Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

শুভ্র শঙ্খরবে সারা নিখিল ধ্বনিত। আকাশতলে অনিলে জলে দিকে দিগন্তরে সকল লোকে পুরে বনে বনান্তরে নৃত্যগীত ছন্দে নন্দিত। শুভ্র শঙ্খরবে।
আমি কোন পথে যে চলি কোন কথা যে বলি তোমায় সামনে পেয়েও খুঁজে বেরাই মনের চোরাগলি ।। সেই গলিতেই ঢুকতে
ওগো বেশি দাম বল কার ওই চন্দ্রমুখ না এই চন্দ্র হার ওই চন্দ্রমুখ না এই চন্দ্র হার কিভাবে তুলনা করি
ইস দেবাশিস, তুমি বড়ো হয়ে গেছ দেবাশীষ। ইশ দেবাশীষ, চেনা ঠিকানার নেই হদিশ। ইশ দেবাশিস, বয়ে গেলো শুধু বছরের ঢেউ।
আহা আজ হৃদ​য়ে ভালোবেসে লিখে দিলে নাম তুমি এসে আজ হৃদ​য়ে ভালোবেসে লিখে দিলে নাম তুমি এসে যেন সাগরে নদী
ব্রজ–গোপী খেলে হোরী হোরী রে ব্রজ–গোপী খেলে হোরী খেলে আনন্দ নবঘন শ্যাম সাথে। ব্রজ–গোপী খেলে হোরী হোরী রে ব্রজ–গোপী খেলে
ভাবছো তুমি, ভাবছি আমি বেলা গেল। ঘরের ছেলে, ঘরেতে ফিরলো না কেন! আসে গানের কথা, আসে সুর কিছু। আসে শরীরটা
বড় সঙ্কটে পড়িয়া দয়াল বারে বার ডাকি তোমায়।। ক্ষম ক্ষম অপরাধ দাসের পানে একবার চাও হে দয়াময়। তোমার ক্ষমতায় আমি
ছিন্ন পাতার সাজাই তরণী, একা একা করি খেলা- আনমনা যেন দিকবালিকার আনমনা যেন দিকবালিকার ভাসানো মেঘের ভেলা। ছিন্ন পাতার সাজাই
মন, হাওয়ায় পেয়েছি তোর নাম মন, হাওয়ায় হারিয়ে ফেললাম। মন, হাওয়ায় পেয়েছি তোর নাম মন, হাওয়ায় হারিয়ে ফেললাম। হাওয়া দিল
ও বাবুমশাই এখন আমি কি শোনাই শহরতারে গোলক ধাঁধাঁয় আঁধার হল মন শহরতারে গোলক ধাঁধাঁয় আঁধার হল মন মন্দ ভালোর
তুমি যে আমার ওগো তুমি যে আমার । তুমি যে আমার ওগো তুমি যে আমার । কানে কানে শুধু একবার
বল বল বল সবে শত বীণা বেনু রবে ভারত আবার জগত সভায় শ্রেষ্ঠ আসন লবে বল বল বল সবে শত
যদি আকাশের গায়ে কান না পাতি তোমার কথা শুনতে পাবো না। যদি আকাশের গায়ে কান না পাতি তোমার কথা শুনতে
দূরে আকাশ সামিয়ানায় দূরে আকাশ সামিয়ানায় প্রদীপ জ্বালায় তারায় জেগে জেগে কি যে ভাবি কে জানে মন ছাড়া দূরে আকাশ
একা মোর গানের তরী ভাসিয়েছিলাম নয়ন-জলে; সহসা কে এলে গো এ তরী বাইবে ব'লে? ভাসিয়েছিলাম নয়ন-জলে; যা ছিল কল্পমায়া, সে
আমার সাথে তোমার কথা নেই জানি তবু তোমার সাথে আমার কথা আছে তোমার পাশে আমার ছায়া নেই জানি তবু আমার
এই মেঘলা দিনে একলা ঘরে থাকেনাতো মন কাছে যাবো কবে  পাবো ওগো তোমার নিমন্ত্রণ ? এই মেঘলা দিনে একলা ঘরে
ঝিলমিল ঝাউয়ের বনে ঝিকিমিকি তার ফাঁক দিয়ে যে চাঁদ মারে উঁকি ও চাঁদ বড় প্রিয়, আমায় ধরো দেখি পাবে না,
হলুদ গাঁদার ফুল, রাঙা পলাশ ফুল এনে দে এনে দে নইলে রাঁধব না, বাঁধব না চুল। হলুদ গাঁদার ফুল, রাঙা
বয়েই গেছে বয়েই গেছে তোমার ডাকে সারা দিতে বয়েই গেছে সাত রাজাধন মানিক যখন পাওয়াই আমার হয়েই গেছে বয়েই গেছে
একটা মন হাঁটিহাঁটি পায় আঁকাবাঁকা রেলগাড়ি মেঘ এসে চোখে দিল রঙ হাতে দিল ডাকটিকিট। বৃষ্টি মেশে ড্র​য়িং খাতায় ফুল ফল
লাবণ্যে পূর্ণ প্রাণ, প্রাণেশ হে, একি লাবণ্যে পূর্ণ প্রাণ, প্রাণেশ হে, আনন্দবসন্তসমাগমে। একি লাবণ্যে পূর্ণ প্রাণ, প্রাণেশ হে বিকশিত প্রীতিকুসুম

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V