Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

ওরে ছেড়ে দিলে সোনার গৌর ক্ষ্যাপা ছেড়ে দিলে সোনার গৌর আমরা আর পাব না, আর পাব না - তোমায় হৃদ
নদী ভরা ঢেউ বোঝ নাতো কেউ কেন মায়ার তরী বাও বাও গো ভরসা করি এ ভব কাণ্ডারী অবেলার বেলা পানে
বঁধু, কোন আলো লাগল চোখে ! বুঝি দীপ্তিরূপে ছিলে  সূর্যলোকে ! ছিল মন তোমারি প্রতিক্ষা করি যুগে যুগে দিন রাত্রি  ধরি
কথা দিলাম আমি কথা দিলাম। কথা দিলাম আমি কথা দিলাম। তুমি আমি যুগে যুগে থাকব সাথে, যুগে যুগে থাকব সাথে।
কোথা কোথা খুঁজেছি তোমায় তুমি জানো না কোথা কোথা খুঁজেছি তোমায় তুমি জানো না খুঁজেছি খুঁজেছি খুঁজেছি কোথায় তোমায় কোথা
টিয়া টিয়া টিয়া অজ পাড়াগাঁয়ে থাকে টেরা চোখে তাকায় টিয়া নোলক পরা নাকে টিয়া টিয়া টিয়া অজ পাড়াগাঁয়ে থাকে টেরা
লাগে দোল লাগে দোল লাগে দোল পাতায় পাতায় বকুল বনের শাখে। কে যাবি, কে যাবি আয় ছুটে, আয় ছুটে মন
বারে বারে কে যেন ডাকে আমারে, বারে বারে কে যেন ডাকে। কার ছোঁয়া লাগে যেন মনোবীণার তারে কার ছোঁয়া লাগে
শ্যামা মা কি আমার কালোরে শ্যামা মা কি আমার কালো। লোকে বলে কালি কালো আমার মন তো বলেনা কালো রে।
রোজ রোজ আকাশ নীলে, কত তারা রাতে জ্বলে, মন তবু এই যে বলে, তোমারি দুচোখে শুধু সেই আলো জ্বলে। রোজ
তোমাকে বুঝি না প্রিয় বোঝো না তুমি আমায় দূরত্ব বাড়ে যোগাযোগ নিভে যায় তোমাকে বুঝি না প্রিয় বোঝো না তুমি
না যেও না, না যেও না, রজনী এখনও বাকী আরও কিছু দিতে বাকী বলে রাত জাগা পাখি। না যেও না।
না বলে এসেছি, তা বলে ভেবো না, না বলে বিদায় নেব চলে যাই যদি, যেন হই নদী, সাগরে হারিয়ে যাব।
আ... অভিমানে চলে যেও না অভিমানে চলে যেও না না অভিমানে চলে যেও না না অভিমানে চলে যেও না। এখনি
হরি দিনতো গেল সন্ধ্যা হল পার কর আমারে ! তুমি পারের কর্তা শুনে বার্তা ডাকি হে তোমারে । হরি দিনতো
ও রি কিসুক রাই জিয়া রা সাঁইয়া কে য়াদ যো আয়ে শুনা পরা হে মেরা আঙ্গনা দি যো সন্দেশা ভিজাইকে
 আমার   রাত পোহালো শারদ প্রাতে | বাঁশি , তোমায় দিয়ে যাবো কাহার হাতে || তোমার বুকে বাজলো ধ্বনি বিদায়গাথা
একটা চাঁদ ছাড়া রাত আঁধার কালো মায়ের মমতা ছাড়া কে থাকে ভালো। মাগো মা মাগো মা তুমি চোখের এত কাছে
আমার স্বপন কিনতে পারে এমন আমির কই? আমার জলছবিতে রঙ মেলাবে এমন আবির কই? আমার স্বপন কিনতে পারে এমন আমির
আমার ভিতরে বাহিরে অন্তরে অন্তরে , আছো তুমি হৃদয় জুড়ে। আমার ভিতরে বাহিরে অন্তরে অন্তরে , আছো তুমি হৃদয় জুড়ে।
দীপ ছিল, শিখা ছিল, শুধু তুমি ছিলে না বলে আলো জ্বলল না। ভাষা ছিল, কথা ছিল, কাছে ডাকলে না বলে
শঙ্খ বাজিয়ে মাকে ঘরে এনেছি সুগন্ধী ধূপ জ্বেলে আসন পেতেছি। শঙ্খ বাজিয়ে মাকে ঘরে এনেছি সুগন্ধী ধূপ জ্বেলে আসন পেতেছি।
নদীর যেমন ঝর্ণা আছেঝর্ণারও নদী আছে।আমার আছো তুমি শুধু তুমি।আমার আছো তুমি শুধু তুমি। বাঁশীর যেমন কৃষ্ণ আছেকৃষ্ণেরও বাঁশী আছে।আমার
আ হা ও হো এ হে রুই কাতলা ইলিশ তো নয়, হায়রে কি যে করি। রুই কাতলা ইলিশ তো নয়,

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V