Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

ভারতবর্ষ সূর্যের এক নাম আমরা র​য়েছি সেই সূর্যের দেশে লীলাচঞ্চল সমুদ্রে অবিরাম গঙ্গা যমুনা ভাগীরথী যেথা মেশে ভারতবর্ষ সূর্যের এক
এবার তোর মরা গাঙে বান এসেছেজয় মা বলে ভাসা তরী।এবার তোর মরা গাঙে বান এসেছেজয় মা বলে ভাসা তরী। ওরে
বসন পরো মা, বসন পরো মা বসন পরো, পরো মা গো বসন পরো মা। চন্দনে চর্চিত জবা পদে দিব আমি
টাপুর টুপুর সারা দুপুর নূপুর বাজায় কে? যেন এক কাজলা মেয়ে। কাজল কাজল মেঘের আঁচল শুধু ওড়ায় কে? যেন এক
এক যে ছিল মাছি, তার নামটি ছিল পাঁচী। এক যে ছিল মাছি, তার নামটি ছিল পাঁচী। উড়তে উড়তে পাঁচী, গিয়ে
আশা ছিল ভালোবাসা ছিল আজ আশা নেই ভালোবাসা নেই এই সেই কৃষ্ণচূড়া যার তোলে দাঁড়িয়ে চোখে চোখ হাতে হাত কথা
ফাগুন,    হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান - তোমার  হাওয়ায় হাওয়ায়  করেছি যে দান - আমার    আপনহারা প্রাণ আমার বাঁধন-ছেঁড়া
দোলা হে দোলা হে দোলা হে দোলা আঁকা-বাঁকা পথে মোরা কাঁধে নিয়ে ছুটে যাই রাজা মহারাজাদের দোলা, ও দোলা আমাদের
নয়ন তোমারে পাই না দেখিতে , রয়েছ নয়নে নয়নে । হৃদয় তোমায় পাই না জানিতে, হৃদয়ে রয়েছ গোপনে || বাসনার বসে
যদি কেড়ে নিতে বলে কবিতা ঠাসা খাতা জেনো কেড়ে নিতে দেবো না। যদি ছেড়ে যেতে বলে শহুরে কথকতা জেনো আমি
এ তো ভালবাসা ন​য় ভালবাসা ন​য়​কামনা জ​ড়ানো চাওয়া,আঁধার পেরিয়ে আঁধারের সাথেআঁধারেতে ডুবে যাওয়া। দুখের এ মালা দিও না বঁধুয়া দাও
শঙ্খ বাজিয়ে মাকে ঘরে এনেছি সুগন্ধী ধূপ জ্বেলে আসন পেতেছি। শঙ্খ বাজিয়ে মাকে ঘরে এনেছি সুগন্ধী ধূপ জ্বেলে আসন পেতেছি।
ভেবে দেখ মন, কেউ কারো নয়, মিছে ভ্রম ভূ-মন্ডলে ৷ ভেবে দেখ মন, কেউ কারো নয়, মিছে ভ্রম ভূ-মন্ডলে ৷
আয়  তবে  সহচরী, হাতে হাতে ধরি ধরি নাচিবি ঘিরি ঘিরি, গাহিবি গান । আন তবে বীণা --- সপ্তম সুরে বাঁধ তবে তান ||
না যেও না, না যেও না, রজনী এখনও বাকী আরও কিছু দিতে বাকী বলে রাত জাগা পাখি। না যেও না।
ছেড়েছো তো অনেক কিছুই পুরোনো অভ্যেস অসুখ বিসুখ হওয়ার পরে ঝিলিপি সন্দেশ ছেড়েছো তো অনেক কিছুই পুরোনো অভ্যেস অসুখ বিসুখ
পা নি সা রে গা নি সা নি সা গারে গা মা গা মাগা নি সা গা মা গা মাগা
আজ তবে এইটুকু থাক, বাকি কথা পরে হবে। ধূসর ধূলির পথ, ভেঙে পড়ে আছে রথ, বহুদূর দূর যেতে হবে। আজ
আজি বসন্ত জাগ্রত দ্বারে। বসন্ত জাগ্রত দ্বারে। তব অবগুন্ঠিত কুন্ঠিত জীবনে কোরো না বিড়ম্বিত তারে। বসন্ত জাগ্রত দ্বারে। আজি খুলিয়ো
এমন আমি ঘর বেঁধেছি পাহাড়ে যার ঠিকানা নাই স্বপনের সিঁড়ি দিয়ে যেখানে পৌঁছে আমি যাই এমন আমি ঘর বেঁধেছি পাহাড়ে
ফেটে গেল ফেটে গেল কালিরামের ঢোল সে এক দাঁড়কাকের সাধ হল কোকিলা সাজিতে পড়ল ধরা কাকা রবে তার সে জারিজুরি
এসো হে বৈশাখ এসো, এসো, এসো হে বৈশাখ এসো, এসো, তাপসনিশ্বাসবায়ে মুমূর্ষুরে দাও উড়ায়ে, তাপসনিশ্বাসবায়ে মুমূর্ষুরে দাও উড়ায়ে, বৎসরের আবর্জনা
বঁধুয়া, নিদ নাহি আঁখিপাতে। আমিও একাকী, তুমিও একাকী আজি এ বাদল-রাতে। ডাকিছে দাদুরী মিলনতিয়াসে ঝিল্লি ডাকিছে উল্লাসে। পল্লীর বধু বিরহী
তুমি যে আমার ওগো তুমি যে আমার । তুমি যে আমার ওগো তুমি যে আমার । কানে কানে শুধু একবার

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V