Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

হে হে হেহে হে হে উ উ উ মনে পড়ে রুবি রায় মনে পড়ে রুবি রায়, কবিতায় তোমাকে একদিন কত
সত্য—সুপথ না চিনিলে পাবিনে মানুষের দরশন ওরে আমার মন । সত্য বল সুপথে চল ওরে আমার মন ।। খরিদ্দার মহাজন
ঠুং ঠাং ঠুং ঠাং চুড়ির তালে থৈথৈ বন্যা নাচেরে। ঠুং ঠাং ঠুং ঠাং চুড়ির তালে থৈথৈ বন্যা নাচেরে। রিমঝিম রিমঝিম
টুং-টাং পিয়ানোয় সারাটি দুপুর, কচি কচি দুটি হাত তুলবে যে সুর। মাথা নেড়ে বুড়োবুড়ি শুনবে যে গান। হুপ-হুপ লাফাবে যে
যদি আকাশের গায়ে কান না পাতি তোমার কথা শুনতে পাবো না। যদি আকাশের গায়ে কান না পাতি তোমার কথা শুনতে
দোলা হে দোলা হে দোলা হে দোলা আঁকা-বাঁকা পথে মোরা কাঁধে নিয়ে ছুটে যাই রাজা মহারাজাদের দোলা, ও দোলা আমাদের
আ আ আ আ নিঙ্গারিয়া নীল শাড়ি শ্রীমতি চলে। নিঙ্গারিয়া নীল শাড়ি শ্রীমতি চলে। শ্যামলের বেণু বাজে কদমতলে। নিঙ্গারিয়া নীল
আমার নাম এ্যান্টনি হুম হুম হুম হুম হুম হুম হুম আমার নাম এ্যান্টনি। কাজের কিছু শিখিনি লার্নিং কিংবা পেন্টিং অর
তোমার ভুবনে ফুলের মেলা আমি কাঁদি সাহারায়। তোমার ভুবনে ফুলের মেলা আমি কাঁদি সাহারায়। ওগো কমলিকা- ওগো কমলিকা বুঝিলেনা আমি
এই বাংলার মাটিতে মাগো জন্ম আমায় দিও। এই বাংলার মাটিতে মাগো জন্ম আমায় দিও। এই আকাশ, নদী, পাহাড় আমার বড়
পা পা মা গা রে সা পা পা মা গা রে সা তার চোখের জটিল ভাষা ধা ধা পা মা
             গ্রাম ওই রাঙা মাটির পথ আমার মন ভুলে রে । ওরে         কার  মন
তোমার আকাশ দুটি চোখে, আমি হয়ে গেছি তারা। ওগো তোমার আকাশ দুটি চোখে, আমি হয়ে গেছি তারা। এই জীবন ছিল
আগুনের পরশ-মণি ছোঁয়াও প্রাণে। এ জীবন পুণ্য করো এ জীবন পুণ্য করো এ জীবন পুণ্য করো এ জীবন পুণ্য করো
না রে না, আর তো পারে না, মন আমার নাস্তানাবুদ এক জনেরই দায়| না রে না, কারো ধার ধরে না,
ঠিক এমন এভাবে তুই থেকে যা স্বভাবে আমি বুঝেছি ক্ষতি নেই আর তুই ছাড়া গতি নেই ছুঁয়ে দে আঙুল ফুটে
কে তুমি আমারে ডাকো অলখে লুকায়ে থাকো ফিরে ফিরে চাই দেখিতে না পাই।। মনে তো পড়ে না তবুও যে মনে
হায়! যাব কি যাব না ভেবে ভেবে হায় রে যাওয়া তো হল না। আরে পাব কি পাব না ভেবে ভেবে
এক গোছা রজনীগন্ধা হাতে দিয়ে বললাম চললাম এক গোছা রজনীগন্ধা হাতে দিয়ে বললাম চললাম চললাম বেশ কিছু সম​য় তো থাকলাম
চন্দ্র যে তুই মোর সূর্য যে তুই আমার এ আঁখিতে তারা যে তুই চন্দ্র যে তুই মোর সূর্য যে তুই
খাঁচার ভিতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায় খাঁচার ভিতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায় তারে ধরতে পারলে মন বেড়ি দিতাম
পাড়ায় ঢুকলে ঠ্যাং খোড়া করে দেবো বলেছে পাড়ার দাদারা অন্যপাড়া দিয়ে যাচ্ছি তাই রঞ্জনা আমি আর আসবো না। এখানে রঞ্জনা
একটুকু ছোঁয়া লাগে, একটুকু কথা শুনি - তাই দিয়ে মনে মনে রচি মম ফাল্গুনী ।। কিছু পলাশের নেশা কিছু বা চাঁপায় মেশা,
কারার ঐ লৌহকপাট, ভেঙ্গে ফেল কর রে লোপাট, রক্ত-জমাট শিকল পূজার পাষাণ-বেদী। কারার ঐ লৌহকপাট, ভেঙে ফেল কর রে লোপাট,

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V