Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

টাপুর টুপুর বৃষ্টি নুপুর জলছবিরই গায়ে, তুই যে আমার একলা আকাশ, মেঠো সুরের ছাই রে মেঠো সুরের ছাই। রং বেরঙের
আমি কোন পথে যে চলি কোন কথা যে বলি তোমায় সামনে পেয়েও খুঁজে বেরাই মনের চোরাগলি ।। সেই গলিতেই ঢুকতে
উথালি পাথালি আমার বুক আমার, মনেতে নাই সুখরে আমায় ডুবাইলিরে আমায় ভাসাইলিরে অকুল দরীয়ায় বুঝি কুল নাইরে হেইয়া হেইয়া হেইয়া
এলো বরষা যে সহসা মনে তাই, রিম ঝিম ঝিম রিম ঝিম ঝিম গান গেয়ে যাই। এলো বরষা যে সহসা মনে
বেসামে বেসামে মুচো কোমো সি ফুয়েরা এস্তা নচে লা উলতিমা ভেজ বেসামে বেসামে মুচো কোয়েতেনঙ্গ মুয়েদো অ পেরদতে পেরদতে দেসপুইজ্
পা পা মা গা রে সা পা পা মা গা রে সা তার চোখের জটিল ভাষা ধা ধা পা মা
লাল ফিতে সাদা মোজা সু-স্কুলের ইউনিফর্ম ন'টার সাইরেন সংকেত সিলেবাসে মনোযোগ কম পড়া ফেলে এক ছুট ছুট্টে রাস্তার মোড়ে, দেখে
ভালবাসার আগুন জ্বেলে কেন চলে যায় ভালবাসার আগুন জ্বেলে কেন চলে যায় ব্যাথার বাতাস কেঁদে মরে ব্যাথার বাতাস কেঁদে মরে
মন যদি তুই বৃন্দাবনে যাবি পাগল, মন যদি তুই বৃন্দাবনে যাবি অনুরাগের ঘরে মারগা চাবি। টলাটলের মধ্য দিয়া উর্দ্ধ রে
আমি চলতে চলতে থেমে গেছি আমি বলতে বলতে ভুলে গেছি যে কথা তোমাকে বলবো। আমি চলতে চলতে থেমে গেছি আমি
ওই ঘুম ঘুম ঘুমন্ত ঘুম ঘুম পাহাড়ে দূর দূর দিগন্তে পড়ে তার ছায়া রে, মোর মন আনমন, জানি না কেন,
একটুকু ছোঁয়া লাগে, একটুকু কথা শুনি - তাই দিয়ে মনে মনে রচি মম ফাল্গুনী ।। কিছু পলাশের নেশা কিছু বা চাঁপায় মেশা,
বুলবুল পাখি, ময়না, টিয়ে, আয় না যা না গান শুনিয়ে। বুলবুল পাখি, ময়না, টিয়ে, আয় না যা না গান শুনিয়ে।
ও তোমারি চলার পথে দিয়ে যেতে চাই আমি একটু আমার ভালোবাসা ও তোমারি চলার পথে দিয়ে যেতে চাই আমি একটু
দোলা হে দোলা হে দোলা হে দোলা আঁকা-বাঁকা পথে মোরা কাঁধে নিয়ে ছুটে যাই রাজা মহারাজাদের দোলা, ও দোলা আমাদের
বসন পরো মা, বসন পরো মা বসন পরো, পরো মা গো বসন পরো মা। চন্দনে চর্চিত জবা পদে দিব আমি
আমায় নহে গো ভালোবাসো শুধু ভালোবাসো মোর গান। আমায় নহে গো ভালোবাসো শুধু ভালোবাসো মোর গান। বনের পাখিরে কে চিনে
জানি না আজ যে আপন কাল সে কেন পর হ​য়ে যায়​ জানি না আজ যে আপন কাল সে কেন পর
টুং-টাং পিয়ানোয় সারাটি দুপুর, কচি কচি দুটি হাত তুলবে যে সুর। মাথা নেড়ে বুড়োবুড়ি শুনবে যে গান। হুপ-হুপ লাফাবে যে
Male version: কতবার তোর বাড়ি গিয়ে ফিরে, ফিরে এলাম আমার মতে তোর মতন কেউ নেই । কতবার তোর জানলা দিয়ে
নাচ ময়ুরী নাচ রে, রুম ঝুমা ঝুম নাচরে । ঐ এলো আকাশ ছেয়ে ও বর্ষা রাণী সাজ রে । নাচ
মায়ের পায়ের জবা হয়ে ওঠনা ফুটে মন। আমার মায়ের পায়ের জবা হয়ে ওঠনা ফুটে মন। তার গন্ধ না থাক যা
ঝনক-ঝনক কনক কাঁকন বাজে নতুন নতুন কুঁড়ি ফোটে লাজে। ঝনক-ঝনক ঝনক-ঝনক কনক কাঁকন বাজে নতুন নতুন কুঁড়ি ফোটে লাজে। ঝনক-ঝনক
কৃষ্ণচূড়া শোন শোন শোন। সারাবেলা দোলায় তোকে ক্ষ্যাপা হাওয়া যে! ক্ষ্যাপা হাওয়া যে! তার পায়ের শব্দ যায় না শোনা পাতার

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V