Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

হয়তো তোমারি জন্য হয়েছি প্রেমে যে বন্য জানি তুমি অনন্য আশার হাত বাড়াই । যদি কখনো একান্তে চেয়েছি তোমায় জানতে
পাগলা হাওয়ার বাদল-দিনে পাগল আমার মন জেগে ওঠে। চেনাশোনার কোন বাইরে    যেখানে পথ নাই নাই রে সেখানে অ-কারণে যায়
ও ওও ও আ আ আ আআআ আআআ আআআ আ আ আষাঢ় শ্রাবণ মানে না তো মন ঝর ঝর ঝর
ভোলা মন​ হায় মনের কথা কাকে বলি আর এমন করে ছিঁড়ল কেনে একতারাটার তার ও উদাস বাউল নেই তো বাউল
ও পাখি উড়ে আয়, উড়ে আয় তোরি সুরে যা যা দেখে যা যা যারে দেখে যা- আমি আজ কার কাছে
সত্য—সুপথ না চিনিলে পাবিনে মানুষের দরশন ওরে আমার মন । সত্য বল সুপথে চল ওরে আমার মন ।। খরিদ্দার মহাজন
ভেবে দেখ মন, কেউ কারো নয়, মিছে ভ্রম ভূ-মন্ডলে ৷ ভেবে দেখ মন, কেউ কারো নয়, মিছে ভ্রম ভূ-মন্ডলে ৷
যদি জানতেম আমার কিসের ব্যাথা তোমায় জানাতাম । কে যে আমায় কাঁদায় কে যে আমায় কাঁদায় আমি কি জানি তার
কথা হয়েছিল তবু কথা হল না আজ সবাই এসেছে শুধু তুমি এলে না শুধু তুমি এলে না কথা হয়েছিল তবু
          পুরানো সেই দিনের কথা ভুলবি কি রে হায় । ও সেই      চোখের দেখা,
ওই বুঝি ওই বুঝি কালবৈশাখী সন্ধ্যা-আকাশ দেয় ঢাকি ওই বুঝি ওই বুঝি কালবৈশাখী ভ​য় কি রে তোর ভ​য় কারে দ্বার
বড়ো আশা ক'রে এসেছি গো, কাছে ডেকে লও , ফিরায়ো না জননী ।। দীনহীনে কেহ চাহে না, তুমি তারে রাখিবে জানি গো ।
এক সুত্রে বাঁধিয়াছি সহস্রটি মন, এক কার্যে সঁপিয়াছি সহস্র জীবন​- বন্দেমাতরম বন্দেমাতরম। এক সুত্রে বাঁধিয়াছি সহস্রটি মন, এক সুত্রে বাঁধিয়াছি
দিয়ে গেনু বসন্তের এই গানখানি- দিয়ে গেনু বসন্তের এই বরষ ফুরায়ে যাবে, ভুলে যাবে ভুলে যাবে ভুলে যাবে জানি দিয়ে
তোমার      খোলা হওয়া লাগিয়ে পালে      টুকরো করে কাছি আমি        ডুবতে রাজি আছি আমি ডুবতে
চাই না মাগো রাজা হতে রাজা হবার সাধ নাই মাগো দু’বেলা যেন পাই মা খেতে। চাই না মাগো রাজা হতে
কি করে তোকে বলব, তুই কে আমার আয় না সাথে চলব, সব পারাপার। মনেরই আসকারাতে তোর কাছে এলাম হারিয়ে গেলাম।
নিম ফুলের মউ পি’য়ে ঝিম হয়েছে ভোমরা। ঝিম হয়েছে ভোমরা, ঝিম হয়েছে ভোমরা। নিম ফুলের মউ পি’য়ে ঝিম হয়েছে ভোমরা।
উঠ গো ভারত-লক্ষ্মী, উঠ আদি-জগত-জন-পূজ্যা, উঠ গো ভারত-লক্ষ্মী, উঠ আদি-জগত-জন-পূজ্যা, দুঃখ দৈন্য সব নাশি করো দূরিত ভারত-লজ্জা। দুঃখ দৈন্য সব
ঝনক-ঝনক কনক কাঁকন বাজে নতুন নতুন কুঁড়ি ফোটে লাজে। ঝনক-ঝনক ঝনক-ঝনক কনক কাঁকন বাজে নতুন নতুন কুঁড়ি ফোটে লাজে। ঝনক-ঝনক
একটা গান লিখো আমার জন্য। একটা গান লিখো আমার জন্য। নাহয় আমি তোমার কাছে ছিলেম অতি নগন্য। একটা গান লিখো
মুসাফির মোছ রে আঁখিজল ফিরে চল আপনারে নিয়া। মুসাফির মোছ রে আঁখিজল ফিরে চল আপনারে নিয়া। আপনি ফুটেছিল ফুল গিয়াছে
তোর সাথে যে নদীর অনেক মিল নদীর নামে তোকে যে তাই ডাকি রোদ প​ড়লেই নদীটা ঝিলমিল তোকে ভেবেই নদীর ছবি
নাগর আমার কাঁচা পিরীত পাকতে দিলো না। ও নাগর আমার কাঁচা পিরীত পাকতে দিলো না। গা গতোরে সোনার সোহাগ মাখতে

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V