Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

মুসাফির মোছ রে আঁখিজল ফিরে চল আপনারে নিয়া। মুসাফির মোছ রে আঁখিজল ফিরে চল আপনারে নিয়া। আপনি ফুটেছিল ফুল গিয়াছে
ভারতবর্ষ সূর্যের এক নাম আমরা র​য়েছি সেই সূর্যের দেশে লীলাচঞ্চল সমুদ্রে অবিরাম গঙ্গা যমুনা ভাগীরথী যেথা মেশে ভারতবর্ষ সূর্যের এক
আগুনের পরশ-মণি ছোঁয়াও প্রাণে। এ জীবন পুণ্য করো এ জীবন পুণ্য করো এ জীবন পুণ্য করো এ জীবন পুণ্য করো
আমার হাত বান্ধিবি, পা বান্ধিবি মন বান্ধিবি কেমনে? আমার চোখ বান্ধিবি, মুখ বান্ধিবি পরান বান্ধিবি কেমনে? আমার হাত বান্ধিবি, পা
কৃষ্ণচূড়া শোন শোন শোন। সারাবেলা দোলায় তোকে ক্ষ্যাপা হাওয়া যে! ক্ষ্যাপা হাওয়া যে! তার পায়ের শব্দ যায় না শোনা পাতার
মেঘ-বিহীন খর-বৈশাখে মেঘ-বিহীন খর-বৈশাখে তৃষায় কাতর চাতকী ডাকে। মেঘ-বিহীন খর-বৈশাখে সমাধি-মগ্না উমা তপতী – সমাধি-মগ্না উমা তপতী – রৌদ্র যেন
ওগো আর কিছু তো নাই বিদায় নেবার আগে তাই তোমারি নয়নে পাওয়া তোমারি সুরে গাওয়া এ গান খানি রেখে যাই
তোকে রোজ সকালে দেখতে ইচ্ছে হয়। তোকে সঙ্গে পেলে করবো যুদ্ধ জয়। তোকে রোজ সকালে দেখতে ইচ্ছে হয়। তোকে সঙ্গে
এমন একটি ঝিনুক খুঁজে পেলাম না যাতে মুক্ত আছে এমন কোনো মানুষ খুঁজে পেলাম না যার মন আছে এমন একটি
টুং-টাং পিয়ানোয় সারাটি দুপুর, কচি কচি দুটি হাত তুলবে যে সুর। মাথা নেড়ে বুড়োবুড়ি শুনবে যে গান। হুপ-হুপ লাফাবে যে
ওই ঘুম ঘুম ঘুমন্ত ঘুম ঘুম পাহাড়ে দূর দূর দিগন্তে পড়ে তার ছায়া রে, মোর মন আনমন, জানি না কেন,
সাগর সঙ্গমে- সাগর সঙ্গমে সাঁতার কেটেছি কত কখনও তো হই নাই ক্লান্ত। সাগর সঙ্গমে সাঁতার কেটেছি কত কখনও তো হই
এমন মধুর সন্ধ্যায় এক কি থাকা যায়। এমন মধুর সন্ধ্যায় এক কি থাকা যায়। খুঁজে নাও, বেছে নাও, তুমি সাথী
চঞ্চল মন আনমনা হ​য় যেই তার ছোঁয়া লাগে চঞ্চল মন আনমনা হ​য় যেই তার ছোঁয়া লাগে ভোরের আকাশে আলো দেখে
এখন তো সময় ভালোবাসার, এ দুটি হৃদয় কাছে আসার, তুমি যে একা আমিও যে একা, লাগে যে ভালো, ও প্রিয়
ছাতা ধরো হে দেওরা হ্যেসান সুন্দর খোঁপা আমার ভিগ গিলাই না ছাতা ধরো হে দেওরা হ্যেসান সুন্দর শাড়ি আমার ভিগ
ওই বিহুর ডাকে যায় ভেসে মন​ মন পাখি যায় রে বাঁকে আজ পরব দিনে আসাম গেছে মন আমার ধামসার তালে
আজ জীবন খুঁজে পাবি ছুটে ছুটে আয় আজ জীবন খুঁজে পাবি ছুটে ছুটে আয় মরণ ভুলে গিয়ে ছুটে ছুটে আয়।
মুক্তির মন্দির সোপান তলে কত প্রাণ হল বলিদান লেখা আছে অশ্রুজলে। মুক্তির মন্দির সোপান তলে কত প্রাণ হল বলিদান লেখা
আমার মনটা টানে আমার মনটা টানে ঘরের পানে কোথায় আমার ঘর যদি মন ঘরানি পাবে সে ঘর আশার খুঁটি দিয়া
ফাগুন,    হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান - তোমার  হাওয়ায় হাওয়ায়  করেছি যে দান - আমার    আপনহারা প্রাণ আমার বাঁধন-ছেঁড়া
চিতল মাছের মুইঠা, গরম ভাতে দুইটা, ভুইলা বাঙ্গালী খায়, চিনা জাপানি,লুইটা পুইটা। চিতল মাছের মুইঠা, গরম ভাতে দুইটা, ভুইলা বাঙ্গালী
ভাল করিয়া বাজান রে দোতারা কমলা সুন্দরী নাচে। কমলা সুন্দরীর পেন্দরের শাড়ি রোদে ঝিলমিল করে রে। নাচিতে নাচিতে কমলা সুন্দরী

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V