Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

ও বাঁশি হায় বাঁশি কেন গায় আমারে কাঁদায় কে গেছে হারায় স্মরণের বেদনায় কেন মনে এনে দেয় আ আ বাঁশি
কথা ছিলো বাকি সন্ধ্যা জোনাকি হঠাৎ তারারা ডাকে আয় ঘাসের চাদরে ঘুমের আদরে রাত কেন ব​য়ে চলে যায় ঘুম আসে
যেন মুঠোর রুমাল রুমাল সোহাগী লাল যেন রাতের আড়াল আড়াল রংমশাল যেন গানের বাগান বাগান আকাশে নীল যেন ঘুমের বনে
সাগর ডাকে আয় আয় আয়। আমার গানে, জীবন আনে চলার ইশারায় আয়, আয়। সাগর ডাকে আয় আয় আয়। ছুটে ছুটে
যদি কিছু আমারে শুধাও- কি যে তোমারে কব, নীরবে চাহিয়া রব, না বলা কথা বুঝিয়া নাও। যদি কিছু আমারে শুধাও-
আমি যামিনী তুমি শশী হে- ভাতিছ গগণ মাঝে । আমি যামিনী তুমি শশী হে- ভাতিছ গগণ মাঝে । মম সরসীতে
ভালবাসার আগুন জ্বেলে কেন চলে যায় ভালবাসার আগুন জ্বেলে কেন চলে যায় ব্যাথার বাতাস কেঁদে মরে ব্যাথার বাতাস কেঁদে মরে
ধরো হাল শক্ত হাতে ভয় কি নদীর সাথে ধরো হাল শক্ত হাতে ভয় কি নদীর সাথে টলবে না নৌকা ভীষণ
          পুরানো সেই দিনের কথা ভুলবি কি রে হায় । ও সেই      চোখের দেখা,
আজ দুজনার দুটি পথ ওগো দুটি দিকে গেছে বেঁকে আজ দুজনার দুটি পথ ওগো দুটি দিকে গেছে বেঁকে তোমার ও
এই সুন্দর স্বর্ণালী সন্ধ্যায়, একি বন্ধনে জড়ালে গো বন্ধু, এই সুন্দর স্বর্ণালী সন্ধ্যায়, একি বন্ধনে জড়ালে গো বন্ধু। কোন রক্তিম
যেও না দাঁড়াও বন্ধু যেও না দাঁড়াও যেও না দাঁড়াও বন্ধু, আরো বল দুকথা হংসপাখায় পাক লাগে কি স্বরসতীর আসন
ইস দেবাশিস, তুমি বড়ো হয়ে গেছ দেবাশীষ। ইশ দেবাশীষ, চেনা ঠিকানার নেই হদিশ। ইশ দেবাশিস, বয়ে গেলো শুধু বছরের ঢেউ।
মধু বনে বাঁশি বাজে রাধা হল বেমনা ও মন কেন মানে না রাধা বাঁশি ছাড়া জানে না মন কেন রাধা
হায় রে পোড়া বাঁশি ঘরেতে ও রইতে দিলো না ঘরেতে হায় রে পোড়া বাঁশি ঘরেতে ও রইতে দিলো না ঘরেতে
মনে পড়ে মনে পড়ে সেই সব দিন সেই সব ঝরে যাওয়া স্বপ্ন রঙ্গিন সেই সব ঋতু জুড়ে ফাগুনের দিন মনে
একা নরে, কানে করে একা নরে, কানে করে তেঁতুল পারে, ছরে ছরে। এক হাতে তার নুনের ভাঁড় আর এক হাতে
তুই হাসলি যখন তোরই হল এ মন​ তুই ছুঁলি যখন তোরই হল এ মন দুচোখে আঁকছে শীত বাহারি ডাকটিকিট দুচোখে
গৌরীশৃঙ্গ তুলেছে শির বহিছে সিন্ধু গর্জমান ভল্গা যমুনা রাইনে নাইলে মিসিসিপি মিলে তুলেছে তান নওজওয়ান গৌরীশৃঙ্গ তুলেছে শির বহিছে সিন্ধু
বৃষ্টি থামার শেষে সোনালী আলোয়ে ভেসে রাজার কুমার এসে সোনালী কাঠি ছোঁয়ালো। বৃষ্টি থামার শেষে সোনালী আলোয়ে ভেসে রাজার কুমার
এমন আমি ঘর বেঁধেছি পাহাড়ে যার ঠিকানা নাই স্বপনের সিঁড়ি দিয়ে যেখানে পৌঁছে আমি যাই এমন আমি ঘর বেঁধেছি পাহাড়ে
চাঁদের গায়ে চাঁদ লেগেছে           আমরা ভেবে করবো কি ঝিয়ের পেটে মায়ের জন্ম      
হোলি হ্যায় সাত সুরো কি বাঁধ পায়েলিয়া সাতরাঙ্গি তন ওর চুনরিয়া হোলি আয়ি হোলি আয়ি রে হোলি আয়ি সুখ তাই
তোমার আকাশ দুটি চোখে, আমি হয়ে গেছি তারা। ওগো তোমার আকাশ দুটি চোখে, আমি হয়ে গেছি তারা। এই জীবন ছিল

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V