Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

আহা আজি এ বসন্তে এত ফুল ফুটে, এত বাঁশি বাজে এত পাখি গায় আহা আজি এ বসন্তে। আহা আজি এ
  এই রাত তোমার আমার । ওই চাঁদ তোমার আমার । শুধু দু'জনের- এই রাত শুধু যে গানের । এই
গুল–বাগিচার বুলবুলি আমি রঙিন প্রেমের গাই গজল, হায়। অনুরাগের লাল শারাব মোর আঁখি ঝলে ঝলমল, হায়। আমার গানের মদির ছোঁয়ায়
আমি আভিসারে যাব আমি যাব আভিসারে ধুপের ধোঁয়াতে মোর অলক শুখায়ে নেবো সাজাতে কবরী ফুল হারে আমি আভিসারে যাব আমি
ওপেন টি বায়োস্কোপ​ টাঁই টুঁই টায়োস্কোপ​ লে লে বাবু ছ​য়​-আনা লে লে বাবু সাত​-আনা লে লে বাবু আট​-আনা কি চায়​
লাজবতী নুপুরের রিনি ঝিনি ঝিনি ভালো যদি লাগে তবে দাম দিয়ে কিনি লাজবতী নুপুরের রিনি ঝিনি ঝিনি ভালো যদি লাগে
এক পায়ে নূপুর আমার অন্য পা খালি এক পাশে সাগর এক পাশে বালি তোমার ছোট তরী বলো, নেবে কি? এক
এক দিন পাখী উড়ে এক দিন পাখী উড়ে যাবে যে আকাশে, ফিরবে না সে তো আর কারো আকাশে। এক দিন
সুন্দরী গো দোহাই দোহাই মান করোনা। আজ নিশিথে কাছে থাকো না বলো না। সুন্দরীগো দোহাই দোহাই মান করোনা। অনেক শিখা
ও সে হোক না কালো আমার ভাল চোখে লেগেছে। ও সে হোক না কালো আমার ভাল চোখে লেগেছে। বটগাছের আঠার
মেঘ-বিহীন খর-বৈশাখে মেঘ-বিহীন খর-বৈশাখে তৃষায় কাতর চাতকী ডাকে। মেঘ-বিহীন খর-বৈশাখে সমাধি-মগ্না উমা তপতী – সমাধি-মগ্না উমা তপতী – রৌদ্র যেন
এটা গল্প কার দেখো লিখছে কে ভুলে অন্ধকার আলো শিখছে কে এটা গল্প কার দেখো লিখছে কে ভুলে অন্ধকার আলো
লা লা লা রারারা না রা নানা রা না রারারারা ঝিরি ঝিরি স্বপ্ন ঝরে, দুটি চোখের সীমানায়। চুপি চুপি কানে
আমার একলা আকাশ থমকে গেছে রাতের স্রোতে ভেসে শুধু তোমায় ভালোবেসে আমার দিনগুলো সব রং চিনেছে তোমার কাছে এসে শুধু
বঁধুয়া, নিদ নাহি আঁখিপাতে। আমিও একাকী, তুমিও একাকী আজি এ বাদল-রাতে। ডাকিছে দাদুরী মিলনতিয়াসে ঝিল্লি ডাকিছে উল্লাসে। পল্লীর বধু বিরহী
পা নি সা রে গা নি সা নি সা গারে গা মা গা মাগা নি সা গা মা গা মাগা
খেলবো হোলি রঙ দেবো না খেলবো হোলি রঙ দেবো না তাই কখনো হ​য়​ এসো এসো বাইরে এসো এসো গো এসো
যখন নীরবে দূরে দাঁড়াও এসে যেখানে পথ বেঁকেছে যখন নীরবে দূরে দাঁড়াও এসে যেখানে পথ বেঁকেছে তোমায় ছুঁতে চাওয়ার মুহূর্তরা
সহে না যাতনা দিবস গণিয়া গণিয়া বিরলে নিশিদিন বসে আছি শুধু পথপানে চেয়ে— সখা হে, এলে না । সহে না
নীল নীল আকাশে, চাঁদ ওই যখন আসে ভালোবাসা ছড়িয়ে, মন আমার ভরিয়ে। এমন কেউ সাথী কই, এমন কেউ কাছে কই,
মুক্তির মন্দির সোপান তলে কত প্রাণ হল বলিদান লেখা আছে অশ্রুজলে। মুক্তির মন্দির সোপান তলে কত প্রাণ হল বলিদান লেখা
বাজল তোমার আলোর বেণু, মাতল যে ভুবন, বাজল তোমার আলোর বেণু। আজ প্রভাতে সে সুর শুনে খুলে দিনু মন বাজল
ও রি কিসুক রাই জিয়া রা সাঁইয়া কে য়াদ যো আয়ে শুনা পরা হে মেরা আঙ্গনা দি যো সন্দেশা ভিজাইকে
ওরে পাকা চুল কালো করে কলপ যে ঐ মাখে, নোংড়া গায়ের গন্ধ যে ঐ আতর ঘসে ঢাকে। খেয়ে যে লাথি

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V