Rabindra Sangeet – রবীন্দ্রসঙ্গীত

অস্ত আকাশের গোধূলি রঙ নিয়ে, ক্লান্ত তটিনী রঙিন হ​য়ে ব​য়ে যায়​, ব​য়ে যায়​। অস্ত আকাশের গোধূলি রঙ নিয়ে, ক্লান্ত তটিনী
মা আমার সাধ না মিটিল আশা না পুরিল সকলি ফুরায়ে যায় মা। আমার সাধ না মিটিল আশা না পুরিল সকলি
আমার সকল রসের ধারা তোমাতে আজ হোক-না হারা। আমার সকল রসের ধারা তোমাতে আজ হোক-না হারা। আমার সকল রসের ধারা
মনে করো আমি নেই বসন্ত এসে গেছে কৃষ্ণচূড়ার বন্যায় চৈতালি ভেসে গেছে মনে করো আমি নেই বসন্ত এসে গেছে কৃষ্ণচূড়ার
কিভাবে কত কি পুড়ে ছাই। কখন কে জানে রাস্তার মোড়ে হাত নাড়ি বিদায় বাসের সারি বুকের ভেতর ভাড়ি পাথরের ছোঁয়াটুকু
চরণ ধরিতে দিযো গো আমারে - নিয়ো না,  নিয়ো না সরায়ে । জীবন মরণ সুখ দুখ দিয়ে বক্ষে ধরিব জড়ায়ে । স্খলিত শিথিল কামনার
লাল ফিতে সাদা মোজা সু-স্কুলের ইউনিফর্ম ন'টার সাইরেন সংকেত সিলেবাসে মনোযোগ কম পড়া ফেলে এক ছুট ছুট্টে রাস্তার মোড়ে, দেখে
দূরে থেকো না। আরো কাছে এসো। পরশ করে দেখো আমায় রোমাঞ্চ জাগে কি? দূরে থেকো না। আরো আরো কাছে এসো।
বিপিন বাবুর কারন সুধা মেটায় জ্বালা মেটায় ক্ষুধা। বুঝলি পদা! এ বিপিন বাবুর কারন সুধা মেটায় জ্বালা মেটায় ক্ষুধা। মরা
যেখানে সাঁইর বারামখানা । শুনিলে প্রাণ চমকে উঠে দেখতে যেমন ভুজাঙ্গনা ।। যা ছুঁইলে প্রাণে মরি এই জগতে তাইতে তরি
নি সা গা মা পা নি সা রে গা নি সা গা মা পা নি সা রে গা গা গা
বোঝাবো কি করে তোকে কতো আমি চাই তোর কথা মনে এলে নিজেকে হারাই তোকেই মাথায় করে বেঁচে আছি তাই আমি
বাড়ীর কাছে আরশী নগর সেথা পড়শী বসত করে এক ঘর​ পড়শী বসত করে আমি এক দিনও না দেখিলাম তারে। বাড়ীর
এই কথাটি মনে রেখো তোমাদের এই হাসিখেলায় এই কথাটি মনে রেখো তোমাদের এই হাসিখেলায় আমি যে গান গেয়েছিলেম মনে রেখো
আঁকা বাঁকা পথে যদি মন হয়ে যায় নদী তীর ছুঁয়ে বসে থাকি না আমাকে ধরে রাখি না আঁকা বাঁকা পথে
আমার ভিতরে বাহিরে অন্তরে অন্তরে , আছো তুমি হৃদয় জুড়ে। আমার ভিতরে বাহিরে অন্তরে অন্তরে , আছো তুমি হৃদয় জুড়ে।
নদীর যেমন ঝর্ণা আছেঝর্ণারও নদী আছে।আমার আছো তুমি শুধু তুমি।আমার আছো তুমি শুধু তুমি। বাঁশীর যেমন কৃষ্ণ আছেকৃষ্ণেরও বাঁশী আছে।আমার
ওম জয়ং দেহি মা বলম দেহি মা রুপম দেহি মা যশ দেহি মা আজ বাজে মন মাঝে ওই আগমনীর গান
  এই রাত তোমার আমার । ওই চাঁদ তোমার আমার । শুধু দু'জনের- এই রাত শুধু যে গানের । এই
এমন মানব জনম আর কি হবে। মন যা কর, ত্বরায় কর এই ভবে।। অনন্ত রূপ সৃষ্টি করলেন সাঁই, শুনি মানব
তুমি আর তো কারো নও শুধু আমার যত দূরে সরে যাও রবে আমার স্তব্ধ সময়টাকে ধরে রেখে ! স্মৃতির পাতায়
ব্রজ–গোপী খেলে হোরী হোরী রে ব্রজ–গোপী খেলে হোরী খেলে আনন্দ নবঘন শ্যাম সাথে। ব্রজ–গোপী খেলে হোরী হোরী রে ব্রজ–গোপী খেলে
লীলাবালি লীলাবালি বড় যুবতী সই মোর বড় যুবতী ঘরে কি দিয়া সাজাইমু তোরে। লীলাবালি লীলাবালি বড় যুবতী সই মোর বড়
এসো মিলে মিশে থাকি ধরে শরীরে জোনাকি ভালবাসার​ এসো হাতে হাত রাখি আছে যেটুকু যা বাকি কাছে আসার কাছে আসার

A

B

C

D

E

G

H

J

K

M

N

O

P

R

S

T

V