Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

কেমন করে খোলা ঘাটে নাইবো বল না? কেমন করে খোলা ঘাটে নাইবো বল না? কেমন করে খোলা ঘাটে নাইবো বল
আমার মনটা টানে আমার মনটা টানে ঘরের পানে কোথায় আমার ঘর যদি মন ঘরানি পাবে সে ঘর আশার খুঁটি দিয়া
কথায় কথায় যে রাত হয়ে যায়কি কথা রাখলে বাকি।কথায় কথায় যে রাত হয়ে যায়কি কথা রাখলে বাকি। খুঁজে দেখনা বুঝে
আমি দূর হতে তোমারেই দেখেছি আর মুগ্ধ এ চোখে চেয়ে থেকেছি আমি দূর হতে তোমারেই দেখেছি আর মুগ্ধ হয়ে চোখে
আয়নাতে ঐ মুখ দেখবে যখন কপোলের কালো তিল পড়বে চোখে ফুটবে যখন ফুল বকুল শাখে ভ্রমর যে এসেছিলো জানবে লোকে।
কঠিন, তোমাকে ছাড়া একদিন কাটানো একরাত, বাড়াও দু হাত হয়ে যাও আজ বাধাবিহীন। বলো, কবিতা হয়ে চলো বাগানে দাবানল জমানো
তোমার কাছে ফাগুন চেয়েছে কৃষ্ণচূড়া তোমার কাছে ফাগুন চেয়েছে কৃষ্ণচূড়া তুমি তাই দুহাত ভরে দিলে আগুন উজার করে সে কি
মোমের পুতুল মমীর দেশের মেয়ে নেচে যায়।বিহ্বল –চঞ্চল–পায়।বিহ্বল –চঞ্চল–পায়। খর্জুর–বীথির ধারেসাহারা মরুর পারেবাজায় ঘুমুর ঝুমুর ঝুমুর মধুর ঝঙ্কারে।বাজায় ঘুমুর ঝুমুর
ওরে     আয় রে ওরে     আয় রে তবে, মাত রে সবে আনন্দে আজ    নবীন প্রানের বসন্তে । ওরে
যখন নীরবে দূরে দাঁড়াও এসে যেখানে পথ বেঁকেছে যখন নীরবে দূরে দাঁড়াও এসে যেখানে পথ বেঁকেছে তোমায় ছুঁতে চাওয়ার মুহূর্তরা
ওই ঘুম ঘুম ঘুমন্ত ঘুম ঘুম পাহাড়ে দূর দূর দিগন্তে পড়ে তার ছায়া রে, মোর মন আনমন, জানি না কেন,
এই নিশি রাত নিশি রাত - বাঁকা চাঁদ আকাশে, চুপি চুপি বাঁশি বাজে বাতাসে-এ বাতাসে-এ, নিশি রাত - বাঁকা চাঁদ
প্রতিমা বন্দ্যোপাধ্যায় ------------------------ নাও গান ভরে, নাও প্রাণ ভরে সুরে যাই যেখানে প্রান্তর সোনার ধানের শীষে ডাকে সেখানে সোনা ভরা
হায় হায় প্রাণ যায়, প্রাণ যায় যায় প্রাণ যায়। চোখ তারি, যেন কাটারি, দিল খুনে খুনে ভরে যায়। হে হে
লীলাবালি লীলাবালি বড় যুবতী সই মোর বড় যুবতী ঘরে কি দিয়া সাজাইমু তোরে। লীলাবালি লীলাবালি বড় যুবতী সই মোর বড়
ও বন্ধ দ্বারের অন্ধকারে থাকবো না তা রা রা রা রা রা মন কে তো আর বন্দি করে রাখবো না
আমার চেতনা চৈতন্য করে দে মা চৈতন্যময়ী। আমার চেতনা চৈতন্য করে দে মা চৈতন্যময়ী। তোর ভাব সাগরে ভেসে আমি তোর
তোমরা যতই আঘাত করো নেইকো অপমান শুধু আমায় দাও গো সুযোগ শোনাতে এই গান তোমরা যতই তোমরা যতই আঘাত করো
এই তো হেথায়ে কুঞ্জ ছায়ায় স্বপ্ন মধুর মোহে এই জীবনে যে কটি দিন পাব তোমায়ে আমায়ে হেসে খেলে কাটিয়ে যাব
ওরে গৃহবাসী খোল, দ্বার খোল, লাগলো যে দোল । স্থলে জলে বনতলে লাগলো যে দোল । দ্বার খোল, দ্বার খোল ।।
তেলের শিশি ভাঙল বলে খুকুর পরে রাগ করো। তোমরা যে সব বুড়ো খোকা ভারত ভেঙে ভাগ করো! তার বেলা? তার
এই শোনো তুমি শুনতে পাচ্ছো কি ? রাতের তারাগুলো গুনতে পারছ কি ? এই তোমার আমার এক মলাটের রাত আর
মধু বনে বাঁশি বাজে রাধা হল বেমনা ও মন কেন মানে না রাধা বাঁশি ছাড়া জানে না মন কেন রাধা
চম্পা চামেলী গোলাপেরই বাগে চম্পা চামেলী গোলাপেরই বাগে এমন মাধবী নিশি আসেনি তো আগে এমন মাধবী নিশি আসেনি তো আগে।

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V