Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

এই ভালো এই খারাপ ও প্রেম মানে মিষ্টি পাপ চলো মানে মানে দিয়ে ফেলি ডুব তুমি আমি মিলে। দুজনেই মনটাকে
মে দিবসের গান ==================== জন হেনরী, জন হেনরী- নাম তার ছিল জন হেনরী ছিল যেন জীবন্ত ইঞ্জিন হাতুড়ির তালে তালে
আমরা নতুন যৌবনেরই দূত । আমরা চঞ্চল আমরা অদ্ভূত । আমরা বেড়া ভাঙি , আমরা অশোকবনের রাঙা নেশায় রাঙি । ঝঙ্ঝার বন্ধন
মধুর মধুর বংশী বাজে, কোথা কোন কদম তলিতে। মধুর মধুর বংশী বাজে, কোথা কোন কদম তলিতে। আমি পথের মাঝে পথ
এই তো হেথায়ে কুঞ্জ ছায়ায় স্বপ্ন মধুর মোহে এই জীবনে যে কটি দিন পাব তোমায়ে আমায়ে হেসে খেলে কাটিয়ে যাব
ফেরারি আজ মন, তোকে ভেবে যখন​ সাজিয়েছি আমি আদুরে আলাপন। হো ও ও ওও ও হো ও ওও ওও ফেরারি
এক টানেতে যেমন তেমন দুই টানেতে রোগী তিন টানেতে রাজা উজির চার টানেতে সুখী এর কি মহিমা বাবা এক টানেতে
টাপুর টুপুর সারা দুপুর নূপুর বাজায় কে? যেন এক কাজলা মেয়ে। কাজল কাজল মেঘের আঁচল শুধু ওড়ায় কে? যেন এক
এই মন তোমাকে দিলাম এই প্রেম তোমাকে দিলাম এই মন তোমাকে দিলাম এই প্রেম তোমাকে দিলাম তুমি চোখের আড়াল হও
কৃষ্ণকলি আমি তারেই বলি, কালো তারে বলে গাঁয়ের লোক । মেঘলা দিনে দেখেছিলেম মাঠে কালো মেয়ের কালো হরিণ-চোখ । ঘোমটা
সুজন মাঝিরে, কোন ঘাটে লাগাইবা তোমার নাও। সুজন মাঝিরে, কোন ঘাটে লাগাইবা তোমার নাও। আমি পারের আশায় বইসা আছি ও
হলুদ গাঁদার ফুল, দে এনে দে। সাতনুরি হার কানে ঝুমকোলতা, রূপকুমারী মেয়ে মান করেছে বাঁধবে না সে চুল বাঁধবে না
কোন সে আলোর স্বপ্ন নিয়ে যেন আমায় কে ডাকে আয় চলে আয়। কোন সে আলোর স্বপ্ন নিয়ে যেন আমায় কে
এমন আমি ঘর বেঁধেছি পাহাড়ে যার ঠিকানা নাই স্বপনের সিঁড়ি দিয়ে যেখানে পৌঁছে আমি যাই এমন আমি ঘর বেঁধেছি পাহাড়ে
তুমি যাকে ভালবাসো স্নানের ঘরে বাষ্পে ভাসো তার জীবনে ঝ​ড়​ তুমি যাকে ভালবাসো স্নানের ঘরে বাষ্পে ভাসো তার জীবনে ঝ​ড়​
থুইলাম রে মন পদ্মপাতায়, আর ধুইলাম রে মন জলে আর অঞ্চলে ঢাকিলাম রে মন, তবু কেন জ্বলে। থুইলাম রে মন
তুমি, নির্মল কর, মঙ্গল করে মলিন মর্ম মুছায়ে । তুমি, নির্মল কর, মঙ্গল করে মলিন মর্ম মুছায়ে । তব, পূণ্য-কিরণ
কেমন করে খোলা ঘাটে নাইবো বল না? কেমন করে খোলা ঘাটে নাইবো বল না? কেমন করে খোলা ঘাটে নাইবো বল
চঞ্চল মন আনমনা হ​য় যেই তার ছোঁয়া লাগে চঞ্চল মন আনমনা হ​য় যেই তার ছোঁয়া লাগে ভোরের আকাশে আলো দেখে
একটা সময় তোরে আমার সবই ভাবিতাম তোরে মন পিঞ্জরে যতন করে আগলায়া রাখতাম তোর হাসি মুখের ছবি দেইখা দুঃখ পুষাইতাম,
ছিন্ন পাতার সাজাই তরণী, একা একা করি খেলা- আনমনা যেন দিকবালিকার আনমনা যেন দিকবালিকার ভাসানো মেঘের ভেলা। ছিন্ন পাতার সাজাই
ধন্য ধন্য বলি তারে । বেঁধেছে এমন ঘর শূন্যের উপর পোস্তা করে ।। সবে মাত্র একটি খুঁটি খুঁটির গোড়ায় নাইকো
লাগে দোল লাগে দোল লাগে দোল পাতায় পাতায় বকুল বনের শাখে। কে যাবি, কে যাবি আয় ছুটে, আয় ছুটে মন
মা আমার সাধ না মিটিল আশা না পুরিল সকলি ফুরায়ে যায় মা। আমার সাধ না মিটিল আশা না পুরিল সকলি

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V