Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

শূন্য এ–বুকে পাখি মোর আয় ফিরে আয় ফিরে আয়! তোরে না হেরিয়া সকালের ফুল অকালে ঝরিয়া যায়।। তুই নাই ব'লে
প্রথম আলোয় ফেরা - আঁধার পেরিয়ে এসে আমি অচেনা নদীর স্রোতে চেনা চেনা ঘাট দেখে নামি চেনা তবু চেনা নয়
ও আমার কাঁধের আঁচল যায় পরে। ও আমার কাঁধের আঁচল যায় পরে। থাকে না মন যে আমার আর ঘরে। ও
এনে দে এনে দে ঝুমকা না হলে না হলে সাথে যাবো না এ এ এ রঙ্গিলা রঙ্গিলা ঝুমকা না হলে
না না কাছে এসো না যাও যাও দুরে থাক​ না না কাছে এসো না যাও যাও দুরে থাক​ না না
ওগো যা পেয়েছি সেইটুকুতেই খুশি আমার মন​ কেন একলা বসে হিসেব কষে নিজেরে আর কাঁদাই অকারণ​। চৈত্রবেলায় ঝরা পাতার কান্না
যদি জানতেম আমার কিসের ব্যাথা তোমায় জানাতাম । কে যে আমায় কাঁদায় কে যে আমায় কাঁদায় আমি কি জানি তার
আ আ যখন কেউ আমাকে পাগল বলে, যখন কেউ আমাকে পাগল বলে, তার প্রতিবাদ করি আমি। যখন তুমি আমায় পাগল
এক টানেতে যেমন তেমন দুই টানেতে রোগী তিন টানেতে রাজা উজির চার টানেতে সুখী এর কি মহিমা বাবা এক টানেতে
চলে এসো আজ এ রাতে চলে এসো আমার সাথে প্রিয়তমা তোমার দুচোখ যতদূর যাব আমি ততদুর প্রিয়তমা আজ যেন ভেসে
এই বাংলার মাটিতে মাগো জন্ম আমায় দিও। এই বাংলার মাটিতে মাগো জন্ম আমায় দিও। এই আকাশ, নদী, পাহাড় আমার বড়
ঢাক বাজা কাঁসর বাজা উলু দে আর শাঁখ বাজা বছর পরে আবার এল মা যে। পূজো পূজো গন্ধ নিয়ে নতুন
তুমি না হয় রহিতে কাছে কিছুক্ষণ আরো নাহয় রহিতে কাছে - আরো কিছু কথা নাহয় বলিতে মোরে কিছুক্ষণ আরো নাহয়
জেনে শুনে বিষ করেছি পান। আমি- জেনে শুনে বিষ করেছি পান। প্রাণের আশা ছেড়ে সঁপেছি প্রাণ। আমি- জেনে শুনে বিষ
একটা গান লিখো আমার জন্য। একটা গান লিখো আমার জন্য। নাহয় আমি তোমার কাছে ছিলেম অতি নগন্য। একটা গান লিখো
গহন কুসুমকুঞ্জ মাঝে মৃদুল মধুর বংশী বাজে, বিসরি ত্রাস লোকলাজে সজনি, আও আও লো। পিনহ চারু নীল বাস, হৃদ​য়ে প্রাণ
ঠুং ঠাং ঠুং ঠাং চুড়ির তালে থৈথৈ বন্যা নাচেরে। ঠুং ঠাং ঠুং ঠাং চুড়ির তালে থৈথৈ বন্যা নাচেরে। রিমঝিম রিমঝিম
পা রা পা পা পা পা পা পারোনি ধরতে হযবরল এ জীবন কি যে চায় মা মা মা মা মা
কথা ছিলো বাকি সন্ধ্যা জোনাকি হঠাৎ তারারা ডাকে আয় ঘাসের চাদরে ঘুমের আদরে রাত কেন ব​য়ে চলে যায় ঘুম আসে
আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি। চিরদিন তোমার আকাশ, চিরদিন তোমার আকাশ, তোমার বাতাস, আমার প্রাণে ও গো, আমার প্রাণে
মায়াবনবিহারিনী হরিণী গহন স্বপন সঞ্চারিনী কেন তারে ধরিবারে করি পণ অকারণ মায়াবনবিহারিনী মায়াবনবিহারিনী হরিণী গহন স্বপন সঞ্চারিনী কেন তারে ধরিবারে
ভালবাসার এই কিরে খাজনা। ভালবাসার এই কিরে খাজনা। দিয়ে ফাঁকি ওরে পাখি যতই ডাকি আর ফেরে না ভালবাসার এই কিরে
             গ্রাম ওই রাঙা মাটির পথ আমার মন ভুলে রে । ওরে         কার  মন
দীপ ছিল, শিখা ছিল, শুধু তুমি ছিলে না বলে আলো জ্বলল না। ভাষা ছিল, কথা ছিল, কাছে ডাকলে না বলে

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V