Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

এ কথা কি জানে ইন্দু জোছনাকে বুকে ধরে ভালবাসে তাকে সিন্ধু সে কথা কি জানে ইন্দু যেখানে যখনি থাকি ওই
না না না না না না মাধবী ফুটেছে ওই হ্যাঁ তারা সব উঠেছে ওই হ্যাঁ ও ও ও ও আমি
যত দূরে যাবে চোখ তুমি ছাড়া- কিচ্ছু নেই কেউ কোথাও - নোনা জলে ডুবে আছে  গোটা পাড়া সাবধানে দুঃখ দাও
মন রে কৃষিকাজ জানো না। মন রে কৃষিকাজ জানো না। এমন মানব জমিন রইল পতিত আবাদ করলে ফলত সোনা। মানব
কি করে তোকে বলব, তুই কে আমার আয় না সাথে চলব, সব পারাপার। মনেরই আসকারাতে তোর কাছে এলাম হারিয়ে গেলাম।
ও শ্যামু শ্যাম রে ফুল ফোটাতে মধুবনে ডাক দেরে বসন্ত রে একবার ডাক দেরে বসন্ত রে আমি এসে গেছি রে
যেমন বেনী তেমনি রবে চুল ভিজাবো না আমার যেমন বেনী তেমনি রবে চুল ভিজাবো না ওগো চুল ভিজাবো না না
ফেটে গেল ফেটে গেল কালিরামের ঢোল সে এক দাঁড়কাকের সাধ হল কোকিলা সাজিতে পড়ল ধরা কাকা রবে তার সে জারিজুরি
ও একটু বোসো চলে যেও না হাঁ একটু বোসো চলে যেও না যেও না চলে চলে যেও না চলে গেলে
জেনে শুনে বিষ করেছি পান। আমি- জেনে শুনে বিষ করেছি পান। প্রাণের আশা ছেড়ে সঁপেছি প্রাণ। আমি- জেনে শুনে বিষ
হা হা হা ব​ড়ো একা লাগে এই আঁধারে মেঘের খেলা আকাশ পারে ব​ড়ো একা লাগে এই আঁধারে ব​ড়ো একা লাগে
যদি জানতেম আমার কিসের ব্যাথা তোমায় জানাতাম । কে যে আমায় কাঁদায় কে যে আমায় কাঁদায় আমি কি জানি তার
মেঘ-বিহীন খর-বৈশাখে মেঘ-বিহীন খর-বৈশাখে তৃষায় কাতর চাতকী ডাকে। মেঘ-বিহীন খর-বৈশাখে সমাধি-মগ্না উমা তপতী – সমাধি-মগ্না উমা তপতী – রৌদ্র যেন
সেই , গ্রীষ্মের সকাল গুলোতেই পর্দা ঠেলে সরিয়ে হাওয়া দিলো ভাসিয়ে হাওয়া দিলো ভাসিয়ে। তখন, আমার এ বিছানা ঘুম ছাড়েনি
আমার স্বপন কিনতে পারে এমন আমির কই? আমার জলছবিতে রঙ মেলাবে এমন আবির কই? আমার স্বপন কিনতে পারে এমন আমির
ও পাখি উড়ে আয়, উড়ে আয় তোরি সুরে যা যা দেখে যা যা যারে দেখে যা- আমি আজ কার কাছে
যখন     পড়বে না মোর পায়ের চিহ্ন এই বাটে, আমি     বাইব না মোর খেয়াতরী এই ঘাটে,          চুকিয়ে
মন্দ বলে লোকে বলুক না,বলুক না। হিংসে করে জ্বলে জ্বলুক না, জ্বলুক না। তবুও দুজনে কূজনে কূজনে তবুও তবুও দুজনে
যখন নীরবে দূরে দাঁড়াও এসে যেখানে পথ বেঁকেছে যখন নীরবে দূরে দাঁড়াও এসে যেখানে পথ বেঁকেছে তোমায় ছুঁতে চাওয়ার মুহূর্তরা
এক ঝাঁক পাখিদের মত কিছু রোদ্দুর বাধা ভেঙ্গে জানলার শার্শী সমুদ্দুর একঝাঁক পাখিদের মত কিছু রোদ্দুর এল আঁধারের শত্তুর। এক
সমারোহে এসো হে পরমতর সুন্দর এসো হে। সমারোহে এসো হে পরমতর সুন্দর এসো হে। ঝনক ঝংকারে, উড়ায় শঙ্কারে খুলেছে দুয়ার
তোমাতে আমাতে দেখা হয়েছিল। তোমাতে আমাতে দেখা হয়েছিল, জানিনা কবে কোথায় জানিনা মন দেওয়া নেওয়া খেলা হয়েছিলো জানিনা কবে কোথায়।
খোলাখুলি বলতে গেলে, পরে গেছি তোর কবলে, তলিয়েছে মন, ভীষণ রকম, অথৈ জলে। খোলাখুলি বলতে গেলে, পরে গেছি তোর কবলে,
ও শ্যাম যখন তখন খেলোনা খেলা অমন ও শ্যাম যখন তখন খেলোনা খেলা অমন ধরলে আজ তোমায় ছাড়বনা না না

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V