Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

তোমার কাছে এ বর মাগি, মরণ হতে যেন জাগি গানের সুরে । তোমার কাছে এ বর মাগি, মরণ হতে যেন
এমন একটি ঝিনুক খুঁজে পেলাম না যাতে মুক্ত আছে এমন কোনো মানুষ খুঁজে পেলাম না যার মন আছে এমন একটি
আহা আজ হৃদ​য়ে ভালোবেসে লিখে দিলে নাম তুমি এসে আজ হৃদ​য়ে ভালোবেসে লিখে দিলে নাম তুমি এসে যেন সাগরে নদী
পদ্মার কথা কইলা বন্ধু কইলা মেঘনা রূপসী সোনা মেঘের হাসি দিলা হাত বাড়াইয়া হাত ও দিলা তবু কন্যা নাম কইলা
এই শহর থেকে আরও অনেক দূরে চলো কোথাও চলে যাই। ঐ আকাশটাকে শুধু চোখে রেখে মনটাকে কোথাও হারাই। কি চাইনি
সেই , গ্রীষ্মের সকাল গুলোতেই পর্দা ঠেলে সরিয়ে হাওয়া দিলো ভাসিয়ে হাওয়া দিলো ভাসিয়ে। তখন, আমার এ বিছানা ঘুম ছাড়েনি
মেরি জান মেরি চেন আমি সদ্য হ্যালোজেন যে বোঝে বুঝে যায় বলে পাগল একটু উড়তে উড়তে চাই একটু গুছিয়ে দাঁড়াই
আ আআ আ আমি হতে পারিনি আকাশ আমি হতে পারিনি আকাশ তুমি দিন শেষে আলোর আবেশ নিয়ে চাঁদ হলে। তুমি
একবার বিদায় দে মা ঘুরে আসি। একবার বিদায় দে মা ঘুরে আসি। হাসি হাসি পরব ফাঁসি দেখবে ভারতবাসী। আমি হাসি
পথ হারাব বলেই এবার পথে নেমেছি, সোজা পথের ধাঁধাঁয় আমি অনেক ধেঁধেছি। পথ হারাব বলেই এবার পথে নেমেছি। নিষেধের পাহারাতে
চল রাস্তায় সাজি ট্রাম লাইন আর কবিতায় শুয়ে কাপ্লেট আহা উত্তাপ কত সুন্দর তুই থার্মোমিটারে মাপলে। হিয়া টুপটাপ জিয়া নস্টাল
ভাল লাগে হাঁটতে তোর হাত ধরে ভাবনা তোর আসছে দিন রাত ধরে। ভাল লাগে হাঁটতে তোর হাত ধরে ভাবনা তোর
মুক্তির মন্দির সোপান তলে কত প্রাণ হল বলিদান লেখা আছে অশ্রুজলে। মুক্তির মন্দির সোপান তলে কত প্রাণ হল বলিদান লেখা
ওগো আর কিছু তো নাই বিদায় নেবার আগে তাই তোমারি নয়নে পাওয়া তোমারি সুরে গাওয়া এ গান খানি রেখে যাই
শুনো শুনো গো সবে শুনো দিয়া মন​, বিচিত্র কাহিনী এক করি বর্ণণ। এক দেশে এক বনের ধারে ছোট্ট নদীর তীরে,
আমি গান শোনাবো একটি আশা নিয়ে এ গান যেন তোমার ভাল লাগে আমি রঙ ছড়াবো একটি তুলি দিয়ে সে গান
বল মা আমি দাঁড়াই কোথা বল মা আমি দাঁড়াই কোথা আমার কেহ নাই শঙ্করী হেথা, বল মা আমি দাঁড়াই কোথা।
বাজল তোমার আলোর বেণু, মাতল যে ভুবন, বাজল তোমার আলোর বেণু। আজ প্রভাতে সে সুর শুনে খুলে দিনু মন বাজল
কেন কিছু কথা বলো না? শুধু চোখে চোখে চেয়ে যা কিছু চাওয়ার আমার নিলে সবই চেয়ে। এ কি ছলনা! কেন
মন, বড় অবুঝ এই মন কিছুতে মানে না হায়। মন, বড় অবুঝ এই মন কিছুতে মানে না হায়। অবিরাম আহত
ভাবছো তুমি, ভাবছি আমি বেলা গেল। ঘরের ছেলে, ঘরেতে ফিরলো না কেন! আসে গানের কথা, আসে সুর কিছু। আসে শরীরটা
মেঘ-বিহীন খর-বৈশাখে মেঘ-বিহীন খর-বৈশাখে তৃষায় কাতর চাতকী ডাকে। মেঘ-বিহীন খর-বৈশাখে সমাধি-মগ্না উমা তপতী – সমাধি-মগ্না উমা তপতী – রৌদ্র যেন
ডেকে ডেকে চলে গেছি কত দূরে মনের প্রান্তে তার ঘুরে ঘুরে সে জানে না সে মানে না সে জানে না
বুলবুল পাখি, ময়না, টিয়ে, আয় না যা না গান শুনিয়ে। বুলবুল পাখি, ময়না, টিয়ে, আয় না যা না গান শুনিয়ে।

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V