Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

এই মন অচেনা, কার খোঁজ বোঝেনা। দলছুট ঠিকানায়, তোলপাড় অজানায়। হাত বাড়িয়ে চাঁদটা কে ছুঁই, সঙ্গে থাকিস, প্রেম মানে তুই।
আ আ আমায় ভালোবেসে ডেকে দেখো না দেখো না ভালোবেসে ডেকে দেখো না আসি কি না আসি পাশে কে তোমায়
মাধবী মধুপে হল মিতালি এই বুঝি জীবনের মধু গীতালি মাধবী মধুপে হল মিতালি এই বুঝি জীবনের মধু গীতালি জ্বলে দেখি
আজ যত যুদ্ধবাজ দেয় হানা হামলাবাজ আমাদের শান্তি সুখ করতে চায় লুটতরাজ। আজ যত যুদ্ধবাজ দেয় হানা হামলাবাজ আমাদের শান্তি
মুসাফির মোছ রে আঁখিজল ফিরে চল আপনারে নিয়া। মুসাফির মোছ রে আঁখিজল ফিরে চল আপনারে নিয়া। আপনি ফুটেছিল ফুল গিয়াছে
এই বাংলার মাটিতে মাগো জন্ম আমায় দিও। এই বাংলার মাটিতে মাগো জন্ম আমায় দিও। এই আকাশ, নদী, পাহাড় আমার বড়
টুং-টাং পিয়ানোয় সারাটি দুপুর, কচি কচি দুটি হাত তুলবে যে সুর। মাথা নেড়ে বুড়োবুড়ি শুনবে যে গান। হুপ-হুপ লাফাবে যে
ছিন্ন পাতার সাজাই তরণী, একা একা করি খেলা- আনমনা যেন দিকবালিকার আনমনা যেন দিকবালিকার ভাসানো মেঘের ভেলা। ছিন্ন পাতার সাজাই
শ্রীমৎ আদি শঙ্করাচার্য রচিত মহিষাসুরমর্দিনী স্তোত্রম্ ।।১।। অয়ি গিরিনন্দিনি নন্দিতমেদিনি বিশ্ব-বিনোদিনি নন্দনুতে গিরিবরবিন্ধ  শিরো‌ধিনিবাসিনি বিষ্ণু-বিলাসিনি জিষ্ণুনুতে, ভগবতি হে শিতিকণ্ঠ-কুটুম্বিণি ভূরিকুটুম্বিণি
মম চিত্তে নিতি নৃত্যে কে যে নাচে তাতা থৈথৈ, তাতা থৈথৈ, তাতা থৈথৈ। মম চিত্তে নিতি নৃত্যে কে যে নাচে
আ আ আ আআ আআ আআআআ দেখোরে দেখোরে দেখোরে নয়ন মেলে দেখোরে নয়ন মেলে জগতের বাহার। জগতের বাহার, জগতের বাহার,
ফাগুনেরও মোহনায় ফাগুনেরও মোহনায় মন মাতানো মহুয়ায় রঙ্গীন এ বিহুর নেশা কোন আকাশে নিয়ে যায় ফাগুনেরও মোহনায় ফাগুনেরও মোহনায় মন
সখী , ভাবনা কাহারে বলে । সখী , যাতনা কাহারে বলে । তোমরা যে বলো দিবস-রজনী , 'ভালোবাসা' 'ভালোবাসা'--- সখী, ভালোবাসা কারে কয় ! সে
কথা হয়েছিল তবু কথা হল না আজ সবাই এসেছে শুধু তুমি এলে না শুধু তুমি এলে না কথা হয়েছিল তবু
লুকিয়ে ভালোবাসব তারে আমি লুকিয়ে ভালোবাসব তারে জানতে দিব না, আমি লুকিয়ে ভালোবাসব তারে জানতে দিব না, আমি লুকিয়ে ভালোবাসব
একটা ছেলে মনের আঙিনাতে ধীর পায়েতে এক্কা দোক্কা খেলে বন পাহাড়ি ঝর্না খুঁজে বৃষ্টি জলে একলা ভিজে। একটা ছেলে মনের
আমার     প্রানের 'পরে চলে গেল কে বসন্তের    বাতাসটুকুর মতো । সে যে      ছুঁয়ে গেল নুয়ে গেল রে
কেউ কখন ঠিক দুপুরে রায়পুরেতে যেও না। কেউ কখন ঠিক দুপুরে রায়পুরেতে যেও না। যদি বা যাও খেন্তপিসির, যদি বা
আমি শুনেছি সেদিন তুমি সাগরের ঢেউ এ চেপে নীলজল দিগন্ত ছুঁয়ে এসেছ​। আমি শুনেছি সেদিন তুমি নোনা বালি তীর ধরে
যেখানে সাঁইর বারামখানা । শুনিলে প্রাণ চমকে উঠে দেখতে যেমন ভুজাঙ্গনা ।। যা ছুঁইলে প্রাণে মরি এই জগতে তাইতে তরি
ফান্দে পড়িয়া বগা কান্দে রে ফান্দে পড়িয়া বগা কান্দে রে ফান্দ বসাইছে ফান্দি রে ভাই পুঁটি মাছো দিয়া ওরে মাছের
তোমায় পরেছে মনে আবার শ্রাবণ দিনে, একলা বসে নিরালায় হায়। তোমায় পরেছে মনে আবার শ্রাবণ দিনে, একলা বসে নিরালায় হায়।
খেলাটা দুচোখের খেলাটা পুরোনো কিছুটা ছোঁয়াছুঁয়ি ছুটে যেতে যেতে যেতে পড়ে যাবে ধরা খেলাটা আকাশের খেলাটা মেঘেদের কিছুটা বৃষ্টির মতোই
বিপিন বাবুর কারন সুধা মেটায় জ্বালা মেটায় ক্ষুধা। বুঝলি পদা! এ বিপিন বাবুর কারন সুধা মেটায় জ্বালা মেটায় ক্ষুধা। মরা

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V