Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

আমি এক যাযাবর, আমি এক যাযাবর, পৃথিবী আমাকে আপন করেছে ভুলেছি নিজের ঘর। আমি এক যাযাবর, আমি এক যাযাবর। আমি
না ডেকো না। না ডেকো না। ডেকো না গো মোরে, ডাকিলে আমাতে থাকে না মন​। ও না ডেকো না। ডেকো না
দেখা হবে বলে বারে বারে ছুটে আসা চেনা চৌকাঠে চাওয়াগুলো ধুতে আসা ছায়া পাবো বলে হাতে হাতে ছুটে আসা ভালবাসা
কে তুমি আমারে ডাকো অলখে লুকায়ে থাকো ফিরে ফিরে চাই দেখিতে না পাই।। মনে তো পড়ে না তবুও যে মনে
আমি তোমার সঙ্গে বেঁধেছি আমার প্রাণ সুরের বাঁধনে— তুমি জান না, আমি তোমারে পেয়েছি অজানা সাধনে ।। সে সাধনায় মিশিয়া
এ কোন সকাল রাতের চেয়েও অন্ধকার- এ কোন সকাল রাতের চেয়েও অন্ধকার! এ কোন সকাল রাতের চেয়েও অন্ধকার! ও কি
আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি। চিরদিন তোমার আকাশ, চিরদিন তোমার আকাশ, তোমার বাতাস, আমার প্রাণে ও গো, আমার প্রাণে
তোমার আকাশ দুটি চোখে, আমি হয়ে গেছি তারা। ওগো তোমার আকাশ দুটি চোখে, আমি হয়ে গেছি তারা। এই জীবন ছিল
চল রাস্তায় সাজি ট্রাম লাইন আর কবিতায় শুয়ে কাপ্লেট আহা উত্তাপ কত সুন্দর তুই থার্মোমিটারে মাপলে। হিয়া টুপটাপ জিয়া নস্টাল
বঁধুয়া, নিদ নাহি আঁখিপাতে। আমিও একাকী, তুমিও একাকী আজি এ বাদল-রাতে। ডাকিছে দাদুরী মিলনতিয়াসে ঝিল্লি ডাকিছে উল্লাসে। পল্লীর বধু বিরহী
আমার জীবনের এতো খুশি এতো হাসি কোথায় গেলো আমার জীবনের এতো খুশি এতো হাসি কোথায় গেলো ফুলের বুকে সেই অলির
যে জন প্রেমের ভাব জানে না তার সঙ্গে নাই লেনাদেনা খাঁটি সোনা ছাড়িয়া যে নেয় নকল সোনা সে জন সোনা
ওরে পাকা চুল কালো করে কলপ যে ঐ মাখে, নোংড়া গায়ের গন্ধ যে ঐ আতর ঘসে ঢাকে। খেয়ে যে লাথি
বিপিন বাবুর কারন সুধা মেটায় জ্বালা মেটায় ক্ষুধা। বুঝলি পদা! এ বিপিন বাবুর কারন সুধা মেটায় জ্বালা মেটায় ক্ষুধা। মরা
মুছে যাওয়া দিনগুলি আমায় যে পিছু ডাকে স্মৃতি যেন আমার এ হৃদয়ে বেদনার রঙে রঙে ছবি আঁকে। মুছে যাওয়া দিনগুলি
ক্ষমা করো আমি ভালো নেই ক্ষমা করো আমি ভালো নেই এলোমেলো হয়ে গেছি, যেন সব হারিয়েছি, হে বসন্ত বিদায়। ক্ষমা
দিয়ে গেনু বসন্তের এই গানখানি- দিয়ে গেনু বসন্তের এই বরষ ফুরায়ে যাবে, ভুলে যাবে ভুলে যাবে ভুলে যাবে জানি দিয়ে
তোমার      খোলা হওয়া লাগিয়ে পালে      টুকরো করে কাছি আমি        ডুবতে রাজি আছি আমি ডুবতে
করি মানা কাম ছাড়েনা মদনে প্রেম রসিকা হব কেমনে ?। এই দেহেতে মদন রাজা চালায় হুজুরি কর আদায় করে নিয়ে
যখন ডাকল বাঁশি তখন রাঁধা যাবেই যমুনায় । যখন ডাকল বাঁশি তখন রাঁধা যাবেই যমুনায় । জ্বলে পুড়ে মরল রাঁধা
চোখ ছলছল করে, ওগো মা কি ব্যথা অন্তরে, ওগো মা ভাঙ্গনের যে খেলা চারিধার নেই আজ গান একতার চোখ ছলছল
এই শোনো তুমি শুনতে পাচ্ছো কি ? রাতের তারাগুলো গুনতে পারছ কি ? এই তোমার আমার এক মলাটের রাত আর
গানে ভুবন ভরিয়ে দেবে ভেবেছিল একটি পাখী হঠাৎ বুকে বিঁধল যে তীর স্বপ্ন দেখা হল ফাঁকি। গানে ভুবন ভরিয়ে দেবে
মাগো আনন্দময়ী নিরানন্দ কর না। মাগো আনন্দময়ী নিরানন্দ কর না। তোমার ও দুটি চরণ বিনে আমার মন ও দুটি চরণ

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V