Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

আমার চেতনা চৈতন্য করে দে মা চৈতন্যময়ী। আমার চেতনা চৈতন্য করে দে মা চৈতন্যময়ী। তোর ভাব সাগরে ভেসে আমি তোর
যখন নীরবে দূরে দাঁড়াও এসে যেখানে পথ বেঁকেছে যখন নীরবে দূরে দাঁড়াও এসে যেখানে পথ বেঁকেছে তোমায় ছুঁতে চাওয়ার মুহূর্তরা
লালালা লালালা লালা লালা লালালা লালালা লালা লালা লা লালালা লা লালালা লালালা লালালা সেদিনও ছিল দুপুর এমন ঝকঝকে রোদ
শীতের হাওয়ার লাগল নাচন আমলকির এই ডালে ডালে । পাতাগুলি শিরশিরিয়ে ঝরিয়ে  দিল  তালে  তালে || উড়িয়ে  দেবার  মাতন  এসে  কাঙাল তারে
মহারাজা! তোমারে সেলাম, সেলাম, সেলাম। মোরা বাংলাদেশের থেকে এলাম। মোরা বাংলাদেশের থেকে এলাম। মোরা সাদা সিধা মাটির মানুষ, দেশে দেশে
ওগো আবার নতুন করে ভুলে যাওয়া নাম ধরে ডেকো না হারানো স্বপন চোখে এঁকো না। ওগো আবার নতুন করে ভুলে
ঝিলিক ঝিলিক ঝিনুক খুঁজে পেলাম, ঝিলিক ঝিলিক ঝিনুক খুঁজে পেলাম। তোমায় তা দিলাম। বললে তুমি মুক্তো কোথায়? মুক্তো আমার চাই.
সুন্দরী গো দোহাই দোহাই মান করোনা। আজ নিশিথে কাছে থাকো না বলো না। সুন্দরীগো দোহাই দোহাই মান করোনা। অনেক শিখা
যেখানে সাঁইর বারামখানা । শুনিলে প্রাণ চমকে উঠে দেখতে যেমন ভুজাঙ্গনা ।। যা ছুঁইলে প্রাণে মরি এই জগতে তাইতে তরি
মিথ্যে কথা এতো বোলো না, রাত্রি জাগা এতো ভালো না। মিথ্যে কথা এতো বোলো না, রাত্রি জাগা এতো ভালো না।
সকলি তোমারি ইচ্ছা, ইচ্ছাময়ী তারা তুমি তোমার কর্ম তুমি করো মা, লোকে বলে করি আমি। সকলি তোমারি ইচ্ছা, ইচ্ছাময়ী তারা
পরেছি চাঁপা ডুরে শাড়ি, আর খোঁপাটি বাহারি গো খোঁপাটি বাহারি। দুহাতে রেশমি চুড়ি পরেছি দুহাতে রেশমি চুড়ি পরেছি, আমি কি
ওরম তাকিয়ো না আমি কেবল হয়ে যাই আমার চোখের ভাষা যায় হারিয়ে আমার হৃদয় কাঁপে পরিস্থিতির চাপে তখন থেকে বোকার
করি মানা কাম ছাড়েনা মদনে প্রেম রসিকা হব কেমনে ?। এই দেহেতে মদন রাজা চালায় হুজুরি কর আদায় করে নিয়ে
খোঁপার ওই গোলাপ দিয়ে - মনটা কেন এত কাছে আনলে ? খোঁপার ওই গোলাপ দিয়ে - মনটা কেন এত কাছে
হা হো গুঞ্জনে দোলে যে ভ্রমর সুর তোলে যে উড়ে উড়ে গুঞ্জনে দোলে যে ভ্রমর সুর তোলে যে উড়ে উড়ে
ছোটো ছোটো দিন আলাপে রঙ্গিন নূড়ির​ মতন ছোটো ছোটো রাত চেনা মনটার পলাশের বন আহা অগোছালো ঘর খড়কুটোময় চিলেকোঠা কোণ
ভিজছে কাক, আয়না থাক দেখুক তোমায় ফুলের দল পথের বাঁক, আনতে যাক বৃষ্টি ধোয়া কলসি জল শহরতলি জুড়ে, গলির মোড়ে
লাবণ্যে পূর্ণ প্রাণ, প্রাণেশ হে, একি লাবণ্যে পূর্ণ প্রাণ, প্রাণেশ হে, আনন্দবসন্তসমাগমে। একি লাবণ্যে পূর্ণ প্রাণ, প্রাণেশ হে বিকশিত প্রীতিকুসুম
কিছু কিছু কথা বসে আছে ভিজে মিছি মিছি ব্যাথা হ​য় নিজে নিজে ঝরে যাওয়া পাতা জুড়ে বসে ডালে মেঘে মেঘে
আমরা যারা এই চেহারা হন্যে হ​য়ে রোজ পাহারা তাও শুকিয়ে যায় ফোয়ারা প্রেম পালিয়ে যায় আলোর দ​ড়ি জরায় তাকে এমনিতে
প্রেমে পড়া বারণ, কারণে অকারণ আঙুলে আঙ্গুল রাখলেও হাত ধরা বারণ। প্রেমে পড়া বারণ, কারণে অকারণ আঙুলে আঙ্গুল রাখলেও হাত
আকাশ কেন ডাকে মন ছুটি চায় ময়ূরপঙ্খী মেঘ ওই যায় ভেসে যায় আকাশ কেন ডাকে মন ছুটি চায় ময়ূরপঙ্খী মেঘ
পা নি সা রে গা নি সা নি সা গারে গা মা গা মাগা নি সা গা মা গা মাগা

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V