Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

অসতমা সদগম​য়া তমশমা জ্যোর্তিরগম​য়া মৃত্যোরমা​ অমৃতম​ গম​য়া শান্তি শান্তি ওম​ শান্তি ওম শান্তি ওম হরি ওম তৎ-স​ৎ দেখ আলোয় আলো
যা যা যাযা যা বাঁশী যারে দূরে মন লাগে না আর ঘরে।মোর স্বপ্ন​-সীমানার পারে যা যা যা রে।যা যা যাযা
পুব​-হাওয়াতে দেয় দোলা আজ মরি মরি। পুব​-হাওয়াতে দেয় দোলা... হৃদ​য় নদীর কূলে কূলে জাগে লহরী। মরি মরি পুব​-হাওয়াতে দেয় দোলা
এসো প্রাণভরণ দৈনহরণ হে এসো প্রাণভরণ দৈনহরণ হে। বিশ্বভুব পরম স্মরণ হে। এসো প্রাণভরণ দৈনহরণ হে। জ্যোতিপূর্ণ করো হে গগন,
অজানা কোনো গল্প বলে মেঘলা নীল, অচেনা পথে দিচ্ছে পাড়ি একলা চিল। অজানা কোনো গল্প বলে মেঘলা নীল, অচেনা পথে
কি হল দাঁড়ালে কেন যাবে না? যেতে পারো যাও না যাও তুমি যেতে পারো যাবে যদি গো তুমি এবার, কি
চঞ্চল মন আনমনা হ​য় যেই তার ছোঁয়া লাগে চঞ্চল মন আনমনা হ​য় যেই তার ছোঁয়া লাগে ভোরের আকাশে আলো দেখে
এটা গল্প কার দেখো লিখছে কে ভুলে অন্ধকার আলো শিখছে কে এটা গল্প কার দেখো লিখছে কে ভুলে অন্ধকার আলো
একা নরে, কানে করে একা নরে, কানে করে তেঁতুল পারে, ছরে ছরে। এক হাতে তার নুনের ভাঁড় আর এক হাতে
এই বালুকা বেলায় আমি লিখেছিনু একটি সে নাম আমি লিখেছিনু আজ সাগারের ঢেউ দিয়ে তারে যেন মুছিয়া দিলাম এই বালুকা
আমার স্বপ্ন যে সত্যি হল আজ হা হা হা হা আমার স্বপ্ন যে সত্যি হল আজ কাছে এলো এতোদিন দূরে
কে প্রথম কাছে এসেছি ? কে প্রথম চেয়ে দেখেছি ? কিছুতেই পাই না ভেবে- কে প্রথম ভালবেসেছি ? তুমি- ?
কেউ কখন ঠিক দুপুরে রায়পুরেতে যেও না। কেউ কখন ঠিক দুপুরে রায়পুরেতে যেও না। যদি বা যাও খেন্তপিসির, যদি বা
নানা নানা ওমন করে দাগা দিয়ে সরে থেকো না নানা নানা ওমন করে দাগা দিয়ে সরে থেকো না। আমায় নিয়ে
খিড়কি থেকে সিংহদুয়ার এই তোমাদের পৃথিবী এর বাইরে জগত আছে তোমরা মাননা তোমাদের কোনটা হাসি কোনটা ব্যাথা কোনটা প্রলাপ কোনটা
পা পা মা গা রে সা পা পা মা গা রে সা তার চোখের জটিল ভাষা ধা ধা পা মা
আমি শুনেছি সেদিন তুমি সাগরের ঢেউ এ চেপে নীলজল দিগন্ত ছুঁয়ে এসেছ​। আমি শুনেছি সেদিন তুমি নোনা বালি তীর ধরে
ঝিলিক ঝিলিক ঝিনুক খুঁজে পেলাম, ঝিলিক ঝিলিক ঝিনুক খুঁজে পেলাম। তোমায় তা দিলাম। বললে তুমি মুক্তো কোথায়? মুক্তো আমার চাই.
লেখা প​ড়া করে যে গাড়ি ঘোড়া চড়ে সে লেখা প​ড়া করে না গাড়ি ঘোড়া চড়ে না ভাষণ​ ​ গিলে গিলে
আজ দুজনার দুটি পথ ওগো দুটি দিকে গেছে বেঁকে আজ দুজনার দুটি পথ ওগো দুটি দিকে গেছে বেঁকে তোমার ও
মরি হায় গো হায়। মরি হায় গো হায়। এলে যখন আমার ভাঙ্গা ঘরে শূন্য আঙিনায়। মরি হায় গো হায়। তখন
মনে করো আমি নেই বসন্ত এসে গেছে কৃষ্ণচূড়ার বন্যায় চৈতালি ভেসে গেছে মনে করো আমি নেই বসন্ত এসে গেছে কৃষ্ণচূড়ার
সহে না যাতনা দিবস গণিয়া গণিয়া বিরলে নিশিদিন বসে আছি শুধু পথপানে চেয়ে— সখা হে, এলে না । সহে না
গুন গুন গুন কুঞ্জে আমার একি গুঞ্জরন​ হা আজ গুন গুন গুন কুঞ্জে আমার একি গুঞ্জরন​ গানের সুরে পেলাম এ

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V