Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

ধন্য ধন্য বলি তারে । বেঁধেছে এমন ঘর শূন্যের উপর পোস্তা করে ।। সবে মাত্র একটি খুঁটি খুঁটির গোড়ায় নাইকো
আমার দুঃখগুলো কাছিমের মত- আমার দুঃখগুলো কাছিমের মত গুটি গুটি পায়ে আর এগোতে পারে না। আমার দুঃখগুলো কাছিমের মত আমাকে
হাজার অতীত জন্ম-দাগের মতোফুটে থাকে তারায় তারায়।কে যেন ছিলাম, মনে তো পড়ে নাছায়াপথ শরীরে হারায়।কে আমি কোথায়!কে আমি কোথায়!কে আমি
ভোলা মন​ হায় মনের কথা কাকে বলি আর এমন করে ছিঁড়ল কেনে একতারাটার তার ও উদাস বাউল নেই তো বাউল
তোমার দুটি চোখে ওই যে মিষ্টি হাসি আমায় কাছে ডেকে বলে ভালবাসি তোমার দুটি চোখে ওই যে মিষ্টি হাসি আমায়
আজ বিকেলের ডাকে তোমার চিঠি পেলাম। আজ বিকেলের ডাকে তোমার চিঠি পেলাম। রঙ্গিন খামে যত্নে লেখা আমারই নাম। আজ বিকেলের
এই সময় এই অন্ধকার, চারিদিকে শুধু বন্ধ দ্বার। এই সময় এই অন্ধকার, চারিদিকে শুধু বন্ধ দ্বার। খুলে দাও জানালা, আলোরই
কঠিন, তোমাকে ছাড়া একদিন কাটানো একরাত, বাড়াও দু হাত হয়ে যাও আজ বাধাবিহীন। বলো, কবিতা হয়ে চলো বাগানে দাবানল জমানো
মানুষ ছাড়া ক্ষ্যাপা রে তুই মূল হারাবি। মানুষ ছাড়া ক্ষ্যাপা রে তুই মূল হারাবি। মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি। ও
মেঘ থম থম করে কেউ নেই নেই জল থৈ থৈ তীরে কিছু নেই নেই ভাঙ্গনের যে নেই পারাপার তুমি আমি
ফুলে গন্ধ নেই এতো ভাবতেও পারি না ফুলে গন্ধ নেই এতো ভাবতেও পারি না সুরে ছন্দ নেই এতো ভাবতেও পারি
মে দিবসের গান ==================== জন হেনরী, জন হেনরী- নাম তার ছিল জন হেনরী ছিল যেন জীবন্ত ইঞ্জিন হাতুড়ির তালে তালে
আমার সকল দুখের প্রদীপ জ্বেলে দিবস গেলে করব নিবেদন— আমার ব্যথার পূজা হয় নি সমাপন ।। যখন বেলা-শেষের ছায়ায় পাখিরা
এক ফালি রোদ এসে হাতছানি ভীনদেশে নীল আশমানী, মনমানী যে আজ। সারাদিন, তেরে বিন কেটেছে এতো দিন। চল ঘরছাড়া, মন
কিছু স্বপ্ন এনেছি কুড়িয়ে রেখে দে নয়তো দে উড়িয়ে। কিছু স্বপ্ন এনেছি কুড়িয়ে রেখে দে নয়তো দে উড়িয়ে। ও আমাদের
ও ছেড়োনা ছেড়োনা হাত দেব না দেব না গো যেতে থাক আমার কাছে। ছেড়োনা ছেড়োনা হাত দেব না দেব না
ওরা মনের গোপন চেনে না। ওরা হৃদয়ের রং জানে না। প্রজাপতি ডানা ছুঁলো বিবাহ বাসরে, কেন সারারাত জেগে বাড়ি ফিরি
আ আ যখন কেউ আমাকে পাগল বলে, যখন কেউ আমাকে পাগল বলে, তার প্রতিবাদ করি আমি। যখন তুমি আমায় পাগল
নাম রেখেছি বনলতা যখন দেখেছি হয়তো বা সেইক্ষণেই তোমায় ভালবেসেছি নাম রেখেছি বনলতা যখন দেখেছি হয়তো বা সেইক্ষণেই তোমায় ভালবেসেছি
এসো প্রাণভরণ দৈনহরণ হে এসো প্রাণভরণ দৈনহরণ হে। বিশ্বভুব পরম স্মরণ হে। এসো প্রাণভরণ দৈনহরণ হে। জ্যোতিপূর্ণ করো হে গগন,
আমার বলার কিছু ছিল না, না-গো আমার বলার কিছু ছিল না। চেয়ে চেয়ে দেখলাম তুমি চলে গেলে, তুমি চলে গেলে,
হলুদ গাঁদার ফুল, রাঙা পলাশ ফুল এনে দে এনে দে নইলে রাঁধব না, বাঁধব না চুল। হলুদ গাঁদার ফুল, রাঙা
নদী ভরা ঢেউ বোঝ নাতো কেউ কেন মায়ার তরী বাও বাও গো ভরসা করি এ ভব কাণ্ডারী অবেলার বেলা পানে
চলে যেতে যেতে দিন বলে যায় আধাঁরের শেষে ভোর হবে হয়তো পাখীর গানে গানে তবু কেন মন উদাস হল হয়তো

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V