Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

এই বালুকা বেলায় আমি লিখেছিনু একটি সে নাম আমি লিখেছিনু আজ সাগারের ঢেউ দিয়ে তারে যেন মুছিয়া দিলাম এই বালুকা
বাড়ীর কাছে আরশী নগর সেথা পড়শী বসত করে এক ঘর​ পড়শী বসত করে আমি এক দিনও না দেখিলাম তারে। বাড়ীর
আজ তবে এইটুকু থাক, বাকি কথা পরে হবে। ধূসর ধূলির পথ, ভেঙে পড়ে আছে রথ, বহুদূর দূর যেতে হবে। আজ
যত দূরে যাবে চোখ তুমি ছাড়া- কিচ্ছু নেই কেউ কোথাও - নোনা জলে ডুবে আছে  গোটা পাড়া সাবধানে দুঃখ দাও
ভালবাসার আগুন জ্বালাও ঝাড়বাতিটা নিভিয়ে দাও চোখের থেকে বিজলি ছোঁড়ো ওড়নাটাকে সরিয়ে নাও ভালবাসার আগুন জ্বালাও ভালবাসার আগুন জ্বালাও ওই
মোদের গরব, মোদের আশা, আ মরি বাংলা ভাষা ! মোদের গরব, মোদের আশা, আ মরি বাংলা ভাষা ! মাগো তোমার
মিথ্যে কথা এতো বোলো না, রাত্রি জাগা এতো ভালো না। মিথ্যে কথা এতো বোলো না, রাত্রি জাগা এতো ভালো না।
ঝনক-ঝনক কনক কাঁকন বাজে নতুন নতুন কুঁড়ি ফোটে লাজে। ঝনক-ঝনক ঝনক-ঝনক কনক কাঁকন বাজে নতুন নতুন কুঁড়ি ফোটে লাজে। ঝনক-ঝনক
ছোটো ছোটো দিন আলাপে রঙ্গিন নূড়ির​ মতন ছোটো ছোটো রাত চেনা মনটার পলাশের বন আহা অগোছালো ঘর খড়কুটোময় চিলেকোঠা কোণ
তুমি কত যে দূরে কোথা যে হারিয়ে গেলে, আমার জীবন হতে, ঠিকানা নেই, বলো খুঁজি কোথায়? তুমি কতো যে দূরে
গানে ভুবন ভরিয়ে দেবে ভেবেছিল একটি পাখী হঠাৎ বুকে বিঁধল যে তীর স্বপ্ন দেখা হল ফাঁকি। গানে ভুবন ভরিয়ে দেবে
এক যে ছিল রাজা হবু চন্দ্র তাহার নাম, ভারতের অধিশ্বর দিল্লীতে তার ধাম। প্রধান মন্ত্রী তার গবু চন্দ্র শুভ নাম,
হাজার অতীত জন্ম-দাগের মতোফুটে থাকে তারায় তারায়।কে যেন ছিলাম, মনে তো পড়ে নাছায়াপথ শরীরে হারায়।কে আমি কোথায়!কে আমি কোথায়!কে আমি
ঢাকের তালে কোমর দোলে খুশীতে নাচে মন, আজ বাজা কাঁসর জমা আসর থাকবে মা আর কতক্ষন। ঢাকের তালে কোমর দোলে
গুন গুন ভ্রমরা মন যে উতলা গুন গুন ভ্রমরা মন যে উতলা বন্ধু আসিবে আজকে গোপনে গানে গানে আমি ভরে
হা হা হা লা লা লা লা লা আহা হা পৃথিবী বদলে গেছে যা দেখি কি নতুন লাগে পৃথিবী বদলে
বৈষ্ণব সেই জন পাশে থাকে আজীবন পরেরও বেদন-ব্যথা জানে রে। বৈষ্ণব সেই জন পাশে থাকে আজীবন পরেরও বেদন-ব্যথা জানে রে।
মধু বনে বাঁশি বাজে রাধা হল বেমনা ও মন কেন মানে না রাধা বাঁশি ছাড়া জানে না মন কেন রাধা
ভয় দেখাস না প্লিস আমি বদলে গিয়েও ঘরে ফিরতে চাই । তবু তোর দুচোখের রোদ ফিরতে মানা করবে সেই ভই
অনেক জমানো ব্যথা বেদনা, কি করে গান হল জানিনা। অনেক জমানো ব্যথা বেদনা, কি করে গান হল জানিনা। কি করে
আয়  তবে  সহচরী, হাতে হাতে ধরি ধরি নাচিবি ঘিরি ঘিরি, গাহিবি গান । আন তবে বীণা --- সপ্তম সুরে বাঁধ তবে তান ||
একা মোর গানের তরী ভাসিয়েছিলাম নয়ন-জলে; সহসা কে এলে গো এ তরী বাইবে ব'লে? ভাসিয়েছিলাম নয়ন-জলে; যা ছিল কল্পমায়া, সে
আমি অপার হয়ে বসে আছি ওহে দয়াময় পারে লয়ে যাও আমায় ।। আমি একা রইলাম ঘাটে ভানু সে বসিল পাটে
তোমায় কেন লাগছে এতো চেনা এতো আপন ভাবছি কেনো তোমায় বলতে পারো প্রথম দেখা কোথায় প্রথম দেখা কোথায় কবে কখন

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V