Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

হলুদ গাঁদার ফুল, রাঙা পলাশ ফুল এনে দে এনে দে নইলে রাঁধব না, বাঁধব না চুল। হলুদ গাঁদার ফুল, রাঙা
আহা আজি এ বসন্তে এত ফুল ফুটে, এত বাঁশি বাজে এত পাখি গায় আহা আজি এ বসন্তে। আহা আজি এ
আমার জীবনের এতো খুশি এতো হাসি কোথায় গেলো আমার জীবনের এতো খুশি এতো হাসি কোথায় গেলো ফুলের বুকে সেই অলির
ইতিহাস লেখা আঁখি জলে, বলে যায় সে কথা প্রতি পলে। ইতিহাস লেখা আঁখি জলে, বলে যায় সে কথা প্রতি পলে।
আশা ছিল ভালোবাসা ছিল আজ আশা নেই ভালোবাসা নেই এই সেই কৃষ্ণচূড়া যার তোলে দাঁড়িয়ে চোখে চোখ হাতে হাত কথা
চোখে নামে বৃষ্টি, বুকে ওঠে ঝড় যে চোখে নামে বৃষ্টি, বুকে ওঠে ঝড় যে তুমি তো আমারই ছিলে, আজ কত
নাম রেখেছি বনলতা যখন দেখেছি হয়তো বা সেইক্ষণেই তোমায় ভালবেসেছি নাম রেখেছি বনলতা যখন দেখেছি হয়তো বা সেইক্ষণেই তোমায় ভালবেসেছি
এই সুন্দর স্বর্ণালী সন্ধ্যায়, একি বন্ধনে জড়ালে গো বন্ধু, এই সুন্দর স্বর্ণালী সন্ধ্যায়, একি বন্ধনে জড়ালে গো বন্ধু। কোন রক্তিম
এ দিন তো যাবে না মানা তুমি যতই করো। এ দিন তো যাবে না মানা তুমি যতই করো। যা ইচ্ছা
যারে যারে উড়ে যারে পাখি ফুরালো প্রাণের মেলা শেষ হ​য়ে এলো বেলা আর কেন মিছে তোরে বেঁধে রাখি যারে আকাশে
তোমায় কেন লাগছে এতো চেনা এতো আপন ভাবছি কেনো তোমায় বলতে পারো প্রথম দেখা কোথায় প্রথম দেখা কোথায় কবে কখন
সেই , গ্রীষ্মের সকাল গুলোতেই পর্দা ঠেলে সরিয়ে হাওয়া দিলো ভাসিয়ে হাওয়া দিলো ভাসিয়ে। তখন, আমার এ বিছানা ঘুম ছাড়েনি
লালা লা লালালা লালা লালা লালা লালালা লালা লা তোলো ছিন্ন বীণা বাঁধো নতুন তারে, ভরে নাও সুর গাও জীবনেরই
এসো মিলে মিশে থাকি ধরে শরীরে জোনাকি ভালবাসার​ এসো হাতে হাত রাখি আছে যেটুকু যা বাকি কাছে আসার কাছে আসার
আমায় নহে গো ভালোবাসো শুধু ভালোবাসো মোর গান। আমায় নহে গো ভালোবাসো শুধু ভালোবাসো মোর গান। বনের পাখিরে কে চিনে
অনেক তারার মাঝে যে তুই আমার ধ্রুবতারা আমার সাধের বাগানটাতে তুই যে গোলাপচারা অনেক তারার মাঝে যে তুই আমার ধ্রুবতারা
আ হা ও হো এ হে রুই কাতলা ইলিশ তো নয়, হায়রে কি যে করি। রুই কাতলা ইলিশ তো নয়,
পাখি কখন জানি উড়ে যায় একটা বদ হাওয়া লেগে খাঁচায় ।। খাঁচার আড়া প'ল ধসে পাখি আর দাঁড়াবে কিসে আমি
কোথা কোথা খুঁজেছি তোমায় তুমি জানো না কোথা কোথা খুঁজেছি তোমায় তুমি জানো না খুঁজেছি খুঁজেছি খুঁজেছি কোথায় তোমায় কোথা
ও হো হো হো ও ও ও আ আ আ আ আ হো হোহোহো হো হোহো হোহো হোহো আ আ
  এই রাত তোমার আমার । ওই চাঁদ তোমার আমার । শুধু দু'জনের- এই রাত শুধু যে গানের । এই
বলি ও ননদী বলি ও ননদী আর দু মুঠো চাল ফেলে দে হাঁড়িতে ঠাকুর জামাই এলো বাড়িতে। লো ননদী। ঠাকুর
কি আশায় বাঁধি খেলাঘর বেদনার বালুচরে । নিয়তি আমার ভাগ্য লয়ে যে নিশিদিন খেলা করে ।। হায় গো হৃদয় তবুও
মুক্তির মন্দির সোপান তলে কত প্রাণ হল বলিদান লেখা আছে অশ্রুজলে। মুক্তির মন্দির সোপান তলে কত প্রাণ হল বলিদান লেখা

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V