Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

লালালা লালালা লালা লালা লালালা লালালা লালা লালা লা লালালা লা লালালা লালালা লালালা সেদিনও ছিল দুপুর এমন ঝকঝকে রোদ
মোর গাঁয়েরও সীমানার পাহাড়ের ওপারে নিশীথ রাত্রির প্রতিধ্বনি শুনি। প্রতিধ্বনি শুনি আমি প্রতিধ্বনি শুনি। কান পেতে শুনি আমি বুঝিতে না
নদীর যেমন ঝর্ণা আছেঝর্ণারও নদী আছে।আমার আছো তুমি শুধু তুমি।আমার আছো তুমি শুধু তুমি। বাঁশীর যেমন কৃষ্ণ আছেকৃষ্ণেরও বাঁশী আছে।আমার
কি গাব আমি কি শুনাব​, আজি আনন্দধামে। কি গাব আমি কি শুনাব​, আজি আনন্দধামে। পুরবাসী জনে এনাছি ডেকে তোমার অমৃতনামে।
তারে বলে দিও সে যেন আসে না আমার দ্বারে তারে বলে দিও সে যেন আসে না আমার দ্বারে তারে বলে
এক ঝাঁক পাখিদের মত কিছু রোদ্দুর বাধা ভেঙ্গে জানলার শার্শী সমুদ্দুর একঝাঁক পাখিদের মত কিছু রোদ্দুর এল আঁধারের শত্তুর। এক
অনেক জমানো ব্যথা বেদনা, কি করে গান হল জানিনা। অনেক জমানো ব্যথা বেদনা, কি করে গান হল জানিনা। কি করে
জানি না আজ যে আপন কাল সে কেন পর হ​য়ে যায়​ জানি না আজ যে আপন কাল সে কেন পর
একা নরে, কানে করে একা নরে, কানে করে তেঁতুল পারে, ছরে ছরে। এক হাতে তার নুনের ভাঁড় আর এক হাতে
বন্ধ মনের দুয়ার দিয়েছি খুলে। এসেছে ফাগুন হওয়া, এখন সবই দেবার পালা নেই তো কিছু চাওয়ার। বন্ধ মনের দুয়ার দিয়েছি
আকাশ আমায় ভরল আলোয়, আকাশ আমি ভরব গানে সুরের আবীর হানব হাওয়ায়, নাচের আবীর হাওয়ায় হানে ।। ওরে পলাশ, ওরে পলাশ,
এই কূলে আমি আর ঐ কূলে তুমি মাঝখানে নদী ঐ বয়ে চলে যায়। এই কূলে আমি আর ঐ কূলে তুমি
এ আমার গুরুদক্ষিণা গুরুকে জানাই প্রণাম যার শুভ কামনায় আমি এ আমার গুরুদক্ষিণা গুরুকে জানাই প্রণাম যার শুভ কামনায় আমি
ভাবছো তুমি, ভাবছি আমি বেলা গেল। ঘরের ছেলে, ঘরেতে ফিরলো না কেন! আসে গানের কথা, আসে সুর কিছু। আসে শরীরটা
ওগো আর কিছু তো নাই বিদায় নেবার আগে তাই তোমারি নয়নে পাওয়া তোমারি সুরে গাওয়া এ গান খানি রেখে যাই
মধুর মধুর বংশী বাজে, কোথা কোন কদম তলিতে। মধুর মধুর বংশী বাজে, কোথা কোন কদম তলিতে। আমি পথের মাঝে পথ
কে তুমি আমারে ডাকো অলখে লুকায়ে থাকো ফিরে ফিরে চাই দেখিতে না পাই।। মনে তো পড়ে না তবুও যে মনে
বল না রে মন কোথায় যাবি, কোথায় গেলে শান্তি পাবি। বল না রে মন কোথায় যাবি, কোথায় গেলে শান্তি পাবি।
তুমি নেই বলে আজ চাঁদ আসেনি আকাশে, নেই কোনো তারা। তুমি নেই বলে আজ ফুল ফোটেনি বাগানে, ঝরে গেছে পাতা।
Male version: কতবার তোর বাড়ি গিয়ে ফিরে, ফিরে এলাম আমার মতে তোর মতন কেউ নেই । কতবার তোর জানলা দিয়ে
আমার       প্রাণের মানুষ আছে প্রাণে, তাই হেরি তায় সকল খানে।। আছে সে      নয়ন তারায় আলোক-ধারায়,
বুলবুল পাখি, ময়না, টিয়ে, আয় না যা না গান শুনিয়ে। বুলবুল পাখি, ময়না, টিয়ে, আয় না যা না গান শুনিয়ে।
হায়! যাব কি যাব না ভেবে ভেবে হায় রে যাওয়া তো হল না। আরে পাব কি পাব না ভেবে ভেবে
দে মা তবিলদারি, আমায় দে মা তবিলদারি, আমি নেমকহারাম নই শঙ্করী। পদরত্নভান্ডার সবাই লুটে ইহা আমি সইতে নারি, দে মা

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V