Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

তুমি, নির্মল কর, মঙ্গল করে মলিন মর্ম মুছায়ে । তুমি, নির্মল কর, মঙ্গল করে মলিন মর্ম মুছায়ে । তব, পূণ্য-কিরণ
ও কোকিলা তোরে সুধাই রে সবার-ই তো ঘর র​য়েছে কেনো রে তোর বাসা কোথাও নাই রে ও কোকিলা তোরে সুধাই
আজ যত যুদ্ধবাজ দেয় হানা হামলাবাজ আমাদের শান্তি সুখ করতে চায় লুটতরাজ। আজ যত যুদ্ধবাজ দেয় হানা হামলাবাজ আমাদের শান্তি
সংকোচের বিহ্বলতা নিজেরে অপমান সংক্টের কল্পনাতে হয়ো না মৃয়মাণ সংকোচের বিহ্বলতা নিজেরে অপমান সংক্টের কল্পনাতে হয়ো না মৃয়মাণ আ আহা
ছিন্ন পাতার সাজাই তরণী, একা একা করি খেলা- আনমনা যেন দিকবালিকার আনমনা যেন দিকবালিকার ভাসানো মেঘের ভেলা। ছিন্ন পাতার সাজাই
এসো প্রাণভরণ দৈনহরণ হে এসো প্রাণভরণ দৈনহরণ হে। বিশ্বভুব পরম স্মরণ হে। এসো প্রাণভরণ দৈনহরণ হে। জ্যোতিপূর্ণ করো হে গগন,
কি হল দাঁড়ালে কেন যাবে না? যেতে পারো যাও না যাও তুমি যেতে পারো যাবে যদি গো তুমি এবার, কি
তোমাতে আমাতে দেখা হয়েছিল। তোমাতে আমাতে দেখা হয়েছিল, জানিনা কবে কোথায় জানিনা মন দেওয়া নেওয়া খেলা হয়েছিলো জানিনা কবে কোথায়।
পরিয়ে কৌপনি ধ্বজা মজা উড়ালো ফকিরী । দেখ না মন ঝাকমারি এই দুনিয়াদারি ।। বড় আশার বাসা এ ঘর পড়ে
দূরে আকাশ সামিয়ানায় দূরে আকাশ সামিয়ানায় প্রদীপ জ্বালায় তারায় জেগে জেগে কি যে ভাবি কে জানে মন ছাড়া দূরে আকাশ
ভাদর আশ্বিন মাসে ভ্রমর বসে কাঁচা বাঁশে ওও ওও ওও ওও আরো কি থাকিবে বাপের ঘরে গো মন আমার কেমন
আমার বলার কিছু ছিল না, না-গো আমার বলার কিছু ছিল না। চেয়ে চেয়ে দেখলাম তুমি চলে গেলে, তুমি চলে গেলে,
ওরে পাকা চুল কালো করে কলপ যে ঐ মাখে, নোংড়া গায়ের গন্ধ যে ঐ আতর ঘসে ঢাকে। খেয়ে যে লাথি
তোমরা যতই আঘাত করো নেইকো অপমান শুধু আমায় দাও গো সুযোগ শোনাতে এই গান তোমরা যতই তোমরা যতই আঘাত করো
কি যে করি দূরে যেতে হ​য় তাই সুরে সুরে কাছে যেতে চাই তাই কি যে করি দূরে যেতে হ​য় তাই
ভুটু তুই নাদুস​-নুদুস বড্ড পেটুক ভুটু ওই দেখ ডিজে ভুটু তুই নাদুস​-নুদুস বড্ড পেটুক ভুটু ওই দেখ ডিজে ভুটু তোর
একা মোর গানের তরী ভাসিয়েছিলাম নয়ন-জলে; সহসা কে এলে গো এ তরী বাইবে ব'লে? ভাসিয়েছিলাম নয়ন-জলে; যা ছিল কল্পমায়া, সে
আমার মনের এই ময়ূরমহলে এসো আজ প্রেমের আতর ঢেলে দাও। বেগম রাতটার গায়ে তারা ওড়না দুচোখে আজ নয় ঝাড়বাতি জ্বেলে
দিয়ে গেনু বসন্তের এই গানখানি- দিয়ে গেনু বসন্তের এই বরষ ফুরায়ে যাবে, ভুলে যাবে ভুলে যাবে ভুলে যাবে জানি দিয়ে
দোলে দোদুল দোলে ঝুলনা । দোলে দোদুল দোলে ঝুলনা । দোলে কৃষ্ণ দোলে ঝুলনা । দোলে রাই দোলে ঝুলনা ।
তোমার নামের রোদ্দুরে আমি ডুবেছি সমুদ্দুরে জানি না যাবো কত্দুরে এখনো তোমার নামের রোদ্দুরে আমি ডুবেছি সমুদ্দুরে জানি না যাবো
যা যারে যা যা পাখি,আর কিছু নাই যা ঢেকে রাখি।এ বাঁধন ছিঁড়ে উড়ে যা।এই শুধু বলি তারে,মোর মন কাঁদে আজও
কে আবার বাজায় বাঁশি এ ভাঙ্গা কুঞ্জবনে! কে আবার বাজায় বাঁশি এ ভাঙ্গা কুঞ্জবনে! হৃদি মোর উঠল কাঁপি, চরণের সেই
এই ছন্দ এ আনন্দ এ যে বিধাতার মহাদান। আনন্দে পাখি গায় ঝর্ণারা ছুটে যায় ফুল দিয়ে যায় তার গন্ধ। এই

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V