Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

আহ! বাঁশি শুনে আর কাজ নাই সে যে ডাকাতিয়া বাঁশি। বাঁশি শুনে আর কাজ নাই সে যে ডাকাতিয়া বাঁশি। সে
যে জন প্রেমের ভাব জানে না তার সঙ্গে নাই লেনাদেনা খাঁটি সোনা ছাড়িয়া যে নেয় নকল সোনা সে জন সোনা
আমি   হৃদয়ের কথা বলিতে ব্যাকুল, শুধাইল না কেহ। সে তো  এল না যারে সঁপিলাম এই প্রাণ মন দেহ।। সে
হে কৃষ্ণ করুণাসিন্ধু দীনবন্ধু জগ​ৎপতেগোপেশ ও গোপিকা কান্ত রাধাকান্ত নমস্তুতে।বাজুক ডম্ম রে রবাব পাখোয়াজ করতাল তালধরল মেলিচলদচিত্রগতি সকল কলাবতীকরে করে
লালালা লালালা লালা লালা লালালা লালালা লালা লালা লা লালালা লা লালালা লালালা লালালা সেদিনও ছিল দুপুর এমন ঝকঝকে রোদ
অন্ধকারের উত্স হতে উত্সারিত আলো সেই তো তোমার আলো ! সকল দন্দ্ববিরোধ-মাঝে জাগ্রত যে ভালো সেই তো তোমার ভালো ।।
আজ যত যুদ্ধবাজ দেয় হানা হামলাবাজ আমাদের শান্তি সুখ করতে চায় লুটতরাজ। আজ যত যুদ্ধবাজ দেয় হানা হামলাবাজ আমাদের শান্তি
ওরে গৃহবাসী খোল, দ্বার খোল, লাগলো যে দোল । স্থলে জলে বনতলে লাগলো যে দোল । দ্বার খোল, দ্বার খোল ।।
ধি রা না না ধিন ধি রা না ধি রা না না ধিন ধি রা না পোড়া বাঁশি ডাক দিয়ে
তারে বলে দিও সে যেন আসে না আমার দ্বারে তারে বলে দিও সে যেন আসে না আমার দ্বারে তারে বলে
আঃ শশীকান্ত কি হচ্ছে দাদরা বাজাও দাদরা কাহারবা নয় দাদরা বাজাও কাহারবা নয় দাদরা বাজাও উল্ট পাল্টা মারছ চাঁটি শশীকান্ত
ওরে গেইলে কি আসিবেন মোর মাহুত বন্ধুরে? ওরে গেইলে কি আসিবেন মোর মাহুত বন্ধুরে? হস্তির নড়ান হস্তির চড়ান হস্তির গলায়
কে জানে ক'ঘন্টা পাবে রে জীবনটা? কে জানে ক'ঘন্টা পাবে রে জীবনটা? যেটুকু চোখে পরে মনে ধরে নিয়ে যা। যে
কিছুদিন মনে মনে- কিছুদিন মনে মনে ঘরের কোণে শ্যামের পিরিত রাখ গোপনে। কিছুদিন মনে মনে- ইশারায় কইবি কথা গোঠে মাঠে,
দোলে দোদুল দোলে ঝুলনা । দোলে দোদুল দোলে ঝুলনা । দোলে কৃষ্ণ দোলে ঝুলনা । দোলে রাই দোলে ঝুলনা ।
সংকোচের বিহ্বলতা নিজেরে অপমান সংক্টের কল্পনাতে হয়ো না মৃয়মাণ সংকোচের বিহ্বলতা নিজেরে অপমান সংক্টের কল্পনাতে হয়ো না মৃয়মাণ আ আহা
জেনে শুনে বিষ করেছি পান। আমি- জেনে শুনে বিষ করেছি পান। প্রাণের আশা ছেড়ে সঁপেছি প্রাণ। আমি- জেনে শুনে বিষ
কত যে তোমাকে বেসেছি ভালো সে কথা তুমি যদি জানতে কত যে তোমাকে বেসেছি ভালো সে কথা তুমি যদি জানতে
কোথা আছো গুরুদেব আমি জানি না তোমার করুণা ছাড়া কিছু চাই না কোথা আছো গুরুদেব আমি জানি না কোথা আছো
ওই বুঝি ওই বুঝি কালবৈশাখী সন্ধ্যা-আকাশ দেয় ঢাকি ওই বুঝি ওই বুঝি কালবৈশাখী ভ​য় কি রে তোর ভ​য় কারে দ্বার
কিভাবে কত কি পুড়ে ছাই। কখন কে জানে রাস্তার মোড়ে হাত নাড়ি বিদায় বাসের সারি বুকের ভেতর ভাড়ি পাথরের ছোঁয়াটুকু
আমরা নতুন যৌবনেরই দূত । আমরা চঞ্চল আমরা অদ্ভূত । আমরা বেড়া ভাঙি , আমরা অশোকবনের রাঙা নেশায় রাঙি । ঝঙ্ঝার বন্ধন
এই তো হেথায়ে কুঞ্জ ছায়ায় স্বপ্ন মধুর মোহে এই জীবনে যে কটি দিন পাব তোমায়ে আমায়ে হেসে খেলে কাটিয়ে যাব
ওই বিহুর ডাকে যায় ভেসে মন​ মন পাখি যায় রে বাঁকে আজ পরব দিনে আসাম গেছে মন আমার ধামসার তালে

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V