Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

টাপুর টুপুর সারা দুপুর নূপুর বাজায় কে? যেন এক কাজলা মেয়ে। কাজল কাজল মেঘের আঁচল শুধু ওড়ায় কে? যেন এক
পা নি সা রে গা নি সা নি সা গারে গা মা গা মাগা নি সা গা মা গা মাগা
আজি        বিজন ঘরে নিশীথরাতে আসবে যদি শূন্য হাতে -      আমি       তাই তে
গুন গুন গুন কুঞ্জে আমার একি গুঞ্জরন​ হা আজ গুন গুন গুন কুঞ্জে আমার একি গুঞ্জরন​ গানের সুরে পেলাম এ
এদিন আজি কোন ঘরে গো খুলে দিল দ্বার ? আজি প্রাতে সুর্য-ওঠা সফল হল কার ? কাহার অভিষেকের তরে সোনার
ভারতবর্ষ সূর্যের এক নাম আমরা র​য়েছি সেই সূর্যের দেশে লীলাচঞ্চল সমুদ্রে অবিরাম গঙ্গা যমুনা ভাগীরথী যেথা মেশে ভারতবর্ষ সূর্যের এক
মায়ের পায়ের জবা হয়ে ওঠনা ফুটে মন। আমার মায়ের পায়ের জবা হয়ে ওঠনা ফুটে মন। তার গন্ধ না থাক যা
পাগলা হাওয়ার বাদল-দিনে পাগল আমার মন জেগে ওঠে। চেনাশোনার কোন বাইরে    যেখানে পথ নাই নাই রে সেখানে অ-কারণে যায়
Male version: কতবার তোর বাড়ি গিয়ে ফিরে, ফিরে এলাম আমার মতে তোর মতন কেউ নেই । কতবার তোর জানলা দিয়ে
ভালবাসার আগুন জ্বেলে কেন চলে যায় ভালবাসার আগুন জ্বেলে কেন চলে যায় ব্যাথার বাতাস কেঁদে মরে ব্যাথার বাতাস কেঁদে মরে
যে ছিল আমার স্বপনচারিণী তারে বুঝিতে পারিনি - তারে বুঝিতে পারিনি ! দিন ছলে গেছে  খুঁজিতে  খুঁজিতে ও গো -
বলি ও ননদী বলি ও ননদী আর দু মুঠো চাল ফেলে দে হাঁড়িতে ঠাকুর জামাই এলো বাড়িতে। লো ননদী। ঠাকুর
যদি আকাশের গায়ে কান না পাতি তোমার কথা শুনতে পাবো না। যদি আকাশের গায়ে কান না পাতি তোমার কথা শুনতে
আমরা নতুন যৌবনেরই দূত । আমরা চঞ্চল আমরা অদ্ভূত । আমরা বেড়া ভাঙি , আমরা অশোকবনের রাঙা নেশায় রাঙি । ঝঙ্ঝার বন্ধন
আমি যে জলসাঘরে বেলোয়াড়ী ঝাড়। আমি যে জলসাঘরে বেলোয়াড়ী ঝাড়। আমি যে জলসাঘরে নিশি ফুরালে কেহ চায় না আমায় জানি
ও পাখি উড়ে আয়, উড়ে আয় তোরি সুরে যা যা দেখে যা যা যারে দেখে যা- আমি আজ কার কাছে
ভালোবেসে, সখী, নিভৃতে যতনেআমার নামটি লিখো-তোমারমনের মন্দিরে।আমার পরানে যে গান বাজিছেতাহার তালটি শিখো-তোমারচরণমঞ্জীরে।।ধরিয়া রাখিয়ো সোহাগে আদরেআমার মুখর পাখি – তোমারপ্রাসাদপ্রাঙ্গণে।মনে
আহা কি আনন্দ আকাশে বাতাসে। আহা কি আনন্দ আকাশে বাতাসে। আহা কি আনন্দ আকাশে বাতাসে। শাখে শাখে পাখি ডাকে কত
মন মাঝিরে তোর খেয়াতে তুই দিলি যে পাল তুলে ও মন মাঝিরে তোর খেয়াতে তুই দিলি যে পাল তুলে যাবি
আমি এক যাযাবর, আমি এক যাযাবর, পৃথিবী আমাকে আপন করেছে ভুলেছি নিজের ঘর। আমি এক যাযাবর, আমি এক যাযাবর। আমি
আমি তোমার সঙ্গে বেঁধেছি আমার প্রাণ সুরের বাঁধনে— তুমি জান না, আমি তোমারে পেয়েছি অজানা সাধনে ।। সে সাধনায় মিশিয়া
মন্দ বলে লোকে বলুক না,বলুক না। হিংসে করে জ্বলে জ্বলুক না, জ্বলুক না। তবুও দুজনে কূজনে কূজনে তবুও তবুও দুজনে
সেই রাতে রাত ছিল পূর্ণিমা, রঙ ছিল ফাল্গুনী হাওয়াতে। সেই রাতে রাত ছিল পূর্ণিমা, রঙ ছিল ফাল্গুনী হাওয়াতে। সব ভাল
এক বৈশাখে দেখা হল দুজনার জ্যৈষ্ঠে তে হল পরিচয় আসছে আষাঢ় মাস মন তাই ভাবছে কি হয় কি হয় কে

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V