Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

ঝগ​ড়াঝাটি রাগ, মারামারি ভাগ সেরে যাবে সব পাগলামি শুধু তিনটে চারটে সাতটা আটটা হামি, শুধু তিনটে চারটে সাতটা আটটা হামি।
আজ যত যুদ্ধবাজ দেয় হানা হামলাবাজ আমাদের শান্তি সুখ করতে চায় লুটতরাজ। আজ যত যুদ্ধবাজ দেয় হানা হামলাবাজ আমাদের শান্তি
ও প্রজাপতি প্রজাপতি পাখনা মেলো ও প্রজাপতি প্রজাপতি পাখনা মেলো আমার এই মনের আঁধার কোণে কোণে রঙে রঙে রংমশাল জ্বালো
মোর প্রিয়া হবে এসো রানী দেব খোঁপায় তারার ফুল কর্ণে দোলাব তৃতীয়া তিথির চৈতী চাঁদের দুল। খোঁপায় তারার ফুল। মোর
এই শহর থেকে আরও অনেক দূরে চলো কোথাও চলে যাই। ঐ আকাশটাকে শুধু চোখে রেখে মনটাকে কোথাও হারাই। কি চাইনি
ভালবাসার আগুন জ্বালাও ঝাড়বাতিটা নিভিয়ে দাও চোখের থেকে বিজলি ছোঁড়ো ওড়নাটাকে সরিয়ে নাও ভালবাসার আগুন জ্বালাও ভালবাসার আগুন জ্বালাও ওই
এখন অনেক রাত, তোমার কাঁধে আমার নিঃশ্বাস, আমি বেঁচে আছি তোমার ভালোবাসায়। ছুঁয়ে দিলে হাত, আমার বৃদ্ধবুকে তোমার মাথা চেপে
পদ্মার কথা কইলা বন্ধু কইলা মেঘনা রূপসী সোনা মেঘের হাসি দিলা হাত বাড়াইয়া হাত ও দিলা তবু কন্যা নাম কইলা
সখী , ভাবনা কাহারে বলে । সখী , যাতনা কাহারে বলে । তোমরা যে বলো দিবস-রজনী , 'ভালোবাসা' 'ভালোবাসা'--- সখী, ভালোবাসা কারে কয় ! সে
দোলে দোদুল দোলে ঝুলনা । দোলে দোদুল দোলে ঝুলনা । দোলে কৃষ্ণ দোলে ঝুলনা । দোলে রাই দোলে ঝুলনা ।
দোলা হে দোলা হে দোলা হে দোলা আঁকা-বাঁকা পথে মোরা কাঁধে নিয়ে ছুটে যাই রাজা মহারাজাদের দোলা, ও দোলা আমাদের
ভাল লাগে হাঁটতে তোর হাত ধরে ভাবনা তোর আসছে দিন রাত ধরে। ভাল লাগে হাঁটতে তোর হাত ধরে ভাবনা তোর
ফিরে এলাম দূরে গিয়ে আমি তোমার অনুরাধা ডেকো তুমি মোনালিসা ভেঙে দিলাম সব বাধা ও তুমি কেমন ছিলে বল​ আঁখি
কি মিষ্টি দেখো মিষ্টি কি মিষ্টি দেখো মিষ্টি কি মিষ্টি এ সকাল ! কি মিষ্টি দেখো মিষ্টি কি মিষ্টি এ
হা হা হা হা হা হাহা হাহা হাহা হা হা হা হা হা হাহা হাহা হাহা হা-হা-হা-হা হা-হা-হা-হা হা-হা-হা-হা হা-হা-হা-হা
ওগো বেশি দাম বল কার ওই চন্দ্রমুখ না এই চন্দ্র হার ওই চন্দ্রমুখ না এই চন্দ্র হার কিভাবে তুলনা করি
চুড়ির তালে নুড়ির মালা রিনিঝিনি বাজে লো – খোঁপায় দোলে বুনো ফুলের কুঁড়ি। চুড়ির তালে নুড়ির মালা রিনিঝিনি বাজে লো
আমি   হৃদয়ের কথা বলিতে ব্যাকুল, শুধাইল না কেহ। সে তো  এল না যারে সঁপিলাম এই প্রাণ মন দেহ।। সে
আমার চেতনা চৈতন্য করে দে মা চৈতন্যময়ী। আমার চেতনা চৈতন্য করে দে মা চৈতন্যময়ী। তোর ভাব সাগরে ভেসে আমি তোর
বঁধুয়া, নিদ নাহি আঁখিপাতে। আমিও একাকী, তুমিও একাকী আজি এ বাদল-রাতে। ডাকিছে দাদুরী মিলনতিয়াসে ঝিল্লি ডাকিছে উল্লাসে। পল্লীর বধু বিরহী
সাগর ডাকে আয় আয় আয়। আমার গানে, জীবন আনে চলার ইশারায় আয়, আয়। সাগর ডাকে আয় আয় আয়। ছুটে ছুটে
তুই ফেলে এসেছিস কারে মন, মন রে আমার| তাই জনম গেল,শান্তি পেলি না রে মন, মন রে আমার|| যে পথ
আকাশ আমায় ভরল আলোয়, আকাশ আমি ভরব গানে সুরের আবীর হানব হাওয়ায়, নাচের আবীর হাওয়ায় হানে ।। ওরে পলাশ, ওরে পলাশ,
কত কষ্ট করে আমি   কামাই রোজগার করে আনি কত কষ্ট করে আমি   কামাই রোজগার করে আনি তবু বন্ধুর

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V