Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

মিলন হবে কত দিনে আমার মনের মানুষের সনে ।। চাতক প্রায় অহর্নিশি চেয়ে আছি কালো শশী হব বলে চরণ দাসী
আজি বসন্ত জাগ্রত দ্বারে। বসন্ত জাগ্রত দ্বারে। তব অবগুন্ঠিত কুন্ঠিত জীবনে কোরো না বিড়ম্বিত তারে। বসন্ত জাগ্রত দ্বারে। আজি খুলিয়ো
আমার ভালোবাসার রাজপ্রাসাদে নিশুতি রাত গুমরে কাঁদে ৷ মনের ময়ুর মরেছে ঐ ময়ুর মহলেই ৷ দেখি মুকুটটা তো পড়ে আছে
পাগলা হাওয়ার বাদল-দিনে পাগল আমার মন জেগে ওঠে। চেনাশোনার কোন বাইরে    যেখানে পথ নাই নাই রে সেখানে অ-কারণে যায়
দে লো সখী দে পরাইয়ে গলে, সাধের বকুলফুলহার। দে লো সখী দে পরাইয়ে গলে, সাধের বকুলফুলহার। আধফোঁটা জুঁইগুলি যতনে আনিয়া
বসন পরো মা, বসন পরো মা বসন পরো, পরো মা গো বসন পরো মা। চন্দনে চর্চিত জবা পদে দিব আমি
মাধবী মধুপে হল মিতালি এই বুঝি জীবনের মধু গীতালি মাধবী মধুপে হল মিতালি এই বুঝি জীবনের মধু গীতালি জ্বলে দেখি
ও পাখি উড়ে আয়, উড়ে আয় তোরি সুরে যা যা দেখে যা যা যারে দেখে যা- আমি আজ কার কাছে
সোনা আজ শেষ করো দিন গোনা বুঝেও কেন বুঝ্ঝো না আমি হেব্বি রোম্যান্টিক আর অল্প ডিমান্ডিং। রানী তুমি আর সেজোনা
আমার     প্রানের 'পরে চলে গেল কে বসন্তের    বাতাসটুকুর মতো । সে যে      ছুঁয়ে গেল নুয়ে গেল রে
একা মোর গানের তরী ভাসিয়েছিলাম নয়ন-জলে; সহসা কে এলে গো এ তরী বাইবে ব'লে? ভাসিয়েছিলাম নয়ন-জলে; যা ছিল কল্পমায়া, সে
এটা গল্প কার দেখো লিখছে কে ভুলে অন্ধকার আলো শিখছে কে এটা গল্প কার দেখো লিখছে কে ভুলে অন্ধকার আলো
যদি কিছু আমারে শুধাও- কি যে তোমারে কব, নীরবে চাহিয়া রব, না বলা কথা বুঝিয়া নাও। যদি কিছু আমারে শুধাও-
জীবন খাতার প্রতি পাতায় যতই লেখ হিসাব নিকাষ কিছুই রবে না । লুকোচুরির এই যে খেলা প্রাণের যত দেয়া নেয়া
খেলা শেষ মুখ ভাসে বেলা শেষ ঘুম আসে। খেলা শেষ মুখ ভাসে বেলা শেষ ঘুম আসে। মেঘ ঢেউ যায় ভেসে
উঠ গো ভারত-লক্ষ্মী, উঠ আদি-জগত-জন-পূজ্যা, উঠ গো ভারত-লক্ষ্মী, উঠ আদি-জগত-জন-পূজ্যা, দুঃখ দৈন্য সব নাশি করো দূরিত ভারত-লজ্জা। দুঃখ দৈন্য সব
ফুল কেন লাল হ​য় সেকি জানা যায় ভালোবাসি এই কথা কি মুখে বলা যায় ফুল কেন লাল হ​য় সেকি জানা
ফাঁকা ফ্রেম আর অকেজো হাতঘড়ি নিয়ে এখন আমি কি করি? অ্যান্টেনায় আর অশ্বত্থের ডালে ঝুলে থাকি প্রতেক সকালে শহুরে সন্ধ্যায়
অসতমা সদগম​য়া তমশমা জ্যোর্তিরগম​য়া মৃত্যোরমা​ অমৃতম​ গম​য়া শান্তি শান্তি ওম​ শান্তি ওম শান্তি ওম হরি ওম তৎ-স​ৎ দেখ আলোয় আলো
কে তুমি কে তুমি! কে তুমি তন্দ্রাহরণী। দাঁড়িয়ে আমার চোখের আগে রাঙ্গালে এ মন পুস্পরাগে কে গো চম্পাবরণী। কে তুমি
ছোটো ছোটো দিন আলাপে রঙ্গিন নূড়ির​ মতন ছোটো ছোটো রাত চেনা মনটার পলাশের বন আহা অগোছালো ঘর খড়কুটোময় চিলেকোঠা কোণ
খাঁচার ভিতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায় খাঁচার ভিতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায় তারে ধরতে পারলে মন বেড়ি দিতাম
ফুলে গন্ধ নেই এতো ভাবতেও পারি না ফুলে গন্ধ নেই এতো ভাবতেও পারি না সুরে ছন্দ নেই এতো ভাবতেও পারি
ভালবাসার আগুন জ্বেলে কেন চলে যায় ভালবাসার আগুন জ্বেলে কেন চলে যায় ব্যাথার বাতাস কেঁদে মরে ব্যাথার বাতাস কেঁদে মরে

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V