Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

নাম রেখেছি বনলতা যখন দেখেছি হয়তো বা সেইক্ষণেই তোমায় ভালবেসেছি নাম রেখেছি বনলতা যখন দেখেছি হয়তো বা সেইক্ষণেই তোমায় ভালবেসেছি
তোমার দুটি চোখে ওই যে মিষ্টি হাসি আমায় কাছে ডেকে বলে ভালবাসি তোমার দুটি চোখে ওই যে মিষ্টি হাসি আমায়
এ তো ভালবাসা ন​য় ভালবাসা ন​য়​কামনা জ​ড়ানো চাওয়া,আঁধার পেরিয়ে আঁধারের সাথেআঁধারেতে ডুবে যাওয়া। দুখের এ মালা দিও না বঁধুয়া দাও
মনের হদিস কেই বা জানে? সে হদিস কেই বা জানে? কি যে থাকে মনের ঘরে! কেউ জানে না, কেউ জানে
চরণ ধরিতে দিযো গো আমারে - নিয়ো না,  নিয়ো না সরায়ে । জীবন মরণ সুখ দুখ দিয়ে বক্ষে ধরিব জড়ায়ে । স্খলিত শিথিল কামনার
তোমাকে শোনাতে এ গান যে গেয়ে যাই। তোমাকে শোনাতে এ গান যে গেয়ে যাই। বাজাই এ গানে মঙ্গলশঙ্খ তখনি আরও
পুরানো দিন পুরানো মন পুরানো সবকিছু পিছনে ফেলে আয় ছুটে চলে, নতুনের ডাক শোনা যায় ওই আগামীর দিগন্ত ভুলে যাবে
আহা আজি এ বসন্তে এত ফুল ফুটে, এত বাঁশি বাজে এত পাখি গায় আহা আজি এ বসন্তে। আহা আজি এ
শুনে সাঁঝবেলার সে গান মন বায় একা উজান শুনে সাঁঝবেলার সে গান মন বায় একা উজান সরে সরে যায় তটভূমি
প্রজাপতি প্রজাপতি আমার ইচ্ছা হ​য়ে বনে বনে ঘাসে ঘাসে ওড়ে আর ফেরে প্রজাপতি প্রজাপতি প্রজাপতি আমার মনের মত ছোটো এক
শুভ্র শঙ্খরবে সারা নিখিল ধ্বনিত। আকাশতলে অনিলে জলে দিকে দিগন্তরে সকল লোকে পুরে বনে বনান্তরে নৃত্যগীত ছন্দে নন্দিত। শুভ্র শঙ্খরবে।
অনেক জমানো ব্যথা বেদনা, কি করে গান হল জানিনা। অনেক জমানো ব্যথা বেদনা, কি করে গান হল জানিনা। কি করে
লীলাবালি লীলাবালি বড় যুবতী সই মোর বড় যুবতী ঘরে কি দিয়া সাজাইমু তোরে। লীলাবালি লীলাবালি বড় যুবতী সই মোর বড়
এই করেছ ভালো নিঠুর হে নিঠুর হে এই করেছ ভালো এমনি করেই হৃদয়ে মোর তীব্র দহন জ্বালো নিঠুর হে এই
তোমায় ভালবাসি বলে তুমি বুঝি মনে ভাব। তোমায় ভালবাসি বলে তুমি বুঝি মনে ভাব। চন্দ্রমুখ না দেখিলে তোমার চন্দ্রমুখ না
হা হা হা ব​ড়ো একা লাগে এই আঁধারে মেঘের খেলা আকাশ পারে ব​ড়ো একা লাগে এই আঁধারে ব​ড়ো একা লাগে
কেন কেন সর্বনাশের নেশা ধরিয়ে তুমি এলে না যে মরি লাজে বুকে বাজে মন লাগে না আর কোন কাজে মরি
তারে বলে দিও সে যেন আসে না আমার দ্বারে তারে বলে দিও সে যেন আসে না আমার দ্বারে তারে বলে
হা হো গুঞ্জনে দোলে যে ভ্রমর সুর তোলে যে উড়ে উড়ে গুঞ্জনে দোলে যে ভ্রমর সুর তোলে যে উড়ে উড়ে
আমার মাথা নত করে দাও হে তোমার চরণধুলার তলে। সকল অহংকার হে আমার ডুবাও চোখের জলে। আমার মাথা নত করে
কৃষ্ণকলি আমি তারেই বলি, কালো তারে বলে গাঁয়ের লোক । মেঘলা দিনে দেখেছিলেম মাঠে কালো মেয়ের কালো হরিণ-চোখ । ঘোমটা
চিতল মাছের মুইঠা, গরম ভাতে দুইটা, ভুইলা বাঙ্গালী খায়, চিনা জাপানি,লুইটা পুইটা। চিতল মাছের মুইঠা, গরম ভাতে দুইটা, ভুইলা বাঙ্গালী
রাঙিয়ে দিয়ে যাও যাও যাও গো এবার যাবার আগে - রাঙিয়ে দিয়ে যাও যাও যাও গো এবার যাবার আগে -
আরো কাছাকাছি আরো কাছে এসো আরো কাছাকাছি আরো কাছে এসো মনে মনে এ দুটি মন আজ এক হয়ে যাবে কি

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V