Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

বন্ধ মনের দুয়ার দিয়েছি খুলে। এসেছে ফাগুন হওয়া, এখন সবই দেবার পালা নেই তো কিছু চাওয়ার। বন্ধ মনের দুয়ার দিয়েছি
চলে যেতে যেতে দিন বলে যায় আধাঁরের শেষে ভোর হবে হয়তো পাখীর গানে গানে তবু কেন মন উদাস হল হয়তো
একটা মন হাঁটিহাঁটি পায় আঁকাবাঁকা রেলগাড়ি মেঘ এসে চোখে দিল রঙ হাতে দিল ডাকটিকিট। বৃষ্টি মেশে ড্র​য়িং খাতায় ফুল ফল
আমি যে জলসাঘরে বেলোয়াড়ী ঝাড়। আমি যে জলসাঘরে বেলোয়াড়ী ঝাড়। আমি যে জলসাঘরে নিশি ফুরালে কেহ চায় না আমায় জানি
হা হো গুঞ্জনে দোলে যে ভ্রমর সুর তোলে যে উড়ে উড়ে গুঞ্জনে দোলে যে ভ্রমর সুর তোলে যে উড়ে উড়ে
কোথাও আমার হারিয়ে যাওয়ার নেই মানা মনে মনে । মেলে দিলেম গানের সুরের এই ডানা মনে মনে । কোথাও আমার
জানা অজানা পথে চলেছি জানা অজানা পথে চলেছি একে একে দুই দুয়ে একে তিন হয়েছি জানা অজানা পথে চলেছি জানা
এই পথে যায় চলে, ঝরা পাতা যায় দলে, ও কোন সুরে উতলা মন আমার নয় সে কাছে নয় সে দূরে
এই বাংলার মাটিতে মাগো জন্ম আমায় দিও। এই বাংলার মাটিতে মাগো জন্ম আমায় দিও। এই আকাশ, নদী, পাহাড় আমার বড়
কিভাবে কত কি পুড়ে ছাই। কখন কে জানে রাস্তার মোড়ে হাত নাড়ি বিদায় বাসের সারি বুকের ভেতর ভাড়ি পাথরের ছোঁয়াটুকু
বঁধুয়া! বল বল বঁধুয়া আ আআআআআআ কেন গেল পরবাসে বল বঁধুয়া কেন গেল পরবাসে বল বঁধুয়া গরজে বরষে মানে না
ছিন্ন পাতার সাজাই তরণী, একা একা করি খেলা- আনমনা যেন দিকবালিকার আনমনা যেন দিকবালিকার ভাসানো মেঘের ভেলা। ছিন্ন পাতার সাজাই
বল মন সুখ বল বলে চল অবিরল তোর সুখ নামে যদি সুখ আসে জীবনে বল মন বলে চল না ভেবেই
এই নিশি রাত নিশি রাত - বাঁকা চাঁদ আকাশে, চুপি চুপি বাঁশি বাজে বাতাসে-এ বাতাসে-এ, নিশি রাত - বাঁকা চাঁদ
নানা নানা ওমন করে দাগা দিয়ে সরে থেকো না নানা নানা ওমন করে দাগা দিয়ে সরে থেকো না। আমায় নিয়ে
ভাবছো তুমি, ভাবছি আমি বেলা গেল। ঘরের ছেলে, ঘরেতে ফিরলো না কেন! আসে গানের কথা, আসে সুর কিছু। আসে শরীরটা
আমার বেলা যে যায় সাঁঝ-বেলাতে তোমার সুরে সুরে সুর মেলাতে। আমার বেলা যে যায় সাঁঝ-বেলাতে তোমার সুরে সুরে সুর মেলাতে।
কাদের কুলের বউ গো তুমি কাদের কুলের বউ যমুনায় যমুনায় জল আনতে যাচ্ছো- ওগো যমুনায় জল আনতে যাচ্ছো- সঙ্গে নেই
মনে করো আমি নেই বসন্ত এসে গেছে কৃষ্ণচূড়ার বন্যায় চৈতালি ভেসে গেছে মনে করো আমি নেই বসন্ত এসে গেছে কৃষ্ণচূড়ার
জীবনে কি পাবো না ভুলেছি সে ভাবনা সামনে যা দেখি জানি না সেকি আসল কি নকল সোনা জীবনে কি পাবো
এক যে ছিল মাছি, তার নামটি ছিল পাঁচী। এক যে ছিল মাছি, তার নামটি ছিল পাঁচী। উড়তে উড়তে পাঁচী, গিয়ে
সূর্য ডোবার পালা আসে যদি আসুক বেশতো- গোধূলির রঙে হবে এ ধরণী স্বপ্নের দেশতো । সূর্য ডোবার পালা আসে যদি
মেঘ কালো আঁধার কালো, আর কলঙ্ক যে কালো যে কালিতে বিনোদিনী হারালো তার কূল তার চেয়েও কালো কন্যা তোমার মাথার
থেই থেই তা থেই তা থেই তাতা থেই থেই থেই তা থেই তা থেই তা থেইয়া থেইয়া তাৎ তা থে

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V