Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

চোখে নামে বৃষ্টি, বুকে ওঠে ঝড় যে চোখে নামে বৃষ্টি, বুকে ওঠে ঝড় যে তুমি তো আমারই ছিলে, আজ কত
কিছু কথা ছিল চোখে কিছু কথা ছিল মুখে হু হু হু হু হু হু বাজে সে সুর বুকে কিছু কথা
বাড়ীর কাছে আরশী নগর সেথা পড়শী বসত করে এক ঘর​ পড়শী বসত করে আমি এক দিনও না দেখিলাম তারে। বাড়ীর
আমার মালতীলতা কি আবেশে দোলে, আমি সে কথা জানি না আমায় কে গো দেবে বলে। আমার মালতীলতা ওগো কি আবেশে
মায়ের পায়ের জবা হয়ে ওঠনা ফুটে মন। আমার মায়ের পায়ের জবা হয়ে ওঠনা ফুটে মন। তার গন্ধ না থাক যা
মহুয়ায় জমেছে আজ মৌ গো, ও মহুয়ায় জমেছে আজ মৌ গো। কোণে দেখা মেঘে যে ওই সোনা রং লেগেছে ওই
কেউ কখন ঠিক দুপুরে রায়পুরেতে যেও না। কেউ কখন ঠিক দুপুরে রায়পুরেতে যেও না। যদি বা যাও খেন্তপিসির, যদি বা
তুই হাসলি যখন তোরই হল এ মন​ তুই ছুঁলি যখন তোরই হল এ মন দুচোখে আঁকছে শীত বাহারি ডাকটিকিট দুচোখে
ভূতের রাজা দিল বর, ভূতের রাজা দিল বর, জবর জবর তিন বর। এক দুই তিন। জবর জবর তিন বর। এক
এক দিন পাখী উড়ে এক দিন পাখী উড়ে যাবে যে আকাশে, ফিরবে না সে তো আর কারো আকাশে। এক দিন
ওপেন টি বায়োস্কোপ​ টাঁই টুঁই টায়োস্কোপ​ লে লে বাবু ছ​য়​-আনা লে লে বাবু সাত​-আনা লে লে বাবু আট​-আনা কি চায়​
আমার সকল দুখের প্রদীপ জ্বেলে দিবস গেলে করব নিবেদন— আমার ব্যথার পূজা হয় নি সমাপন ।। যখন বেলা-শেষের ছায়ায় পাখিরা
আমার মল্লিকাবনে যখন প্রথম ধরেছে কলি আমার মল্লিকাবনে যখন প্রথম ধরেছে কলি আমার মল্লিকাবনে তোমার লাগিয়া তখনি, বন্ধু, বেঁধেছিনু অঞ্জলি
তুত তুরুরু তুরুরু তুরুরু রু তুত তুরুরু তুরুরু তুরুরু রু জানলা খোলা সন্ধেবেলা এলোমেলো শীত, ছন্নছাড়া দুঃখতারা হয়েছে অতীত। জানলা
ও শ্যাম যখন তখন খেলোনা খেলা অমন ও শ্যাম যখন তখন খেলোনা খেলা অমন ধরলে আজ তোমায় ছাড়বনা না না
সখী , ভাবনা কাহারে বলে । সখী , যাতনা কাহারে বলে । তোমরা যে বলো দিবস-রজনী , 'ভালোবাসা' 'ভালোবাসা'--- সখী, ভালোবাসা কারে কয় ! সে
খোলাখুলি বলতে গেলে, পরে গেছি তোর কবলে, তলিয়েছে মন, ভীষণ রকম, অথৈ জলে। খোলাখুলি বলতে গেলে, পরে গেছি তোর কবলে,
আরো কাছাকাছি আরো কাছে এসো আরো কাছাকাছি আরো কাছে এসো মনে মনে এ দুটি মন আজ এক হয়ে যাবে কি
প্রিয়, ফুল খেলবার দিন নয় অদ্য ধ্বংসের মুখোমুখি আমরা, চোখে আর স্বপ্নের নেই নীল মদ্য কাঠফাটা রোদ সেঁকে চামড়া। প্রিয়,
তুমি রবে নীরবে হৃদয়ে মম তুমি রবে নীরবে নিবিড় নিভৃত পূর্ণিমা নিশীথিনীসম তুমি রবে নীরবে মম জীবন যৌবন মম অখিল
মা আমার সাধ না মিটিল আশা না পুরিল সকলি ফুরায়ে যায় মা। আমার সাধ না মিটিল আশা না পুরিল সকলি
যখন নীরবে দূরে দাঁড়াও এসে যেখানে পথ বেঁকেছে যখন নীরবে দূরে দাঁড়াও এসে যেখানে পথ বেঁকেছে তোমায় ছুঁতে চাওয়ার মুহূর্তরা
বঁধু, কোন আলো লাগল চোখে ! বুঝি দীপ্তিরূপে ছিলে  সূর্যলোকে ! ছিল মন তোমারি প্রতিক্ষা করি যুগে যুগে দিন রাত্রি  ধরি
কালো মেয়ের পায়ের তলায় দেখে যা আলোর নাচন। কালো মেয়ের পায়ের তলায় দেখে যা আলোর নাচন। রূপ দেখে দেয় বুক

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V