Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

  এই রাত তোমার আমার । ওই চাঁদ তোমার আমার । শুধু দু'জনের- এই রাত শুধু যে গানের । এই
খাঁচার ভিতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায় খাঁচার ভিতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায় তারে ধরতে পারলে মন বেড়ি দিতাম
ফেটে গেল ফেটে গেল কালিরামের ঢোল সে এক দাঁড়কাকের সাধ হল কোকিলা সাজিতে পড়ল ধরা কাকা রবে তার সে জারিজুরি
পাগলা হাওয়ার বাদল-দিনে পাগল আমার মন জেগে ওঠে। চেনাশোনার কোন বাইরে    যেখানে পথ নাই নাই রে সেখানে অ-কারণে যায়
আমার অঙ্গে অঙ্গে কে বাজায় বাজায় বাঁশি আমার অঙ্গে অঙ্গে কে আনন্দে বিষাদে মন উদাসে কে বাজায় বাজায় বাঁশি আমার
এই নিশি রাত নিশি রাত - বাঁকা চাঁদ আকাশে, চুপি চুপি বাঁশি বাজে বাতাসে-এ বাতাসে-এ, নিশি রাত - বাঁকা চাঁদ
তোমাতে আমাতে দেখা হয়েছিল। তোমাতে আমাতে দেখা হয়েছিল, জানিনা কবে কোথায় জানিনা মন দেওয়া নেওয়া খেলা হয়েছিলো জানিনা কবে কোথায়।
বল মন সুখ বল বলে চল অবিরল তোর সুখ নামে যদি সুখ আসে জীবনে বল মন বলে চল না ভেবেই
না বলে এসেছি, তা বলে ভেবো না, না বলে বিদায় নেব চলে যাই যদি, যেন হই নদী, সাগরে হারিয়ে যাব।
সখী , ভাবনা কাহারে বলে । সখী , যাতনা কাহারে বলে । তোমরা যে বলো দিবস-রজনী , 'ভালোবাসা' 'ভালোবাসা'--- সখী, ভালোবাসা কারে কয় ! সে
খোঁপার ওই গোলাপ দিয়ে - মনটা কেন এত কাছে আনলে ? খোঁপার ওই গোলাপ দিয়ে - মনটা কেন এত কাছে
না না না না না না মাধবী ফুটেছে ওই হ্যাঁ তারা সব উঠেছে ওই হ্যাঁ ও ও ও ও আমি
উঠ গো ভারত-লক্ষ্মী, উঠ আদি-জগত-জন-পূজ্যা, উঠ গো ভারত-লক্ষ্মী, উঠ আদি-জগত-জন-পূজ্যা, দুঃখ দৈন্য সব নাশি করো দূরিত ভারত-লজ্জা। দুঃখ দৈন্য সব
ঠুং ঠাং ঠুং ঠাং চুড়ির তালে থৈথৈ বন্যা নাচেরে। ঠুং ঠাং ঠুং ঠাং চুড়ির তালে থৈথৈ বন্যা নাচেরে। রিমঝিম রিমঝিম
মায়াবনবিহারিনী হরিণী গহন স্বপন সঞ্চারিনী কেন তারে ধরিবারে করি পণ অকারণ মায়াবনবিহারিনী মায়াবনবিহারিনী হরিণী গহন স্বপন সঞ্চারিনী কেন তারে ধরিবারে
ভেঙে মোর ঘরের চাবি নিয়ে যাবি কে আমারে ও বন্ধু আমার! না পেয়ে তোমার দেখা, একা একা দিন যে আমার
সুবি রুবি রা তু তুতু তুরু তু রুরু রা তা সুবি রুবি রা তু তুতু তুরু তু রুরু রা তা
তোমারি বাঁকা- ও চোখ ঝিলিক- মারে ঝিকিমিকি। জ্বলছে এ বুকে যে তুষের আগুন ধিকিধিকি। তোমারি বাঁকা- ও চোখ- একি বল
আমি শুনেছি সেদিন তুমি সাগরের ঢেউ এ চেপে নীলজল দিগন্ত ছুঁয়ে এসেছ​। আমি শুনেছি সেদিন তুমি নোনা বালি তীর ধরে
কথা কিছু কিছু বুঝে নিতে হয় সেতো মুখে বলা যায় না সেতো মুখে বলা যায় না কথা কিছু কিছু বুঝে
ফাঁকা ফ্রেম আর অকেজো হাতঘড়ি নিয়ে এখন আমি কি করি? অ্যান্টেনায় আর অশ্বত্থের ডালে ঝুলে থাকি প্রতেক সকালে শহুরে সন্ধ্যায়
ব্রজ–গোপী খেলে হোরী হোরী রে ব্রজ–গোপী খেলে হোরী খেলে আনন্দ নবঘন শ্যাম সাথে। ব্রজ–গোপী খেলে হোরী হোরী রে ব্রজ–গোপী খেলে
মন লাগে না তুমি বিনা মোর জীবন যেন চাঁদনি বিহীনা রজনী হায় আ আআ আআআ আ আ আ নিশিদিন নিশিদিন
সুরের এই ঝর ঝর ঝরনা, ঝরনা হায় মরি হায় মরি হায় রে ঝরনা ঝরে রে| ফুলেরও এই গুন গুন গুঞ্জন

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V