Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

কিছুদিন মনে মনে- কিছুদিন মনে মনে ঘরের কোণে শ্যামের পিরিত রাখ গোপনে। কিছুদিন মনে মনে- ইশারায় কইবি কথা গোঠে মাঠে,
বেসামে বেসামে মুচো কোমো সি ফুয়েরা এস্তা নচে লা উলতিমা ভেজ বেসামে বেসামে মুচো কোয়েতেনঙ্গ মুয়েদো অ পেরদতে পেরদতে দেসপুইজ্
উঠ গো ভারত-লক্ষ্মী, উঠ আদি-জগত-জন-পূজ্যা, উঠ গো ভারত-লক্ষ্মী, উঠ আদি-জগত-জন-পূজ্যা, দুঃখ দৈন্য সব নাশি করো দূরিত ভারত-লজ্জা। দুঃখ দৈন্য সব
আমাকে টান মারে রাত্রি-জাগা নদী আমাকে টানে গূঢ় অন্ধকার আমার ঘুম ভেঙে হঠাৎ খুলে যায় মধ্যরাত্রির বন্ধ দ্বার। আমাকে টান
নাগর আমার কাঁচা পিরীত পাকতে দিলো না। ও নাগর আমার কাঁচা পিরীত পাকতে দিলো না। গা গতোরে সোনার সোহাগ মাখতে
ইতিহাস লেখা আঁখি জলে, বলে যায় সে কথা প্রতি পলে। ইতিহাস লেখা আঁখি জলে, বলে যায় সে কথা প্রতি পলে।
ও মৌ তুমি জানো না যে মাঝরাতে একঘেয়ে এই বিছানাতে আজও কথা বলি কার সাথে। জানি না কার কী যায়
এ তুমি কেমন তুমি চোখের তারায় আয়না ধর ! এ কেমন কান্না তুমি আমায় যখন আদর কর ! এ তুমি
আজ দুজনে মন্দ হলে মন্দ কি আজ দুজনে মন্দ হলে মন্দ কি দেখো ময়ূরকন্ঠী রাত যে আলোয় ঝিলমিলিয়ে আহা এমন
মনে পড়ে মনে পড়ে সেই সব দিন সেই সব ঝরে যাওয়া স্বপ্ন রঙ্গিন সেই সব ঋতু জুড়ে ফাগুনের দিন মনে
কথায় কথায় যে রাত হয়ে যায় কি কথা রাখলে বাকী কথায় কথায় যে রাত হয়ে যায় কি কথা রাখলে বাকী
হো হো হো হো হো হো হো হো হো বিস্তীর্ণ দুপারের, অসংখ্য মানুষের হাহাকার শুনেও নিঃশব্দে নীরবে, ও গঙ্গা তুমি
অসতমা সদগম​য়া তমশমা জ্যোর্তিরগম​য়া মৃত্যোরমা​ অমৃতম​ গম​য়া শান্তি শান্তি ওম​ শান্তি ওম শান্তি ওম হরি ওম তৎ-স​ৎ দেখ আলোয় আলো
যেও না দাঁড়াও বন্ধু যেও না দাঁড়াও যেও না দাঁড়াও বন্ধু, আরো বল দুকথা হংসপাখায় পাক লাগে কি স্বরসতীর আসন
শীতের হাওয়ার লাগল নাচন আমলকির এই ডালে ডালে । পাতাগুলি শিরশিরিয়ে ঝরিয়ে  দিল  তালে  তালে || উড়িয়ে  দেবার  মাতন  এসে  কাঙাল তারে
পাখি কখন জানি উড়ে যায় একটা বদ হাওয়া লেগে খাঁচায় ।। খাঁচার আড়া প'ল ধসে পাখি আর দাঁড়াবে কিসে আমি
পুরানো দিন পুরানো মন পুরানো সবকিছু পিছনে ফেলে আয় ছুটে চলে, নতুনের ডাক শোনা যায় ওই আগামীর দিগন্ত ভুলে যাবে
এই সুন্দর পৃথিবীতে যেখানে যা কিছু আছে সুন্দর​ এসো না সবাই এসো না সবাই কিছু উপহার দিতে ওগো কাজাল ন​য়না
তুত তুরুরু তুরুরু তুরুরু রু তুত তুরুরু তুরুরু তুরুরু রু জানলা খোলা সন্ধেবেলা এলোমেলো শীত, ছন্নছাড়া দুঃখতারা হয়েছে অতীত। জানলা
সাগর সঙ্গমে- সাগর সঙ্গমে সাঁতার কেটেছি কত কখনও তো হই নাই ক্লান্ত। সাগর সঙ্গমে সাঁতার কেটেছি কত কখনও তো হই
এই নিশি রাত নিশি রাত - বাঁকা চাঁদ আকাশে, চুপি চুপি বাঁশি বাজে বাতাসে-এ বাতাসে-এ, নিশি রাত - বাঁকা চাঁদ
আ আআ আ আমি হতে পারিনি আকাশ আমি হতে পারিনি আকাশ তুমি দিন শেষে আলোর আবেশ নিয়ে চাঁদ হলে। তুমি
গুন গুন গুন কুঞ্জে আমার একি গুঞ্জরন​ হা আজ গুন গুন গুন কুঞ্জে আমার একি গুঞ্জরন​ গানের সুরে পেলাম এ
কে তুমি কে তুমি! কে তুমি তন্দ্রাহরণী। দাঁড়িয়ে আমার চোখের আগে রাঙ্গালে এ মন পুস্পরাগে কে গো চম্পাবরণী। কে তুমি

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V