Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

একটা গান লিখো আমার জন্য। একটা গান লিখো আমার জন্য। নাহয় আমি তোমার কাছে ছিলেম অতি নগন্য। একটা গান লিখো
আহা মরি মরি চলিতে চলিতে বাজায় কাঁকন পরনে নীলাম্বরী। পাগল আমি ও রূপ দেখে মনে যে লয় অঙ্গ থেকে ও
না না না না না না মাধবী ফুটেছে ওই হ্যাঁ তারা সব উঠেছে ওই হ্যাঁ ও ও ও ও আমি
আহা কি আনন্দ আকাশে বাতাসে। আহা কি আনন্দ আকাশে বাতাসে। আহা কি আনন্দ আকাশে বাতাসে। শাখে শাখে পাখি ডাকে কত
এমন মানব জনম আর কি হবে ? মন যা কর ত্বরায় কর এই ভবে।। অনন্ত রূপ সৃষ্টি করলেন সাঁই শুনি
মধু বনে বাঁশি বাজে রাধা হল বেমনা ও মন কেন মানে না রাধা বাঁশি ছাড়া জানে না মন কেন রাধা
উঠ গো ভারত-লক্ষ্মী, উঠ আদি-জগত-জন-পূজ্যা, উঠ গো ভারত-লক্ষ্মী, উঠ আদি-জগত-জন-পূজ্যা, দুঃখ দৈন্য সব নাশি করো দূরিত ভারত-লজ্জা। দুঃখ দৈন্য সব
ওই দূর দিগন্ত পাড়ে, ওই দূর দিগন্ত পাড়ে, যেথা আকাশ মাটিতে কানাকানি! তোমার আমার শুধু তেমনি করেই জানাজানি; ওই দূর
কথায় কথায় যে রাত হয়ে যায় কি কথা রাখলে বাকী কথায় কথায় যে রাত হয়ে যায় কি কথা রাখলে বাকী
দূরে আকাশ সামিয়ানায় দূরে আকাশ সামিয়ানায় প্রদীপ জ্বালায় তারায় জেগে জেগে কি যে ভাবি কে জানে মন ছাড়া দূরে আকাশ
ভারতবর্ষ সূর্যের এক নাম আমরা র​য়েছি সেই সূর্যের দেশে লীলাচঞ্চল সমুদ্রে অবিরাম গঙ্গা যমুনা ভাগীরথী যেথা মেশে ভারতবর্ষ সূর্যের এক
বিধির বাঁধন কাটবে তুমি এমন শক্তিমান - তুমি কি এমনি শক্তিমান ! আমাদের ভাঙাগড়া তোমার হাতে এমন অভিমান - তোমাদের এমনি অভিমান ।। চিরদিন টানবে
তোকে রোজ সকালে দেখতে ইচ্ছে হয়। তোকে সঙ্গে পেলে করবো যুদ্ধ জয়। তোকে রোজ সকালে দেখতে ইচ্ছে হয়। তোকে সঙ্গে
আ আ আ আ আআআআআআআআ নিঝুম সন্ধ্যায় পান্থ পাখিরা বুঝিবা পথ ভুলে যায়। নিঝুম সন্ধ্যায় পান্থ পাখিরা বুঝিবা পথ ভুলে
কেন কিছু কথা বলো না? শুধু চোখে চোখে চেয়ে যা কিছু চাওয়ার আমার নিলে সবই চেয়ে। এ কি ছলনা! কেন
আমি চলতে চলতে থেমে গেছি আমি বলতে বলতে ভুলে গেছি যে কথা তোমাকে বলবো। আমি চলতে চলতে থেমে গেছি আমি
মন রে কৃষিকাজ জানো না। মন রে কৃষিকাজ জানো না। এমন মানব জমিন রইল পতিত আবাদ করলে ফলত সোনা। মানব
শাপলা ফুলের পোকা, ভেজা শালিকের ডানা ঘাসজমি থমথমে, ধূসর সামিয়ানা। শাপলা ফুলের পোকা, ভেজা শালিকের ডানা ঘাসজমি থমথমে, ধূসর সামিয়ানা।
আ আ আ ও ও ও ওঠো ওঠো সূর্যাই রে ঝিকিমিকি দিয়া কালকে তুমি আঁধার রাতে কোথায় ছিলে গিয়া ওঠো
পাগলা হাওয়ার বাদল-দিনে পাগল আমার মন জেগে ওঠে। চেনাশোনার কোন বাইরে    যেখানে পথ নাই নাই রে সেখানে অ-কারণে যায়
বউ কথা কও পাখি কেন অমন করে ডাকে গো মৌ বনেরই সুর ছ​ড়ান ছায়। কেন সারাবেলা নীরব থেকে এখন সারা
ফুলেশ্বরী ফুলেশ্বরী ফুলের মত নাম ফুলেশ্বরী ফুলেশ্বরী ফুলের মত নাম তোমার দেওয়া দুখীর কমল বুকে ধরলাম ফুলেশ্বরী ফুলেশ্বরী ফুলের মত
আ আ যখন কেউ আমাকে পাগল বলে, যখন কেউ আমাকে পাগল বলে, তার প্রতিবাদ করি আমি। যখন তুমি আমায় পাগল
তোমায় পরেছে মনে আবার শ্রাবণ দিনে, একলা বসে নিরালায় হায়। তোমায় পরেছে মনে আবার শ্রাবণ দিনে, একলা বসে নিরালায় হায়।

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V