Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

জনগণমন-অধিনায়ক জয় হে ভারতভাগ্যবিধাতা! পঞ্জাব সিন্ধু গুজরাট মরাঠা দ্রাবিড় উৎকল বঙ্গ বিন্ধ্য হিমাচল যমুনা গঙ্গা উচ্ছলজলধিতরঙ্গ তব শুভ নামে জাগে,
সুজন মাঝিরে, কোন ঘাটে লাগাইবা তোমার নাও। সুজন মাঝিরে, কোন ঘাটে লাগাইবা তোমার নাও। আমি পারের আশায় বইসা আছি ও
মিলন হবে কত দিনে আমার মনের মানুষের সনে ।। চাতক প্রায় অহর্নিশি চেয়ে আছি কালো শশী হব বলে চরণ দাসী
খিড়কি থেকে সিংহদুয়ার এই তোমাদের পৃথিবী এর বাইরে জগত আছে তোমরা মাননা তোমাদের কোনটা হাসি কোনটা ব্যাথা কোনটা প্রলাপ কোনটা
আমার মল্লিকাবনে যখন প্রথম ধরেছে কলি আমার মল্লিকাবনে যখন প্রথম ধরেছে কলি আমার মল্লিকাবনে তোমার লাগিয়া তখনি, বন্ধু, বেঁধেছিনু অঞ্জলি
এসো হে বৈশাখ এসো, এসো, এসো হে বৈশাখ এসো, এসো, তাপসনিশ্বাসবায়ে মুমূর্ষুরে দাও উড়ায়ে, তাপসনিশ্বাসবায়ে মুমূর্ষুরে দাও উড়ায়ে, বৎসরের আবর্জনা
না ডেকো না। না ডেকো না। ডেকো না গো মোরে, ডাকিলে আমাতে থাকে না মন​। ও না ডেকো না। ডেকো না
ওগো নিরুপমা করিও ক্ষমা তোমাকে আমার ঘরনি করিতে আমার মনের দোসর করিতে পারিলামনা পারিলামনা তো কিছুতেই ওগো নিরুপমা হয়তো তোমার
ললিতা গো- ওকে আজ চলে যেতে বলনা। ওকে আজ চলে যেতে বলনা। ও ঘাটে জল আনিতে যাব না যাব না।
আমি সাগরের বেলা, তুমি দুরন্ত ঢেউ বারে বারে শুধু আঘাত করিয়া যাও। ধরা দেবে বলে আশা করে রই তবু ধরা
বাজল তোমার আলোর বেণু, মাতল যে ভুবন, বাজল তোমার আলোর বেণু। আজ প্রভাতে সে সুর শুনে খুলে দিনু মন বাজল
তুমি আর তো কারো নও শুধু আমার যত দূরে সরে যাও রবে আমার স্তব্ধ সময়টাকে ধরে রেখে ! স্মৃতির পাতায়
যদি হই চোরকাঁটা ওই শাড়ির ভাঁজে দুষ্টু যে হয় এমন কাজ তো তারই সাজে। যদি হই কাঁকন তোমার ওই হাতে
বোলোনা রাধিকা তাকে, যেও না, যেও না প্রিয়। বোলোনা রাধিকা তাকে, যেও না, যেও না প্রিয়। চলে যেতে চায় সে
কারার ঐ লৌহকপাট, ভেঙ্গে ফেল কর রে লোপাট, রক্ত-জমাট শিকল পূজার পাষাণ-বেদী। কারার ঐ লৌহকপাট, ভেঙে ফেল কর রে লোপাট,
মানুষ মানুষের জন্যে, জীবন জীবনের জন্যে। একটু সহানুভূতি কি মানুষ পেতে পারে না? ও বন্ধু- মানুষ মানুষের জন্যে, জীবন জীবনের
বঁধুয়া! বল বল বঁধুয়া আ আআআআআআ কেন গেল পরবাসে বল বঁধুয়া কেন গেল পরবাসে বল বঁধুয়া গরজে বরষে মানে না
চাঁদ উঠেছে ফুল ফুটেছে কদম তলায় কে হাতি নাচ্ছে ঘোড়া নাচ্ছে সোনামণির বে। চাঁদ উঠেছে ফুল ফুটেছে কদম তলায় কে
মায়াবনবিহারিনী হরিণী গহন স্বপন সঞ্চারিনী কেন তারে ধরিবারে করি পণ অকারণ মায়াবনবিহারিনী মায়াবনবিহারিনী হরিণী গহন স্বপন সঞ্চারিনী কেন তারে ধরিবারে
জাত গেল জাত গেল বলে একি আজব কারখানা ! সত্য কাজে কেউ নয় রাজি সবই দেখি তা না না না
হরি দিনতো গেল সন্ধ্যা হল পার কর আমারে ! তুমি পারের কর্তা শুনে বার্তা ডাকি হে তোমারে । হরি দিনতো
সেই রাতে রাত ছিল পূর্ণিমা, রঙ ছিল ফাল্গুনী হাওয়াতে। সেই রাতে রাত ছিল পূর্ণিমা, রঙ ছিল ফাল্গুনী হাওয়াতে। সব ভাল
তুই ফেলে এসেছিস কারে মন, মন রে আমার| তাই জনম গেল,শান্তি পেলি না রে মন, মন রে আমার|| যে পথ
কথায় কথায় যে রাত হয়ে যায়কি কথা রাখলে বাকি।কথায় কথায় যে রাত হয়ে যায়কি কথা রাখলে বাকি। খুঁজে দেখনা বুঝে

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V