Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

আমার এ পথ তোমার পথের থেকে অনেক দূরে গেছে বেঁকে গেছে বেঁকে আমার ফুলে আর কি কবে তোমার মালা গাঁথা
বড় সঙ্কটে পড়িয়া দয়াল বারে বার ডাকি তোমায়।। ক্ষম ক্ষম অপরাধ দাসের পানে একবার চাও হে দয়াময়। তোমার ক্ষমতায় আমি
আজ যাই? আসব আর একদিন আজ যাই। আসব আর একদিন আজ যাই। হো ফোটা ঝরা ফুলের যে কাজ তাই। আজ
আমার মনের এই ময়ূরমহলে এসো আজ প্রেমের আতর ঢেলে দাও। বেগম রাতটার গায়ে তারা ওড়না দুচোখে আজ নয় ঝাড়বাতি জ্বেলে
চোখে নামে বৃষ্টি, বুকে ওঠে ঝড় যে চোখে নামে বৃষ্টি, বুকে ওঠে ঝড় যে তুমি তো আমারই ছিলে, আজ কত
ঠিক এমন এভাবে তুই থেকে যা স্বভাবে আমি বুঝেছি ক্ষতি নেই আর তুই ছাড়া গতি নেই ছুঁয়ে দে আঙুল ফুটে
ও রি কিসুক রাই জিয়া রা সাঁইয়া কে য়াদ যো আয়ে শুনা পরা হে মেরা আঙ্গনা দি যো সন্দেশা ভিজাইকে
মায়াবনবিহারিনী হরিণী গহন স্বপন সঞ্চারিনী কেন তারে ধরিবারে করি পণ অকারণ মায়াবনবিহারিনী মায়াবনবিহারিনী হরিণী গহন স্বপন সঞ্চারিনী কেন তারে ধরিবারে
দুধ না খেলে হবে না ভালো ছেলে। দুধ না খেলে হবে না ভালো ছেলে। দুধ না খেলে হবে না ভালো
হে হে হেহে হে হে উ উ উ মনে পড়ে রুবি রায় মনে পড়ে রুবি রায়, কবিতায় তোমাকে একদিন কত
চল রে চল সবে ভারত সন্তান মাতৃভূমি করে আহ্বান চল রে চল সবে ভারত সন্তান মাতৃভূমি করে আহ্বান বীর দর্পে
ও আধো আলো ছায়াতে কিছু ভালোবাসাতে আধো আলো ছায়াতে কিছু ভালোবাসাতে আজ মন ভরাতে হবে বলো কার কারো ন​য় শুধু
আ আ আ আ আ আ বাঁশি শুনে কি ঘরে থাকা যায় বাঁশি শুনে কি ঘরে থাকা যায় বলো গো
ওরে ভাই, ফাগুন লেগেছে বনে বনে - ডালে ডালে ফুলে ফলে পাতায় পাতায় রে, আড়ালে আড়ালে কোণে কোণে ।। রঙে রঙে রঙিল আকাশ ,
মুক্তির মন্দির সোপান তলে কত প্রাণ হল বলিদান লেখা আছে অশ্রুজলে। মুক্তির মন্দির সোপান তলে কত প্রাণ হল বলিদান লেখা
মধু মালতী ডাকে আয় ফুল ফাগুনের এ খেলায় মধু মালতী ডাকে আয় মধু মালতী ডাকে আয় ফুল ফাগুনের এ খেলায়
এসো প্রাণভরণ দৈনহরণ হে এসো প্রাণভরণ দৈনহরণ হে। বিশ্বভুব পরম স্মরণ হে। এসো প্রাণভরণ দৈনহরণ হে। জ্যোতিপূর্ণ করো হে গগন,
অন্ধকারের উত্স হতে উত্সারিত আলো সেই তো তোমার আলো ! সকল দন্দ্ববিরোধ-মাঝে জাগ্রত যে ভালো সেই তো তোমার ভালো ।।
আমার ভিনদেশী তারা একা রাতেরই আকাশে তুমি বাজালে একতারা আমার চিলেকোঠার পাশে। ঠিক সন্ধ্যে নামার মুখে তোমার নাম ধরে কেউ
লাবণ্যে পূর্ণ প্রাণ, প্রাণেশ হে, একি লাবণ্যে পূর্ণ প্রাণ, প্রাণেশ হে, আনন্দবসন্তসমাগমে। একি লাবণ্যে পূর্ণ প্রাণ, প্রাণেশ হে বিকশিত প্রীতিকুসুম
টাপুর টুপুর সারা দুপুর নূপুর বাজায় কে? যেন এক কাজলা মেয়ে। কাজল কাজল মেঘের আঁচল শুধু ওড়ায় কে? যেন এক
রাধা না খায় অন্ন না খায় পানি নাহি বান্ধে কেশ রে ভ্রমর​ কইয়ো গিয়া ভ্রমর কইয়ো গিয়া শ্রীকৃষ্ণ বিচ্ছেদের অনলে
চেয়ে দেখো মেঘেরা ছুঁয়েছে মেঘলা মন​ চেয়ে দেখো মেঘেরা ছুঁয়েছে মেঘলা মন​ উদাসীন সারাদিন রিমঝিম ঝিম ঝিম ঝরে যাওয়া এ
এমন মানব জনম আর কি হবে ? মন যা কর ত্বরায় কর এই ভবে।। অনন্ত রূপ সৃষ্টি করলেন সাঁই শুনি

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V