Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

ওই বুঝি ওই বুঝি কালবৈশাখী সন্ধ্যা-আকাশ দেয় ঢাকি ওই বুঝি ওই বুঝি কালবৈশাখী ভ​য় কি রে তোর ভ​য় কারে দ্বার
জানা অজানা পথে চলেছি জানা অজানা পথে চলেছি একে একে দুই দুয়ে একে তিন হয়েছি জানা অজানা পথে চলেছি জানা
সেই ভালো সেই ভালো,   আমারে না হয়  না জানো। দুরে  গিয়ে নয় দুঃখ দেবে ,  কাছে কেন লাজে লাজানো ।। মোর বসন্তে
ও বাবুমশাই এখন আমি কি শোনাই শহরতারে গোলক ধাঁধাঁয় আঁধার হল মন শহরতারে গোলক ধাঁধাঁয় আঁধার হল মন মন্দ ভালোর
আ আআ আ কে যেন গো ডেকেছে আমায় মানে না নয়ন কেন ফিরে ফিরে চায়। কে যেন গো ডেকেছে আমায়
ভাবছো তুমি, ভাবছি আমি বেলা গেল। ঘরের ছেলে, ঘরেতে ফিরলো না কেন! আসে গানের কথা, আসে সুর কিছু। আসে শরীরটা
যদি আকাশের গায়ে কান না পাতি তোমার কথা শুনতে পাবো না। যদি আকাশের গায়ে কান না পাতি তোমার কথা শুনতে
দুর্গে দুর্গে দুর্গতিনাশিনী, মহিসাসুর মর্দিনী জয় মা দুর্গে। দুর্গে দুর্গে দুর্গতিনাশিনী, মহিসাসুর মর্দিনী জয় মা দুর্গে। দেবী দুর্গে জগত জননী,
ফাগুনেরও মোহনায় ফাগুনেরও মোহনায় মন মাতানো মহুয়ায় রঙ্গীন এ বিহুর নেশা কোন আকাশে নিয়ে যায় ফাগুনেরও মোহনায় ফাগুনেরও মোহনায় মন
কি মিষ্টি দেখো মিষ্টি কি মিষ্টি দেখো মিষ্টি কি মিষ্টি এ সকাল ! কি মিষ্টি দেখো মিষ্টি কি মিষ্টি এ
বলে দিলি তুই আমি কিচ্ছু পারি না। সাদাকালো সমাজে আমি বাঁচতে জানি না। বলে দিলি তুই আমি কিচ্ছু পারি না।
না না না না না না মাধবী ফুটেছে ওই হ্যাঁ তারা সব উঠেছে ওই হ্যাঁ ও ও ও ও আমি
বউ কথা কও পাখি কেন অমন করে ডাকে গো মৌ বনেরই সুর ছ​ড়ান ছায়। কেন সারাবেলা নীরব থেকে এখন সারা
বসন পরো মা, বসন পরো মা বসন পরো, পরো মা গো বসন পরো মা। চন্দনে চর্চিত জবা পদে দিব আমি
মহারাজা! তোমারে সেলাম, সেলাম, সেলাম। মোরা বাংলাদেশের থেকে এলাম। মোরা বাংলাদেশের থেকে এলাম। মোরা সাদা সিধা মাটির মানুষ, দেশে দেশে
ক্ষমা করো আমি ভালো নেই ক্ষমা করো আমি ভালো নেই এলোমেলো হয়ে গেছি, যেন সব হারিয়েছি, হে বসন্ত বিদায়। ক্ষমা
Male Version: কিসের ডাকে পথে নেমেছি কেবা ভবিষ্যৎ দেখেছি! কাঁধে কাঁধ মেলাও, হাতে হাত মেলাও এসো বন্ধু। আসুক বিপদ, আসুক
ও ছেড়োনা ছেড়োনা হাত দেব না দেব না গো যেতে থাক আমার কাছে। ছেড়োনা ছেড়োনা হাত দেব না দেব না
ঢাক বাজা কাঁসর বাজা উলু দে আর শাঁখ বাজা বছর পরে আবার এল মা যে। পূজো পূজো গন্ধ নিয়ে নতুন
আমার     প্রানের 'পরে চলে গেল কে বসন্তের    বাতাসটুকুর মতো । সে যে      ছুঁয়ে গেল নুয়ে গেল রে
কি আশায় বাঁধি খেলাঘর বেদনার বালুচরে । নিয়তি আমার ভাগ্য লয়ে যে নিশিদিন খেলা করে ।। হায় গো হৃদয় তবুও
কিছু কিছু কথা বসে আছে ভিজে মিছি মিছি ব্যাথা হ​য় নিজে নিজে ঝরে যাওয়া পাতা জুড়ে বসে ডালে মেঘে মেঘে
ও তোমারি চলার পথে দিয়ে যেতে চাই আমি একটু আমার ভালোবাসা ও তোমারি চলার পথে দিয়ে যেতে চাই আমি একটু
এত রোদ্দুর তুই এনে দিলি তাই তোর বৃষ্টি, আমি একটু পেতে চাই। এত রোদ্দুর তুই এনে দিলি তাই তোর বৃষ্টি,

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V