Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

বল বল বল সবে শত বীণা বেনু রবে ভারত আবার জগত সভায় শ্রেষ্ঠ আসন লবে বল বল বল সবে শত
একবার বিদায় দে মা ঘুরে আসি। একবার বিদায় দে মা ঘুরে আসি। হাসি হাসি পরব ফাঁসি দেখবে ভারতবাসী। আমি হাসি
মোর প্রিয়া হবে এসো রানী দেব খোঁপায় তারার ফুল কর্ণে দোলাব তৃতীয়া তিথির চৈতী চাঁদের দুল। খোঁপায় তারার ফুল। মোর
মিলন হবে কত দিনে আমার মনের মানুষের সনে ।। চাতক প্রায় অহর্নিশি চেয়ে আছি কালো শশী হব বলে চরণ দাসী
দীপ ছিল, শিখা ছিল, শুধু তুমি ছিলে না বলে আলো জ্বলল না। ভাষা ছিল, কথা ছিল, কাছে ডাকলে না বলে
মেঘ থম থম করে কেউ নেই নেই জল থৈ থৈ তীরে কিছু নেই নেই ভাঙ্গনের যে নেই পারাপার তুমি আমি
ও ছেড়োনা ছেড়োনা হাত দেব না দেব না গো যেতে থাক আমার কাছে। ছেড়োনা ছেড়োনা হাত দেব না দেব না
ও আমার কাঁধের আঁচল যায় পরে। ও আমার কাঁধের আঁচল যায় পরে। থাকে না মন যে আমার আর ঘরে। ও
একটা মন হাঁটিহাঁটি পায় আঁকাবাঁকা রেলগাড়ি মেঘ এসে চোখে দিল রঙ হাতে দিল ডাকটিকিট। বৃষ্টি মেশে ড্র​য়িং খাতায় ফুল ফল
এই ভালো এই খারাপ ও প্রেম মানে মিষ্টি পাপ চলো মানে মানে দিয়ে ফেলি ডুব তুমি আমি মিলে। দুজনেই মনটাকে
লাবণ্যে পূর্ণ প্রাণ, প্রাণেশ হে, একি লাবণ্যে পূর্ণ প্রাণ, প্রাণেশ হে, আনন্দবসন্তসমাগমে। একি লাবণ্যে পূর্ণ প্রাণ, প্রাণেশ হে বিকশিত প্রীতিকুসুম
প্রতিমা বন্দ্যোপাধ্যায় ------------------------ নাও গান ভরে, নাও প্রাণ ভরে সুরে যাই যেখানে প্রান্তর সোনার ধানের শীষে ডাকে সেখানে সোনা ভরা
বেঁচে থেকে লাভ কি বল তোকে ছাড়া আর, খুঁজেছে জবাব অচল মন কোথাকার। জানে স্বপ্ন তার পাতায় কত কি কত
এই নিশি রাত নিশি রাত - বাঁকা চাঁদ আকাশে, চুপি চুপি বাঁশি বাজে বাতাসে-এ বাতাসে-এ, নিশি রাত - বাঁকা চাঁদ
মা আমার সাধ না মিটিল আশা না পুরিল সকলি ফুরায়ে যায় মা। আমার সাধ না মিটিল আশা না পুরিল সকলি
আমি গান শোনাবো একটি আশা নিয়ে এ গান যেন তোমার ভাল লাগে আমি রঙ ছড়াবো একটি তুলি দিয়ে সে গান
          পুরানো সেই দিনের কথা ভুলবি কি রে হায় । ও সেই      চোখের দেখা,
আমার মাথা নত করে দাও হে তোমার চরণধুলার তলে। সকল অহংকার হে আমার ডুবাও চোখের জলে। আমার মাথা নত করে
বিরস দিন বিরল কাজ, প্রবল বিদ্রোহে এসেছ প্রেম, এসেছ আজ কী মহা সমারহে ।। একেলা রই আলসমন,   নীরব এই ভবনকোণ, ভাঙিলে দ্বার
ওরা আমার মুখের ভাষা কাইরা নিতে চায়। ওরা আমার মুখের ভাষা কাইরা নিতে চায়। ওরা কথায় কথায় শিকল পরায় আমার
সংকোচের বিহ্বলতা নিজেরে অপমান সংক্টের কল্পনাতে হয়ো না মৃয়মাণ সংকোচের বিহ্বলতা নিজেরে অপমান সংক্টের কল্পনাতে হয়ো না মৃয়মাণ আ আহা
আজি        বিজন ঘরে নিশীথরাতে আসবে যদি শূন্য হাতে -      আমি       তাই তে
তোমাদের আসরে আজ এই তো প্রথম গাইতে আসা তোমাদের আসরে আজ এই তো প্রথম গাইতে আসা বিনিময়ে চাই তোমাদের প্রশংসা
ও বাঁশি হায় বাঁশি কেন গায় আমারে কাঁদায় কে গেছে হারায় স্মরণের বেদনায় কেন মনে এনে দেয় আ আ বাঁশি

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V