Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

আমি   হৃদয়ের কথা বলিতে ব্যাকুল, শুধাইল না কেহ। সে তো  এল না যারে সঁপিলাম এই প্রাণ মন দেহ।। সে
বেঁধো না সা ধা মা বলো বেঁধো না ফুলমালা ডোরে ফুলমালা ডোরে না শোনো ফুলমালা ডোরে ফুলমালা ডোরে বেঁধো না
ওগো বেশি দাম বল কার ওই চন্দ্রমুখ না এই চন্দ্র হার ওই চন্দ্রমুখ না এই চন্দ্র হার কিভাবে তুলনা করি
মনের হদিস কেই বা জানে? সে হদিস কেই বা জানে? কি যে থাকে মনের ঘরে! কেউ জানে না, কেউ জানে
সাগর ডাকে আয় আয় আয়। আমার গানে, জীবন আনে চলার ইশারায় আয়, আয়। সাগর ডাকে আয় আয় আয়। ছুটে ছুটে
ভেবে দেখ মন, কেউ কারো নয়, মিছে ভ্রম ভূ-মন্ডলে ৷ ভেবে দেখ মন, কেউ কারো নয়, মিছে ভ্রম ভূ-মন্ডলে ৷
যেখানে সাঁইর বারামখানা । শুনিলে প্রাণ চমকে উঠে দেখতে যেমন ভুজাঙ্গনা ।। যা ছুঁইলে প্রাণে মরি এই জগতে তাইতে তরি
তোমার ভুবনে ফুলের মেলা আমি কাঁদি সাহারায়। তোমার ভুবনে ফুলের মেলা আমি কাঁদি সাহারায়। ওগো কমলিকা- ওগো কমলিকা বুঝিলেনা আমি
কারার ঐ লৌহকপাট, ভেঙ্গে ফেল কর রে লোপাট, রক্ত-জমাট শিকল পূজার পাষাণ-বেদী। কারার ঐ লৌহকপাট, ভেঙে ফেল কর রে লোপাট,
জাত গেল জাত গেল বলে একি আজব কারখানা ! সত্য কাজে কেউ নয় রাজি সবই দেখি তা না না না
আমার সকল দুখের প্রদীপ জ্বেলে দিবস গেলে করব নিবেদন— আমার ব্যথার পূজা হয় নি সমাপন ।। যখন বেলা-শেষের ছায়ায় পাখিরা
বাজল তোমার আলোর বেণু, মাতল যে ভুবন, বাজল তোমার আলোর বেণু। আজ প্রভাতে সে সুর শুনে খুলে দিনু মন বাজল
ঘরেতে ভ্রমর এল গুনগুনিয়ে। ঘরেতে ভ্রমর এল গুনগুনিয়ে। আমারে কার কথা সে যায় শুনিয়ে। ঘরেতে ভ্রমর এল গুনগুনিয়ে। আলোতে কোন
আমি আভিসারে যাব আমি যাব আভিসারে ধুপের ধোঁয়াতে মোর অলক শুখায়ে নেবো সাজাতে কবরী ফুল হারে আমি আভিসারে যাব আমি
তুমি এসেছিলে পরশু কাল কেন আসনি। তুমি এসেছিলে পরশু কাল কেন আসনি। তুমি কি আমায় বন্ধু কাল কেন আসনি। তুমি
তবু বলে কেন সহসাই থেমে গেলে বলো কি বলিতে এলে তবুর পরে বলার যা ছিল বলো বলো কি বলিতে এলে
টাপুর টুপুর বৃষ্টি নুপুর জলছবিরই গায়ে, তুই যে আমার একলা আকাশ, মেঠো সুরের ছাই রে মেঠো সুরের ছাই। রং বেরঙের
তুমি, নির্মল কর, মঙ্গল করে মলিন মর্ম মুছায়ে । তুমি, নির্মল কর, মঙ্গল করে মলিন মর্ম মুছায়ে । তব, পূণ্য-কিরণ
আমি   রূপে তোমায় ভোলাব না, ভালবাসায় ভোলাব । আমি   হাত দিয়ে দ্বার খুলবো না গো, গান দিয়ে  দ্বার খোলাব ।।    
এখন তো সময় ভালোবাসার, এ দুটি হৃদয় কাছে আসার, তুমি যে একা আমিও যে একা, লাগে যে ভালো, ও প্রিয়
নীড় ছোট ক্ষতি নেই, আকাশ তো বড়। নীড় ছোট ক্ষতি নেই, আকাশ তো বড়। হে মন বলাকা, মোর অজানার আহবানে
আয়নাতে ঐ মুখ দেখবে যখন কপোলের কালো তিল পড়বে চোখে ফুটবে যখন ফুল বকুল শাখে ভ্রমর যে এসেছিলো জানবে লোকে।
জাত গেল জাত গেল বলে একি আজব কারখানা জাত গেল জাত গেল বলে একি আজব কারখানা সত্য পথে কেউ নয়
অলিরও কথা শুনে বকুল হাসে কই তাহার মত তুমি আমার কথা শুনে হাসো না তো ! ধরারও ধুলিতে যে ফাগুন

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V