Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

এ মন আমার হারিয়ে যায় কোন খানে, কেউ জানে না শুধু আমার মন জানে। আজকে শুধু হারিয়ে যাবার দিন, কেউ
কাঁচের চুড়ির ছটা খেয়াবাজের ছলনা কাঁচের চুড়ির ছটা খেয়াবাজের ছলনা আগুনেতে ছটা নাকি ছটায় আগুন বল না কাঁচের চুড়ির ছটা
তুমি আসবে বলেই- তুমি আসবে বলেই, আকাশ মেঘলা বৃষ্টি এখনো হয়নি। তুমি আসবে বলেই, কৃষ্ণচূড়ার ফুলগুলো ঝরে যায়নি। তুমি আসবে
ময়নামতীর পথের ধারে দেখা হয়েছিল ময়নামতীর পথের ধারে দেখা হয়েছিল আরে না না না তেপান্তরের মাঠের 'পরে দেখা হয়েছিল আরে
মেঘ পাখি, ঝরা পাতা, এলোমেলো হাওয়া, তোর চোখ জুড়ে স্বপ্ন আর সহস্র চাওয়া, তোর ঠোঁট চাপা হাসি আর চোখে চাপা
হলুদ গাঁদার ফুল, দে এনে দে। সাতনুরি হার কানে ঝুমকোলতা, রূপকুমারী মেয়ে মান করেছে বাঁধবে না সে চুল বাঁধবে না
লাল পাহাড়ের দেশে যা রাঙা মাটির দেশে যা হিতাক তোকে মানাইছেনাই রে এক্কেবারে মানাইছেনাই রে লাল পাহাড়ের দেশে যাবি হাড়িয়া
জলছবি, রং-মশাল, স্কুল ছুটির হজমিরা, রূপকথার পায়রাদের গল্প বল । বন্ধু চল । রামধনু, ঝালমুড়ি, হাফ টিকেট, আব্বুলিশ, বিটনুন আর
তোমার আকাশ দুটি চোখে, আমি হয়ে গেছি তারা। ওগো তোমার আকাশ দুটি চোখে, আমি হয়ে গেছি তারা। এই জীবন ছিল
ওপেন টি বায়োস্কোপ​ টাঁই টুঁই টায়োস্কোপ​ লে লে বাবু ছ​য়​-আনা লে লে বাবু সাত​-আনা লে লে বাবু আট​-আনা কি চায়​
আমার মনটা টানে আমার মনটা টানে ঘরের পানে কোথায় আমার ঘর যদি মন ঘরানি পাবে সে ঘর আশার খুঁটি দিয়া
একটুখানি পাশ ফিরেছি একটুখানি পাশ ফিরেছি সারা নিশি মালা গেঁথে। একটুখানি পাশ ফিরেছি সারা নিশি মালা গেঁথে। কে আবার এলি
বঁধুয়া! বল বল বঁধুয়া আ আআআআআআ কেন গেল পরবাসে বল বঁধুয়া কেন গেল পরবাসে বল বঁধুয়া গরজে বরষে মানে না
আমার বেঁচে থাকা কারণ শুধু তুই তোকে আছে বলা আজ এটুকুই, জানি ঠিকই ধরবি রে হাত, শূন্য পথে দেখ চলছে
সংকোচের বিহ্বলতা নিজেরে অপমান সংক্টের কল্পনাতে হয়ো না মৃয়মাণ সংকোচের বিহ্বলতা নিজেরে অপমান সংক্টের কল্পনাতে হয়ো না মৃয়মাণ আ আহা
লাগে দোল লাগে দোল লাগে দোল পাতায় পাতায় বকুল বনের শাখে। কে যাবি, কে যাবি আয় ছুটে, আয় ছুটে মন
  এই রাত তোমার আমার । ওই চাঁদ তোমার আমার । শুধু দু'জনের- এই রাত শুধু যে গানের । এই
আজ বিকেলের ডাকে তোমার চিঠি পেলাম। আজ বিকেলের ডাকে তোমার চিঠি পেলাম। রঙ্গিন খামে যত্নে লেখা আমারই নাম। আজ বিকেলের
জাত গেল জাত গেল বলে একি আজব কারখানা ! সত্য কাজে কেউ নয় রাজি সবই দেখি তা না না না
ঠিক এমন এভাবে তুই থেকে যা স্বভাবে আমি বুঝেছি ক্ষতি নেই আর তুই ছাড়া গতি নেই ছুঁয়ে দে আঙুল ফুটে
আমার মল্লিকাবনে যখন প্রথম ধরেছে কলি আমার মল্লিকাবনে যখন প্রথম ধরেছে কলি আমার মল্লিকাবনে তোমার লাগিয়া তখনি, বন্ধু, বেঁধেছিনু অঞ্জলি
শুভ্র শঙ্খরবে সারা নিখিল ধ্বনিত। আকাশতলে অনিলে জলে দিকে দিগন্তরে সকল লোকে পুরে বনে বনান্তরে নৃত্যগীত ছন্দে নন্দিত। শুভ্র শঙ্খরবে।
চলে যেতে যেতে দিন বলে যায় আধাঁরের শেষে ভোর হবে হয়তো পাখীর গানে গানে তবু কেন মন উদাস হল হয়তো
সকলি তোমারি ইচ্ছা, ইচ্ছাময়ী তারা তুমি তোমার কর্ম তুমি করো মা, লোকে বলে করি আমি। সকলি তোমারি ইচ্ছা, ইচ্ছাময়ী তারা

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V