Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

আজ যাই? আসব আর একদিন আজ যাই। আসব আর একদিন আজ যাই। হো ফোটা ঝরা ফুলের যে কাজ তাই। আজ
চলে যেতে যেতে দিন বলে যায় আধাঁরের শেষে ভোর হবে হয়তো পাখীর গানে গানে তবু কেন মন উদাস হল হয়তো
হয়তো তোমারি জন্য হয়েছি প্রেমে যে বন্য জানি তুমি অনন্য আশার হাত বাড়াই । যদি কখনো একান্তে চেয়েছি তোমায় জানতে
অজানা কোনো গল্প বলে মেঘলা নীল, অচেনা পথে দিচ্ছে পাড়ি একলা চিল। অজানা কোনো গল্প বলে মেঘলা নীল, অচেনা পথে
মানুষ মানুষের জন্যে, জীবন জীবনের জন্যে। একটু সহানুভূতি কি মানুষ পেতে পারে না? ও বন্ধু- মানুষ মানুষের জন্যে, জীবন জীবনের
কারার ঐ লৌহকপাট, ভেঙ্গে ফেল কর রে লোপাট, রক্ত-জমাট শিকল পূজার পাষাণ-বেদী। কারার ঐ লৌহকপাট, ভেঙে ফেল কর রে লোপাট,
আমি কোথায় পাবো তারে আমার মনের মানুষ যে রে। আমি কোথায় পাবো তারে আমার মনের মানুষ যে রে। হারায়ে সেই
ওরে সুজন নাইয়া ওরে সুজন নাইয়া কোন বা কন্যার দেশে যাও রে চাঁদের ডিঙ্গা বাইয়া? ওরে সুজন নাইয়া- গ্রহ তারার
ও ছেড়োনা ছেড়োনা হাত দেব না দেব না গো যেতে থাক আমার কাছে। ছেড়োনা ছেড়োনা হাত দেব না দেব না
আমি শুনেছি সেদিন তুমি সাগরের ঢেউ এ চেপে নীলজল দিগন্ত ছুঁয়ে এসেছ​। আমি শুনেছি সেদিন তুমি নোনা বালি তীর ধরে
সুন্দরী গো দোহাই দোহাই মান করোনা। আজ নিশিথে কাছে থাকো না বলো না। সুন্দরীগো দোহাই দোহাই মান করোনা। অনেক শিখা
যারে যারে উড়ে যারে পাখি ফুরালো প্রাণের মেলা শেষ হ​য়ে এলো বেলা আর কেন মিছে তোরে বেঁধে রাখি যারে আকাশে
পরিয়ে কৌপনি ধ্বজা মজা উড়ালো ফকিরী । দেখ না মন ঝাকমারি এই দুনিয়াদারি ।। বড় আশার বাসা এ ঘর পড়ে
ফান্দে পড়িয়া বগা কান্দে রে ফান্দে পড়িয়া বগা কান্দে রে ফান্দ বসাইছে ফান্দি রে ভাই পুঁটি মাছো দিয়া ওরে মাছের
আমার মনটা টানে আমার মনটা টানে ঘরের পানে কোথায় আমার ঘর যদি মন ঘরানি পাবে সে ঘর আশার খুঁটি দিয়া
সাদাকালো কিছু ডোরাকাটা দাগ ঐ পেরোচ্ছে রোদ্দুর ট্রামের তারে আটকা ঘুড়ি ভাবছে সমুদ্দুর হুম​ সাদাকালো কিছু ডোরাকাটা দাগ ঐ পেরোচ্ছে
বাড়ীর কাছে আরশী নগর সেথা পড়শী বসত করে এক ঘর​ পড়শী বসত করে আমি এক দিনও না দেখিলাম তারে। বাড়ীর
হাতে ছিলো মশাল আর ধোঁয়াতে যে হারিয়েছে প্রমান। সে ভেবেছিলো খবর ঢেকে যাবে উড়ে যাবে বিমান। হাতে ছিলো মশাল আর
মা তোর কত রঙ্গ দেখবো বল মা তোর কত রঙ্গ দেখবো বল আর কত কাল সইবো এ ছল। মা তোর
মে দিবসের গান ==================== জন হেনরী, জন হেনরী- নাম তার ছিল জন হেনরী ছিল যেন জীবন্ত ইঞ্জিন হাতুড়ির তালে তালে
আলগা দিচ্ছি সুতো, পালিয়ে যাওয়ার ছুতো, রাখলে মনে ভালো, কে ফিরে তাকালো? এই কপালের দাগে, অনেক বছর আগে, ছিলাম তোমার
এ শুধু গানের দিন এ লগন গান শোনাবার - এ শুধু গানের দিন এ লগন গান শোনাবার - এ তিথি
চল্‌ চল্ চল্ চল্‌ চল্ চল্ ঊর্দ্ধ গগনে বাজে মাদল, নিম্নে উতলা ধরণী তল অরুণ প্রাতের তরুণ দল চল্‌ রে
টাপুর টুপুর বৃষ্টি ঝরে টাপুর টুপুর বৃষ্টি ঝরে কোন সে আকাশ থেকে ও আমার কমলিনী শিহরিয়া যায় টাপুর টুপুর বৃষ্টি

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V