Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

আমার মল্লিকাবনে যখন প্রথম ধরেছে কলি আমার মল্লিকাবনে যখন প্রথম ধরেছে কলি আমার মল্লিকাবনে তোমার লাগিয়া তখনি, বন্ধু, বেঁধেছিনু অঞ্জলি
এক টানেতে যেমন তেমন দুই টানেতে রোগী তিন টানেতে রাজা উজির চার টানেতে সুখী এর কি মহিমা বাবা এক টানেতে
আকাশ কেন ডাকে মন ছুটি চায় ময়ূরপঙ্খী মেঘ ওই যায় ভেসে যায় আকাশ কেন ডাকে মন ছুটি চায় ময়ূরপঙ্খী মেঘ
এটা গল্প কার দেখো লিখছে কে ভুলে অন্ধকার আলো শিখছে কে এটা গল্প কার দেখো লিখছে কে ভুলে অন্ধকার আলো
জেনেছি জেনেছি তারা, তুমি জানো ভোজের বাজি। জেনেছি জেনেছি তারা, তুমি জানো ভোজের বাজি। যে তোমায় যেভাবে ডাকে তাতে তুমি
বউ কথা কও পাখি কেন অমন করে ডাকে গো মৌ বনেরই সুর ছ​ড়ান ছায়। কেন সারাবেলা নীরব থেকে এখন সারা
দারুন অগ্নিবানে রে দারুন অগ্নিবানে রে হৃদয় তৃষায় হানে রে । হানে দারুন অগ্নিবানে রে দারুন অগ্নিবানে রে রজনী নিদ্রাহীন,
আমি বেল ফুল ফিরি করি পাড়ায় পাড়ায়। বেল ফুল ফিরি করি পাড়ায় পাড়ায়। বেল ফুল ফিরি করি পাড়ায় পাড়ায়। এ
কালো জলে কুচলা তলে ডুবল সনাতন আজ চার(সার) আনা, কাল চার(সার) আনা পাই যে দরসন। আজ চার(সার) আনা, কাল চার(সার)
শহর জুরে যেন প্রেমের মরশুম আলোতে মাখামাখি আমার এ গ্রীনরুম কখন নেমে আসে অচেনা প্যারাশুট তোমাকে ভালোবেসে আমার চিরকুট কলকাতা
ওরে মন'ওয়া রে, ওরে মন'ওয়া রে মোরে মন'ওয়া রে, ক্যা'সা হে তু বাতা। ওরে মন'ওয়া রে, ওরে মন'ওয়া রে মোরে
চিতল মাছের মুইঠা, গরম ভাতে দুইটা, ভুইলা বাঙ্গালী খায়, চিনা জাপানি,লুইটা পুইটা। চিতল মাছের মুইঠা, গরম ভাতে দুইটা, ভুইলা বাঙ্গালী
ইতিহাস লেখা আঁখি জলে, বলে যায় সে কথা প্রতি পলে। ইতিহাস লেখা আঁখি জলে, বলে যায় সে কথা প্রতি পলে।
হে নূতন, দেখা দিক আর-বার জন্মের প্রথম শুভক্ষণ ।। তোমার প্রকাশ হোক কুহেলিকা করি উদঘাটন সূর্যের মতন । তোমার প্রকাশ
চলে যেতে যেতে দিন বলে যায় আধাঁরের শেষে ভোর হবে হয়তো পাখীর গানে গানে তবু কেন মন উদাস হল হয়তো
পরেছি চাঁপা ডুরে শাড়ি, আর খোঁপাটি বাহারি গো খোঁপাটি বাহারি। দুহাতে রেশমি চুড়ি পরেছি দুহাতে রেশমি চুড়ি পরেছি, আমি কি
ওরা মনের গোপন চেনে না। ওরা হৃদয়ের রং জানে না। প্রজাপতি ডানা ছুঁলো বিবাহ বাসরে, কেন সারারাত জেগে বাড়ি ফিরি
লাবণ্যে পূর্ণ প্রাণ, প্রাণেশ হে, একি লাবণ্যে পূর্ণ প্রাণ, প্রাণেশ হে, আনন্দবসন্তসমাগমে। একি লাবণ্যে পূর্ণ প্রাণ, প্রাণেশ হে বিকশিত প্রীতিকুসুম
মাগো ভাবনা কেন আমরা তোমার শান্তি প্রিয় শান্ত ছেলে তবু শত্রু এলে অশ্ত্র হাতে ধরতে জানি তোমার ভয় নেই মা
একটা মন হাঁটিহাঁটি পায় আঁকাবাঁকা রেলগাড়ি মেঘ এসে চোখে দিল রঙ হাতে দিল ডাকটিকিট। বৃষ্টি মেশে ড্র​য়িং খাতায় ফুল ফল
আহ! বাঁশি শুনে আর কাজ নাই সে যে ডাকাতিয়া বাঁশি। বাঁশি শুনে আর কাজ নাই সে যে ডাকাতিয়া বাঁশি। সে
আজ যাই? আসব আর একদিন আজ যাই। আসব আর একদিন আজ যাই। হো ফোটা ঝরা ফুলের যে কাজ তাই। আজ
যদি তারে নাই চিনি গো সেকি - সেকি আমায় নেবে চিনে ? এই নব ফাল্গুনের দিনে জানি নে, জানি নে
মেরি জান মেরি চেন আমি সদ্য হ্যালোজেন যে বোঝে বুঝে যায় বলে পাগল একটু উড়তে উড়তে চাই একটু গুছিয়ে দাঁড়াই

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V