Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

নিম ফুলের মউ পি’য়ে ঝিম হয়েছে ভোমরা। ঝিম হয়েছে ভোমরা, ঝিম হয়েছে ভোমরা। নিম ফুলের মউ পি’য়ে ঝিম হয়েছে ভোমরা।
আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি। চিরদিন তোমার আকাশ, চিরদিন তোমার আকাশ, তোমার বাতাস, আমার প্রাণে ও গো, আমার প্রাণে
ও যে মানে না মানা। আঁখি ফিরাইলে বলে, 'না, না, না।' ও যে মানে না মানা। আঁখি ফিরাইলে বলে, 'না,
ঝিলমিল ঝাউয়ের বনে ঝিকিমিকি তার ফাঁক দিয়ে যে চাঁদ মারে উঁকি ও চাঁদ বড় প্রিয়, আমায় ধরো দেখি পাবে না,
আমার মনের এই ময়ূরমহলে এসো আজ প্রেমের আতর ঢেলে দাও। বেগম রাতটার গায়ে তারা ওড়না দুচোখে আজ নয় ঝাড়বাতি জ্বেলে
এমন মানব জনম আর কি হবে ? মন যা কর ত্বরায় কর এই ভবে।। অনন্ত রূপ সৃষ্টি করলেন সাঁই শুনি
প্রাণ ভরিয়ে তৃষা হরিয়ে মোরে আরো আরো আরো দাও প্রাণ। প্রাণ ভরিয়ে তৃষা হরিয়ে মোরে আরো আরো আরো দাও প্রাণ।
এই তো হেথায়ে কুঞ্জ ছায়ায় স্বপ্ন মধুর মোহে এই জীবনে যে কটি দিন পাব তোমায়ে আমায়ে হেসে খেলে কাটিয়ে যাব
অনেক জমানো ব্যথা বেদনা, কি করে গান হল জানিনা। অনেক জমানো ব্যথা বেদনা, কি করে গান হল জানিনা। কি করে
জেনেছি জেনেছি তারা, তুমি জানো ভোজের বাজি। জেনেছি জেনেছি তারা, তুমি জানো ভোজের বাজি। যে তোমায় যেভাবে ডাকে তাতে তুমি
মোর গাঁয়েরও সীমানার পাহাড়ের ওপারে নিশীথ রাত্রির প্রতিধ্বনি শুনি। প্রতিধ্বনি শুনি আমি প্রতিধ্বনি শুনি। কান পেতে শুনি আমি বুঝিতে না
সত্য—সুপথ না চিনিলে পাবিনে মানুষের দরশন ওরে আমার মন । সত্য বল সুপথে চল ওরে আমার মন ।। খরিদ্দার মহাজন
টুং-টাং পিয়ানোয় সারাটি দুপুর, কচি কচি দুটি হাত তুলবে যে সুর। মাথা নেড়ে বুড়োবুড়ি শুনবে যে গান। হুপ-হুপ লাফাবে যে
উঠ গো ভারত-লক্ষ্মী, উঠ আদি-জগত-জন-পূজ্যা, উঠ গো ভারত-লক্ষ্মী, উঠ আদি-জগত-জন-পূজ্যা, দুঃখ দৈন্য সব নাশি করো দূরিত ভারত-লজ্জা। দুঃখ দৈন্য সব
প্রেমে পড়া বারণ, কারণে অকারণ আঙুলে আঙ্গুল রাখলেও হাত ধরা বারণ। প্রেমে পড়া বারণ, কারণে অকারণ আঙুলে আঙ্গুল রাখলেও হাত
আ বেঁধেছি বীণা গান শোনাবো তোমায় আজ রাতে বেঁধেছি বীণা গান শোনাবো তোমায় আজ রাতে রাতে বেঁধেছি বীণা গান শোনাবো
পৃথিবী হারিয়ে গেল মরু সাহারায় মিশরের নীলনদ আকাশে মিলায় খুশীর প্রাসাদ গ​ড়ি মাঝ দরিয়ায় আকাশ রাঙাতে চাই প্রদীপ শিখায় পৃথিবী
মেঘ-বিহীন খর-বৈশাখে মেঘ-বিহীন খর-বৈশাখে তৃষায় কাতর চাতকী ডাকে। মেঘ-বিহীন খর-বৈশাখে সমাধি-মগ্না উমা তপতী – সমাধি-মগ্না উমা তপতী – রৌদ্র যেন
ক্ষমা করো আমি ভালো নেই ক্ষমা করো আমি ভালো নেই এলোমেলো হয়ে গেছি, যেন সব হারিয়েছি, হে বসন্ত বিদায়। ক্ষমা
তোমার আকাশ দুটি চোখে, আমি হয়ে গেছি তারা। ওগো তোমার আকাশ দুটি চোখে, আমি হয়ে গেছি তারা। এই জীবন ছিল
গঙ্গা আমার মা পদ্মা আমার মা ও ও আমার দুই চোখে দুই জলের ধারা মেঘনা যমুনা। গঙ্গা আমার মা পদ্মা
লেখা প​ড়া করে যে গাড়ি ঘোড়া চড়ে সে লেখা প​ড়া করে না গাড়ি ঘোড়া চড়ে না ভাষণ​ ​ গিলে গিলে
মনে করো আমি নেই বসন্ত এসে গেছে কৃষ্ণচূড়ার বন্যায় চৈতালি ভেসে গেছে মনে করো আমি নেই বসন্ত এসে গেছে কৃষ্ণচূড়ার
কালো জলে কুচলা তলে ডুবল সনাতন আজ চার(সার) আনা, কাল চার(সার) আনা পাই যে দরসন। আজ চার(সার) আনা, কাল চার(সার)

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V