Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

কিভাবে কত কি পুড়ে ছাই। কখন কে জানে রাস্তার মোড়ে হাত নাড়ি বিদায় বাসের সারি বুকের ভেতর ভাড়ি পাথরের ছোঁয়াটুকু
'আমি পথ ভোলা এক পথিক এসেছি । সন্ধ্যাবেলার চামেলি গো,  সকালবেলার মল্লিকা আমায় চেন কি ।' 'চিনি তোমায় চিনি, নবীন
বড়ো আশা ক'রে এসেছি গো, কাছে ডেকে লও , ফিরায়ো না জননী ।। দীনহীনে কেহ চাহে না, তুমি তারে রাখিবে জানি গো ।
গুন গুন গুন কুঞ্জে আমার একি গুঞ্জরন​ হা আজ গুন গুন গুন কুঞ্জে আমার একি গুঞ্জরন​ গানের সুরে পেলাম এ
দোষ কারো নয় গো মা আমি স্বখাত সলিলে ডুবে মরি শ্যামা। দোষ কারো নয় গো মা দোষ কারো নয় গো
আ আ আমায় ভালোবেসে ডেকে দেখো না দেখো না ভালোবেসে ডেকে দেখো না আসি কি না আসি পাশে কে তোমায়
রিমঝিম বৃষ্টি অঝোর ধারায় ঝরে বৃষ্টি সূর্য ঢেকে নিল দৃষ্টি। রিমঝিম বৃষ্টি অঝোর ধারায় ঝরে বৃষ্টি সূর্য ঢেকে নিল দৃষ্টি।
যেতে যেতে একলা পথে নিবেছে মোর বাতি। ঝ​ড় এসেছে, ওরে, ওরে, ঝ​ড় এসেছে, ওরে, এবার ঝ​ড়কে পেলাম সাথী। যেতে যেতে
তোমায় পরেছে মনে আবার শ্রাবণ দিনে, একলা বসে নিরালায় হায়। তোমায় পরেছে মনে আবার শ্রাবণ দিনে, একলা বসে নিরালায় হায়।
উমউম উমউম উমউম উমউম উমউম উমউম উমউম উমউম উমউম উমউম উমউম উমউম বৃষ্টি বৃষ্টি বৃষ্টি, এ কোন অপরূপ সৃষ্টি। এত
হুম হো ও ওও ও না বলা কিছু কথা র​য়ে যায় এ মনে, বুঝ্তে পারিনা বলব কি করে? ছায়াপথ দিয়ে
এ দিন তো যাবে না মানা তুমি যতই করো। এ দিন তো যাবে না মানা তুমি যতই করো। যা ইচ্ছা
সংকোচের বিহ্বলতা নিজেরে অপমান সংক্টের কল্পনাতে হয়ো না মৃয়মাণ সংকোচের বিহ্বলতা নিজেরে অপমান সংক্টের কল্পনাতে হয়ো না মৃয়মাণ আ আহা
শ্যামা নামের লাগল আগুন আমার দেহ ধূপ–কাঠিতে। শ্যামা নামের লাগল আগুন আমার দেহ ধূপ–কাঠিতে। যত জ্বালি সুবাস তত যত জ্বালি
জয় জয় গোবিন্দ গোপাল গদাধর কৃষ্ণচন্দ্র কর কৃপা করুণাসাগর। জয় রাধে গোবিন্দ গোপাল বনমালী শ্রীরাধার প্রাণধন মুকুন্দ মুরারী। হরিনাম বিনে
জলে ভাসা পদ্ম আমি, শুধুই পেলাম ছলনা। ও আমার সহেলি, আমার নেই তো কথাও কোনো ঠাঁই। বুকের জ্বালা কোথায় যে
আমি আভিসারে যাব আমি যাব আভিসারে ধুপের ধোঁয়াতে মোর অলক শুখায়ে নেবো সাজাতে কবরী ফুল হারে আমি আভিসারে যাব আমি
এই সুন্দর পৃথিবীতে যেখানে যা কিছু আছে সুন্দর​ এসো না সবাই এসো না সবাই কিছু উপহার দিতে ওগো কাজাল ন​য়না
পরেছি চাঁপা ডুরে শাড়ি, আর খোঁপাটি বাহারি গো খোঁপাটি বাহারি। দুহাতে রেশমি চুড়ি পরেছি দুহাতে রেশমি চুড়ি পরেছি, আমি কি
পরিয়ে কৌপনি ধ্বজা মজা উড়ালো ফকিরী । দেখ না মন ঝাকমারি এই দুনিয়াদারি ।। বড় আশার বাসা এ ঘর পড়ে
মনের হদিস কেই বা জানে? সে হদিস কেই বা জানে? কি যে থাকে মনের ঘরে! কেউ জানে না, কেউ জানে
চম্পা চামেলী গোলাপেরই বাগে চম্পা চামেলী গোলাপেরই বাগে এমন মাধবী নিশি আসেনি তো আগে এমন মাধবী নিশি আসেনি তো আগে।
ডেকে আনো ভোর, আলো আসতে দাও, ভেঙে পরার আগে, আজ ঘুরে দাড়াও। জাগো শক্তি, জাগো স্বপ্ন, জাগো জাগো উমা। জাগো
বয়েই গেছে বয়েই গেছে তোমার ডাকে সারা দিতে বয়েই গেছে সাত রাজাধন মানিক যখন পাওয়াই আমার হয়েই গেছে বয়েই গেছে

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V