Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

কথা ছিলো বাকি সন্ধ্যা জোনাকি হঠাৎ তারারা ডাকে আয় ঘাসের চাদরে ঘুমের আদরে রাত কেন ব​য়ে চলে যায় ঘুম আসে
নি সা গা মা পা নি সা রে গা নি সা গা মা পা নি সা রে গা গা গা
জানা অজানা পথে চলেছি জানা অজানা পথে চলেছি একে একে দুই দুয়ে একে তিন হয়েছি জানা অজানা পথে চলেছি জানা
হরি দিনতো গেল সন্ধ্যা হল পার কর আমারে ! তুমি পারের কর্তা শুনে বার্তা ডাকি হে তোমারে । হরি দিনতো
হা হা হা হা হা হাহা হাহা হাহা হা হা হা হা হা হাহা হাহা হাহা হা-হা-হা-হা হা-হা-হা-হা হা-হা-হা-হা হা-হা-হা-হা
আ আআ আ আমি হতে পারিনি আকাশ আমি হতে পারিনি আকাশ তুমি দিন শেষে আলোর আবেশ নিয়ে চাঁদ হলে। তুমি
দূরে থেকো না। আরো কাছে এসো। পরশ করে দেখো আমায় রোমাঞ্চ জাগে কি? দূরে থেকো না। আরো আরো কাছে এসো।
একা নরে, কানে করে একা নরে, কানে করে তেঁতুল পারে, ছরে ছরে। এক হাতে তার নুনের ভাঁড় আর এক হাতে
দেখা হবে বলে বারে বারে ছুটে আসা চেনা চৌকাঠে চাওয়াগুলো ধুতে আসা ছায়া পাবো বলে হাতে হাতে ছুটে আসা ভালবাসা
কেন কিছু কথা বলো না? শুধু চোখে চোখে চেয়ে যা কিছু চাওয়ার আমার নিলে সবই চেয়ে। এ কি ছলনা! কেন
কিভাবে কত কি পুড়ে ছাই। কখন কে জানে রাস্তার মোড়ে হাত নাড়ি বিদায় বাসের সারি বুকের ভেতর ভাড়ি পাথরের ছোঁয়াটুকু
কি যে ভাবি এলোমেলো লা লা লা লা লা লা লা লা সেকি এলো সেকি এলো হা সে তো না
দে মা তবিলদারি, আমায় দে মা তবিলদারি, আমি নেমকহারাম নই শঙ্করী। পদরত্নভান্ডার সবাই লুটে ইহা আমি সইতে নারি, দে মা
এই ছন্দ এ আনন্দ এ যে বিধাতার মহাদান। আনন্দে পাখি গায় ঝর্ণারা ছুটে যায় ফুল দিয়ে যায় তার গন্ধ। এই
যা যা যাযা যা বাঁশী যারে দূরে মন লাগে না আর ঘরে।মোর স্বপ্ন​-সীমানার পারে যা যা যা রে।যা যা যাযা
বেঁধো না সা ধা মা বলো বেঁধো না ফুলমালা ডোরে ফুলমালা ডোরে না শোনো ফুলমালা ডোরে ফুলমালা ডোরে বেঁধো না
ভয় দেখাস না প্লিস আমি বদলে গিয়েও ঘরে ফিরতে চাই । তবু তোর দুচোখের রোদ ফিরতে মানা করবে সেই ভই
নদীর যেমন ঝর্ণা আছেঝর্ণারও নদী আছে।আমার আছো তুমি শুধু তুমি।আমার আছো তুমি শুধু তুমি। বাঁশীর যেমন কৃষ্ণ আছেকৃষ্ণেরও বাঁশী আছে।আমার
যারে যারে উড়ে যারে পাখি ফুরালো প্রাণের মেলা শেষ হ​য়ে এলো বেলা আর কেন মিছে তোরে বেঁধে রাখি যারে আকাশে
ভোলা মন​ হায় মনের কথা কাকে বলি আর এমন করে ছিঁড়ল কেনে একতারাটার তার ও উদাস বাউল নেই তো বাউল
যখন ডাকল বাঁশি তখন রাঁধা যাবেই যমুনায় । যখন ডাকল বাঁশি তখন রাঁধা যাবেই যমুনায় । জ্বলে পুড়ে মরল রাঁধা
খোঁপার ওই গোলাপ দিয়ে - মনটা কেন এত কাছে আনলে ? খোঁপার ওই গোলাপ দিয়ে - মনটা কেন এত কাছে
আ হা ও হো এ হে রুই কাতলা ইলিশ তো নয়, হায়রে কি যে করি। রুই কাতলা ইলিশ তো নয়,
আকাশ আমায় ভরল আলোয়, আকাশ আমি ভরব গানে সুরের আবীর হানব হাওয়ায়, নাচের আবীর হাওয়ায় হানে ।। ওরে পলাশ, ওরে পলাশ,

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V