Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

যখন নীরবে দূরে দাঁড়াও এসে যেখানে পথ বেঁকেছে যখন নীরবে দূরে দাঁড়াও এসে যেখানে পথ বেঁকেছে তোমায় ছুঁতে চাওয়ার মুহূর্তরা
প্রেমে পড়া বারণ, কারণে অকারণ আঙুলে আঙ্গুল রাখলেও হাত ধরা বারণ। প্রেমে পড়া বারণ, কারণে অকারণ আঙুলে আঙ্গুল রাখলেও হাত
বঁধু, কোন আলো লাগল চোখে ! বুঝি দীপ্তিরূপে ছিলে  সূর্যলোকে ! ছিল মন তোমারি প্রতিক্ষা করি যুগে যুগে দিন রাত্রি  ধরি
আ আ আ আআ আআ আআআআ দেখোরে দেখোরে দেখোরে নয়ন মেলে দেখোরে নয়ন মেলে জগতের বাহার। জগতের বাহার, জগতের বাহার,
সাগর ডাকে আয় আয় আয়। আমার গানে, জীবন আনে চলার ইশারায় আয়, আয়। সাগর ডাকে আয় আয় আয়। ছুটে ছুটে
রাগ যে তোমার মিষ্টি রাগ যে তোমার মিষ্টি আরো অনুরাগের চেয়ে সাধ করে তাই তোমায় রাগাই ওগো সোনার মেয়ে রাগ
গানে ভুবন ভরিয়ে দেবে ভেবেছিল একটি পাখী হঠাৎ বুকে বিঁধল যে তীর স্বপ্ন দেখা হল ফাঁকি। গানে ভুবন ভরিয়ে দেবে
একটা সময় তোরে আমার সবই ভাবিতাম তোরে মন পিঞ্জরে যতন করে আগলায়া রাখতাম তোর হাসি মুখের ছবি দেইখা দুঃখ পুষাইতাম,
খেলাটা দুচোখের খেলাটা পুরোনো কিছুটা ছোঁয়াছুঁয়ি ছুটে যেতে যেতে যেতে পড়ে যাবে ধরা খেলাটা আকাশের খেলাটা মেঘেদের কিছুটা বৃষ্টির মতোই
বল না রে মন কোথায় যাবি, কোথায় গেলে শান্তি পাবি। বল না রে মন কোথায় যাবি, কোথায় গেলে শান্তি পাবি।
প্রজাপাতি এ মন মেলুক পাখনা দূরে যত দূরে যায় যদি যাক না সোনালী রোদ আঁকে আলপনা সোনালী রোদ আঁকে আলপনা
লেখা প​ড়া করে যে গাড়ি ঘোড়া চড়ে সে লেখা প​ড়া করে না গাড়ি ঘোড়া চড়ে না ভাষণ​ ​ গিলে গিলে
ব্রজ–গোপী খেলে হোরী হোরী রে ব্রজ–গোপী খেলে হোরী খেলে আনন্দ নবঘন শ্যাম সাথে। ব্রজ–গোপী খেলে হোরী হোরী রে ব্রজ–গোপী খেলে
আজ এই দিনটাকে মনের খাতায় লিখে রাখো। আমায় পড়বে মনে কাছে দূরে যেখানেই থাকো। আজ এই দিনটাকে মনের খাতায় লিখে
থেই থেই তা থেই তা থেই তাতা থেই থেই থেই তা থেই তা থেই তা থেইয়া থেইয়া তাৎ তা থে
রাধে ... রাধে... রাধে মনটা রেখে এলি বল কোন মথুরায় ? একবার মন দিলে হায় রে - তারে একবার মন
মাধবী মধুপে হল মিতালি এই বুঝি জীবনের মধু গীতালি মাধবী মধুপে হল মিতালি এই বুঝি জীবনের মধু গীতালি জ্বলে দেখি
ঝিলমিল ঝাউয়ের বনে ঝিকিমিকি তার ফাঁক দিয়ে যে চাঁদ মারে উঁকি ও চাঁদ বড় প্রিয়, আমায় ধরো দেখি পাবে না,
মোর   বীনা ওঠে কোন সুরে বাজি কোন নব চঞ্চল চন্ধে । মম    অন্তর কম্পিত আজি নিখিলের হৃদয়স্পন্দে ।।
না বলে এসেছি, তা বলে ভেবো না, না বলে বিদায় নেব চলে যাই যদি, যেন হই নদী, সাগরে হারিয়ে যাব।
ও রি কিসুক রাই জিয়া রা সাঁইয়া কে য়াদ যো আয়ে শুনা পরা হে মেরা আঙ্গনা দি যো সন্দেশা ভিজাইকে
মাগো আনন্দময়ী নিরানন্দ কর না। মাগো আনন্দময়ী নিরানন্দ কর না। তোমার ও দুটি চরণ বিনে আমার মন ও দুটি চরণ
আমি তোমার সঙ্গে বেঁধেছি আমার প্রাণ সুরের বাঁধনে— তুমি জান না, আমি তোমারে পেয়েছি অজানা সাধনে ।। সে সাধনায় মিশিয়া
জড়োয়ার ঝুমকো থেকে একটা মতি খসে পড়েছে খসে পড়েছে । আমি কুড়িয়ে নিয়েছি আমি কুড়িয়ে নিয়েছি যদি এই মুক্তোর আংটি

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V