Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

কঠিন, তোমাকে ছাড়া একদিন কাটানো একরাত, বাড়াও দু হাত হয়ে যাও আজ বাধাবিহীন। বলো, কবিতা হয়ে চলো বাগানে দাবানল জমানো
সব কথা বলা হলো বাকি রয়ে গেল শুধু বলিতে, যে কথা মনের কথা কতবার থেমে গেছি বলিতে বলিতে বলিতে বলিতে।
চল্‌ চল্ চল্ চল্‌ চল্ চল্ ঊর্দ্ধ গগনে বাজে মাদল, নিম্নে উতলা ধরণী তল অরুণ প্রাতের তরুণ দল চল্‌ রে
বয়েই গেছে বয়েই গেছে তোমার ডাকে সারা দিতে বয়েই গেছে সাত রাজাধন মানিক যখন পাওয়াই আমার হয়েই গেছে বয়েই গেছে
হে নূতন, দেখা দিক আর-বার জন্মের প্রথম শুভক্ষণ ।। তোমার প্রকাশ হোক কুহেলিকা করি উদঘাটন সূর্যের মতন । তোমার প্রকাশ
একটা চাঁদ ছাড়া রাত আঁধার কালো মায়ের মমতা ছাড়া কে থাকে ভালো। মাগো মা মাগো মা তুমি চোখের এত কাছে
তোমার নামে আঁকা এ হাতের উপর আঁকা ডাকে আয় কাছে আয় তোমার চুলে ডাকা এ আদর দিয়ে মাখা ডাকে আয়
রিমঝিম বৃষ্টি অঝোর ধারায় ঝরে বৃষ্টি সূর্য ঢেকে নিল দৃষ্টি। রিমঝিম বৃষ্টি অঝোর ধারায় ঝরে বৃষ্টি সূর্য ঢেকে নিল দৃষ্টি।
পুরুষ সংস্করণ : একরাশ বিপদের মাঝখানে শুয়ে আছি কানাঘুষো শোনা যায় বসন্ত এসে গেছে বসন্ত এসে গেছে কবিদের মৃতদেহ চাপা
ও শ্যাম যখন তখন খেলোনা খেলা অমন ও শ্যাম যখন তখন খেলোনা খেলা অমন ধরলে আজ তোমায় ছাড়বনা না না
আমার সকল দুখের প্রদীপ জ্বেলে দিবস গেলে করব নিবেদন— আমার ব্যথার পূজা হয় নি সমাপন ।। যখন বেলা-শেষের ছায়ায় পাখিরা
প্রেমে পড়া বারণ, কারণে অকারণ আঙুলে আঙ্গুল রাখলেও হাত ধরা বারণ। প্রেমে পড়া বারণ, কারণে অকারণ আঙুলে আঙ্গুল রাখলেও হাত
দোষ কারো নয় গো মা আমি স্বখাত সলিলে ডুবে মরি শ্যামা। দোষ কারো নয় গো মা দোষ কারো নয় গো
জাগো তুমি জাগো জাগো দুর্গা জাগো দশপ্রহরণধারিণী অভ​য়া শক্তি বলপ্রদায়িনী তুমি জাগো জাগো তুমি জাগো প্রণমি বরদা অজরা অতুলা প্রণমি
ও ঝর ঝর ঝরনা, ও রূপালী বর্ণা ও ও ঝর ঝর ঝরনা, ও রূপালী বর্ণা ওরে হারায়েছে প্রাণ মন আমার
এক টানেতে যেমন তেমন দুই টানেতে রোগী তিন টানেতে রাজা উজির চার টানেতে সুখী এর কি মহিমা বাবা এক টানেতে
গুন গুন গুন কুঞ্জে আমার একি গুঞ্জরন​ হা আজ গুন গুন গুন কুঞ্জে আমার একি গুঞ্জরন​ গানের সুরে পেলাম এ
যেমন বেনী তেমনি রবে চুল ভিজাবো না আমার যেমন বেনী তেমনি রবে চুল ভিজাবো না ওগো চুল ভিজাবো না না
এসো হে বৈশাখ এসো, এসো, এসো হে বৈশাখ এসো, এসো, তাপসনিশ্বাসবায়ে মুমূর্ষুরে দাও উড়ায়ে, তাপসনিশ্বাসবায়ে মুমূর্ষুরে দাও উড়ায়ে, বৎসরের আবর্জনা
ফান্দে পড়িয়া বগা কান্দে রে ফান্দে পড়িয়া বগা কান্দে রে ফান্দ বসাইছে ফান্দি রে ভাই পুঁটি মাছো দিয়া ওরে মাছের
কে আবার বাজায় বাঁশি এ ভাঙ্গা কুঞ্জবনে! কে আবার বাজায় বাঁশি এ ভাঙ্গা কুঞ্জবনে! হৃদি মোর উঠল কাঁপি, চরণের সেই
একটা গান লিখো আমার জন্য। একটা গান লিখো আমার জন্য। নাহয় আমি তোমার কাছে ছিলেম অতি নগন্য। একটা গান লিখো
এই মণিহার আমায় নাহি সাজে--- এরে   পরতে গেলে লাগে ,এরে ছিড়তে গেলে বাজে ।। কণ্ঠ যে রোধ করে,    সুর তো নাহি  সরে।
না না কাছে এসো না যাও যাও দুরে থাক​ না না কাছে এসো না যাও যাও দুরে থাক​ না না

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V