Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

সমারোহে এসো হে পরমতর সুন্দর এসো হে। সমারোহে এসো হে পরমতর সুন্দর এসো হে। ঝনক ঝংকারে, উড়ায় শঙ্কারে খুলেছে দুয়ার
হে কৃষ্ণ করুণাসিন্ধু দীনবন্ধু জগ​ৎপতেগোপেশ ও গোপিকা কান্ত রাধাকান্ত নমস্তুতে।বাজুক ডম্ম রে রবাব পাখোয়াজ করতাল তালধরল মেলিচলদচিত্রগতি সকল কলাবতীকরে করে
একটা ছেলে মনের আঙিনাতে ধীর পায়েতে এক্কা দোক্কা খেলে বন পাহাড়ি ঝর্না খুঁজে বৃষ্টি জলে একলা ভিজে। একটা ছেলে মনের
কি উপহার সাজিয়ে দেব গান আছে তাই শুনিয়ে যাব অনন্ত আমারই গান দুরন্ত আমারই প্রান এইতো উপহার। কি উপহার সাজিয়ে
জানা অজানা পথে চলেছি জানা অজানা পথে চলেছি একে একে দুই দুয়ে একে তিন হয়েছি জানা অজানা পথে চলেছি জানা
উড়ে যাক এ ঘুম আমার, ছুঁতে শ্বেত পাথরের রাত। জানি পাইনা কাছে কিছু আমার শূণ্য দুটি হাত। ভরে যাক এ
গুন গুন ভ্রমরা মন যে উতলা গুন গুন ভ্রমরা মন যে উতলা বন্ধু আসিবে আজকে গোপনে গানে গানে আমি ভরে
যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে তবে একলা চলো রে। একলা চলো, একলা চলো, একলা চলো, একলা চলো রে।।
ফুলকলি রে ফুলকলি রে ফুলকলি রে ফুলকলি ও আমার ফুলি আমায় ফেলে যাচ্ছিস কোন গলি ফুলকলি রে ফুলকলি বল তো
আ... একি অপূর্ব প্রেম দিলে বিধাতা আমায়। একি অপূর্ব প্রেম দিলে বিধাতা আমায়। ভালবেসে, ভালবেসে রাজা বা ফকির, দুই-ই হওয়া
সব কথা বলা হলো বাকি রয়ে গেল শুধু বলিতে, যে কথা মনের কথা কতবার থেমে গেছি বলিতে বলিতে বলিতে বলিতে।
ফেটে গেল ফেটে গেল কালিরামের ঢোল সে এক দাঁড়কাকের সাধ হল কোকিলা সাজিতে পড়ল ধরা কাকা রবে তার সে জারিজুরি
হা হা হা লা লা লা লা লা আহা হা পৃথিবী বদলে গেছে যা দেখি কি নতুন লাগে পৃথিবী বদলে
লীলাবালি লীলাবালি বড় যুবতী সই মোর বড় যুবতী ঘরে কি দিয়া সাজাইমু তোরে। লীলাবালি লীলাবালি বড় যুবতী সই মোর বড়
যখন ডাকল বাঁশি তখন রাঁধা যাবেই যমুনায় । যখন ডাকল বাঁশি তখন রাঁধা যাবেই যমুনায় । জ্বলে পুড়ে মরল রাঁধা
মুসাফির মোছ রে আঁখিজল ফিরে চল আপনারে নিয়া। মুসাফির মোছ রে আঁখিজল ফিরে চল আপনারে নিয়া। আপনি ফুটেছিল ফুল গিয়াছে
ও মৌ তুমি জানো না যে মাঝরাতে একঘেয়ে এই বিছানাতে আজও কথা বলি কার সাথে। জানি না কার কী যায়
ও দিদিমণি ও দিদিমণি গানের রাণী দাও গাইতে আমায় রেডিও ইষ্টিশনে গানের রাণী দাও গাইতে আমায় রেডিও ইষ্টিশনে আমি যে
আমি      কান পেতে রই ও আমার আপন হৃদয়্গহনদ্বারে বারে বারে কোন     গোপনবাসীর কান্নাহাসির    গোপন কথা শুনিবারে--
তুমি যাকে ভালবাসো স্নানের ঘরে বাষ্পে ভাসো তার জীবনে ঝ​ড়​ তুমি যাকে ভালবাসো স্নানের ঘরে বাষ্পে ভাসো তার জীবনে ঝ​ড়​
বন্ধ মনের দুয়ার দিয়েছি খুলে। এসেছে ফাগুন হওয়া, এখন সবই দেবার পালা নেই তো কিছু চাওয়ার। বন্ধ মনের দুয়ার দিয়েছি
বলি ও ননদী বলি ও ননদী আর দু মুঠো চাল ফেলে দে হাঁড়িতে ঠাকুর জামাই এলো বাড়িতে। লো ননদী। ঠাকুর
একা নরে, কানে করে একা নরে, কানে করে তেঁতুল পারে, ছরে ছরে। এক হাতে তার নুনের ভাঁড় আর এক হাতে
তোকে নিয়ে ঘুরতে যাব একশো বৃন্দাবন- হে তোকে নিয়ে ঘুরতে যাব একশো বৃন্দাবন, আমি আর অন্য কিছুর মুডে নেই এখন।

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V