Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

মাধবী মধুপে হল মিতালি এই বুঝি জীবনের মধু গীতালি মাধবী মধুপে হল মিতালি এই বুঝি জীবনের মধু গীতালি জ্বলে দেখি
তুমি যাকে ভালবাসো স্নানের ঘরে বাষ্পে ভাসো তার জীবনে ঝ​ড়​ তুমি যাকে ভালবাসো স্নানের ঘরে বাষ্পে ভাসো তার জীবনে ঝ​ড়​
তুমি রবে নীরবে হৃদয়ে মম তুমি রবে নীরবে নিবিড় নিভৃত পূর্ণিমা নিশীথিনীসম তুমি রবে নীরবে মম জীবন যৌবন মম অখিল
কবে যে কোথায় কি যে হল ভুল জীবন জুয়ায় হেরে গেলাম কবে যে কোথায় কি যে হল ভুল জীবন জুয়ায়
তোমার কাছে ফাগুন চেয়েছে কৃষ্ণচূড়া তোমার কাছে ফাগুন চেয়েছে কৃষ্ণচূড়া তুমি তাই দুহাত ভরে দিলে আগুন উজার করে সে কি
না না কাছে এসো না যাও যাও দুরে থাক​ না না কাছে এসো না যাও যাও দুরে থাক​ না না
মনে করো আমি নেই বসন্ত এসে গেছে কৃষ্ণচূড়ার বন্যায় চৈতালি ভেসে গেছে মনে করো আমি নেই বসন্ত এসে গেছে কৃষ্ণচূড়ার
ও তুমি যাবে গো চলে যাবে গো যাবে গো যাবে গো যাবে গো আমি জানি। দেখ এই রাত আছে কিছু
প্রথম আলোয় ফেরা - আঁধার পেরিয়ে এসে আমি অচেনা নদীর স্রোতে চেনা চেনা ঘাট দেখে নামি চেনা তবু চেনা নয়
এখন তো সময় ভালোবাসার, এ দুটি হৃদয় কাছে আসার, তুমি যে একা আমিও যে একা, লাগে যে ভালো, ও প্রিয়
চম্পা চামেলী গোলাপেরই বাগে চম্পা চামেলী গোলাপেরই বাগে এমন মাধবী নিশি আসেনি তো আগে এমন মাধবী নিশি আসেনি তো আগে।
কথা কিছু কিছু বুঝে নিতে হয় সেতো মুখে বলা যায় না সেতো মুখে বলা যায় না কথা কিছু কিছু বুঝে
ধা নিসাগামা ধা নিধা নিধা নিসা নিধা পামাগা মাগা মাগা মাগাসানি আহা হা ঝরনা ঝরঝরিয়ে জল ছড়িয়ে কেন নেচে নেচে
মুছে যাওয়া দিনগুলি আমায় যে পিছু ডাকে স্মৃতি যেন আমার এ হৃদয়ে বেদনার রঙে রঙে ছবি আঁকে। মুছে যাওয়া দিনগুলি
গঙ্গা আমার মা পদ্মা আমার মা ও ও আমার দুই চোখে দুই জলের ধারা মেঘনা যমুনা। গঙ্গা আমার মা পদ্মা
আমার স্বপন কিনতে পারে এমন আমির কই? আমার জলছবিতে রঙ মেলাবে এমন আবির কই? আমার স্বপন কিনতে পারে এমন আমির
তোমায় কেন লাগছে এতো চেনা এতো আপন ভাবছি কেনো তোমায় বলতে পারো প্রথম দেখা কোথায় প্রথম দেখা কোথায় কবে কখন
বেঁচে থেকে লাভ কি বল তোকে ছাড়া আর, খুঁজেছে জবাব অচল মন কোথাকার। জানে স্বপ্ন তার পাতায় কত কি কত
জানলা খোলা দেখে থমকে দাড়ালো দুষ্টু হাওয়ায় ওড়া এলোমেলো সুর আমার কানে কিছু বলতে এলো সে হাতছানি তার অজানায় বহুদূর।
যদি কিছু আমারে শুধাও- কি যে তোমারে কব, নীরবে চাহিয়া রব, না বলা কথা বুঝিয়া নাও। যদি কিছু আমারে শুধাও-
নাগর আমার কাঁচা পিরীত পাকতে দিলো না। ও নাগর আমার কাঁচা পিরীত পাকতে দিলো না। গা গতোরে সোনার সোহাগ মাখতে
মেরি জান মেরি চেন আমি সদ্য হ্যালোজেন যে বোঝে বুঝে যায় বলে পাগল একটু উড়তে উড়তে চাই একটু গুছিয়ে দাঁড়াই
মে দিবসের গান ==================== জন হেনরী, জন হেনরী- নাম তার ছিল জন হেনরী ছিল যেন জীবন্ত ইঞ্জিন হাতুড়ির তালে তালে
তিন পাগলে হলো মেলা নদে এসে- তোরা কেউ যাসনে ও পাগলের কাছে ।। একটা নারকেলের মালা তাতে জল তোলা ফেলা

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V