Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

বসন পরো মা, বসন পরো মা বসন পরো, পরো মা গো বসন পরো মা। চন্দনে চর্চিত জবা পদে দিব আমি
আ আ আ আ আ আ বাঁশি শুনে কি ঘরে থাকা যায় বাঁশি শুনে কি ঘরে থাকা যায় বলো গো
শহর জুরে যেন প্রেমের মরশুম আলোতে মাখামাখি আমার এ গ্রীনরুম কখন নেমে আসে অচেনা প্যারাশুট তোমাকে ভালোবেসে আমার চিরকুট কলকাতা
কি মিষ্টি দেখো মিষ্টি কি মিষ্টি দেখো মিষ্টি কি মিষ্টি এ সকাল ! কি মিষ্টি দেখো মিষ্টি কি মিষ্টি এ
এক যে ছিল রাজা হবু চন্দ্র তাহার নাম, ভারতের অধিশ্বর দিল্লীতে তার ধাম। প্রধান মন্ত্রী তার গবু চন্দ্র শুভ নাম,
আজি        বিজন ঘরে নিশীথরাতে আসবে যদি শূন্য হাতে -      আমি       তাই তে
ওই গাছের পাতায় রোদের ঝিকিমিকি আমায় চমকে দাও চমকে দাও, দাও দাও দাও আমার মন মানে না, দেরী আর সয়
কে আবার বাজায় বাঁশি এ ভাঙ্গা কুঞ্জবনে! কে আবার বাজায় বাঁশি এ ভাঙ্গা কুঞ্জবনে! হৃদি মোর উঠল কাঁপি, চরণের সেই
তুমি আসবে বলেই- তুমি আসবে বলেই, আকাশ মেঘলা বৃষ্টি এখনো হয়নি। তুমি আসবে বলেই, কৃষ্ণচূড়ার ফুলগুলো ঝরে যায়নি। তুমি আসবে
কি করে তোকে বলব, তুই কে আমার আয় না সাথে চলব, সব পারাপার। মনেরই আসকারাতে তোর কাছে এলাম হারিয়ে গেলাম।
শীতের হাওয়ার লাগল নাচন আমলকির এই ডালে ডালে । পাতাগুলি শিরশিরিয়ে ঝরিয়ে  দিল  তালে  তালে || উড়িয়ে  দেবার  মাতন  এসে  কাঙাল তারে
আমি বলি, আমি বলি তোমায় দূরে থাকো তুমি কথা রাখো না। আমি বলি তোমায় দূরে থাকো তুমি কথা রাখো না।
রাধে ... রাধে... রাধে মনটা রেখে এলি বল কোন মথুরায় ? একবার মন দিলে হায় রে - তারে একবার মন
ভোলা মন​ হায় মনের কথা কাকে বলি আর এমন করে ছিঁড়ল কেনে একতারাটার তার ও উদাস বাউল নেই তো বাউল
এ গানে প্রজাপতি পাখায় পাখায় রঙ ছ​ড়ায়​ এ গানে রামধনু তার সাতটি রঙের দোল​ ঝরায়। এ গানে প্রজাপতি পাখায় পাখায়
আজ দুজনার দুটি পথ ওগো দুটি দিকে গেছে বেঁকে আজ দুজনার দুটি পথ ওগো দুটি দিকে গেছে বেঁকে তোমার ও
তুমি যে আমার ওগো তুমি যে আমার । তুমি যে আমার ওগো তুমি যে আমার । কানে কানে শুধু একবার
আমার পরান যাহা চায় তুমি তাই, তুমি তাই গো। তোমা ছাড়া আর এ জগতে মোর কেহ নাই, কিছু নাই গো।।
কৃষ্ণচূড়া শোন শোন শোন। সারাবেলা দোলায় তোকে ক্ষ্যাপা হাওয়া যে! ক্ষ্যাপা হাওয়া যে! তার পায়ের শব্দ যায় না শোনা পাতার
বড় লোকের বেটি লো লম্বা লম্বা চুল, এমন মাথায় বেঁধে দেবো লাল গেন্দা ফুল। বড় লোকের বেটি লো লম্বা লম্বা
অলিরও কথা শুনে বকুল হাসে কই তাহার মত তুমি আমার কথা শুনে হাসো না তো ! ধরারও ধুলিতে যে ফাগুন
আলগা দিচ্ছি সুতো, পালিয়ে যাওয়ার ছুতো, রাখলে মনে ভালো, কে ফিরে তাকালো? এই কপালের দাগে, অনেক বছর আগে, ছিলাম তোমার
মধু বনে বাঁশি বাজে রাধা হল বেমনা ও মন কেন মানে না রাধা বাঁশি ছাড়া জানে না মন কেন রাধা
এসো হে বৈশাখ এসো, এসো, এসো হে বৈশাখ এসো, এসো, তাপসনিশ্বাসবায়ে মুমূর্ষুরে দাও উড়ায়ে, তাপসনিশ্বাসবায়ে মুমূর্ষুরে দাও উড়ায়ে, বৎসরের আবর্জনা

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V