Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

এক টানেতে যেমন তেমন দুই টানেতে রোগী তিন টানেতে রাজা উজির চার টানেতে সুখী এর কি মহিমা বাবা এক টানেতে
ঘুম ঘুম চাঁদ ঝিকিমিকি তারা এই মাধবী রাত আসেনিতো বুঝি আর জীবনে আমার । ঘুম ঘুম চাঁদ ঝিকিমিকি তারা এই
এই মন তোমাকে দিলাম এই প্রেম তোমাকে দিলাম এই মন তোমাকে দিলাম এই প্রেম তোমাকে দিলাম তুমি চোখের আড়াল হও
বড়ো আশা ক'রে এসেছি গো, কাছে ডেকে লও , ফিরায়ো না জননী ।। দীনহীনে কেহ চাহে না, তুমি তারে রাখিবে জানি গো ।
কে জানে ক'ঘন্টা পাবে রে জীবনটা? কে জানে ক'ঘন্টা পাবে রে জীবনটা? যেটুকু চোখে পরে মনে ধরে নিয়ে যা। যে
এমন মানব জনম আর কি হবে ? মন যা কর ত্বরায় কর এই ভবে।। অনন্ত রূপ সৃষ্টি করলেন সাঁই শুনি
তোমার নামে আঁকা এ হাতের উপর আঁকা ডাকে আয় কাছে আয় তোমার চুলে ডাকা এ আদর দিয়ে মাখা ডাকে আয়
পদ্মার কথা কইলা বন্ধু কইলা মেঘনা রূপসী সোনা মেঘের হাসি দিলা হাত বাড়াইয়া হাত ও দিলা তবু কন্যা নাম কইলা
কি নামে ডেকে বলবো তোমাকে মন্দ করেছে আমাকে ঐ দুটি চোখে। কি নামে ডেকে বলবো তোমাকে মন্দ করেছে আমাকে ঐ
না, মন লাগে না। এ জীবনে কিছু যেন ভাল লাগেনা। না, মন লাগে না। এ জীবনে কিছু যেন ভাল লাগেনা।
ভালোবেসে, সখী, নিভৃতে যতনেআমার নামটি লিখো-তোমারমনের মন্দিরে।আমার পরানে যে গান বাজিছেতাহার তালটি শিখো-তোমারচরণমঞ্জীরে।।ধরিয়া রাখিয়ো সোহাগে আদরেআমার মুখর পাখি – তোমারপ্রাসাদপ্রাঙ্গণে।মনে
হা হো গুঞ্জনে দোলে যে ভ্রমর সুর তোলে যে উড়ে উড়ে গুঞ্জনে দোলে যে ভ্রমর সুর তোলে যে উড়ে উড়ে
না না না না না না মাধবী ফুটেছে ওই হ্যাঁ তারা সব উঠেছে ওই হ্যাঁ ও ও ও ও আমি
সমারোহে এসো হে পরমতর সুন্দর এসো হে। সমারোহে এসো হে পরমতর সুন্দর এসো হে। ঝনক ঝংকারে, উড়ায় শঙ্কারে খুলেছে দুয়ার
তুমি যে আমার ওগো তুমি যে আমার । তুমি যে আমার ওগো তুমি যে আমার । কানে কানে শুধু একবার
একটা মন হাঁটিহাঁটি পায় আঁকাবাঁকা রেলগাড়ি মেঘ এসে চোখে দিল রঙ হাতে দিল ডাকটিকিট। বৃষ্টি মেশে ড্র​য়িং খাতায় ফুল ফল
ক্ষমা করো আমি ভালো নেই ক্ষমা করো আমি ভালো নেই এলোমেলো হয়ে গেছি, যেন সব হারিয়েছি, হে বসন্ত বিদায়। ক্ষমা
কে তুমি কে তুমি! কে তুমি তন্দ্রাহরণী। দাঁড়িয়ে আমার চোখের আগে রাঙ্গালে এ মন পুস্পরাগে কে গো চম্পাবরণী। কে তুমি
ফুলকলি রে ফুলকলি রে ফুলকলি রে ফুলকলি ও আমার ফুলি আমায় ফেলে যাচ্ছিস কোন গলি ফুলকলি রে ফুলকলি বল তো
তোর জন্য চিঠির দিন খুশির কমিক্স বই | মাধ্যমিকের বাধ্য মেয়ে তোকে ছোঁবো সাধ্য কই ? তোর জন্য গলির পথ
ফিরে এলাম দূরে গিয়ে আমি তোমার অনুরাধা ডেকো তুমি মোনালিসা ভেঙে দিলাম সব বাধা ও তুমি কেমন ছিলে বল​ আঁখি
ছিন্ন পাতার সাজাই তরণী, একা একা করি খেলা- আনমনা যেন দিকবালিকার আনমনা যেন দিকবালিকার ভাসানো মেঘের ভেলা। ছিন্ন পাতার সাজাই
মাগো আনন্দময়ী নিরানন্দ কর না। মাগো আনন্দময়ী নিরানন্দ কর না। তোমার ও দুটি চরণ বিনে আমার মন ও দুটি চরণ
গানে ভুবন ভরিয়ে দেবে ভেবেছিল একটি পাখী হঠাৎ বুকে বিঁধল যে তীর স্বপ্ন দেখা হল ফাঁকি। গানে ভুবন ভরিয়ে দেবে

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V