Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

হে হুম এ কি হল কেন হল কবে হল জানি না শুরু হল শেষ হল কি যে হল জানি না
ওই বিহুর ডাকে যায় ভেসে মন​ মন পাখি যায় রে বাঁকে আজ পরব দিনে আসাম গেছে মন আমার ধামসার তালে
খেলাটা দুচোখের খেলাটা পুরোনো কিছুটা ছোঁয়াছুঁয়ি ছুটে যেতে যেতে যেতে পড়ে যাবে ধরা খেলাটা আকাশের খেলাটা মেঘেদের কিছুটা বৃষ্টির মতোই
ও প্রজাপতি প্রজাপতি পাখনা মেলো ও প্রজাপতি প্রজাপতি পাখনা মেলো আমার এই মনের আঁধার কোণে কোণে রঙে রঙে রংমশাল জ্বালো
ঢাকের তালে কোমর দোলে খুশীতে নাচে মন, আজ বাজা কাঁসর জমা আসর থাকবে মা আর কতক্ষন। ঢাকের তালে কোমর দোলে
ও এহে হে হা হা হা মোর স্বপ্নের সাথী তুমি কাছে এসো আজ ঋতু ফাল্গুনে তবু দূরে থাকো বৃথা যায়
চলে এসো আজ এ রাতে চলে এসো আমার সাথে প্রিয়তমা তোমার দুচোখ যতদূর যাব আমি ততদুর প্রিয়তমা আজ যেন ভেসে
আমার মনের এই ময়ূরমহলে এসো আজ প্রেমের আতর ঢেলে দাও। বেগম রাতটার গায়ে তারা ওড়না দুচোখে আজ নয় ঝাড়বাতি জ্বেলে
উমউম উমউম উমউম উমউম উমউম উমউম উমউম উমউম উমউম উমউম উমউম উমউম বৃষ্টি বৃষ্টি বৃষ্টি, এ কোন অপরূপ সৃষ্টি। এত
কিচ্ছু চাইনি আমি আজীবন ভালবাসা ছাড়া আমিও তাদেরই দলে বার বার মরে যায় যারা। না না, কিচ্ছু চাইনি আমি আজীবন
ক্ষমা করো আমি ভালো নেই ক্ষমা করো আমি ভালো নেই এলোমেলো হয়ে গেছি, যেন সব হারিয়েছি, হে বসন্ত বিদায়। ক্ষমা
মহারাজা! তোমারে সেলাম, সেলাম, সেলাম। মোরা বাংলাদেশের থেকে এলাম। মোরা বাংলাদেশের থেকে এলাম। মোরা সাদা সিধা মাটির মানুষ, দেশে দেশে
এক ঝাঁক পাখিদের মত কিছু রোদ্দুর বাধা ভেঙ্গে জানলার শার্শী সমুদ্দুর একঝাঁক পাখিদের মত কিছু রোদ্দুর এল আঁধারের শত্তুর। এক
হাজার টাকার ঝাড়বাতিটা রাতটা কে যে দিন করেছে তারি নীচে বাইজি নাচে ঠুমরী গানের টুকরো ছুঁড়ে হাজার টাকার ঝাড়বাতিটা তবলচিটা
উঠছে জেগে সকালগুলো, পাশ ফিরে মন আবার শুলো এবার তোকে আদর চোখে দেখবে সে। দেখবে দামাল প্রেম কিরকম, মন্ত্র ছাড়াই
ভিজছে কাক, আয়না থাক দেখুক তোমায় ফুলের দল পথের বাঁক, আনতে যাক বৃষ্টি ধোয়া কলসি জল শহরতলি জুড়ে, গলির মোড়ে
ফাগুন,    হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান - তোমার  হাওয়ায় হাওয়ায়  করেছি যে দান - আমার    আপনহারা প্রাণ আমার বাঁধন-ছেঁড়া
রাধে ... রাধে... রাধে মনটা রেখে এলি বল কোন মথুরায় ? একবার মন দিলে হায় রে - তারে একবার মন
মে দিবসের গান ==================== জন হেনরী, জন হেনরী- নাম তার ছিল জন হেনরী ছিল যেন জীবন্ত ইঞ্জিন হাতুড়ির তালে তালে
ওরে     আয় রে ওরে     আয় রে তবে, মাত রে সবে আনন্দে আজ    নবীন প্রানের বসন্তে । ওরে
কিছুদিন মনে মনে- কিছুদিন মনে মনে ঘরের কোণে শ্যামের পিরিত রাখ গোপনে। কিছুদিন মনে মনে- ইশারায় কইবি কথা গোঠে মাঠে,
ইস দেবাশিস, তুমি বড়ো হয়ে গেছ দেবাশীষ। ইশ দেবাশীষ, চেনা ঠিকানার নেই হদিশ। ইশ দেবাশিস, বয়ে গেলো শুধু বছরের ঢেউ।
দারুন অগ্নিবানে রে দারুন অগ্নিবানে রে হৃদয় তৃষায় হানে রে । হানে দারুন অগ্নিবানে রে দারুন অগ্নিবানে রে রজনী নিদ্রাহীন,
কোথাও আমার হারিয়ে যাওয়ার নেই মানা মনে মনে । মেলে দিলেম গানের সুরের এই ডানা মনে মনে । কোথাও আমার

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V