Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

হু হু হু হুহুহু হুহু লালা লা লালা লালা ওপারে থাকব আমি তুমি রইবে এপারে শুধু আমার দুচোখ ভরে দেখবো
তোমায় কেন লাগছে এতো চেনা এতো আপন ভাবছি কেনো তোমায় বলতে পারো প্রথম দেখা কোথায় প্রথম দেখা কোথায় কবে কখন
মোর ঘুম ঘোরে এলে মনহর নম নম নম নম নম নম । মোর ঘুম ঘোরে এলে মনহর নম নম নম
মিলন হবে কত দিনে আমার মনের মানুষের সনে ।। চাতক প্রায় অহর্নিশি চেয়ে আছি কালো শশী হব বলে চরণ দাসী
কৃষ্ণচূড়া শোন শোন শোন। সারাবেলা দোলায় তোকে ক্ষ্যাপা হাওয়া যে! ক্ষ্যাপা হাওয়া যে! তার পায়ের শব্দ যায় না শোনা পাতার
নদী ভরা ঢেউ বোঝ নাতো কেউ কেন মায়ার তরী বাও বাও গো ভরসা করি এ ভব কাণ্ডারী অবেলার বেলা পানে
তোমারি বাঁকা- ও চোখ ঝিলিক- মারে ঝিকিমিকি। জ্বলছে এ বুকে যে তুষের আগুন ধিকিধিকি। তোমারি বাঁকা- ও চোখ- একি বল
ও ঝর ঝর ঝরনা, ও রূপালী বর্ণা ও ও ঝর ঝর ঝরনা, ও রূপালী বর্ণা ওরে হারায়েছে প্রাণ মন আমার
তোমাকে শোনাতে এ গান যে গেয়ে যাই। তোমাকে শোনাতে এ গান যে গেয়ে যাই। বাজাই এ গানে মঙ্গলশঙ্খ তখনি আরও
এমন মধুর সন্ধ্যায় এক কি থাকা যায়। এমন মধুর সন্ধ্যায় এক কি থাকা যায়। খুঁজে নাও, বেছে নাও, তুমি সাথী
দীপ ছিল, শিখা ছিল, শুধু তুমি ছিলে না বলে আলো জ্বলল না। ভাষা ছিল, কথা ছিল, কাছে ডাকলে না বলে
মন, হাওয়ায় পেয়েছি তোর নাম মন, হাওয়ায় হারিয়ে ফেললাম। মন, হাওয়ায় পেয়েছি তোর নাম মন, হাওয়ায় হারিয়ে ফেললাম। হাওয়া দিল
দূরে আকাশ সামিয়ানায় দূরে আকাশ সামিয়ানায় প্রদীপ জ্বালায় তারায় জেগে জেগে কি যে ভাবি কে জানে মন ছাড়া দূরে আকাশ
একা নরে, কানে করে একা নরে, কানে করে তেঁতুল পারে, ছরে ছরে। এক হাতে তার নুনের ভাঁড় আর এক হাতে
কঠিন, তোমাকে ছাড়া একদিন কাটানো একরাত, বাড়াও দু হাত হয়ে যাও আজ বাধাবিহীন। বলো, কবিতা হয়ে চলো বাগানে দাবানল জমানো
ও বাঁশি হায় বাঁশি কেন গায় আমারে কাঁদায় কে গেছে হারায় স্মরণের বেদনায় কেন মনে এনে দেয় আ আ বাঁশি
ও বাবুমশাই এখন আমি কি শোনাই শহরতারে গোলক ধাঁধাঁয় আঁধার হল মন শহরতারে গোলক ধাঁধাঁয় আঁধার হল মন মন্দ ভালোর
যখন ডাকল বাঁশি তখন রাঁধা যাবেই যমুনায় । যখন ডাকল বাঁশি তখন রাঁধা যাবেই যমুনায় । জ্বলে পুড়ে মরল রাঁধা
আমি      চিনি গো চিনি   তোমারে ওগো বিদেশিনী । তুমি       থাক সিন্ধুপারে   ওগো বিদেশিনী ।।       
প্রিয়, ফুল খেলবার দিন নয় অদ্য ধ্বংসের মুখোমুখি আমরা, চোখে আর স্বপ্নের নেই নীল মদ্য কাঠফাটা রোদ সেঁকে চামড়া। প্রিয়,
এক পায়ে নূপুর আমার অন্য পা খালি এক পাশে সাগর এক পাশে বালি তোমার ছোট তরী বলো, নেবে কি? এক
হয়তো তোমারি জন্য হয়েছি প্রেমে যে বন্য জানি তুমি অনন্য আশার হাত বাড়াই । যদি কখনো একান্তে চেয়েছি তোমায় জানতে
চল্‌ চল্ চল্ চল্‌ চল্ চল্ ঊর্দ্ধ গগনে বাজে মাদল, নিম্নে উতলা ধরণী তল অরুণ প্রাতের তরুণ দল চল্‌ রে
আবার হবে তো দেখা এ দেখাই শেষ দেখা নয় তো। আবার হবে তো দেখা এ দেখাই শেষ দেখা নয় তো।

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V