Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

জাত গেল জাত গেল বলে একি আজব কারখানা ! সত্য কাজে কেউ নয় রাজি সবই দেখি তা না না না
বয়েই গেছে বয়েই গেছে তোমার ডাকে সারা দিতে বয়েই গেছে সাত রাজাধন মানিক যখন পাওয়াই আমার হয়েই গেছে বয়েই গেছে
এ কথা কি জানে ইন্দু জোছনাকে বুকে ধরে ভালবাসে তাকে সিন্ধু সে কথা কি জানে ইন্দু যেখানে যখনি থাকি ওই
বৃষ্টি থামার শেষে সোনালী আলোয়ে ভেসে রাজার কুমার এসে সোনালী কাঠি ছোঁয়ালো। বৃষ্টি থামার শেষে সোনালী আলোয়ে ভেসে রাজার কুমার
আমি গান শোনাবো একটি আশা নিয়ে এ গান যেন তোমার ভাল লাগে আমি রঙ ছড়াবো একটি তুলি দিয়ে সে গান
ওগো আর কিছু তো নাই বিদায় নেবার আগে তাই তোমারি নয়নে পাওয়া তোমারি সুরে গাওয়া এ গান খানি রেখে যাই
আলগা দিচ্ছি সুতো, পালিয়ে যাওয়ার ছুতো, রাখলে মনে ভালো, কে ফিরে তাকালো? এই কপালের দাগে, অনেক বছর আগে, ছিলাম তোমার
প্রজাপতি প্রজাপতি প্রজাপতি প্রজাপতি কোথায় পেলে ভাই এমন রঙিন পাখা কোথায় পেলে ভাই এমন রঙিন পাখা টুকটুকে লাল নীল ঝিলিমিলি
আজ যাই? আসব আর একদিন আজ যাই। আসব আর একদিন আজ যাই। হো ফোটা ঝরা ফুলের যে কাজ তাই। আজ
মন তোমার এই ভ্রম গেল না, গেল না, কালী কেমন তাই চেয়ে দেখলে না, দেখলে না, মন তোমার এই ভ্রম
আমার চোখে চোখ রাখ তুই আমার কথা গুলো তোর হয়ে যেতে পারে দুর্ঘটনা ঘটতে দে আঙুল গুনে ফেলা মনে পড়ে
চোখে নামে বৃষ্টি, বুকে ওঠে ঝড় যে চোখে নামে বৃষ্টি, বুকে ওঠে ঝড় যে তুমি তো আমারই ছিলে, আজ কত
মনে পড়ে মনে পড়ে সেই সব দিন সেই সব ঝরে যাওয়া স্বপ্ন রঙ্গিন সেই সব ঋতু জুড়ে ফাগুনের দিন মনে
এই মন অচেনা, কার খোঁজ বোঝেনা। দলছুট ঠিকানায়, তোলপাড় অজানায়। হাত বাড়িয়ে চাঁদটা কে ছুঁই, সঙ্গে থাকিস, প্রেম মানে তুই।
ঢাকের তালে কোমর দোলে খুশীতে নাচে মন, আজ বাজা কাঁসর জমা আসর থাকবে মা আর কতক্ষন। ঢাকের তালে কোমর দোলে
এসো হে বৈশাখ এসো, এসো, এসো হে বৈশাখ এসো, এসো, তাপসনিশ্বাসবায়ে মুমূর্ষুরে দাও উড়ায়ে, তাপসনিশ্বাসবায়ে মুমূর্ষুরে দাও উড়ায়ে, বৎসরের আবর্জনা
শহর জুরে যেন প্রেমের মরশুম আলোতে মাখামাখি আমার এ গ্রীনরুম কখন নেমে আসে অচেনা প্যারাশুট তোমাকে ভালোবেসে আমার চিরকুট কলকাতা
আমি সাগরের বেলা, তুমি দুরন্ত ঢেউ বারে বারে শুধু আঘাত করিয়া যাও। ধরা দেবে বলে আশা করে রই তবু ধরা
তোমার নামের রোদ্দুরে আমি ডুবেছি সমুদ্দুরে জানি না যাবো কত্দুরে এখনো তোমার নামের রোদ্দুরে আমি ডুবেছি সমুদ্দুরে জানি না যাবো
পাড়ায় ঢুকলে ঠ্যাং খোড়া করে দেবো বলেছে পাড়ার দাদারা অন্যপাড়া দিয়ে যাচ্ছি তাই রঞ্জনা আমি আর আসবো না। এখানে রঞ্জনা
পাখি আজ কোন সুরে গায় বকুলের ঘুম ভেঙে যায় আজ কোনো কথা নয় শুধু গান আরো গান তাই বুঝি দুজনের
তু রুরু রুরু রুরুরু রু ফিরে এসো অনুরাধা ভেঙ্গে দিয়ে সব বাধা। প্রিয়তমা মোনালিসা তুমি আমার ভালবাসা। বলেছিলে তুমি গান
ও পাখি উড়ে আয়, উড়ে আয় তোরি সুরে যা যা দেখে যা যা যারে দেখে যা- আমি আজ কার কাছে
চল্‌ চল্ চল্ চল্‌ চল্ চল্ ঊর্দ্ধ গগনে বাজে মাদল, নিম্নে উতলা ধরণী তল অরুণ প্রাতের তরুণ দল চল্‌ রে

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V