Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

আমি যে জলসাঘরে বেলোয়াড়ী ঝাড়। আমি যে জলসাঘরে বেলোয়াড়ী ঝাড়। আমি যে জলসাঘরে নিশি ফুরালে কেহ চায় না আমায় জানি
হাজার অতীত জন্ম-দাগের মতোফুটে থাকে তারায় তারায়।কে যেন ছিলাম, মনে তো পড়ে নাছায়াপথ শরীরে হারায়।কে আমি কোথায়!কে আমি কোথায়!কে আমি
আ আ আ আআ আআ আআআআ দেখোরে দেখোরে দেখোরে নয়ন মেলে দেখোরে নয়ন মেলে জগতের বাহার। জগতের বাহার, জগতের বাহার,
ওরে গৃহবাসী খোল, দ্বার খোল, লাগলো যে দোল । স্থলে জলে বনতলে লাগলো যে দোল । দ্বার খোল, দ্বার খোল ।।
আমি এক যাযাবর, আমি এক যাযাবর, পৃথিবী আমাকে আপন করেছে ভুলেছি নিজের ঘর। আমি এক যাযাবর, আমি এক যাযাবর। আমি
আমি সাগরের বেলা, তুমি দুরন্ত ঢেউ বারে বারে শুধু আঘাত করিয়া যাও। ধরা দেবে বলে আশা করে রই তবু ধরা
এই করেছ ভালো নিঠুর হে নিঠুর হে এই করেছ ভালো এমনি করেই হৃদয়ে মোর তীব্র দহন জ্বালো নিঠুর হে এই
বেঁধো না সা ধা মা বলো বেঁধো না ফুলমালা ডোরে ফুলমালা ডোরে না শোনো ফুলমালা ডোরে ফুলমালা ডোরে বেঁধো না
এসো হে বৈশাখ এসো, এসো, এসো হে বৈশাখ এসো, এসো, তাপসনিশ্বাসবায়ে মুমূর্ষুরে দাও উড়ায়ে, তাপসনিশ্বাসবায়ে মুমূর্ষুরে দাও উড়ায়ে, বৎসরের আবর্জনা
আমি যামিনী তুমি শশী হে- ভাতিছ গগণ মাঝে । আমি যামিনী তুমি শশী হে- ভাতিছ গগণ মাঝে । মম সরসীতে
আমি      চিনি গো চিনি   তোমারে ওগো বিদেশিনী । তুমি       থাক সিন্ধুপারে   ওগো বিদেশিনী ।।       
এই পথ যদি না শেষ হয় তবে কেমন হতো তুমি বলোতো ? এই পথ যদি না শেষ হয় তবে কেমন
আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি। চিরদিন তোমার আকাশ, চিরদিন তোমার আকাশ, তোমার বাতাস, আমার প্রাণে ও গো, আমার প্রাণে
আ আ আ আ আ আরো দূরে চলো যাই ঘুরে আসি মন নিয়ে কাছাকাছি তুমি আছো আমি আছি পাশাপাশি ঘুরে
আহা কি আনন্দ আকাশে বাতাসে। আহা কি আনন্দ আকাশে বাতাসে। আহা কি আনন্দ আকাশে বাতাসে। শাখে শাখে পাখি ডাকে কত
যাবার বেলায় পিছু থেকে ডাক দিয়ে কেন বল কাঁদালে আমায় যাবার বেলায় পিছু থেকে ডাক দিয়ে কেন বল কাঁদালে আমায়
ওরে পাকা চুল কালো করে কলপ যে ঐ মাখে, নোংড়া গায়ের গন্ধ যে ঐ আতর ঘসে ঢাকে। খেয়ে যে লাথি
জীবন খাতার প্রতি পাতায় যতই লেখ হিসাব নিকাষ কিছুই রবে না । লুকোচুরির এই যে খেলা প্রাণের যত দেয়া নেয়া
ভয় দেখাস না প্লিস আমি বদলে গিয়েও ঘরে ফিরতে চাই । তবু তোর দুচোখের রোদ ফিরতে মানা করবে সেই ভই
মা তোর কত রঙ্গ দেখবো বল মা তোর কত রঙ্গ দেখবো বল আর কত কাল সইবো এ ছল। মা তোর
এই মেঘলা দিনে একলা ঘরে থাকেনাতো মন কাছে যাবো কবে  পাবো ওগো তোমার নিমন্ত্রণ ? এই মেঘলা দিনে একলা ঘরে
ধি রা না না ধিন ধি রা না ধি রা না না ধিন ধি রা না পোড়া বাঁশি ডাক দিয়ে
হো হো হো হো হো হো হো হো হো বিস্তীর্ণ দুপারের, অসংখ্য মানুষের হাহাকার শুনেও নিঃশব্দে নীরবে, ও গঙ্গা তুমি
বনমালী গো তুমি আমারই মত পর জনমে হইয় রাধা। আমি মরিয়া হইব শ্রীনন্দের নন্দন তখন​ তোমাকে বানাইব রাধা। বনমালী গো

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V