Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

থেই থেই তা থেই তা থেই তাতা থেই থেই থেই তা থেই তা থেই তা থেইয়া থেইয়া তাৎ তা থে
আমরা মলয় বাতাসে ভেসে যাবো শুধু কুসুমের মধু করিবো পান। মলয় বাতাসে ভেসে যাবো শুধু কুসুমের মধু করিবো পান। ঘুমাবো
আজ দুজনে মন্দ হলে মন্দ কি আজ দুজনে মন্দ হলে মন্দ কি দেখো ময়ূরকন্ঠী রাত যে আলোয় ঝিলমিলিয়ে আহা এমন
কারার ঐ লৌহকপাট, ভেঙ্গে ফেল কর রে লোপাট, রক্ত-জমাট শিকল পূজার পাষাণ-বেদী। কারার ঐ লৌহকপাট, ভেঙে ফেল কর রে লোপাট,
তোমার জন্য রয়েছে রাখা হাজার আলো বছর মাখা পাখির পাখা। তোমার জন্য আদিম গুহায় প্রথম তুলি টানের ছবি রয়েছে আঁকা।
নীল নীল আকাশে, চাঁদ ওই যখন আসে ভালোবাসা ছড়িয়ে, মন আমার ভরিয়ে। এমন কেউ সাথী কই, এমন কেউ কাছে কই,
শঙ্খ বাজিয়ে মাকে ঘরে এনেছি সুগন্ধী ধূপ জ্বেলে আসন পেতেছি। শঙ্খ বাজিয়ে মাকে ঘরে এনেছি সুগন্ধী ধূপ জ্বেলে আসন পেতেছি।
এই করেছ ভালো নিঠুর হে নিঠুর হে এই করেছ ভালো এমনি করেই হৃদয়ে মোর তীব্র দহন জ্বালো নিঠুর হে এই
উঠ গো ভারত-লক্ষ্মী, উঠ আদি-জগত-জন-পূজ্যা, উঠ গো ভারত-লক্ষ্মী, উঠ আদি-জগত-জন-পূজ্যা, দুঃখ দৈন্য সব নাশি করো দূরিত ভারত-লজ্জা। দুঃখ দৈন্য সব
তোমাতে আমাতে দেখা হয়েছিল। তোমাতে আমাতে দেখা হয়েছিল, জানিনা কবে কোথায় জানিনা মন দেওয়া নেওয়া খেলা হয়েছিলো জানিনা কবে কোথায়।
যে ছিল আমার স্বপনচারিণী তারে বুঝিতে পারিনি - তারে বুঝিতে পারিনি ! দিন ছলে গেছে  খুঁজিতে  খুঁজিতে ও গো -
বউ কথা কও, বউ কথা কও ডাকিস কেন ওরে পাখি। বউ কথা কও, বউ কথা কও ডাকিস কেন ওরে পাখি।
ও ও ওওও ওও আয় রে ছুটে আয় পুজোর গন্ধ এসেছে। ও ও ওওও ওও আয় রে ছুটে আয় পুজোর
ফুলেশ্বরী ফুলেশ্বরী ফুলের মত নাম ফুলেশ্বরী ফুলেশ্বরী ফুলের মত নাম তোমার দেওয়া দুখীর কমল বুকে ধরলাম ফুলেশ্বরী ফুলেশ্বরী ফুলের মত
একা মোর গানের তরী ভাসিয়েছিলাম নয়ন-জলে; সহসা কে এলে গো এ তরী বাইবে ব'লে? ভাসিয়েছিলাম নয়ন-জলে; যা ছিল কল্পমায়া, সে
বারে বারে কে যেন ডাকে আমারে, বারে বারে কে যেন ডাকে। কার ছোঁয়া লাগে যেন মনোবীণার তারে কার ছোঁয়া লাগে
এ দিন তো যাবে না মানা তুমি যতই করো। এ দিন তো যাবে না মানা তুমি যতই করো। যা ইচ্ছা
আরে ও জীবন রে জীবন ছাড়িয়া না যাইস্ মোকে আরে তুই জীবন ছাড়িয়া গেলে আদর করিবে কায় জীবনরে। আদর করিবে
ওরে সুজন নাইয়া ওরে সুজন নাইয়া কোন বা কন্যার দেশে যাও রে চাঁদের ডিঙ্গা বাইয়া? ওরে সুজন নাইয়া- গ্রহ তারার
 আমার   রাত পোহালো শারদ প্রাতে | বাঁশি , তোমায় দিয়ে যাবো কাহার হাতে || তোমার বুকে বাজলো ধ্বনি বিদায়গাথা
খেলাটা দুচোখের খেলাটা পুরোনো কিছুটা ছোঁয়াছুঁয়ি ছুটে যেতে যেতে যেতে পড়ে যাবে ধরা খেলাটা আকাশের খেলাটা মেঘেদের কিছুটা বৃষ্টির মতোই
খাঁচার ভিতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায় খাঁচার ভিতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায় তারে ধরতে পারলে মন বেড়ি দিতাম
পাখি কখন জানি উড়ে যায় একটা বদ হাওয়া লেগে খাঁচায় ।। খাঁচার আড়া প'ল ধসে পাখি আর দাঁড়াবে কিসে আমি
আমি কোথায় পাবো তারে আমার মনের মানুষ যে রে। আমি কোথায় পাবো তারে আমার মনের মানুষ যে রে। হারায়ে সেই

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V