Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

একটা মন হাঁটিহাঁটি পায় আঁকাবাঁকা রেলগাড়ি মেঘ এসে চোখে দিল রঙ হাতে দিল ডাকটিকিট। বৃষ্টি মেশে ড্র​য়িং খাতায় ফুল ফল
শোনো গো দখিনো হাওয়া, প্রেম করেছি আমি শোনো গো দখিনো হাওয়া, প্রেম করেছি আমি লেগেছে চোখেতে নেশা দিক ভুলেছি আমি
না না না না না না মাধবী ফুটেছে ওই হ্যাঁ তারা সব উঠেছে ওই হ্যাঁ ও ও ও ও আমি
যে ছিল আমার স্বপনচারিণী তারে বুঝিতে পারিনি - তারে বুঝিতে পারিনি ! দিন ছলে গেছে  খুঁজিতে  খুঁজিতে ও গো -
হায় হায় প্রাণ যায়, প্রাণ যায় যায় প্রাণ যায়। চোখ তারি, যেন কাটারি, দিল খুনে খুনে ভরে যায়। হে হে
যদি তারে নাই চিনি গো সেকি - সেকি আমায় নেবে চিনে ? এই নব ফাল্গুনের দিনে জানি নে, জানি নে
এরা      পরকে  আপন  করে, আপনারে পর --- বাহিরে বাঁশির রবে ছেড়ে যাই ঘর || ভালবাসে সুখে দুখে    ব্যথা সহে হাসিমুখে,
ও শ্যামু শ্যাম রে ফুল ফোটাতে মধুবনে ডাক দেরে বসন্ত রে একবার ডাক দেরে বসন্ত রে আমি এসে গেছি রে
ঝিলমিল ঝাউয়ের বনে ঝিকিমিকি তার ফাঁক দিয়ে যে চাঁদ মারে উঁকি ও চাঁদ বড় প্রিয়, আমায় ধরো দেখি পাবে না,
বেঁচে থেকে লাভ কি বল তোকে ছাড়া আর, খুঁজেছে জবাব অচল মন কোথাকার। জানে স্বপ্ন তার পাতায় কত কি কত
কি উপহার সাজিয়ে দেব গান আছে তাই শুনিয়ে যাব অনন্ত আমারই গান দুরন্ত আমারই প্রান এইতো উপহার। কি উপহার সাজিয়ে
আহা কি আনন্দ আকাশে বাতাসে। আহা কি আনন্দ আকাশে বাতাসে। আহা কি আনন্দ আকাশে বাতাসে। শাখে শাখে পাখি ডাকে কত
বাড়ীর কাছে আরশী নগর সেথা পড়শী বসত করে এক ঘর​ পড়শী বসত করে আমি এক দিনও না দেখিলাম তারে। বাড়ীর
ফাগুন,    হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান - তোমার  হাওয়ায় হাওয়ায়  করেছি যে দান - আমার    আপনহারা প্রাণ আমার বাঁধন-ছেঁড়া
এক পলকে একটু দেখা আরো একটু বেশী হলে ক্ষতি কি যদি কাটেই প্রহর পাশে বসে মনের দুটো কথা বলে ক্ষতি
জনগণমন-অধিনায়ক জয় হে ভারতভাগ্যবিধাতা! পঞ্জাব সিন্ধু গুজরাট মরাঠা দ্রাবিড় উৎকল বঙ্গ বিন্ধ্য হিমাচল যমুনা গঙ্গা উচ্ছলজলধিতরঙ্গ তব শুভ নামে জাগে,
মনে করো আমি নেই বসন্ত এসে গেছে কৃষ্ণচূড়ার বন্যায় চৈতালি ভেসে গেছে মনে করো আমি নেই বসন্ত এসে গেছে কৃষ্ণচূড়ার
দিয়ে গেনু বসন্তের এই গানখানি- দিয়ে গেনু বসন্তের এই বরষ ফুরায়ে যাবে, ভুলে যাবে ভুলে যাবে ভুলে যাবে জানি দিয়ে
আ হা হুম আমায় তুমি যে ভালবেসেছ জীবনে যে তাই দোলা লাগান প্রানের পরির ঘুম ভাঙ্গান আমায় তুমি যে ভালবেসেছ
চল্‌ চল্ চল্ চল্‌ চল্ চল্ ঊর্দ্ধ গগনে বাজে মাদল, নিম্নে উতলা ধরণী তল অরুণ প্রাতের তরুণ দল চল্‌ রে
কালো মেয়ের পায়ের তলায় দেখে যা আলোর নাচন। কালো মেয়ের পায়ের তলায় দেখে যা আলোর নাচন। রূপ দেখে দেয় বুক
না বলে এসেছি, তা বলে ভেবো না, না বলে বিদায় নেব চলে যাই যদি, যেন হই নদী, সাগরে হারিয়ে যাব।
মেঘ বলেছে 'যাব যাব', রাত বলেছে যাই, সাগর বলে 'কূল মিলেছে--- আমি তো আর নাই' ।। দুঃখ বলে 'রইনু চুপে
যখন নীরবে দূরে দাঁড়াও এসে যেখানে পথ বেঁকেছে যখন নীরবে দূরে দাঁড়াও এসে যেখানে পথ বেঁকেছে তোমায় ছুঁতে চাওয়ার মুহূর্তরা

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V