Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

খেলা শেষ মুখ ভাসে বেলা শেষ ঘুম আসে। খেলা শেষ মুখ ভাসে বেলা শেষ ঘুম আসে। মেঘ ঢেউ যায় ভেসে
এসো প্রাণভরণ দৈনহরণ হে এসো প্রাণভরণ দৈনহরণ হে। বিশ্বভুব পরম স্মরণ হে। এসো প্রাণভরণ দৈনহরণ হে। জ্যোতিপূর্ণ করো হে গগন,
তারে বলে দিও সে যেন আসে না আমার দ্বারে তারে বলে দিও সে যেন আসে না আমার দ্বারে তারে বলে
আকাশ কেন ডাকে মন ছুটি চায় ময়ূরপঙ্খী মেঘ ওই যায় ভেসে যায় আকাশ কেন ডাকে মন ছুটি চায় ময়ূরপঙ্খী মেঘ
পৃথিবী হারিয়ে গেল মরু সাহারায় মিশরের নীলনদ আকাশে মিলায় খুশীর প্রাসাদ গ​ড়ি মাঝ দরিয়ায় আকাশ রাঙাতে চাই প্রদীপ শিখায় পৃথিবী
মহুয়ায় জমেছে আজ মৌ গো, ও মহুয়ায় জমেছে আজ মৌ গো। কোণে দেখা মেঘে যে ওই সোনা রং লেগেছে ওই
হাজার টাকার ঝাড়বাতিটা রাতটা কে যে দিন করেছে তারি নীচে বাইজি নাচে ঠুমরী গানের টুকরো ছুঁড়ে হাজার টাকার ঝাড়বাতিটা তবলচিটা
মহারাজা! তোমারে সেলাম, সেলাম, সেলাম। মোরা বাংলাদেশের থেকে এলাম। মোরা বাংলাদেশের থেকে এলাম। মোরা সাদা সিধা মাটির মানুষ, দেশে দেশে
কি আশায় বাঁধি খেলাঘর বেদনার বালুচরে । নিয়তি আমার ভাগ্য লয়ে যে নিশিদিন খেলা করে ।। হায় গো হৃদয় তবুও
ধা নিসাগামা ধা নিধা নিধা নিসা নিধা পামাগা মাগা মাগা মাগাসানি আহা হা ঝরনা ঝরঝরিয়ে জল ছড়িয়ে কেন নেচে নেচে
চলে যেতে যেতে দিন বলে যায় আধাঁরের শেষে ভোর হবে হয়তো পাখীর গানে গানে তবু কেন মন উদাস হল হয়তো
ঝগ​ড়াঝাটি রাগ, মারামারি ভাগ সেরে যাবে সব পাগলামি শুধু তিনটে চারটে সাতটা আটটা হামি, শুধু তিনটে চারটে সাতটা আটটা হামি।
এক সুত্রে বাঁধিয়াছি সহস্রটি মন, এক কার্যে সঁপিয়াছি সহস্র জীবন​- বন্দেমাতরম বন্দেমাতরম। এক সুত্রে বাঁধিয়াছি সহস্রটি মন, এক সুত্রে বাঁধিয়াছি
নয়ন তোমারে পাই না দেখিতে , রয়েছ নয়নে নয়নে । হৃদয় তোমায় পাই না জানিতে, হৃদয়ে রয়েছ গোপনে || বাসনার বসে
আমার মল্লিকাবনে যখন প্রথম ধরেছে কলি আমার মল্লিকাবনে যখন প্রথম ধরেছে কলি আমার মল্লিকাবনে তোমার লাগিয়া তখনি, বন্ধু, বেঁধেছিনু অঞ্জলি
ওগো নিঠুর দরদী, এ কি খেলছ অনুক্ষণ! ওগো নিঠুর দরদী। তোমার কাঁটায় ভরা বন তোমার প্রেমে ভরা মন। তোমার কাঁটায়
হায় হায় প্রাণ যায়, প্রাণ যায় যায় প্রাণ যায়। চোখ তারি, যেন কাটারি, দিল খুনে খুনে ভরে যায়। হে হে
আমি দূর হতে তোমারেই দেখেছি আর মুগ্ধ এ চোখে চেয়ে থেকেছি আমি দূর হতে তোমারেই দেখেছি আর মুগ্ধ হয়ে চোখে
আয়নাতে ঐ মুখ দেখবে যখন কপোলের কালো তিল পড়বে চোখে ফুটবে যখন ফুল বকুল শাখে ভ্রমর যে এসেছিলো জানবে লোকে।
জানলা খোলা দেখে থমকে দাড়ালো দুষ্টু হাওয়ায় ওড়া এলোমেলো সুর আমার কানে কিছু বলতে এলো সে হাতছানি তার অজানায় বহুদূর।
দে মা তবিলদারি, আমায় দে মা তবিলদারি, আমি নেমকহারাম নই শঙ্করী। পদরত্নভান্ডার সবাই লুটে ইহা আমি সইতে নারি, দে মা
গানে মোর কোন ইন্দ্রধনু আর স্বপ্ন ছড়াতে চায় হৃদয় ভরাতে চায়। গানে মোর কোন ইন্দ্রধনু আজ স্বপ্ন ছড়াতে চায় হৃদয়
ওগো নিরুপমা করিও ক্ষমা তোমাকে আমার ঘরনি করিতে আমার মনের দোসর করিতে পারিলামনা পারিলামনা তো কিছুতেই ওগো নিরুপমা হয়তো তোমার
কেউ বলে ফাল্গুন, কেউ বলে পলাশের মাস, আমি বলি আমার সর্বনাশ। কেউ বলে দখিনা, কেউ বলে মাতাল বাতাস, আমি বলি

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V