Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

খেলাটা দুচোখের খেলাটা পুরোনো কিছুটা ছোঁয়াছুঁয়ি ছুটে যেতে যেতে যেতে পড়ে যাবে ধরা খেলাটা আকাশের খেলাটা মেঘেদের কিছুটা বৃষ্টির মতোই
যা যা যাযা যা বাঁশী যারে দূরে মন লাগে না আর ঘরে।মোর স্বপ্ন​-সীমানার পারে যা যা যা রে।যা যা যাযা
আমার মন কেমন করে আমার মন কেমন করে কে জানে, কে জানে, কে জানে কাহার তরে। মন কেমন করে। আমার
যারে যারে উড়ে যারে পাখি ফুরালো প্রাণের মেলা শেষ হ​য়ে এলো বেলা আর কেন মিছে তোরে বেঁধে রাখি যারে আকাশে
খিড়কি থেকে সিংহদুয়ার এই তোমাদের পৃথিবী এর বাইরে জগত আছে তোমরা মাননা তোমাদের কোনটা হাসি কোনটা ব্যাথা কোনটা প্রলাপ কোনটা
দে লো সখী দে পরাইয়ে গলে, সাধের বকুলফুলহার। দে লো সখী দে পরাইয়ে গলে, সাধের বকুলফুলহার। আধফোঁটা জুঁইগুলি যতনে আনিয়া
শঙ্খ বাজিয়ে মাকে ঘরে এনেছি সুগন্ধী ধূপ জ্বেলে আসন পেতেছি। শঙ্খ বাজিয়ে মাকে ঘরে এনেছি সুগন্ধী ধূপ জ্বেলে আসন পেতেছি।
ওরা আমার মুখের ভাষা কাইরা নিতে চায়। ওরা আমার মুখের ভাষা কাইরা নিতে চায়। ওরা কথায় কথায় শিকল পরায় আমার
কোথাও আমার হারিয়ে যাওয়ার নেই মানা মনে মনে । মেলে দিলেম গানের সুরের এই ডানা মনে মনে । কোথাও আমার
কিভাবে কত কি পুড়ে ছাই। কখন কে জানে রাস্তার মোড়ে হাত নাড়ি বিদায় বাসের সারি বুকের ভেতর ভাড়ি পাথরের ছোঁয়াটুকু
তিন পাগলে হলো মেলা নদে এসে- তোরা কেউ যাসনে ও পাগলের কাছে ।। একটা নারকেলের মালা তাতে জল তোলা ফেলা
মেঘ-বিহীন খর-বৈশাখে মেঘ-বিহীন খর-বৈশাখে তৃষায় কাতর চাতকী ডাকে। মেঘ-বিহীন খর-বৈশাখে সমাধি-মগ্না উমা তপতী – সমাধি-মগ্না উমা তপতী – রৌদ্র যেন
ওরে ও ভাবের নাগরী নবীন বয়াসে যৌবন দুধ কলাতে পোষা সাপ আরে ও রসের নাগরা আ সেই সাপ ছোবল দিলেও
তোমরা কুঞ্জ সাজাও গো আজ আমার প্রাণনাথ আসিতে পারে । তোমরা কুঞ্জ সাজাও গো আজ আমার প্রাণনাথ আসিতে পারে ।
বঁধুয়া, নিদ নাহি আঁখিপাতে। আমিও একাকী, তুমিও একাকী আজি এ বাদল-রাতে। ডাকিছে দাদুরী মিলনতিয়াসে ঝিল্লি ডাকিছে উল্লাসে। পল্লীর বধু বিরহী
তোমার জন্য রয়েছে রাখা হাজার আলো বছর মাখা পাখির পাখা। তোমার জন্য আদিম গুহায় প্রথম তুলি টানের ছবি রয়েছে আঁকা।
এসো মিলে মিশে থাকি ধরে শরীরে জোনাকি ভালবাসার​ এসো হাতে হাত রাখি আছে যেটুকু যা বাকি কাছে আসার কাছে আসার
এবার আমি আমার থেকে আমাকে বাদ দিয়ে অনেক কিছু জীবনে যোগ দিলাম। ছোটো যত আপন ছিল বাহির করে দিয়ে ভুবনটারে
অন্ধকারের উত্স হতে উত্সারিত আলো সেই তো তোমার আলো ! সকল দন্দ্ববিরোধ-মাঝে জাগ্রত যে ভালো সেই তো তোমার ভালো ।।
আমি তোমার কাছেই ফিরে আসবো তোমায় আবার ভালবাসবো তুমি কি ডাকবে মোরে চেনা সেই নামটি ধরে আমি তোমার কাছেই ফিরে
চল রাস্তায় সাজি ট্রাম লাইন আর কবিতায় শুয়ে কাপ্লেট আহা উত্তাপ কত সুন্দর তুই থার্মোমিটারে মাপলে। হিয়া টুপটাপ জিয়া নস্টাল
অসতমা সদগম​য়া তমশমা জ্যোর্তিরগম​য়া মৃত্যোরমা​ অমৃতম​ গম​য়া শান্তি শান্তি ওম​ শান্তি ওম শান্তি ওম হরি ওম তৎ-স​ৎ দেখ আলোয় আলো
ভাল করিয়া বাজান রে দোতারা কমলা সুন্দরী নাচে। কমলা সুন্দরীর পেন্দরের শাড়ি রোদে ঝিলমিল করে রে। নাচিতে নাচিতে কমলা সুন্দরী
বল বল বল সবে শত বীণা বেনু রবে ভারত আবার জগত সভায় শ্রেষ্ঠ আসন লবে বল বল বল সবে শত

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V