিনে, একলা বসে নিরালায় হায়।
কিচ্ছু চাইনি আমি আজীবন ভালবাসা ছাড়া আমিও তাদেরই দলে বার বার মরে যায় যারা। না না, কিচ্ছু চাইনি আমি আজীবন
এক যে ছিল রাজা হবু চন্দ্র তাহার নাম, ভারতের অধিশ্বর দিল্লীতে তার ধাম। প্রধান মন্ত্রী তার গবু চন্দ্র শুভ নাম,
জীবন খাতার প্রতি পাতায় যতই লেখ হিসাব নিকাষ কিছুই রবে না । লুকোচুরির এই যে খেলা প্রাণের যত দেয়া নেয়া
মেঘেদের মিনারে দিগন্তের কিনারে বাদল আঁধার করেছে আবার আমার এই ঘর​ মেঘেদের মিনারে দিগন্তের কিনারে বাদল আঁধার করেছে আবার আমার
প্রাণে খুশির তুফান উঠেছে । ভয়-ভাবনার বাধা টুটেছে ।। দুঃখকে আজ কঠিন   বলে জড়িয়ে ধরতে বুকের তলে উধাও হয়ে হৃদয় ছুটেছে
শুনে দেখো গান আমার হয়তো ভাল লেগে যেতে পারে। একটু সময় দিতে হায়, বদলে যেতে পারে তোমার কান। তোমার জানলায়
আ আ আ আ আআআআআআআআ নিঝুম সন্ধ্যায় পান্থ পাখিরা বুঝিবা পথ ভুলে যায়। নিঝুম সন্ধ্যায় পান্থ পাখিরা বুঝিবা পথ ভুলে
আজি বসন্ত জাগ্রত দ্বারে। বসন্ত জাগ্রত দ্বারে। তব অবগুন্ঠিত কুন্ঠিত জীবনে কোরো না বিড়ম্বিত তারে। বসন্ত জাগ্রত দ্বারে। আজি খুলিয়ো
হে পিন্দারে পলাশের বন পালাবো পালাবো মন হে পিন্দারে পলাশের বন পালাবো পালাবো মন পিন্দারে পলাশের বন পালাবো পালাবো মন
আমার তো গল্প বলা কাজ নটে গাছ মুরিয়েছে আজ্ এবার ফিরি তবে পাহাড়ের ঢাল গুনে গুনে কাঁটা কাঁটা ঘসে ঘসে

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V