Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

আশা ছিল ভালোবাসা ছিল আজ আশা নেই ভালোবাসা নেই এই সেই কৃষ্ণচূড়া যার তোলে দাঁড়িয়ে চোখে চোখ হাতে হাত কথা
রিমঝিম বৃষ্টি অঝোর ধারায় ঝরে বৃষ্টি সূর্য ঢেকে নিল দৃষ্টি। রিমঝিম বৃষ্টি অঝোর ধারায় ঝরে বৃষ্টি সূর্য ঢেকে নিল দৃষ্টি।
কৃষ্ণকলি আমি তারেই বলি, কালো তারে বলে গাঁয়ের লোক । মেঘলা দিনে দেখেছিলেম মাঠে কালো মেয়ের কালো হরিণ-চোখ । ঘোমটা
ওগো যা পেয়েছি সেইটুকুতেই খুশি আমার মন​ কেন একলা বসে হিসেব কষে নিজেরে আর কাঁদাই অকারণ​। চৈত্রবেলায় ঝরা পাতার কান্না
এক ঝাঁক পাখিদের মত কিছু রোদ্দুর বাধা ভেঙ্গে জানলার শার্শী সমুদ্দুর একঝাঁক পাখিদের মত কিছু রোদ্দুর এল আঁধারের শত্তুর। এক
নাম রেখেছি বনলতা যখন দেখেছি হয়তো বা সেইক্ষণেই তোমায় ভালবেসেছি নাম রেখেছি বনলতা যখন দেখেছি হয়তো বা সেইক্ষণেই তোমায় ভালবেসেছি
তুমি কত যে দূরে কোথা যে হারিয়ে গেলে, আমার জীবন হতে, ঠিকানা নেই, বলো খুঁজি কোথায়? তুমি কতো যে দূরে
পাগলা খাবি কি ঝাঁঝে মরে যাবি পাগলা খাবি কি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ল​ড়ে যাবি পাগলা খাবি কি নর্থের গর্তে
চাঁদ উঠেছে ফুল ফুটেছে কদম তলায় কে হাতি নাচ্ছে ঘোড়া নাচ্ছে সোনামণির বে। চাঁদ উঠেছে ফুল ফুটেছে কদম তলায় কে
ওগো আর কিছু তো নাই বিদায় নেবার আগে তাই তোমারি নয়নে পাওয়া তোমারি সুরে গাওয়া এ গান খানি রেখে যাই
যা যারে যা যা পাখি,আর কিছু নাই যা ঢেকে রাখি।এ বাঁধন ছিঁড়ে উড়ে যা।এই শুধু বলি তারে,মোর মন কাঁদে আজও
মধু বনে বাঁশি বাজে রাধা হল বেমনা ও মন কেন মানে না রাধা বাঁশি ছাড়া জানে না মন কেন রাধা
মধু মালতী ডাকে আয় ফুল ফাগুনের এ খেলায় মধু মালতী ডাকে আয় মধু মালতী ডাকে আয় ফুল ফাগুনের এ খেলায়
আলগা করো গো খোপার বাঁধন দিল ওহি মেরা ফাস গায়ি দিল ওহি মেরা ফাস গায়ি আলগা করো গো খোপার বাঁধন
মম চিত্তে নিতি নৃত্যে কে যে নাচে তাতা থৈথৈ, তাতা থৈথৈ, তাতা থৈথৈ। মম চিত্তে নিতি নৃত্যে কে যে নাচে
আমি বেল ফুল ফিরি করি পাড়ায় পাড়ায়। বেল ফুল ফিরি করি পাড়ায় পাড়ায়। বেল ফুল ফিরি করি পাড়ায় পাড়ায়। এ
দিনে দিনে হলো আমার দিন আখেরি । আমি কোথায় ছিলাম কোথায় এলাম সদাই ভেবে মরি ।। বসত করি দিবা রাতে
এখন অনেক রাত, তোমার কাঁধে আমার নিঃশ্বাস, আমি বেঁচে আছি তোমার ভালোবাসায়। ছুঁয়ে দিলে হাত, আমার বৃদ্ধবুকে তোমার মাথা চেপে
বয়েই গেছে বয়েই গেছে তোমার ডাকে সারা দিতে বয়েই গেছে সাত রাজাধন মানিক যখন পাওয়াই আমার হয়েই গেছে বয়েই গেছে
এই বালুকা বেলায় আমি লিখেছিনু একটি সে নাম আমি লিখেছিনু আজ সাগারের ঢেউ দিয়ে তারে যেন মুছিয়া দিলাম এই বালুকা
ঠুং ঠাং ঠুং ঠাং চুড়ির তালে থৈথৈ বন্যা নাচেরে। ঠুং ঠাং ঠুং ঠাং চুড়ির তালে থৈথৈ বন্যা নাচেরে। রিমঝিম রিমঝিম
আ আ আ ও ও ও ওঠো ওঠো সূর্যাই রে ঝিকিমিকি দিয়া কালকে তুমি আঁধার রাতে কোথায় ছিলে গিয়া ওঠো
ভাবছো তুমি, ভাবছি আমি বেলা গেল। ঘরের ছেলে, ঘরেতে ফিরলো না কেন! আসে গানের কথা, আসে সুর কিছু। আসে শরীরটা
যত দূরে যাবে চোখ তুমি ছাড়া- কিচ্ছু নেই কেউ কোথাও - নোনা জলে ডুবে আছে  গোটা পাড়া সাবধানে দুঃখ দাও

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V