Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

কেন কেন সর্বনাশের নেশা ধরিয়ে তুমি এলে না যে মরি লাজে বুকে বাজে মন লাগে না আর কোন কাজে মরি
তুই চিরদিন তোর দরজা খুলে থাকিস অবাধ আনাগোনার হিসেব কেন রাখিস ? সাক্ষাত আলাদিন তোর প্রদীপ ভরা জিনে কেন খুঁজতে
ও বাবুমশাই এখন আমি কি শোনাই শহরতারে গোলক ধাঁধাঁয় আঁধার হল মন শহরতারে গোলক ধাঁধাঁয় আঁধার হল মন মন্দ ভালোর
শ্যামা মা কি আমার কালোরে শ্যামা মা কি আমার কালো। লোকে বলে কালি কালো আমার মন তো বলেনা কালো রে।
জলে ভাসা পদ্ম আমি, শুধুই পেলাম ছলনা। ও আমার সহেলি, আমার নেই তো কথাও কোনো ঠাঁই। বুকের জ্বালা কোথায় যে
ফাঁকা ফ্রেম আর অকেজো হাতঘড়ি নিয়ে এখন আমি কি করি? অ্যান্টেনায় আর অশ্বত্থের ডালে ঝুলে থাকি প্রতেক সকালে শহুরে সন্ধ্যায়
এটা গল্প কার দেখো লিখছে কে ভুলে অন্ধকার আলো শিখছে কে এটা গল্প কার দেখো লিখছে কে ভুলে অন্ধকার আলো
ও প্রজাপতি প্রজাপতি পাখনা মেলো ও প্রজাপতি প্রজাপতি পাখনা মেলো আমার এই মনের আঁধার কোণে কোণে রঙে রঙে রংমশাল জ্বালো
সাত ভাই চম্পা জাগো রে জাগো রে ঘুম ঘুম থাকে না ঘুমের এই ঘোরে একটি পারুল বোন আমি তোমার আমি
খোলাখুলি বলতে গেলে, পরে গেছি তোর কবলে, তলিয়েছে মন, ভীষণ রকম, অথৈ জলে। খোলাখুলি বলতে গেলে, পরে গেছি তোর কবলে,
মুসাফির মোছ রে আঁখিজল ফিরে চল আপনারে নিয়া। মুসাফির মোছ রে আঁখিজল ফিরে চল আপনারে নিয়া। আপনি ফুটেছিল ফুল গিয়াছে
বল না রে মন কোথায় যাবি, কোথায় গেলে শান্তি পাবি। বল না রে মন কোথায় যাবি, কোথায় গেলে শান্তি পাবি।
এতো কাছে দুজনে প্রেম ভরা যৌবনে এতো কাছে দুজনে প্রেম ভরা যৌবনে হঠাৎ ভুলে ভুল না হয়ে যায় এতো কাছে
এসো মিলে মিশে থাকি ধরে শরীরে জোনাকি ভালবাসার​ এসো হাতে হাত রাখি আছে যেটুকু যা বাকি কাছে আসার কাছে আসার
গৌরীশৃঙ্গ তুলেছে শির বহিছে সিন্ধু গর্জমান ভল্গা যমুনা রাইনে নাইলে মিসিসিপি মিলে তুলেছে তান নওজওয়ান গৌরীশৃঙ্গ তুলেছে শির বহিছে সিন্ধু
হও ধরমেতে ধীর হও করমেতে বীর, হও উন্নতশির - নাহি ভয়। হও ধরমেতে ধীর হও করমেতে বীর, হও উন্নতশির -
কোথা আছো গুরুদেব আমি জানি না তোমার করুণা ছাড়া কিছু চাই না কোথা আছো গুরুদেব আমি জানি না কোথা আছো
চম্পা চামেলী গোলাপেরই বাগে চম্পা চামেলী গোলাপেরই বাগে এমন মাধবী নিশি আসেনি তো আগে এমন মাধবী নিশি আসেনি তো আগে।
প্রেমের জোয়ারে ভাসবে দোঁহারে - বাঁধন খুলে দাও, দাও দাও । ভুলিব ভাবনা, পিছনে চাব না - পাল তুলে দাও, দাও দাও ।
এই ছন্দ এ আনন্দ এ যে বিধাতার মহাদান। আনন্দে পাখি গায় ঝর্ণারা ছুটে যায় ফুল দিয়ে যায় তার গন্ধ। এই
হো হো হো হো হো হো হো হো হো বিস্তীর্ণ দুপারের, অসংখ্য মানুষের হাহাকার শুনেও নিঃশব্দে নীরবে, ও গঙ্গা তুমি
আমি তোমার সঙ্গে বেঁধেছি আমার প্রাণ সুরের বাঁধনে— তুমি জান না, আমি তোমারে পেয়েছি অজানা সাধনে ।। সে সাধনায় মিশিয়া
চাঁদের গায়ে চাঁদ লেগেছে           আমরা ভেবে করবো কি ঝিয়ের পেটে মায়ের জন্ম      
না এখনি নয় এখনি নয় যাবে যদি যেও কিছু পরে। যেতে মন চায় নাতো তবুও যাই যাই করে। বেশী তো

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V