Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

কোথাও আমার হারিয়ে যাওয়ার নেই মানা মনে মনে । মেলে দিলেম গানের সুরের এই ডানা মনে মনে । কোথাও আমার
কিচ্ছু চাইনি আমি আজীবন ভালবাসা ছাড়া আমিও তাদেরই দলে বার বার মরে যায় যারা। না না, কিচ্ছু চাইনি আমি আজীবন
এই কথাটি মনে রেখো তোমাদের এই হাসিখেলায় এই কথাটি মনে রেখো তোমাদের এই হাসিখেলায় আমি যে গান গেয়েছিলেম মনে রেখো
ভাদর আশ্বিন মাসে ভ্রমর বসে কাঁচা বাঁশে ওও ওও ওও ওও আরো কি থাকিবে বাপের ঘরে গো মন আমার কেমন
এই মণিহার আমায় নাহি সাজে--- এরে   পরতে গেলে লাগে ,এরে ছিড়তে গেলে বাজে ।। কণ্ঠ যে রোধ করে,    সুর তো নাহি  সরে।
পুরুষ সংস্করণ : একরাশ বিপদের মাঝখানে শুয়ে আছি কানাঘুষো শোনা যায় বসন্ত এসে গেছে বসন্ত এসে গেছে কবিদের মৃতদেহ চাপা
মন্দ বলে লোকে বলুক না,বলুক না। হিংসে করে জ্বলে জ্বলুক না, জ্বলুক না। তবুও দুজনে কূজনে কূজনে তবুও তবুও দুজনে
রাধা না খায় অন্ন না খায় পানি নাহি বান্ধে কেশ রে ভ্রমর​ কইয়ো গিয়া ভ্রমর কইয়ো গিয়া শ্রীকৃষ্ণ বিচ্ছেদের অনলে
মরি হায় গো হায়। মরি হায় গো হায়। এলে যখন আমার ভাঙ্গা ঘরে শূন্য আঙিনায়। মরি হায় গো হায়। তখন
প্রেমে পড়া বারণ, কারণে অকারণ আঙুলে আঙ্গুল রাখলেও হাত ধরা বারণ। প্রেমে পড়া বারণ, কারণে অকারণ আঙুলে আঙ্গুল রাখলেও হাত
ওরে গৃহবাসী খোল, দ্বার খোল, লাগলো যে দোল । স্থলে জলে বনতলে লাগলো যে দোল । দ্বার খোল, দ্বার খোল ।।
আমি আজ ভেঙ্গে দেবো জোড়া ফুলদানি, বড়দের টিভি খুলে খিলতি জওয়ানি। ছুঁচোবাজি ছেড়ে দেবো ঠাকুমার ঘরে, একটাই ডেনজার জুজু যদি
যাবার বেলায় পিছু থেকে ডাক দিয়ে কেন বল কাঁদালে আমায় যাবার বেলায় পিছু থেকে ডাক দিয়ে কেন বল কাঁদালে আমায়
লালালা লালালা লালা লালা লালালা লালালা লালা লালা লা লালালা লা লালালা লালালা লালালা সেদিনও ছিল দুপুর এমন ঝকঝকে রোদ
জেনে শুনে বিষ করেছি পান। আমি- জেনে শুনে বিষ করেছি পান। প্রাণের আশা ছেড়ে সঁপেছি প্রাণ। আমি- জেনে শুনে বিষ
মোদের গরব, মোদের আশা, আ মরি বাংলা ভাষা ! মোদের গরব, মোদের আশা, আ মরি বাংলা ভাষা ! মাগো তোমার
আজ ঠোঁটের কোলাজ, থামালো কাজ মন তোমাকে ছুঁয়ে দিলাম নাম, বুকের বোতাম হারানো খাম আজ কেন যে খুঁজে পেলাম দিন
এই বাংলার মাটিতে মাগো জন্ম আমায় দিও। এই বাংলার মাটিতে মাগো জন্ম আমায় দিও। এই আকাশ, নদী, পাহাড় আমার বড়
কি যে ভাবি এলোমেলো লা লা লা লা লা লা লা লা সেকি এলো সেকি এলো হা সে তো না
তোমার ভুবনে ফুলের মেলা আমি কাঁদি সাহারায়। তোমার ভুবনে ফুলের মেলা আমি কাঁদি সাহারায়। ওগো কমলিকা- ওগো কমলিকা বুঝিলেনা আমি
মন যদি তুই বৃন্দাবনে যাবি পাগল, মন যদি তুই বৃন্দাবনে যাবি অনুরাগের ঘরে মারগা চাবি। টলাটলের মধ্য দিয়া উর্দ্ধ রে
ফেটে গেল ফেটে গেল কালিরামের ঢোল সে এক দাঁড়কাকের সাধ হল কোকিলা সাজিতে পড়ল ধরা কাকা রবে তার সে জারিজুরি
তুমি আর তো কারো নও শুধু আমার যত দূরে সরে যাও রবে আমার স্তব্ধ সময়টাকে ধরে রেখে ! স্মৃতির পাতায়
আমার বলার কিছু ছিল না, না-গো আমার বলার কিছু ছিল না। চেয়ে চেয়ে দেখলাম তুমি চলে গেলে, তুমি চলে গেলে,

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V